Skip to main content

মেল ক্যাট ইউরিনারি ব্লকেজ

 আপনার ছেলে বিড়ালটি কি বারবার লিটার বক্সে যাচ্ছে কিন্তু ঠিকমতো প্রস্রাব করতে পারছে না? কখনও বসে থাকে, চেষ্টা করে কিন্তু কিছুই বের হয় না? অনেক মালিক প্রথমে এটাকে ছোট সমস্যা মনে করেন। কিন্তু বাস্তবে এটি একটি অত্যন্ত বিপজ্জনক অবস্থা হতে পারে, যাকে বলা হয় মেল ক্যাট ইউরিনারি ব্লকেজ (Male Cat Urinary Blockage) বা ফেলাইন ইউরেথ্রাল অবস্ট্রাকশন। এই অবস্থায় প্রস্রাব বের হওয়ার পথ আংশিক বা সম্পূর্ণভাবে বন্ধ হয়ে যায়। তখন শরীরের ভেতরে প্রস্রাব জমতে থাকে এবং বিষাক্ত বর্জ্য পদার্থ রক্তে ফিরে যেতে শুরু করে। যদি দ্রুত চিকিৎসা না করা হয় তাহলে খুব অল্প সময়ের মধ্যেই বিড়ালের কিডনি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে এবং জীবনও ঝুঁকিতে পড়তে পারে। ভেটেরিনারি গবেষণায় বলা হয়েছে, এটি বিড়ালের একটি মেডিক্যাল ইমার্জেন্সি অর্থাৎ এমন একটি অবস্থা যেখানে দেরি করা একদমই নিরাপদ নয়।

