Skip to main content

সিরিয়ার সংবিধান কি বিদ্রোহীরা স্থগিত করে নাই ?

 


জাহেদ'স টেকের জাহেদ বলছে, সিরিয়ার পি এম সিরিয়ার বিদ্রোহীদের কাছে ক্ষমতার হস্তান্তর করতেছে। এইটা নাকি বাংলাদেশের ক্ষমতা হস্তান্তরের সাথে তুলনা করা যায়। আর সেই কারণেই সাংবিধানের ধারাবাহিকতা, চুপ্পু ইত্যাদিরে মাইনা নেয়া উচিৎ।

খাড়ান এট্টু হাইস্যা নেই। বাঙ্গু এলিটদের পিও জাহেদ রাষ্ট্র কী এইডা বুঝে? ক্ষমতা বুঝে? পোথম আলো আর ইন্ডিয়ার কাছে মগজ বন্ধক দিলে এই হয়। সিরিয়ার হেড অব স্টেট কে? আসাদ। পলাইছে কে? হেড অব স্টেট। বাংলাদেশে হেড অব স্টেট কে? চুপ্পু। পলাইছে কে প্রধান নির্বাহী হাসিনা। বাংলাদেশের হেড অব স্টেট কে বানাইছিলো। হাসিনা। সিরিয়ার পি এম কি সিরিয়ার হেড অব স্টেট? সে কি সিরিয়ার বিদ্রোহীদের মাথার উপরে নাকি নিচে আজ্ঞাবহ? আসাদের আর্মি চিফ কি এখনো সিরিয়ার আর্মি চিফ? সিরিয়ার পি এম রে বিদ্রোহীরা যা কইবে সেইটাই করবে। প্রফেসর ইউনুস কার উপদেষ্টা? চুপ্পুর উপদেষ্টা। আইনত প্রফেসর ইউনুস চুপ্পুর অধীনস্থ। দুইটা কী এক? সিরিয়ার সংবিধান কি বিদ্রোহীরা স্থগিত করে নাই তিন মাসের জন্য? এইটা কয় নাই কেন জাহেদ? পিও জাহেদ, হাসিনার বিরুদ্ধে থাকায় কখনো চ্যালেঞ্জ করি নাই। আপনি এস্টাব্লিশমেন্টের লোক। আমাগেরে লগে পাঙ্গা নিতে আসবেন না মেহেরবানী করে। মুজিব এক বছরের মধ্যে উড়ে গেছিলো। রাইট পলিটিক্স না করতে পারলে আপনি তো ছাড়। প্রফেসর ইউনুসও টিকতে পারবে না। বাংলাদেশের রাইট পলিটিক্স পোথম আলো ডেইলি স্টারের দালালি করা না। আমাদের একটা ছেলেকে প্রথম আলোর ভিতরে নিয়া নির্যাতন করা হইছে আর আপনি প্রথম আলোর অধিকার দু /চান? আমরা প্রথম আলো বন্ধ করতে বলছি নাকি? তার সম্পাদকীয় নীতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে পারবো না? লিবারেলিজম শিখান আপনি আমাদের? আমাদের কাজে ইন্ডিয়ার লাভ হইতেছে? এই বয়ান নিয়া আসেন জাহেদ? সেই একই বাম ট্রিক্স? আর কতো? -পিনাকী ভট্টাচার্য।

Comments

Popular posts from this blog

মুমিনের জন্য মৃত্যু হলো উপহার

  প্রায়ই সকালে খবরে দেখি, দুর্ঘটনায় মানুষের মৃত্যু হয়েছে। কখনো মধ্যবয়স্ক কেউ, কখনো আবার শিশু। প্রত্যেকটি মৃত্যু সংবাদই আমাকে মনে করিয়ে দেয়, কার মৃত্যু কখন হবে সে সম্পর্কে আমরা কেউই জানি না, কিন্তু এটা আমাদের সাথেই থাকে সব সময়। আমার প্রিয় মানুষগুলোর সাথে একদিন আর দেখা হবেনা, এটাই সত্য আল্লাহ বলেন: “প্রত্যেক প্রাণীকেই মৃত্যুর স্বাদ নিতে হবে” (সূরা আল-ইমরান: ১৮৫) এই কঠিন সত্য আমরা জানি ঠিকই। কিন্তু দুনিয়ার সুখ-দুঃখের ভেতরে আমরা এতটাই বিভোর হয়ে থাকি যে মৃত্যু নিয়ে খুব কমই ভাবি। আমরা প্রায়ই মানুষের মৃত্যুকে দুর্ঘটনা বলে মনে করি। কিন্তু আদৌ কি তা সত্য? মৃত্যু কি সত্যিই কোনো দুর্ঘটনা? রাসুল (ﷺ) বলেছেন: “মুমিনের জন্য মৃত্যু হলো উপহার” (ইবনে মাজাহ, হাদিস ৪২৬১) রাসুল (ﷺ) কেন মৃত্যুকে উপহার বললেন, এই প্রশ্নটি গুরুত্বপূর্ণ। এখানে লক্ষ্য করার বিষয় হলো, তিনি বিশেষভাবে মুমিনদের কথা বলেছেন। সেই সব মানুষদের, যারা দুনিয়ার চেয়ে আল্লাহ তায়ালাকে বহু গুণ বেশি ভালোবাসে। মৃত্যুর মাধ্যমেই আমরা দুনিয়ার মায়া ত্যাগ করে প্রবেশ করি আরেক জীবনে। সেই জীবনের শুরু আছে, কিন্তু শেষ নেই। আর যদি আমরা মুমিন হই, ...

