Skip to main content

ডিজিটাল মুদ্রা কীভাবে কাজ করে


 ডিজিটাল মুদ্রা কীভাবে কাজ করে জানেন? তাহলে ক্যাশলেস ইকোনমি ব্যাখ্যা করবেন কীভাবে?

আপনি কি জানেন যে আইএমএফের নিজস্ব মুদ্রা আছে। এর নাম এসডিআর। এটি কেবল কেন্দ্রীয় ব্যাংক গুলো ব্যবহার করতে পারে। একে বলা হয় মানব সৃষ্ট সোনা। কেন এমনটি বলা হয় তা যদি না বুঝেন ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত হবেন কীভাবে? আরও অবাক করা তথ্য দেই? সোনার মুদ্রাও সুদের সাথে যুক্ত হতে পারে। একেবারে বর্তমান কাগুজে মুদ্রার মত সুদের মেশিন বানানো সম্ভব সোনাকে একটি বিশেষ উপায়ে। সেই উপায়টি ব্যাখ্যা করছি। মনে করেন বর্তমানের সব প্রচলিত কাগজের টাকা সরিয়ে আমরা গোল্ড কয়েন আনলাম কিন্তু সিস্টেম বদলালাম না। অর্থাৎ এখনকার মত সিস্টেমে আমরা ব্যাংকে সোনা জমা রাখলাম এবং ব্যাংক সেগুলো ঋণ দিয়ে সুদে আসলে ফেরত নিতে থাকলো। অল্প কিছু বছরের মধ্যেই সব সোনা ব্যাংকের হয়ে যাবে কারণ সুদ একটি চক্র বৃদ্ধি হিসেব। চক্রবৃদ্ধি কতটা ভয়ঙ্কর জানেন? একটি কাগজ ৩০ বার ভাঁজ করলে তার উচ্চতা এভারেস্টের চেয়েও বেশী হয়ে যায়। বিশ্বাস হচ্ছে না? ইন্টারনেটে সার্চ করে দেখুন। এবার চিন্তা করুন, ১০ শতাংশ সুদে কত বছরে টাকা দ্বিগুণ হবে? উত্তর হচ্ছে প্রায় সাত বছরে। আচ্ছা, প্রতি সাত বছরে ব্যাংকের হাতে মোট সোনার পরিমান দ্বিগুণ হয়, ৭০ বছরের কত গুণ হবে? উত্তর হচ্ছে এক হাজার চব্বিশ গুণ। আর ১৭০ বছরে তা হবে ৩ কোটি গুণ। আপনার আমার হাতে কোন সোনা থাকবে? না, সকল সোনার মালিক হবে ব্যাংকাররা আর তাদের হাত থেকে কেবল ঋণ আকারে মুদ্রা বাজারে প্রবাহিত হতে থাকে। সিস্টেম যদি পরিবর্তিত না হয়, সুদ যদি উচ্ছেদ না হয় এই কারাগার থেকে কোন মুক্তি নেই। বিষয়গুলো জটিল বিধায় আপনাদের উচিত বেশী বেশী অধ্যয়ন করা। কেবল একটি ভিডিও, অনলাইনে ঝগড়া কিংবা তর্ক বিতর্ক কোনদিন সমাধান না। আমার লেখা বই সহ অন্যান্য মানুষের লেখা অর্থনীতির বইও পড়বেন। কেবল বাংলাতে না, অন্যান্য ভাষার বইও পড়বেন (আমার বই অর্ডার করার লিংক কমেন্টে)। সুদের পরিচয় না জানলে সুদের থেকে বাচবেন কীভাবে? আজকে আমি এতগুলো কথা বলতে পারছি তার কারণ এগুলোর পিছে এত বছর সময় দিয়েছি। আপনারা এক মাস হলেও দিন। সুদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করুন। যা আল্লাহ ও রাসূলের বিরুদ্ধে যুদ্ধ সেই ময়দানে নিরপেক্ষ হবার কোন সুযোগ নেই। আছে কি? সবশেষে, অনলাইন সেলিব্রিটি হওয়া কোনদিন একজন মুমিনের লক্ষ্য হতে পারে না। বরং আল্লাহর জন্য কাজ করা আমাদের লক্ষ্য। সেই লক্ষ্যে নিজেরা একতাবদ্ধ হন। একে অপরকে সুন্দর করে বুঝান। কেননা, সুদের পক্ষের শক্তি একতাবদ্ধ। আমরা কি বিচ্ছিন্ন হলে সামনে আগাতে পারবো? ইনশাল্লাহ আমরা তাদের চেয়ে শিক্ষিত হব, সুন্দর করে কথা বলবো এবং আরও কর্মঠ হব। এগুলো নিশ্চিত করতে পারলে আল্লাহর সাহায্য আসবে বলে বিশ্বাস। আর যদি আমরা কেবল বিছানায় শুয়ে লাইক কমেন্টের বিপ্লব করি তাতে কিছুই হবে না। সুদের বিরুদ্ধে প্রচেষ্টা আমার একার না। আপনাদের সবার দায়িত্ব এটি। কারণ এই বস্তু আপনাদের সবাইকে স্পর্শ করেছে এবং আমরা এমন করে বসে থাকলে কোন পরিবর্তনের সম্ভাবনা দেখছি না। মোহাইমিন পাটোয়ারী

