ইতিমধ্যে পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা সহ বিভিন্ন দেশে নানা পর্যায়ে সমস্যা তৈরি হচ্ছে।
আমরা এমন কোন দেশ না যে ক্ষমতা দিয়ে কাজ করতে পারব।
এই যুদ্ধে প্রথমে বাংলাদেশ ইরানের বিরুদ্ধে বক্তব্য দেয়। তারপরেও ইরান আমাদের সুযোগ দেয় জাহাজ চলাচল করার।
সমস্যা হচ্ছে এর পরেও কেউ জাহাজ পাঠাবে না। কারণ বীমা কোম্পানি রাজি হবে না।
তাহলে যুদ্ধের মাঝে কে এত দামী একটা জাহাজ পাঠাবে?
দ্বিতীয়ত যদি একজন নাবিক মারা যায় এর দায়িত্ব কে গ্রহণ করবে?
সব মিলিয়ে কথা হচ্ছে জাহাজ যাবার অনুমতি দেওয়া আর জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক হওয়া এক বিষয় না।
হরমুজ বিশ্বের মাত্র ২০ শতাংশ তেল বিক্রি করে তাহলে এত সমস্যা কেন?
সমস্যা কারণ শক্তিশালী দেশ আগের মত থাকতে চায়। সে তার অংশ থেকে বিশ ভাগ ছাড়বে কেন? আসলেই তো সেই প্রশ্ন আসে না।
আমাদের সুযোগ থাকলে আমরা ছাড়তাম? নাই দেখে অন্যের করুণা ভিক্ষা করি।
তো যাই হোক, সবাই চাইছে তার দেশ নিরাপদ থাকুক সেজন্য ছোট দেশ গুলো টানাটানিতে আছে।
যেমন পাকিস্তান।
চীন যা করছে সেইটা হচ্ছে নিজস্ব সিস্টেম বানিয়ে ফেলা। তাদের আলাদা জাহাজ, লেনদেনের মাধ্যম সহ অনেক কিছু আছে। সাথে তেলের রিজার্ভ, ব্যাটারি গাড়ি, বিদ্যুৎ চালিত রেল সহ সবকিছু।
আমাদের কি আছে?
আমি প্রতিদিন যেই জিনিসটা পড়ে যাচ্ছি তা হচ্ছে জ্বালানি সংকট। আজকে এই বিষয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ আলোচনাতে অংশ নিয়েছি বিশেষ কিছু ব্যাক্তিদের সাথে।
মূল ব্যাপার হচ্ছে এখানে বাকি জ্বালানির উপর নিলাম ধরে দাম হাকা হচ্ছে। সম্প্রতি আড়াই গুন দামে গ্যাসের জাহাজ (LNG) কেনা হচ্ছে কারণ কেউ তার জায়গা ছাড়বে না। শিল্পকে বাঁচিয়ে রাখতে হবে।
সেই জায়গা থেকে আমাদের উচিত জাতি হিসেবে ধৈর্যের পরিচয় দেওয়া এবং মিতব্যয়ী হওয়া।
সমালোচনা করার অনেক সময় আসবে।
আপাতত কিছুদিন ধৈর্যের সাথে পথ চলার চেষ্টা করি।
আর এক মাস এই অবস্থা চললে উন্নত রাষ্ট্র গুলো জ্বালানি সংকটে পড়তে থাকবে। সেজন্য তার আগেই একটি সমঝোতা আসতে পারে।
সাময়িক এই সময়ে নিজেরা অপরিমিত আচরণ না করে ঠিক ভাবে আচরণ করি।
তাহলে আমরা নিজেরাই উপকৃত হব ইনশাআল্লাহ।
মোহাইমিন পাটোয়ারী
একদিনে তেলের দাম আন্তর্জাতিক বাজারে ১০% কমেছে।
তার কারণ? কারণ ট্রাম্পের পোস্ট।
এখানেই অর্থনীতির খেলা। ট্রাম্প জানে সে এই পোস্ট করবে। তার আগে সে আলোচনা করে নিয়েছে।
বিশেষ একটি মহল ঠিক এই মুহূর্ত গুলোকে কাজে লাগায়।
মনে আছে একদা এলন মাস্ক ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ঘোষণা দিয়ে লড়াই শুরু করে।
এর পর টেসলার share সর্বোচ্চ পতন ঘটল। মাস্ক কোন প্রতিক্রিয়া দেখালো না খুব সম্ভবত ইচ্ছা করে এমন কাজ করে share কিনতে লাগলো। আর বর্তমানে দাম বেড়ে সে অতীতের যেই কোন সময়ের তুলনায় ধনী।
এখন তার মনে চাইলে সেল করে ক্যাশ করবে। তারপরে বলবে আমি ইরানের সাথে আছি। দেখবেন তার বিরুদ্ধে ট্রাম্প আরেকটা বক্তব্য দিবে এবং বিচারের আওতায় আনার হুমকি দিবে।
তখন share পড়বে। আর মাস্ক কিনে শেষ করে অনলাইনে ইজরাইলের পক্ষে একটু ডোনেশন দিবে। ট্রাম্প ধন্যবাদ দিবে মাঝখান দিয়ে বিলিয়ন ডলারের আয় হবে।
একইভাবে ট্রাম্প একবার বলে বানিজ্য যুদ্ধ। আরেকবার বলে বানিজ্য চুক্তি। সাথে সাথে share বাজারের উত্থান পতন চলতে থাকে আর কেউ চাইলে এই সুযোগে টাকা বিনিয়োগ করতে থাকে।
৪৮ ঘণ্টা হুমকি দেবার পর তেলের দাম বেড়ে গেছে। বলা তো যায় না যে কেউ আগে তেল কিনে এই হুমকি দিয়েছে কিনা।
তারপরে তেল বিক্রি করে বলল আমরা কথা বলছি। সাথে সাথে কম দামে আবার কিনে বলবে কথা বলতে আর আগ্রহী না। তারপরে আবার বিক্রি।
কোটি কোটি টাকা প্রতি ঘণ্টায় বানানো যায় এভাবে।
মজার না বিষয়টা?
Mohaimin Patwary, CFA
Comments
Post a Comment