Skip to main content

ডিভোর্সের অন্যতম প্রধান কারণ


 ডিভোর্সের অন্যতম প্রধান কারণ হচ্ছে স্বামী স্ত্রীর মধ্যে "না বলা আকাঙ্ক্ষা"

আপনি আপনার স্বামী বা স্ত্রীকে বলছেনই না যে আপনি আসলে কিসে কষ্ট পাচ্ছেন, কি আপনি চান এবং আপনি মনেই করে নিয়েছেন যে তাকে বলে কোন লাভ নাই- তখনই সেখান থেকে কষ্ট বাড়তে থাকে সেই কষ্ট থেকে দূরত্ব, পরকীয়া অনেক কিছু চলে আসে অনেক ক্ষেত্রে আপনি কেন এত ভয় পাচ্ছেন বলতে আপনার স্বামী বা স্ত্রীকে যে বিষয়গুলা আপনার কাছে খুব প্রয়োজনীয় অথবা আপনি তার মধ্যে যে পরিবর্তন চাই কেন বলছেন না! হ্যাঁ হতে পারে বললে হয়তো একবার ঝগড়া হবে হয়তো একবার উত্তেজনা হবে কিন্তু সে তো শুনবে পরিবর্তনের সুযোগ পাবে কিন্তু অনেক পরে অনেক অনেক বছর পরে হঠাৎ করে যদি একদিন আপনার আবেগের বিস্ফোরণ হয় অথবা আপনি যদি অন্য কোন সম্পর্কের চিন্তা করে থাকেন অথবা আপনি না বলে হঠাৎ ডিভোর্স দিয়ে দেন তখন হয়তো উনি পরিবর্তন করতে চাইলেও আপনাদের মধ্যে অদৃশ্য দেয়াল তৈরি হয়ে গেছে তাই সমাধান হচ্ছে আপনার যা কিছু আকাঙ্ক্ষা আপনি স্পষ্ট ভাবে আপনার স্বামীর বা স্ত্রীকে শান্তভাবে বলুন আগেই মনে করবেন না যে উনি শুধরাবে না অথবা উনি ইমপ্রুভ করবে না অথবা উনি এমনই থাকবে
=====================================================================
মানুষ অকৃতজ্ঞ -এর থেকে সত্য আর কোন বিষয় নাই এটা এতটাই তেতো সত্য যে এই স্ট্যাটাসটা যখন আপনি পড়ছেন তখন আপনি নিজের কথা ভাবছেন না, আপনার কোন বন্ধু ,আপনার স্বামী/স্ত্রী অর্থাৎ অন্য কারো কথা আপনি চিন্তা করছেন নিজের কথা না আমি আপনি এতটাই অকৃতজ্ঞ যে অকৃতজ্ঞ শব্দ টা শুনলে আমরা নিজেদের দিকে চিন্তা করতে পারি না শুধরানো তো পরের কথা
====================================================================
Yahya amin

Comments

Popular posts from this blog

মুমিনের জন্য মৃত্যু হলো উপহার

  প্রায়ই সকালে খবরে দেখি, দুর্ঘটনায় মানুষের মৃত্যু হয়েছে। কখনো মধ্যবয়স্ক কেউ, কখনো আবার শিশু। প্রত্যেকটি মৃত্যু সংবাদই আমাকে মনে করিয়ে দেয়, কার মৃত্যু কখন হবে সে সম্পর্কে আমরা কেউই জানি না, কিন্তু এটা আমাদের সাথেই থাকে সব সময়। আমার প্রিয় মানুষগুলোর সাথে একদিন আর দেখা হবেনা, এটাই সত্য আল্লাহ বলেন: “প্রত্যেক প্রাণীকেই মৃত্যুর স্বাদ নিতে হবে” (সূরা আল-ইমরান: ১৮৫) এই কঠিন সত্য আমরা জানি ঠিকই। কিন্তু দুনিয়ার সুখ-দুঃখের ভেতরে আমরা এতটাই বিভোর হয়ে থাকি যে মৃত্যু নিয়ে খুব কমই ভাবি। আমরা প্রায়ই মানুষের মৃত্যুকে দুর্ঘটনা বলে মনে করি। কিন্তু আদৌ কি তা সত্য? মৃত্যু কি সত্যিই কোনো দুর্ঘটনা? রাসুল (ﷺ) বলেছেন: “মুমিনের জন্য মৃত্যু হলো উপহার” (ইবনে মাজাহ, হাদিস ৪২৬১) রাসুল (ﷺ) কেন মৃত্যুকে উপহার বললেন, এই প্রশ্নটি গুরুত্বপূর্ণ। এখানে লক্ষ্য করার বিষয় হলো, তিনি বিশেষভাবে মুমিনদের কথা বলেছেন। সেই সব মানুষদের, যারা দুনিয়ার চেয়ে আল্লাহ তায়ালাকে বহু গুণ বেশি ভালোবাসে। মৃত্যুর মাধ্যমেই আমরা দুনিয়ার মায়া ত্যাগ করে প্রবেশ করি আরেক জীবনে। সেই জীবনের শুরু আছে, কিন্তু শেষ নেই। আর যদি আমরা মুমিন হই, ...

