Skip to main content

বিসিএস দিয়া কাস্টমসে চাকরি


 কেন আমাদের দেশ কিছু তৈরি করার বদলে সবকিছু কিনে ফেলতে চায় তার একটি বড় কারণ হচ্ছে দুর্নীতি।

ধরুন, বাংলাদেশের মিসাইল দরকার। এখন যদি বিদেশ থেকে ৫ বিলিয়ন ডলারের মিসাইল আমরা কিনে ২০% পকেটে পুরতে পারি এক কোপে বিলিয়নিয়ার। সেই তুলনায় বছরের পর বছর বিজ্ঞানী তৈরি করে, শিল্প গড়ে, প্রাইভেট সেক্টর শক্তিশালী করে, বাণিজ্য ও লাইসেন্স সহজনীকরণ করে একটা কিছু গড়ে তোলা অনেক সময়, ধৈর্য ও কষ্টের কাজ। এত কষ্ট না করে এক কোপে নিজে ধনী হলাম; মানুষকেও খুশি করলাম একেবারে সর্বশেষ প্রযুক্তি দিয়ে বিষয়টা জয়-জয় পরিবেশ না? সেজন্যই বাংলাদেশের উন্নতি হয় না, কেবল ডলার রিজার্ভ শেষ হয়। আর বিদেশে কালো টাকা পাচার হয়। তাই নৈতিক শিক্ষা বিজ্ঞান শিক্ষার আগে জরুরী। নৈতিকতাহীন জাতিকে আপনি যত শিক্ষা, বুদ্ধি বা অর্থ দেন তারা এইটা সঠিক কাজে লাগাতে পারবে না। বোঝা গেল বিষয়টা? m patwary

বিসিএস দিয়া কাস্টমসে চাকরি পাইছিলো এক ভাই। বেতন বলে ৩৮ হাজার টাকা।ভাইরে জিগাইলাম, এত কম বেতনে সংসার চলব? ভাই কইছিলো,তিন বছর কষ্ট কইরা এই চাকরি পাইছি। কষ্টের টাকায় বরকত আছে। এক বছর পর আজকে হঠাৎ ভাইর সাথে দেখা। গল্প শুনাইলো ঢাকায় ফ্ল্যাট কিনছে, গাড়ি কিনছে। আবার নাকি প্লট দেখতাছে। জিগাইলাম ভাই, ৩৮ হাজার টাকা বেতনে এত কিছু কেমনে কি? ভাই সিনা টান কইরা বলল, কইছিলাম না কষ্টের টাকা।চাকরিটায় বরকত আছে। বেতনও নাকি তোলা লাগে না। বরকত ভরপুর।

================================================================
মানুষের জীবন কত অনিশ্চিত চিন্তা করেন। ধানমন্ডিতে এক জায়গায় গাড়িতে করে গিয়েছিলাম। গাড়ি রেখে স্ত্রী সন্তান নিয়ে ডাক্তারের কাছে গেলাম। কিছুক্ষণ পর কল আসলো গাড়ির উপর পাথর মারা হয়েছে ফ্রন্ট গ্লাস ভেঙে গেছে। তাড়াতাড়ি এসে বুঝলাম ভাগ্য ভালো যে এইটা গাড়িতে পড়েছে। চোদ্দ তলা ভবনের ছাদের থেকে হাতের তালুর সাইজের পাথর মারা হয়েছে। মাথার উপর পড়তে পারতো কারো আমার বা আমার বাচ্চার উপর পড়তে পারতো। বাঁচার কোন সম্ভাবনা ছিল না সেক্ষেত্রে। খোঁজ নিয়ে জানতে পারলাম অল্প বয়সের ছেলে খেলা হিসেবে মেরেছে এই পাথর। তার বাবা পরে গ্লাস ঠিক করে দিয়েছে। কিন্তু যদি এই জিনিস কারো গায়ে পড়তো শত চিৎকার করে কি কিছু ফেরত পাওয়া যেতো? আল্লাহ যে নিরাপদ রাখছেন প্রতিদিন সেইটা সুযোগ। ভালো কাজ করার সুযোগ। আর কিছু না।