এই সমস্যাটি সাধারণত Feline Lower Urinary Tract Disease (FLUTD) নামের একটি বড় রোগের অংশ। এই রোগগুলোর মধ্যে প্রস্রাবের সংক্রমণ, ব্লাডারের ক্ষরণ, ক্রিস্টাল তৈরি হওয়া কিংবা প্রস্রাবের পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ার মতো সমস্যা থাকে। যখন এই সমস্যাগুলোর কারণে প্রস্রাবের পথ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায় তখন তাকে ইউরিনারি ব্লকেজ বলা হয়। তখন প্রস্রাব বের হতে না পারায় ব্লাডার দ্রুত ফুলে যায় এবং শরীরের ভেতরে ইউরিয়া, ক্রিয়েটিনিন ও অন্যান্য বিষাক্ত পদার্থ জমতে শুরু করে। এগুলো রক্তের মাধ্যমে শরীরের অন্যান্য অঙ্গেও প্রভাব ফেলতে পারে। একটি বিড়ালের শরীরে প্রস্রাব তৈরির প্রক্রিয়াটি বেশ নিয়মিত ও সুসংগঠিত। প্রথমে কিডনিতে রক্ত থেকে বর্জ্য পদার্থ ছেঁকে প্রস্রাব তৈরি হয়। এরপর সেই প্রস্রাব ইউরেটার নামের নালি দিয়ে ব্লাডারে জমা হয়। যখন বিড়াল প্রস্রাব করে, তখন ব্লাডারে জমে থাকা সেই প্রস্রাব ইউরেথ্রা নামের সরু একটি নালির মাধ্যমে শরীরের বাইরে বের হয়। কিন্তু যখন কোনো কারণে এই ইউরেথ্রা বন্ধ হয়ে যায় তখন প্রস্রাব আর বাইরে বের হতে পারে না। এই অবস্থাকেই ইউরিনারি ব্লকেজ বলা হয়। এই সমস্যাটি ছেলে বিড়ালের মধ্যে বেশি দেখা যায়। কারণ ছেলে বিড়ালের ইউরেথ্রা মেয়ে বিড়ালের তুলনায় অনেক বেশি সরু এবং লম্বা। ফলে খুব ছোট কণা বা মিউকাসও সেখানে আটকে যেতে পারে। অনেক সময় সামান্য কিছু ক্রিস্টাল, মিউকাস বা কোষ একসাথে জমে একটি প্লাগ তৈরি করে যা পুরো পথ বন্ধ করে দেয়। এই কারণেই ছেলে বিড়ালে ইউরিনারি ব্লকেজ তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। গবেষণায় দেখা গেছে যে ইউরিনারি ব্লকেজ হওয়ার কয়েকটি সাধারণ কারণ রয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে সাধারণ কারণ হলো ইউরেথ্রাল প্লাগ (urethral plug)। এতে মিউকাস, খনিজ ক্রিস্টাল এবং কোষ একসাথে জমে একটি প্লাগ তৈরি করে যা ইউরেথ্রায় আটকে যায়। আরেকটি কারণ হলো প্রস্রাবে তৈরি হওয়া খনিজ ক্রিস্টাল যেমন struvite বা calcium oxalate. এই ক্রিস্টালগুলো ছোট ছোট দানার মতো তৈরি হয় এবং পরে একসাথে জমে ব্লকেজ তৈরি করতে পারে। কখনও কখনও ব্লাডারের ভেতরে ছোট পাথর তৈরি হয় যাকে ব্লাডার স্টোন বলা হয়। এই পাথর যদি ইউরেথ্রার মধ্যে আটকে যায় তাহলে প্রস্রাবের পথ সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যেতে পারে। এছাড়াও ব্লাডারের ক্ষরণ বা Feline Idiopathic Cystitis নামের একটি সমস্যার কারণেও এই ব্লকেজ হতে পারে। এই অবস্থায় ব্লাডারের ভেতরে ক্ষরণ তৈরি হয় এবং মিউকাস তৈরি হয়। সেই মিউকাস পরে প্লাগ তৈরি করতে পারে। অনেক গবেষণায় আরও দেখা গেছে যে যারা কম পানি পান করে, তাদের প্রস্রাব বেশি ঘন হয়। এই ঘন প্রস্রাবের মধ্যে ক্রিস্টাল তৈরি হওয়ার ঝুঁকি বেশি থাকে যা পরে ব্লকেজ তৈরি করতে পারে। সব বিড়ালের এই সমস্যা হওয়ার ঝুঁকি সমান নয়। কিছু বিড়ালের ক্ষেত্রে ঝুঁকি বেশি দেখা যায়। বিশেষ করে ছেলে বিড়ালদের মধ্যে এই সমস্যা বেশি হয়। এছাড়া যারা ঘরের ভেতরে থাকে এবং খুব কম চলাফেরা করে, তাদের ক্ষেত্রেও ঝুঁকি বাড়ে। যারা বেশি ড্রাই ফুড খায় এবং কম পানি পান করে, তাদের প্রস্রাব বেশি ঘন হয়ে যায়। এর ফলে ক্রিস্টাল তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা বাড়ে। এছাড়া মোটা বিড়াল, স্ট্রেসে থাকা বিড়াল বা এমন বাড়িতে থাকা বিড়াল যেখানে অনেকগুলো বিড়াল একসাথে থাকে, তাদের ক্ষেত্রেও এই সমস্যা বেশি দেখা যায় বলে বিভিন্ন গবেষণায় উল্লেখ করা হয়েছে। এই রোগের লক্ষণগুলো অনেক সময় মালিক লক্ষ্য করলে দ্রুত বোঝা যায়। সবচেয়ে সাধারণ লক্ষণ হলো বিড়াল বারবার লিটার বক্সে যাওয়া কিন্তু ঠিকমতো প্রস্রাব করতে পারে না। অনেক সময় বিড়াল প্রস্রাব করার চেষ্টা করে কিন্তু কিছুই বের হয় না অথবা খুব অল্প