Comments

Popular posts from this blog

মুমিনের জন্য মৃত্যু হলো উপহার

  প্রায়ই সকালে খবরে দেখি, দুর্ঘটনায় মানুষের মৃত্যু হয়েছে। কখনো মধ্যবয়স্ক কেউ, কখনো আবার শিশু। প্রত্যেকটি মৃত্যু সংবাদই আমাকে মনে করিয়ে দেয়, কার মৃত্যু কখন হবে সে সম্পর্কে আমরা কেউই জানি না, কিন্তু এটা আমাদের সাথেই থাকে সব সময়। আমার প্রিয় মানুষগুলোর সাথে একদিন আর দেখা হবেনা, এটাই সত্য আল্লাহ বলেন: “প্রত্যেক প্রাণীকেই মৃত্যুর স্বাদ নিতে হবে” (সূরা আল-ইমরান: ১৮৫) এই কঠিন সত্য আমরা জানি ঠিকই। কিন্তু দুনিয়ার সুখ-দুঃখের ভেতরে আমরা এতটাই বিভোর হয়ে থাকি যে মৃত্যু নিয়ে খুব কমই ভাবি। আমরা প্রায়ই মানুষের মৃত্যুকে দুর্ঘটনা বলে মনে করি। কিন্তু আদৌ কি তা সত্য? মৃত্যু কি সত্যিই কোনো দুর্ঘটনা? রাসুল (ﷺ) বলেছেন: “মুমিনের জন্য মৃত্যু হলো উপহার” (ইবনে মাজাহ, হাদিস ৪২৬১) রাসুল (ﷺ) কেন মৃত্যুকে উপহার বললেন, এই প্রশ্নটি গুরুত্বপূর্ণ। এখানে লক্ষ্য করার বিষয় হলো, তিনি বিশেষভাবে মুমিনদের কথা বলেছেন। সেই সব মানুষদের, যারা দুনিয়ার চেয়ে আল্লাহ তায়ালাকে বহু গুণ বেশি ভালোবাসে। মৃত্যুর মাধ্যমেই আমরা দুনিয়ার মায়া ত্যাগ করে প্রবেশ করি আরেক জীবনে। সেই জীবনের শুরু আছে, কিন্তু শেষ নেই। আর যদি আমরা মুমিন হই, ...

