Skip to main content

বাচ্চাদের Stress

 


বাচ্চাদের আবার কীসের Stress?

Childhood Stress বা বাচ্চাদের স্ট্রেস, এটি এমন একটি Concept, যা নিয়ে অনেকেই সচেতন ভাবে জানেন না। আমাদের মাঝে এখনো এমন ধারণা প্রচলিত আছে যে বাচ্চাদের কোন স্ট্রেস হয় না। একটা বাচ্চা যে মাত্র Schooling শুরু করেছে, তার আবার কি Stress হতে পারে? এমন প্রশ্ন অনেক মা-বাবাই করে থাকেন। বর্তমানে Childhood Stress বাচ্চাদের মধ্যে খুব কমন একটি বিষয়। একদম ছোট বাচ্চাদের ক্ষেত্রেও অনেক বাবা মায়ের অভিযোগ থাকে, যে যখন বাচ্চার স্কুলে যাবার সময় হয়, তখনই বাচ্চার পেটে ব্যথা শুরু হয়। সে কোন ভাবেই স্কুলে যেতে চাচ্ছে না, কান্নাকাটি করছে এবং অনেক ক্ষেত্রে বাচ্চা স্কুলে যাবার আগের দিন থেকেই পেটে ব্যথার কথা আর বমি বমি লাগার কথা বলে থাকে। কিন্তু, যখনই মা-বাবা তাদের বলছেন, স্কুলে যাওয়া লাগবে না, তখনই তাদের পেটে ব্যথা কমে যাচ্ছে, সারাদিন কোন ব্যথার কথা বলছে না। এভাবে প্রতিদিনই দেখা যায় স্কুলে যাবার সময় হলেই বাচ্চা বলছে তার শরীর খারাপ লাগছে, পেটে ব্যথা করছে। এটি মূলত হয়ে থাকে বাচ্চাদের স্ট্রেস থেকে বা কোন রকমের মানসিক চাপ থেকে, যা Masquerade Syndrome নামে পরিচিত।

===================================================================
রাগ দিয়ে মানসিক রোগের বহিঃপ্রকাশ ঘটতে পারে?
মানুষের বিভিন্ন Emotion-এর মধ্যে রাগ একটি। দৈনন্দিন জীবনের নানা সময়ে আমাদের রাগ অনুভূত হতে পারে, যা পরবর্তীতে হয়ত Situation পরিবর্তনের সাথে সাথে বা আমাদের মনের অবস্থা ভাল হওয়ার সাথে সাথে চলে যায়। কিন্তু, কিছু ক্ষেত্রে, রাগ থেকেও আমাদের বিভিন্ন রোগের বহিঃপ্রকাশ হয়ে থাকে। যেমন, Anxiety বা Generalized Anxiety Disorder-এর ক্ষেত্রে, অনেক সময়ে আমরা দেখি মানুষ রাগের মাধ্যমে তাদের Frustration-এর প্রকাশ করে থাকেন। তারা বেশির ভাগ সময়ে দুশ্চিন্তাগ্রস্থ থেকে থাকেন, এবং অল্পতেই রেগে যান। এছাড়া, যারা শুচিবায়ুতে ভুগে থাকেন, তাদের ক্ষেত্রেও কোন কিছু তাদের কথা মত Perfectly না হলে, তাদের মধ্যে অতিরিক্ত রাগ লক্ষ্য করা যায়। এমন আরও অনেক Mental Disorder আছে যেখানে রাগ কোন একটি রোগের Symptom হিসেবে কাজ করে, যা আমরা সহজে বুঝতে পারি না। যেমন Borderline Personality Disorder, Schizophrenia, Bipolar Mood Disorder ইত্যাদির ক্ষেত্রে রাগ একটি উল্লেখযোগ্য লক্ষণ হিসেবে কাজ করে। কাজেই আপনি নিজে যদি কখনো এমন ফিল করেন যে আপনার মাত্রাতিরিক্ত রাগ হচ্ছে, বা আপনার আশেপাশের মানুষ যখন বলছে, আপনার রাগ টা অস্বাভাবিক লাগছে, তখন অবশ্যই এটিকে অগ্রাহ্য না করে একজন Expert এর সাথে Consult করা উচিত।
----------------------------------------------------------------------------------------------------------------------



পরকীয়া এমন একটি শব্দ, যা শুনার সাথে সাথেই নেগেটিভ একটি Feeling আমাদের মাঝে চলে আসে, এবং চলে আসাটাও স্বাভাবিক। বর্তমান সমাজে পরকীয়া একটি ব্যাধির মতো হয়ে দেখা দিয়েছে। পরকীয়া অবশ্যই একটি ঘৃণ্য কাজ, তাতে কোন সন্দেহ নেই। বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই পরকীয়ার কারণ হয় মানুষের চারিত্রিক দোষ এবং নৈতিক অবক্ষয়। আরেকটি উল্লেখ্য কারণ হচ্ছে অভাববোধ। মানুষ যখন তার পার্টনারের কাছ থেকে তার প্রাপ্য সম্মান, ভালোবাসা, Care, Priority, থেকে বঞ্চিত হন, তখন তার মধ্যে প্রচণ্ড অভাববোধ তৈরি হয়। এছাড়াও সম্পর্কে Abusive পার্টনার থাকলে অনেক মানুষ তখন পরকীয়ার দিকে ঝুঁকে পড়েন। যারা সম্পর্কের অভাবগুলো পূরণের উদ্দেশ্যে পরকীয়াতে জড়ান, তারা একসময় অনেক বেশি অপরাধবোধে ভুগে থাকেন, এবং অনেক ক্ষেত্রেই আগের মত স্বাভাবিক জীবন যাপন করতে চান। কিন্তু, লোক লজ্জায় তারা খুব বাজে ভাবে Suffer করতে থাকেন। এক্ষেত্রে অবশ্যই মনে রাখতে হবে, একজন Professional, বা একজন সাইকোলজিস্ট আপনাকে কখনই Judge করবেন না, বরং আপনাকে একটি স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার ক্ষেত্রে তারা দিকনির্দেশনা দিতে পারবেন। একজন মানুষ যদি তার ভুল বুঝতে পেরে সঠিক পথে ফিরে আসতে চায়, তাহলে সমাজ হিসেবে আমাদের অবশ্যই উচিত তাতে বাধা বিপত্তি তৈরি না করে তাকে তার ভুল শুধরে নেবার সুযোগ তৈরি করে দেয়া।