অল্প প্রস্রাব বের হয়। কিছু ক্ষেত্রে প্রস্রাবে রক্ত দেখা যেতে পারে। অনেক বিড়াল প্রস্রাব করার সময় ব্যথা পায় এবং জোরে মিউ করতে থাকে। কেউ কেউ লিটার বক্সের বাইরে প্রস্রাব করতে শুরু করে। অনেক সময় লেজের নিচে বারবার চাটতে থাকে কারণ সেখানে অস্বস্তি হয়। যদি ব্লকেজ সম্পূর্ণ হয়ে যায় তাহলে বিড়াল খুব দ্রুত দুর্বল হয়ে পড়ে, খাওয়া বন্ধ করে দেয় এবং লুকিয়ে থাকতে শুরু করে। সবচেয়ে বিপজ্জনক বিষয় হলো... যদি প্রস্রাব একেবারেই বের হতে না পারে তাহলে খুব অল্প সময়ের মধ্যেই শরীরের ভেতরে বিষাক্ত পদার্থ জমে যায়। এতে কিডনি ও হৃদযন্ত্রের উপর মারাত্মক প্রভাব পড়তে পারে। অনেক গবেষণায় বলা হয়েছে, সম্পূর্ণ ব্লকেজ হলে চিকিৎসা না করলে কয়েক দিনের মধ্যেই বিড়ালের মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। এই সমস্যা বের করার জন্য ভেটেরিনারি ডাক্তার সাধারণত কয়েকটি পরীক্ষা করেন। প্রথমে শারীরিক পরীক্ষা করা হয় এবং পেট পরীক্ষা করে দেখা হয় ব্লাডার অস্বাভাবিকভাবে ফুলে আছে কিনা। এরপর অনেক সময় এক্স-রে বা আল্ট্রাসাউন্ড করা হয় যাতে ব্লাডারের পাথর বা অন্য কোনো সমস্যা আছে কিনা তা বোঝা যায়। এছাড়া রক্ত পরীক্ষা ও প্রস্রাব পরীক্ষা করা হয় যাতে শরীরের ভেতরে কতটা ক্ষতি হয়েছে তা বোঝা যায়। এই রোগের চিকিৎসা দ্রুত শুরু করা খুব গুরুত্বপূর্ণ। সাধারণত ভেটেরিনারি ডাক্তার অ্যানেসথেসিয়ার মাধ্যমে একটি ইউরিনারি ক্যাথেটার ইউরেথ্রার মধ্যে প্রবেশ করিয়ে ব্লকেজ খুলে দেন এবং ব্লাডারে জমে থাকা প্রস্রাব বের করে দেন। এরপর বিড়ালকে কয়েকদিন হাসপাতালে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়। সেই সময় তাকে স্যালাইন বা IV fluids, ব্যথার ওষুধ, অ্যান্টিবায়োটিক এবং বিশেষ ডায়েট দেওয়া হয়। কিছু ক্ষেত্রে যদি এই সমস্যা বারবার হয় তাহলে একটি বিশেষ সার্জারি করা হয় যাকে Perineal Urethrostomy (PU surgery) বলা হয়। এই সার্জারিতে ইউরেথ্রার মুখ বড় করে দেওয়া হয় যাতে ভবিষ্যতে ব্লকেজ হওয়ার ঝুঁকি কমে। এই রোগ পুরোপুরি প্রতিরোধ করা সব সময় সম্ভব না হলেও কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় মেনে চললে ঝুঁকি অনেক কমানো যায়। বিড়ালকে বেশি পানি খাওয়ানো খুব গুরুত্বপূর্ণ। অনেক মালিক বিড়ালের জন্য পানির ফাউন্টেন ব্যবহার করেন কারণ চলমান পানি বিড়াল বেশি পছন্দ করে। এছাড়া ওয়েট ফুড বা ক্যানড ফুড খাওয়ালে শরীরে পানির পরিমাণ বাড়ে এবং প্রস্রাব পাতলা থাকে। বাড়ির পরিবেশ শান্ত রাখা এবং বিড়ালের মানসিক চাপ কমানোও গুরুত্বপূর্ণ। লিটার বক্স সব সময় পরিষ্কার রাখা উচিত কারণ অনেক বিড়াল নোংরা লিটার ব্যবহার করতে চায় না এবং তখন তারা প্রস্রাব আটকে রাখে। নিয়মিত ভেট চেকআপ করাও গুরুত্বপূর্ণ বিশেষ করে যদি আগে কখনও এই সমস্যা হয়ে থাকে। সবশেষে বলা যায়, male cat urinary blockage এমন একটি রোগ যা অনেক সময় হঠাৎ শুরু হয় কিন্তু খুব দ্রুত বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারে। তাই যদি আপনার বিড়াল বারবার লিটার বক্সে যায় কিন্তু প্রস্রাব করতে না পারে তাহলে এটিকে কখনোই ছোট সমস্যা মনে করবেন না। দ্রুত ভেটের কাছে নিয়ে যাওয়া আপনার বিড়ালের জীবন বাঁচাতে পারে। সচেতনতা, সঠিক খাবার এবং নিয়মিত পর্যবেক্ষণ আপনার প্রিয় বিড়ালকে এই মারাত্মক সমস্যা থেকে অনেকটাই নিরাপদ রাখতে পারে। রেফারেন্স (গবেষণা ও ভেটেরিনারি সূত্র) * American College of Veterinary Surgeons (ACVS) – Urinary Obstruction in Male Cats * PetMD Veterinary Library – Urinary Tract Blockage in Cats * Animal Medical Center – Urethral Obstruction in Cats * Research Review on Feline Lower Urinary Tract Disease (FLUTD) – Veterinary Clinical Studies * Scientific research on FLUTD risk factors published in veterinary science journals

