এবার আরবদের দুধ দোহন করবে ইউক্রেন? দীর্ঘদিন যাবত আমেরিকার যখন টাকার প্রয়োজন পড়তো সে আরব শেখদের গাভীর মত দুইয়ে পুষিয়ে নিত - কখনও অস্ত্র দিয়ে কখন এমনে এমনে। সমস্যা হচ্ছে সম্প্রতি ইরান যুদ্ধে আমেরিকার অর্থের টানাটানি। এদিকে সব অস্ত্র সাপ্লাই একদিনে নিয়ে আনায় ইউক্রেনকে আগের মতন সাপোর্ট দেওয়া যাচ্ছে না। কি করা যায়? আইডিয়া। ইউক্রেন ইরানের ড্রোন ঠেকাবে। কারণ ইতিমধ্যে ইরান সমগ্র মধ্যপ্রাচ্যে আমেরিকার সব বেইস বসবাসের অনুপোযাগী করে ফেলেছে। তাই মার্কিন সৈনিকরা হোটেলে ঘুমায়। পাশাপাশি প্রচুর রাডার ও আকাশ প্রতিরক্ষা ধ্বংস করেছে। ফলে আমেরিকা আর ইরানের ড্রোণ সামাল দিতে পারে না। এজন্য আমেরিকা পাঠালো ইউক্রেনকে। যেহেতু সে দীর্ঘদিন রাশিয়া ও ইরানি ড্রোণ মোকাবেলা করেছে এই ব্যাপারে সে অভিজ্ঞ। ফলে সে মধ্যপ্রাচ্যের শেখদের নিরাপত্তা দিতে ড্রোন ঠেকানোর প্রযুক্তি ও লোকবল দিবে। আর বিনিময়ে শেখরা ইউক্রেনকে ডলার দিবে। এক ঢিলে দুই পাখি। ইউক্রেন ডলার পেলো যুদ্ধ করতে আর কাতার নিরাপত্তা পেল আগের তুলনায়। কিন্তু এত বছর যে আমেরিকাকে ডলার দিয়ে নিজ ভূমিতে পুষেছে নিরাপত্তার জন্য? তার উপর এখন হোটেলে রাখছে। তো এত বছর বালতি বালতি দুধ আর সার্বভৌমত্ব দিয়ে কি পেল জীবনে? সেই হিসাব করার সময় নেই। দিন শেষে যেই আমেরিকা টাকা পাবে এবং শেখরা দিবে। এই হচ্ছে বাস্তবতা। মোহাইমিন পাটোয়ারী (কোন জাতিকে ছোট করা না বরং নিজেরা যেনো এমন ভুল না করি সেই শিক্ষা দিতে লেখা)
যেই মুহূর্তে আমরা সবাই তেলের জন্য হাহাকার করছি ঠিক সেই সময় বিশ্বের সবচেয়ে বড় তেল রপ্তানিকারক একটি রাষ্ট্রের পোর্টে হামলা করেছে, যার আঘাত সরাসরি এসে লাগবে আমাদের মত দরিদ্র বিশ্বে। এই সপ্তাহে ইউক্রেন রাশিয়ার মূল তেল কেন্দ্র গুলোতে আঘাত করে এত বেশী ক্ষতিগ্রস্ত করেছে যে রপ্তানি ৪০% কমে যেতে বাধ্য হচ্ছে এমনকি এর রিপেয়ার করার সময় আবার আঘাত করেছে । সব মিলিয়ে ভারত মূল দামের চেয়ে বেশী দামে তেল কিনতে বাধ্য হচ্ছে কিন্তু কোন সোর্স পাচ্ছে না। অছচ আমাদের দেশ এবং ভারত ফিলিপাইনের মত উন্নয়নশীল রাষ্ট্রের এখন একমাত্র ভরসা ছিল রাশিয়া। তাতে অবশ্য সভ্যদের কিছু আসে যায় না। উইনস্টন চার্চিল যখন কৃত্তিম দুর্ভিক্ষ তৈরি করে বাংলার মানুষকে পশুর মত হত্যা করছিল তখন সে মন্তব্য করে "এটা তাদের দোষ জনসংখ্যা এত বেশী কেন?" আসলে এমন ক্রাইসিস মোমেন্টে রাশিয়ার তেলে হিট করা সোজা বাংলায় গরিবের পেটে ইচ্ছা করে লাথি মারা। এবং এই কাজটি ইচ্ছা করেই করেছে বা তাকে দিয়ে করানো হয়েছে। বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে বেশী জ্বালানি রপ্তানি করছে আমেরিকা। তার এলএনজি রপ্তানি বিশ্বের প্রথম। যা বহু গুণ দামে বিক্রি হচ্ছে। তেলের উৎপাদনে সে বিশ্ব সেরা। তারপরেও কি দরকার ছিল গরিবের ক্ষতি করে আরও দাম বাড়ানোর? আর কত লাগে? উত্তর সহজ। তার লাভ হোলেই চলে আমাদের ক্ষতিতে কার কি আসে যায়? চার্চিলের লিগ্যাসি ধরে রাখতে হবে না? মোহাইমিন পাটোয়ারী
প্রায়ই সকালে খবরে দেখি, দুর্ঘটনায় মানুষের মৃত্যু হয়েছে। কখনো মধ্যবয়স্ক কেউ, কখনো আবার শিশু। প্রত্যেকটি মৃত্যু সংবাদই আমাকে মনে করিয়ে দেয়, কার মৃত্যু কখন হবে সে সম্পর্কে আমরা কেউই জানি না, কিন্তু এটা আমাদের সাথেই থাকে সব সময়। আমার প্রিয় মানুষগুলোর সাথে একদিন আর দেখা হবেনা, এটাই সত্য আল্লাহ বলেন: “প্রত্যেক প্রাণীকেই মৃত্যুর স্বাদ নিতে হবে” (সূরা আল-ইমরান: ১৮৫) এই কঠিন সত্য আমরা জানি ঠিকই। কিন্তু দুনিয়ার সুখ-দুঃখের ভেতরে আমরা এতটাই বিভোর হয়ে থাকি যে মৃত্যু নিয়ে খুব কমই ভাবি। আমরা প্রায়ই মানুষের মৃত্যুকে দুর্ঘটনা বলে মনে করি। কিন্তু আদৌ কি তা সত্য? মৃত্যু কি সত্যিই কোনো দুর্ঘটনা? রাসুল (ﷺ) বলেছেন: “মুমিনের জন্য মৃত্যু হলো উপহার” (ইবনে মাজাহ, হাদিস ৪২৬১) রাসুল (ﷺ) কেন মৃত্যুকে উপহার বললেন, এই প্রশ্নটি গুরুত্বপূর্ণ। এখানে লক্ষ্য করার বিষয় হলো, তিনি বিশেষভাবে মুমিনদের কথা বলেছেন। সেই সব মানুষদের, যারা দুনিয়ার চেয়ে আল্লাহ তায়ালাকে বহু গুণ বেশি ভালোবাসে। মৃত্যুর মাধ্যমেই আমরা দুনিয়ার মায়া ত্যাগ করে প্রবেশ করি আরেক জীবনে। সেই জীবনের শুরু আছে, কিন্তু শেষ নেই। আর যদি আমরা মুমিন হই, ...
Comments
Post a Comment