জীবনকে অপ্রয়োজনে কষ্টকর করি

  অনেকেই জীবনে খুব বড় হতে চান । বড় কাজ করতে চান, বড় বিজনেস করতে চান, দেশ পরিবর্তন করতে চায়। খুব ভাল এই চাওয়া গুলো। মন বড় রাখাই উচিত । কিন্তু এর পাশা পাশি আমরা যেটা ভুলে যাই যে, অনেক ছোট ছোট কাজেও কিন্তু সাফল্য এবং জীবনের সার্থকতা লুকিয়ে থাকে। আপনি প্রতিদিন নামাজ পড়ছেন ৫ বার । এটাও বড় সাফল্য । আপনি সত্য কথা বলার চেষ্টা করেন, এটাও সাফল্য । আপনি করো ক্ষতি করেন না। পরিবারের বিপদে আপদে পাশে থাকেন। রোজ একজন মানুষ কে খাওয়ান। আপনি ৯ টার অফিসে ৯ টায় হাজির হন, কাজে ফাঁকি দেন না। এসব কিছুই বিশাল সাফল্য । আমরা কেন জানি এসব ছোট ছোট কাজ কে সাফল্য মনে করি না। আমরা শুধু জীবনে ফাটায় ফেলতে চাই। এবং তা করতে যেয়ে জীবনকে অপ্রয়োজনে কষ্টকর করি। সবাইকে দিয়ে সব কাজ হয় না। আমি আপনি চাইলেই ইলন মাস্ক হতে পারবোনা । কিন্তু একজন ভালো মানুষ আমরা সবাই হতে পারব যাকে সমাজের কাজে লাগে। সমাজে ১০% মানুষ বড় কাজ করবে। আল্লাহ তাদের মেধা দিয়েছেন, ভালো পরিবার দিয়েছেন, সাহস দিয়েছেন - তারা জন্ম থেকেই কিছুটা আলাদা। কিন্তু বড় কাজ করতে পারছেন না মানে আপনি জীবনে সফল নয় - এটা ভাবা ঠিক নয়।...

নিকটবর্তী মানসিক রোগ

  ১. অস্বাভাবিক আচরণ ও কথাবার্তা ২. খাবারে ও পানিতে কিছু মেশানোর সন্দেহ ৩. ভাংচুর, সন্দেহ প্রবনতা ৪. গায়েবী কথা শোনা ৫. একা হাসা ও কথা বলা ৬. টেনশন, অস্থিরতা, উদ্বেগ, বিষন্নতা, হতাশা, একই চিন্তা ও কাজ বারে বারে করা ৭. খিটখিটে মেজাজ ৮. দীর্ঘমেয়াদী মাথাব্যথা, ঘাড় ও বুক সহ শরীরে বিভিন্ন স্থানে ব্যথা ও জ্বালাপোড়া মাথা ঘোরা, বুক ধরফর, হাত-পা ঝিনঝিন ৯. অজ্ঞান হয়ে যাওয়া, হিস্টিরিয়া, কথা বন্ধ ১০. অসামাজিক আচরণ মাদকাসক্তি সহিংসতা ও নিজের শরীরে আঘাত করা উপরের সমস্যাগুলোর যেকোন একটা হলে আপনি দ্রুত সময়ের মাঝে নিকটবর্তী মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন। ========================================= বিয়ের পর প্রত্যেক পুরুষের semen fluid analysis করা উচিত। ‌ এটা একটা বেসিক infertility টেস্ট যাতে দেখা হয় পুরুষ‌ মানুষটি বাবা হওয়ার যোগ্য কিনা। বিয়ের আগে করলে আরো ভালো। এটি করতে খরচ হয় স্থানভেদে মাত্র এক থেকে দেড় হাজার টাকা।সরকারি হাসপাতালে করলে ১০০ টাকায় করতে পারবেন। আমাদের দেশে কোন দম্পতির বাচ্চা না হলে এখনো অনেক জায়গায় মেয়েদেরকে ব্লেইম করা হয়। অনেক ক্ষেত্রেই সমস্যাটা থাকে ...