Narcissist স্বামী স্ত্রী

  Narcissist স্বামী স্ত্রীর সাফল্যে ঈর্ষান্বিত থাকেন : Narcissist স্বামী প্রায়ই স্ত্রীর সাফল্যে প্রচণ্ড ঈর্ষান্বিত থাকেন। ধরুন, স্ত্রী আর্থিকভাবে বা সামাজিকভাবে স্বামীর চেয়ে বেশি capable, কিংবা তার চেয়ে উচ্চপদে কাজ করছেন। এমন ক্ষেত্রে, যদিও তিনি স্ত্রীর আয় ভোগ করেন, তবুও এ বিষয়ে তিনি খুশি নন; বরং এটি তাকে ইনসিকিওর ফিল করায়। স্ত্রীর সামাজিক পরিসর (social circle) যদি বড় হয় বা তার বেশি বন্ধু-বান্ধব থাকে, সেখানেও তিনি নিজেকে ইনসিকিওর মনে করেন। সবচেয়ে বেশি ইনসিকিওর অনুভব করেন যখন স্ত্রীর rank বা পদমর্যাদা তার চেয়ে উচ্চ হয়। ধরুন, স্বামী একটি প্রতিষ্ঠানে একটি পদে কাজ করছেন, কিন্তু স্ত্রী হয়তো আরও উচ্চ পদে রয়েছেন। তখন Narcissist স্বামী খুবই ইনসিকিওর ফিল করেন। ক্লিনিক্যাল প্র্যাকটিসে ফাইন্যান্স, সামাজিক পরিসর, এবং পদমর্যাদার ক্ষেত্রে আমরা প্রায়ই দেখি যে স্ত্রীর rank স্বামীর চেয়ে উচ্চ হলে Narcissist স্বামী প্রচণ্ড ইনসিকিওর ফিল করেন। যেমন, স্ত্রী যদি কোনো প্রতিষ্ঠানে ম্যানেজার হন, তিনি বলবেন, “তুমি ম্যানেজার, কিন্তু বাসায় কিছুই ম্যানেজ করতে পারো না; তুমি মানুষকে ক...

জীবনকে অপ্রয়োজনে কষ্টকর করি

  অনেকেই জীবনে খুব বড় হতে চান । বড় কাজ করতে চান, বড় বিজনেস করতে চান, দেশ পরিবর্তন করতে চায়। খুব ভাল এই চাওয়া গুলো। মন বড় রাখাই উচিত । কিন্তু এর পাশা পাশি আমরা যেটা ভুলে যাই যে, অনেক ছোট ছোট কাজেও কিন্তু সাফল্য এবং জীবনের সার্থকতা লুকিয়ে থাকে। আপনি প্রতিদিন নামাজ পড়ছেন ৫ বার । এটাও বড় সাফল্য । আপনি সত্য কথা বলার চেষ্টা করেন, এটাও সাফল্য । আপনি করো ক্ষতি করেন না। পরিবারের বিপদে আপদে পাশে থাকেন। রোজ একজন মানুষ কে খাওয়ান। আপনি ৯ টার অফিসে ৯ টায় হাজির হন, কাজে ফাঁকি দেন না। এসব কিছুই বিশাল সাফল্য । আমরা কেন জানি এসব ছোট ছোট কাজ কে সাফল্য মনে করি না। আমরা শুধু জীবনে ফাটায় ফেলতে চাই। এবং তা করতে যেয়ে জীবনকে অপ্রয়োজনে কষ্টকর করি। সবাইকে দিয়ে সব কাজ হয় না। আমি আপনি চাইলেই ইলন মাস্ক হতে পারবোনা । কিন্তু একজন ভালো মানুষ আমরা সবাই হতে পারব যাকে সমাজের কাজে লাগে। সমাজে ১০% মানুষ বড় কাজ করবে। আল্লাহ তাদের মেধা দিয়েছেন, ভালো পরিবার দিয়েছেন, সাহস দিয়েছেন - তারা জন্ম থেকেই কিছুটা আলাদা। কিন্তু বড় কাজ করতে পারছেন না মানে আপনি জীবনে সফল নয় - এটা ভাবা ঠিক নয়।...