Skip to main content

প্রতিদিন একটু সময় বের করে হাঁটুন

 


হাঁটা একদম সহজ একটি একটিভিটি, কিন্তু অবিশ্বাস্যভাবে শক্তিশালী একটা অভ্যাস।

কোনো জিম মেম্বারশিপ লাগে না, কোনো বিশেষ সরঞ্জামও না, শুধু একটু সময় আর নিজের ইচ্ছা। গবেষণাগুলো বারবার বলছে, নিয়মিত হাঁটা শরীর আর মনের জন্য দারুণ এক ওষুধের মতো কাজ করে। এটা রক্তচাপ কমায়, ঘুম ভালো করে, মুড ঠিক রাখে, এমনকি হৃদরোগ, ক্যান্সার, ডায়াবেটিস বা ডিমেনশিয়ার মতো জটিল রোগের ঝুঁকিও কমায়। মানুষ তার বয়সের সাথে সাথে অনেক কিছু ভুলতে শুরু করে কিন্তু মানুষ যখন নিজের পায়ের পেশিগুলো সতেজ রাখে দৈনিক হাঁটার মাধ্যমে তখন ব্রেন স্বাভাবিক অবস্থার চেয়ে ভালো কাজ করে। আরও মজার ব্যাপার হলো নতুন গবেষণায় দেখা গেছে, একবারে দীর্ঘ সময় হাঁটা শরীরের জন্য ছোট ছোট ভাগে হাঁটার চেয়ে বেশি উপকার আনে। হয়তো সেই সময়টাতে শরীর পুরোপুরি রিল্যাক্স হয়, মন গভীরভাবে মনোযোগী থাকে, বা হয়তো একটানা হাঁটায় শরীর নিজের ভারসাম্য খুঁজে পায়। যেভাবেই হোক, বিষয়টা পরিষ্কার, যত বেশি নড়াচড়া করবেন, যতটা পারব হাঁটবেন, ততটাই শরীর ও মন ভালো থাকবে। তাই প্রতিদিন একটু সময় বের করে হাঁটুন। হয়তো সকালবেলার বাতাসে, হয়তো বিকেলের আলোয়।

====================================================


দই তৈরি হয় জীবিত Streptococcus আর Lactobacillus ব্যাকটেরিয়া দিয়ে। আবার মানুষের মুখের লালা ও থুতুতেও এই একই ব্যাকটেরিয়া থাকে। যারা স্বাস্থ্যকর ও পুষ্টিকর খাবারে কম্প্রোমাইজ করে টাকা জমাচ্ছেন তারা এই পদ্ধতিতে দই বানিয়ে দেখতে পারেন। তবে খেয়াল রাখার বিষয় হলো মুখের ব্যাকটেরিয়ার অনেকগুলোই opportunistic pathogen মানে টক্সিক আত্মিয়ের মতই সুযোগ পেলেই শরীরে অসুখ তৈরি বা ক্ষতি করতে পারে। এইজন্য কিপটে আত্মীয়স্বজন এর বাসা এড়িয়ে চলি। বলা যায় না, দুধের বদলে থুতু মেরে দই খেতে দিলেও দিতে পারে।

===========================

ইসলাম যখন কোনো ব্যক্তির অন্তরে প্রবেশ করে, তাকে তা একটি গভীর লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য দান করে। এই রূপান্তর তার কর্মে প্রতিফলিত হয়।   সে এখন আর পক্ষপাতদুষ্ট নয়; সে ন্যায়পরায়ণ এবং নিরপেক্ষ। সে তার পরিবারের ন্যায্য অধিকারগুলো পূরণ করে। সে তার বোনের উত্তরাধিকার ছিনিয়ে নেয় না। বোন বাবার সম্পত্তিতে যে অংশ পাওয়ার কথা সে তা প্রদান করে। সে তার স্ত্রীকে অঙ্গীকারকৃত দেনমোহর প্রদান করে। সে জাকাত প্রদান করে। সে তার ব্যবসায়িক লেনদেনে সৎ। সময়মত ঋণ পরিশোধ করতে না পারলে সে মিথ্যা বলে না। সে তার প্রতিটি লেনদেনে সততা বজায় রাখে। সে উদ্দেশ্যপূর্ণ জীবন যাপন করে।  ঠিক একই সময়ে ইসলাম যা করে—মানুষটাকে একটা সুন্দর মনের মানুষে পরিণত করে। তার আশে পাশে থাকাটাও সৌন্দর্যময় হয়ে উঠে। তার আচার ব্যবহার অমায়িক। তার কথা বার্তা হয় মার্জিত! তার একান্ত উপস্থিতি চারপাশের সবার জীবনে সৌন্দর্য নিয়ে আসে। মানুষ তার সঙ্গ ভালোবাসে।  ঠিক এটাই ঘটে যখন কারো হৃদয়ে দ্বীন ইসলাম প্রবেশ করে।  —নোমান আলী খান