Comments

Popular posts from this blog

মুমিনের জন্য মৃত্যু হলো উপহার

  প্রায়ই সকালে খবরে দেখি, দুর্ঘটনায় মানুষের মৃত্যু হয়েছে। কখনো মধ্যবয়স্ক কেউ, কখনো আবার শিশু। প্রত্যেকটি মৃত্যু সংবাদই আমাকে মনে করিয়ে দেয়, কার মৃত্যু কখন হবে সে সম্পর্কে আমরা কেউই জানি না, কিন্তু এটা আমাদের সাথেই থাকে সব সময়। আমার প্রিয় মানুষগুলোর সাথে একদিন আর দেখা হবেনা, এটাই সত্য আল্লাহ বলেন: “প্রত্যেক প্রাণীকেই মৃত্যুর স্বাদ নিতে হবে” (সূরা আল-ইমরান: ১৮৫) এই কঠিন সত্য আমরা জানি ঠিকই। কিন্তু দুনিয়ার সুখ-দুঃখের ভেতরে আমরা এতটাই বিভোর হয়ে থাকি যে মৃত্যু নিয়ে খুব কমই ভাবি। আমরা প্রায়ই মানুষের মৃত্যুকে দুর্ঘটনা বলে মনে করি। কিন্তু আদৌ কি তা সত্য? মৃত্যু কি সত্যিই কোনো দুর্ঘটনা? রাসুল (ﷺ) বলেছেন: “মুমিনের জন্য মৃত্যু হলো উপহার” (ইবনে মাজাহ, হাদিস ৪২৬১) রাসুল (ﷺ) কেন মৃত্যুকে উপহার বললেন, এই প্রশ্নটি গুরুত্বপূর্ণ। এখানে লক্ষ্য করার বিষয় হলো, তিনি বিশেষভাবে মুমিনদের কথা বলেছেন। সেই সব মানুষদের, যারা দুনিয়ার চেয়ে আল্লাহ তায়ালাকে বহু গুণ বেশি ভালোবাসে। মৃত্যুর মাধ্যমেই আমরা দুনিয়ার মায়া ত্যাগ করে প্রবেশ করি আরেক জীবনে। সেই জীবনের শুরু আছে, কিন্তু শেষ নেই। আর যদি আমরা মুমিন হই, ...

