সিঙ্গাপুর কীভাবে দুর্নীতি দমন করলো?
১৯৫০–৬০ দশকে সিঙ্গাপুর আজকের মতো পরিচ্ছন্ন ছিল না। পুলিশ, কাস্টমস, লাইসেন্স অফিস—প্রায় সবখানেই ঘুষ ছিল দৈনন্দিন বাস্তবতা। কিন্তু তারা শুধু কথা বলেনি—কার্যকর ব্যবস্থা নিয়েছে। ✔️ স্বাধীন দুর্নীতিবিরোধী সংস্থা CPIB গঠন করা হয়—যার এখতিয়ার ছিল স্বয়ং প্রধানমন্ত্রীকেও তদন্ত করার। ✔️ লি কুয়ান ইউ নিজের ঘনিষ্ঠ মন্ত্রী ও সহকর্মীদেরও রেহাই দেননি। “আইনের ঊর্ধ্বে কেউ নয়”—এটি স্লোগান নয়, ছিল বাস্তব নীতি। ✔️ সরকারি কর্মকর্তাদের বেতন বিশ্বমানের করা হয়—যাতে সৎ থাকার আর্থিক প্রণোদনা থাকে। ✔️ ছোট-বড় নির্বিশেষে শাস্তি ছিল দ্রুত, কঠোর ও অনিবার্য। 📉 ফলাফল? আজ সিঙ্গাপুর ধারাবাহিকভাবে বিশ্বের সবচেয়ে কম দুর্নীতিগ্রস্ত দেশগুলোর একটি। বাংলাদেশের মতো দেশের জন্য সিঙ্গাপুরের থেকে কি শেখার অনেক কিছু আছে না?----------------------------------------
আজকে বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ স্টার্ট আপ MedEasy গল্প শুনে অবাক হয়ে গেলাম।
প্রতিষ্ঠাতা আরেফিন ভাইয়ের সাথে কথা হচ্ছিল।
তিনি বললেন ওনাদের কোন ঋণ নেই। ইনভেস্ট নিয়ে সব করেছেন। এমনকি সিঙ্গাপুরের ইনভেস্টররা ওনাকে বলেছেন যে তারা ব্যাংকের সাথে কথা বলে মাত্র ৪% সুদে ঋণ ম্যানেজ করতে পারবেন।
কিন্তু তিনি কিছুতেই রাজি হচ্ছিলেন না। এক পর্যায়ে তারা অবাক হয় যে সমস্যা কোথায়। তিনি বলেন ধর্মীয় কারণ। এর পর তারা থামে।
তার চেয়ে অবাক বিষয় কি জানেন?
বাংলাদেশ থেকেও ওনাকে ৪% সুদে ঋণ অফার করেছে। আপনারা অনেকেই জানেন যে বাংলাদেশ ব্যাংক স্টার্ট আপ প্রতিষ্ঠান এই সামান্য সুদে ঋণ সহায়তা প্রদান করে। এমনকি অনেকে মনে করেন এইটা সুদ না কেবল সার্ভিস চার্জ। তা সত্বেও তিনি নেন নাই।
আরেফিন ভাই কোন ধর্মীয় ব্যাক্তিত্ব বা আলেম না। একেবারে মডার্ন মুসলিম। সুদের থেকে বাঁচার জন্য যে ওনাকে কত কষ্ট করতে হয়েছে সেটা আমি জানি।
আজকে যখন জানলাম কেবল ৪% এই সমাধান ছিল আমার একটা কথাই মনে হলো। আমার কাছে এর কোন সমাধান নেই। যেখানে বাংলাদেশ ব্যাংক নিজে টাকা ছাপিয়ে উদার শর্ত দিচ্ছে একজন বিনিয়োগকারী আসলে এর সমাধান দিতে পারে না।
তারপরও তিনি কষ্টের রাস্তা পাড়ি দিচ্ছেন।
আমি কেবল একটি কথাই বললাম।
আল্লাহ উত্তম প্রতিদান দিক।
এর বেশি কিছু বলার নাই।m patwary
Comments
Post a Comment