Comments

Popular posts from this blog

মুমিনের জন্য মৃত্যু হলো উপহার

  প্রায়ই সকালে খবরে দেখি, দুর্ঘটনায় মানুষের মৃত্যু হয়েছে। কখনো মধ্যবয়স্ক কেউ, কখনো আবার শিশু। প্রত্যেকটি মৃত্যু সংবাদই আমাকে মনে করিয়ে দেয়, কার মৃত্যু কখন হবে সে সম্পর্কে আমরা কেউই জানি না, কিন্তু এটা আমাদের সাথেই থাকে সব সময়। আমার প্রিয় মানুষগুলোর সাথে একদিন আর দেখা হবেনা, এটাই সত্য আল্লাহ বলেন: “প্রত্যেক প্রাণীকেই মৃত্যুর স্বাদ নিতে হবে” (সূরা আল-ইমরান: ১৮৫) এই কঠিন সত্য আমরা জানি ঠিকই। কিন্তু দুনিয়ার সুখ-দুঃখের ভেতরে আমরা এতটাই বিভোর হয়ে থাকি যে মৃত্যু নিয়ে খুব কমই ভাবি। আমরা প্রায়ই মানুষের মৃত্যুকে দুর্ঘটনা বলে মনে করি। কিন্তু আদৌ কি তা সত্য? মৃত্যু কি সত্যিই কোনো দুর্ঘটনা? রাসুল (ﷺ) বলেছেন: “মুমিনের জন্য মৃত্যু হলো উপহার” (ইবনে মাজাহ, হাদিস ৪২৬১) রাসুল (ﷺ) কেন মৃত্যুকে উপহার বললেন, এই প্রশ্নটি গুরুত্বপূর্ণ। এখানে লক্ষ্য করার বিষয় হলো, তিনি বিশেষভাবে মুমিনদের কথা বলেছেন। সেই সব মানুষদের, যারা দুনিয়ার চেয়ে আল্লাহ তায়ালাকে বহু গুণ বেশি ভালোবাসে। মৃত্যুর মাধ্যমেই আমরা দুনিয়ার মায়া ত্যাগ করে প্রবেশ করি আরেক জীবনে। সেই জীবনের শুরু আছে, কিন্তু শেষ নেই। আর যদি আমরা মুমিন হই, ...

জীবনকে অপ্রয়োজনে কষ্টকর করি

  অনেকেই জীবনে খুব বড় হতে চান । বড় কাজ করতে চান, বড় বিজনেস করতে চান, দেশ পরিবর্তন করতে চায়। খুব ভাল এই চাওয়া গুলো। মন বড় রাখাই উচিত । কিন্তু এর পাশা পাশি আমরা যেটা ভুলে যাই যে, অনেক ছোট ছোট কাজেও কিন্তু সাফল্য এবং জীবনের সার্থকতা লুকিয়ে থাকে। আপনি প্রতিদিন নামাজ পড়ছেন ৫ বার । এটাও বড় সাফল্য । আপনি সত্য কথা বলার চেষ্টা করেন, এটাও সাফল্য । আপনি করো ক্ষতি করেন না। পরিবারের বিপদে আপদে পাশে থাকেন। রোজ একজন মানুষ কে খাওয়ান। আপনি ৯ টার অফিসে ৯ টায় হাজির হন, কাজে ফাঁকি দেন না। এসব কিছুই বিশাল সাফল্য । আমরা কেন জানি এসব ছোট ছোট কাজ কে সাফল্য মনে করি না। আমরা শুধু জীবনে ফাটায় ফেলতে চাই। এবং তা করতে যেয়ে জীবনকে অপ্রয়োজনে কষ্টকর করি। সবাইকে দিয়ে সব কাজ হয় না। আমি আপনি চাইলেই ইলন মাস্ক হতে পারবোনা । কিন্তু একজন ভালো মানুষ আমরা সবাই হতে পারব যাকে সমাজের কাজে লাগে। সমাজে ১০% মানুষ বড় কাজ করবে। আল্লাহ তাদের মেধা দিয়েছেন, ভালো পরিবার দিয়েছেন, সাহস দিয়েছেন - তারা জন্ম থেকেই কিছুটা আলাদা। কিন্তু বড় কাজ করতে পারছেন না মানে আপনি জীবনে সফল নয় - এটা ভাবা ঠিক নয়।...

নিকটবর্তী মানসিক রোগ

  ১. অস্বাভাবিক আচরণ ও কথাবার্তা ২. খাবারে ও পানিতে কিছু মেশানোর সন্দেহ ৩. ভাংচুর, সন্দেহ প্রবনতা ৪. গায়েবী কথা শোনা ৫. একা হাসা ও কথা বলা ৬. টেনশন, অস্থিরতা, উদ্বেগ, বিষন্নতা, হতাশা, একই চিন্তা ও কাজ বারে বারে করা ৭. খিটখিটে মেজাজ ৮. দীর্ঘমেয়াদী মাথাব্যথা, ঘাড় ও বুক সহ শরীরে বিভিন্ন স্থানে ব্যথা ও জ্বালাপোড়া মাথা ঘোরা, বুক ধরফর, হাত-পা ঝিনঝিন ৯. অজ্ঞান হয়ে যাওয়া, হিস্টিরিয়া, কথা বন্ধ ১০. অসামাজিক আচরণ মাদকাসক্তি সহিংসতা ও নিজের শরীরে আঘাত করা উপরের সমস্যাগুলোর যেকোন একটা হলে আপনি দ্রুত সময়ের মাঝে নিকটবর্তী মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন। ========================================= বিয়ের পর প্রত্যেক পুরুষের semen fluid analysis করা উচিত। ‌ এটা একটা বেসিক infertility টেস্ট যাতে দেখা হয় পুরুষ‌ মানুষটি বাবা হওয়ার যোগ্য কিনা। বিয়ের আগে করলে আরো ভালো। এটি করতে খরচ হয় স্থানভেদে মাত্র এক থেকে দেড় হাজার টাকা।সরকারি হাসপাতালে করলে ১০০ টাকায় করতে পারবেন। আমাদের দেশে কোন দম্পতির বাচ্চা না হলে এখনো অনেক জায়গায় মেয়েদেরকে ব্লেইম করা হয়। অনেক ক্ষেত্রেই সমস্যাটা থাকে ...