আপনি কি আশা করেন চীন বা ইরান জিতে গেলে আপনার আমার জীবন বদলে যাবে?
পৃথিবী থেকে দাসত্ব উঠে যাবে। সাম্রাজ্যবাদ থাকবে না? আমার দৃঢ় বিশ্বাস আপনার আমার দেশের ভাগ্য আগের মত থাকবে। তাহলে কেন তাদের নিয়ে এত সময় ব্যয় করছেন? এই আশায় যে নতুন এক সুন্দর বিশ্ব পাবেন? আপনি তো লড়াই করেন নাই। ঘরে বসে মুক্ত হবেন আর নতুন শক্তি আপনাকে সালাম করে চলবে? না, বরং সেক্ষেত্রে জাতির ভাগ্য আজীবন দাসত্বে নিহিত থাকবে। এমন যদি হতো ইরানের বিশেষ বন্ধু আমরা মধ্য প্রাচ্য ইস্যুতে কিংবা চীন মার্কিন বানিজ্য যুদ্ধে আমেরিকাকে বুড়ো আংগুল দেখিয়ে চীনের পাশে ছিলাম তাও একটা কথা ছিল। আপনি কি স্বপ্ন দেখেন আপনি খাটে শুয়ে স্বাধীন হবেন? নিজের কিছু দেওয়ার না থাকলে? বিশ্বাস করুন কোন লাভ হবে না। নিজেদের পরিবর্তন করতে চাইলে শক্তি অর্জন করতে হবে। অর্থনীতিতে, শিল্পে এবং প্রযুক্তিতে। আর শক্তিশালীর দিকে গর্দান না নামিয়ে বরং প্রচণ্ড সাহসের সঙ্গে নিজের অবস্থানে স্থির থাকতে হবে। অন্যথায় বিশ্ব জোড়া শক্তি বদলাতে থাকবে আপনার গোলামী জাতির অবস্থান বদলাবে না। কি ভয়ংকর। ভেবে দেখুন তো একবার কথা গুলো ঠিক? নিজে ভাবুন অন্যদেরও ভাবান।-------------------------------------------------------------------------------------------
স্বাধীনতা দিবসের চাওয়া।
- গর্দান নত না করার ফরেন পলিসি
- IMF ঋণ ভিত্তিক কেন্দ্রীয় ব্যাংক পলিসি থেকে বের হয়ে বিদেশী বিনিয়োগ এবং দেশীয় কোম্পানির উত্থান দ্বারা ডলার সংকট এর সমাধান করা।
- ভবিষ্যতে ডলার পেমেন্ট ও সুইফটের বিকল্প পরিকল্পনা করা।
- ব্যাবসা বান্ধব কর নীতি এবং ভ্যাট জুলুমের অবসান।
- জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। অন্যথায় স্বাধীনতা ব্যর্থ।
- নিজস্ব প্রযুক্তি নির্মাণ, বিশেষ করে সামরিক প্রযুক্তি।
- সুদের শোষণ হ্রাস করা।
- ব্যবসা সবার জন্য উন্মুক্ত থাকা।
- সবশেষে, সর্বক্ষেত্রে ন্যায় বিচার নিশ্চিত করা
না, কেবল রক্ত দিয়ে স্বাধীনতা পাওয়া যায় না। মস্তিষ্ক খাটাতে হয়। তাই কেবল শব্দের ফুলঝুরি না, বরং মেধাভিত্তিক জাতীয় কৌশলের মাধ্যমে স্বাধীনতার সুদুরপ্রসারী স্বপ্ন দেখতে চাই।
মোহাইমিন পাটোয়ারী
Comments
Post a Comment