Narcissist স্বামী স্ত্রী

  Narcissist স্বামী স্ত্রীর সাফল্যে ঈর্ষান্বিত থাকেন : Narcissist স্বামী প্রায়ই স্ত্রীর সাফল্যে প্রচণ্ড ঈর্ষান্বিত থাকেন। ধরুন, স্ত্রী আর্থিকভাবে বা সামাজিকভাবে স্বামীর চেয়ে বেশি capable, কিংবা তার চেয়ে উচ্চপদে কাজ করছেন। এমন ক্ষেত্রে, যদিও তিনি স্ত্রীর আয় ভোগ করেন, তবুও এ বিষয়ে তিনি খুশি নন; বরং এটি তাকে ইনসিকিওর ফিল করায়। স্ত্রীর সামাজিক পরিসর (social circle) যদি বড় হয় বা তার বেশি বন্ধু-বান্ধব থাকে, সেখানেও তিনি নিজেকে ইনসিকিওর মনে করেন। সবচেয়ে বেশি ইনসিকিওর অনুভব করেন যখন স্ত্রীর rank বা পদমর্যাদা তার চেয়ে উচ্চ হয়। ধরুন, স্বামী একটি প্রতিষ্ঠানে একটি পদে কাজ করছেন, কিন্তু স্ত্রী হয়তো আরও উচ্চ পদে রয়েছেন। তখন Narcissist স্বামী খুবই ইনসিকিওর ফিল করেন। ক্লিনিক্যাল প্র্যাকটিসে ফাইন্যান্স, সামাজিক পরিসর, এবং পদমর্যাদার ক্ষেত্রে আমরা প্রায়ই দেখি যে স্ত্রীর rank স্বামীর চেয়ে উচ্চ হলে Narcissist স্বামী প্রচণ্ড ইনসিকিওর ফিল করেন। যেমন, স্ত্রী যদি কোনো প্রতিষ্ঠানে ম্যানেজার হন, তিনি বলবেন, “তুমি ম্যানেজার, কিন্তু বাসায় কিছুই ম্যানেজ করতে পারো না; তুমি মানুষকে ক...

জীবনকে অপ্রয়োজনে কষ্টকর করি

  অনেকেই জীবনে খুব বড় হতে চান । বড় কাজ করতে চান, বড় বিজনেস করতে চান, দেশ পরিবর্তন করতে চায়। খুব ভাল এই চাওয়া গুলো। মন বড় রাখাই উচিত । কিন্তু এর পাশা পাশি আমরা যেটা ভুলে যাই যে, অনেক ছোট ছোট কাজেও কিন্তু সাফল্য এবং জীবনের সার্থকতা লুকিয়ে থাকে। আপনি প্রতিদিন নামাজ পড়ছেন ৫ বার । এটাও বড় সাফল্য । আপনি সত্য কথা বলার চেষ্টা করেন, এটাও সাফল্য । আপনি করো ক্ষতি করেন না। পরিবারের বিপদে আপদে পাশে থাকেন। রোজ একজন মানুষ কে খাওয়ান। আপনি ৯ টার অফিসে ৯ টায় হাজির হন, কাজে ফাঁকি দেন না। এসব কিছুই বিশাল সাফল্য । আমরা কেন জানি এসব ছোট ছোট কাজ কে সাফল্য মনে করি না। আমরা শুধু জীবনে ফাটায় ফেলতে চাই। এবং তা করতে যেয়ে জীবনকে অপ্রয়োজনে কষ্টকর করি। সবাইকে দিয়ে সব কাজ হয় না। আমি আপনি চাইলেই ইলন মাস্ক হতে পারবোনা । কিন্তু একজন ভালো মানুষ আমরা সবাই হতে পারব যাকে সমাজের কাজে লাগে। সমাজে ১০% মানুষ বড় কাজ করবে। আল্লাহ তাদের মেধা দিয়েছেন, ভালো পরিবার দিয়েছেন, সাহস দিয়েছেন - তারা জন্ম থেকেই কিছুটা আলাদা। কিন্তু বড় কাজ করতে পারছেন না মানে আপনি জীবনে সফল নয় - এটা ভাবা ঠিক নয়।...