Narcissist স্বামী স্ত্রী

  Narcissist স্বামী স্ত্রীর সাফল্যে ঈর্ষান্বিত থাকেন : Narcissist স্বামী প্রায়ই স্ত্রীর সাফল্যে প্রচণ্ড ঈর্ষান্বিত থাকেন। ধরুন, স্ত্রী আর্থিকভাবে বা সামাজিকভাবে স্বামীর চেয়ে বেশি capable, কিংবা তার চেয়ে উচ্চপদে কাজ করছেন। এমন ক্ষেত্রে, যদিও তিনি স্ত্রীর আয় ভোগ করেন, তবুও এ বিষয়ে তিনি খুশি নন; বরং এটি তাকে ইনসিকিওর ফিল করায়। স্ত্রীর সামাজিক পরিসর (social circle) যদি বড় হয় বা তার বেশি বন্ধু-বান্ধব থাকে, সেখানেও তিনি নিজেকে ইনসিকিওর মনে করেন। সবচেয়ে বেশি ইনসিকিওর অনুভব করেন যখন স্ত্রীর rank বা পদমর্যাদা তার চেয়ে উচ্চ হয়। ধরুন, স্বামী একটি প্রতিষ্ঠানে একটি পদে কাজ করছেন, কিন্তু স্ত্রী হয়তো আরও উচ্চ পদে রয়েছেন। তখন Narcissist স্বামী খুবই ইনসিকিওর ফিল করেন। ক্লিনিক্যাল প্র্যাকটিসে ফাইন্যান্স, সামাজিক পরিসর, এবং পদমর্যাদার ক্ষেত্রে আমরা প্রায়ই দেখি যে স্ত্রীর rank স্বামীর চেয়ে উচ্চ হলে Narcissist স্বামী প্রচণ্ড ইনসিকিওর ফিল করেন। যেমন, স্ত্রী যদি কোনো প্রতিষ্ঠানে ম্যানেজার হন, তিনি বলবেন, “তুমি ম্যানেজার, কিন্তু বাসায় কিছুই ম্যানেজ করতে পারো না; তুমি মানুষকে ক...

জীবনকে অপ্রয়োজনে কষ্টকর করি

  অনেকেই জীবনে খুব বড় হতে চান । বড় কাজ করতে চান, বড় বিজনেস করতে চান, দেশ পরিবর্তন করতে চায়। খুব ভাল এই চাওয়া গুলো। মন বড় রাখাই উচিত । কিন্তু এর পাশা পাশি আমরা যেটা ভুলে যাই যে, অনেক ছোট ছোট কাজেও কিন্তু সাফল্য এবং জীবনের সার্থকতা লুকিয়ে থাকে। আপনি প্রতিদিন নামাজ পড়ছেন ৫ বার । এটাও বড় সাফল্য । আপনি সত্য কথা বলার চেষ্টা করেন, এটাও সাফল্য । আপনি করো ক্ষতি করেন না। পরিবারের বিপদে আপদে পাশে থাকেন। রোজ একজন মানুষ কে খাওয়ান। আপনি ৯ টার অফিসে ৯ টায় হাজির হন, কাজে ফাঁকি দেন না। এসব কিছুই বিশাল সাফল্য । আমরা কেন জানি এসব ছোট ছোট কাজ কে সাফল্য মনে করি না। আমরা শুধু জীবনে ফাটায় ফেলতে চাই। এবং তা করতে যেয়ে জীবনকে অপ্রয়োজনে কষ্টকর করি। সবাইকে দিয়ে সব কাজ হয় না। আমি আপনি চাইলেই ইলন মাস্ক হতে পারবোনা । কিন্তু একজন ভালো মানুষ আমরা সবাই হতে পারব যাকে সমাজের কাজে লাগে। সমাজে ১০% মানুষ বড় কাজ করবে। আল্লাহ তাদের মেধা দিয়েছেন, ভালো পরিবার দিয়েছেন, সাহস দিয়েছেন - তারা জন্ম থেকেই কিছুটা আলাদা। কিন্তু বড় কাজ করতে পারছেন না মানে আপনি জীবনে সফল নয় - এটা ভাবা ঠিক নয়।...