Comments

Popular posts from this blog

মুমিনের জন্য মৃত্যু হলো উপহার

  প্রায়ই সকালে খবরে দেখি, দুর্ঘটনায় মানুষের মৃত্যু হয়েছে। কখনো মধ্যবয়স্ক কেউ, কখনো আবার শিশু। প্রত্যেকটি মৃত্যু সংবাদই আমাকে মনে করিয়ে দেয়, কার মৃত্যু কখন হবে সে সম্পর্কে আমরা কেউই জানি না, কিন্তু এটা আমাদের সাথেই থাকে সব সময়। আমার প্রিয় মানুষগুলোর সাথে একদিন আর দেখা হবেনা, এটাই সত্য আল্লাহ বলেন: “প্রত্যেক প্রাণীকেই মৃত্যুর স্বাদ নিতে হবে” (সূরা আল-ইমরান: ১৮৫) এই কঠিন সত্য আমরা জানি ঠিকই। কিন্তু দুনিয়ার সুখ-দুঃখের ভেতরে আমরা এতটাই বিভোর হয়ে থাকি যে মৃত্যু নিয়ে খুব কমই ভাবি। আমরা প্রায়ই মানুষের মৃত্যুকে দুর্ঘটনা বলে মনে করি। কিন্তু আদৌ কি তা সত্য? মৃত্যু কি সত্যিই কোনো দুর্ঘটনা? রাসুল (ﷺ) বলেছেন: “মুমিনের জন্য মৃত্যু হলো উপহার” (ইবনে মাজাহ, হাদিস ৪২৬১) রাসুল (ﷺ) কেন মৃত্যুকে উপহার বললেন, এই প্রশ্নটি গুরুত্বপূর্ণ। এখানে লক্ষ্য করার বিষয় হলো, তিনি বিশেষভাবে মুমিনদের কথা বলেছেন। সেই সব মানুষদের, যারা দুনিয়ার চেয়ে আল্লাহ তায়ালাকে বহু গুণ বেশি ভালোবাসে। মৃত্যুর মাধ্যমেই আমরা দুনিয়ার মায়া ত্যাগ করে প্রবেশ করি আরেক জীবনে। সেই জীবনের শুরু আছে, কিন্তু শেষ নেই। আর যদি আমরা মুমিন হই, ...

Narcissist স্বামী স্ত্রী

  Narcissist স্বামী স্ত্রীর সাফল্যে ঈর্ষান্বিত থাকেন : Narcissist স্বামী প্রায়ই স্ত্রীর সাফল্যে প্রচণ্ড ঈর্ষান্বিত থাকেন। ধরুন, স্ত্রী আর্থিকভাবে বা সামাজিকভাবে স্বামীর চেয়ে বেশি capable, কিংবা তার চেয়ে উচ্চপদে কাজ করছেন। এমন ক্ষেত্রে, যদিও তিনি স্ত্রীর আয় ভোগ করেন, তবুও এ বিষয়ে তিনি খুশি নন; বরং এটি তাকে ইনসিকিওর ফিল করায়। স্ত্রীর সামাজিক পরিসর (social circle) যদি বড় হয় বা তার বেশি বন্ধু-বান্ধব থাকে, সেখানেও তিনি নিজেকে ইনসিকিওর মনে করেন। সবচেয়ে বেশি ইনসিকিওর অনুভব করেন যখন স্ত্রীর rank বা পদমর্যাদা তার চেয়ে উচ্চ হয়। ধরুন, স্বামী একটি প্রতিষ্ঠানে একটি পদে কাজ করছেন, কিন্তু স্ত্রী হয়তো আরও উচ্চ পদে রয়েছেন। তখন Narcissist স্বামী খুবই ইনসিকিওর ফিল করেন। ক্লিনিক্যাল প্র্যাকটিসে ফাইন্যান্স, সামাজিক পরিসর, এবং পদমর্যাদার ক্ষেত্রে আমরা প্রায়ই দেখি যে স্ত্রীর rank স্বামীর চেয়ে উচ্চ হলে Narcissist স্বামী প্রচণ্ড ইনসিকিওর ফিল করেন। যেমন, স্ত্রী যদি কোনো প্রতিষ্ঠানে ম্যানেজার হন, তিনি বলবেন, “তুমি ম্যানেজার, কিন্তু বাসায় কিছুই ম্যানেজ করতে পারো না; তুমি মানুষকে ক...

জীবনকে অপ্রয়োজনে কষ্টকর করি

  অনেকেই জীবনে খুব বড় হতে চান । বড় কাজ করতে চান, বড় বিজনেস করতে চান, দেশ পরিবর্তন করতে চায়। খুব ভাল এই চাওয়া গুলো। মন বড় রাখাই উচিত । কিন্তু এর পাশা পাশি আমরা যেটা ভুলে যাই যে, অনেক ছোট ছোট কাজেও কিন্তু সাফল্য এবং জীবনের সার্থকতা লুকিয়ে থাকে। আপনি প্রতিদিন নামাজ পড়ছেন ৫ বার । এটাও বড় সাফল্য । আপনি সত্য কথা বলার চেষ্টা করেন, এটাও সাফল্য । আপনি করো ক্ষতি করেন না। পরিবারের বিপদে আপদে পাশে থাকেন। রোজ একজন মানুষ কে খাওয়ান। আপনি ৯ টার অফিসে ৯ টায় হাজির হন, কাজে ফাঁকি দেন না। এসব কিছুই বিশাল সাফল্য । আমরা কেন জানি এসব ছোট ছোট কাজ কে সাফল্য মনে করি না। আমরা শুধু জীবনে ফাটায় ফেলতে চাই। এবং তা করতে যেয়ে জীবনকে অপ্রয়োজনে কষ্টকর করি। সবাইকে দিয়ে সব কাজ হয় না। আমি আপনি চাইলেই ইলন মাস্ক হতে পারবোনা । কিন্তু একজন ভালো মানুষ আমরা সবাই হতে পারব যাকে সমাজের কাজে লাগে। সমাজে ১০% মানুষ বড় কাজ করবে। আল্লাহ তাদের মেধা দিয়েছেন, ভালো পরিবার দিয়েছেন, সাহস দিয়েছেন - তারা জন্ম থেকেই কিছুটা আলাদা। কিন্তু বড় কাজ করতে পারছেন না মানে আপনি জীবনে সফল নয় - এটা ভাবা ঠিক নয়।...