Comments

Popular posts from this blog

মুমিনের জন্য মৃত্যু হলো উপহার

  প্রায়ই সকালে খবরে দেখি, দুর্ঘটনায় মানুষের মৃত্যু হয়েছে। কখনো মধ্যবয়স্ক কেউ, কখনো আবার শিশু। প্রত্যেকটি মৃত্যু সংবাদই আমাকে মনে করিয়ে দেয়, কার মৃত্যু কখন হবে সে সম্পর্কে আমরা কেউই জানি না, কিন্তু এটা আমাদের সাথেই থাকে সব সময়। আমার প্রিয় মানুষগুলোর সাথে একদিন আর দেখা হবেনা, এটাই সত্য আল্লাহ বলেন: “প্রত্যেক প্রাণীকেই মৃত্যুর স্বাদ নিতে হবে” (সূরা আল-ইমরান: ১৮৫) এই কঠিন সত্য আমরা জানি ঠিকই। কিন্তু দুনিয়ার সুখ-দুঃখের ভেতরে আমরা এতটাই বিভোর হয়ে থাকি যে মৃত্যু নিয়ে খুব কমই ভাবি। আমরা প্রায়ই মানুষের মৃত্যুকে দুর্ঘটনা বলে মনে করি। কিন্তু আদৌ কি তা সত্য? মৃত্যু কি সত্যিই কোনো দুর্ঘটনা? রাসুল (ﷺ) বলেছেন: “মুমিনের জন্য মৃত্যু হলো উপহার” (ইবনে মাজাহ, হাদিস ৪২৬১) রাসুল (ﷺ) কেন মৃত্যুকে উপহার বললেন, এই প্রশ্নটি গুরুত্বপূর্ণ। এখানে লক্ষ্য করার বিষয় হলো, তিনি বিশেষভাবে মুমিনদের কথা বলেছেন। সেই সব মানুষদের, যারা দুনিয়ার চেয়ে আল্লাহ তায়ালাকে বহু গুণ বেশি ভালোবাসে। মৃত্যুর মাধ্যমেই আমরা দুনিয়ার মায়া ত্যাগ করে প্রবেশ করি আরেক জীবনে। সেই জীবনের শুরু আছে, কিন্তু শেষ নেই। আর যদি আমরা মুমিন হই, ...

Narcissist স্বামী স্ত্রী

  Narcissist স্বামী স্ত্রীর সাফল্যে ঈর্ষান্বিত থাকেন : Narcissist স্বামী প্রায়ই স্ত্রীর সাফল্যে প্রচণ্ড ঈর্ষান্বিত থাকেন। ধরুন, স্ত্রী আর্থিকভাবে বা সামাজিকভাবে স্বামীর চেয়ে বেশি capable, কিংবা তার চেয়ে উচ্চপদে কাজ করছেন। এমন ক্ষেত্রে, যদিও তিনি স্ত্রীর আয় ভোগ করেন, তবুও এ বিষয়ে তিনি খুশি নন; বরং এটি তাকে ইনসিকিওর ফিল করায়। স্ত্রীর সামাজিক পরিসর (social circle) যদি বড় হয় বা তার বেশি বন্ধু-বান্ধব থাকে, সেখানেও তিনি নিজেকে ইনসিকিওর মনে করেন। সবচেয়ে বেশি ইনসিকিওর অনুভব করেন যখন স্ত্রীর rank বা পদমর্যাদা তার চেয়ে উচ্চ হয়। ধরুন, স্বামী একটি প্রতিষ্ঠানে একটি পদে কাজ করছেন, কিন্তু স্ত্রী হয়তো আরও উচ্চ পদে রয়েছেন। তখন Narcissist স্বামী খুবই ইনসিকিওর ফিল করেন। ক্লিনিক্যাল প্র্যাকটিসে ফাইন্যান্স, সামাজিক পরিসর, এবং পদমর্যাদার ক্ষেত্রে আমরা প্রায়ই দেখি যে স্ত্রীর rank স্বামীর চেয়ে উচ্চ হলে Narcissist স্বামী প্রচণ্ড ইনসিকিওর ফিল করেন। যেমন, স্ত্রী যদি কোনো প্রতিষ্ঠানে ম্যানেজার হন, তিনি বলবেন, “তুমি ম্যানেজার, কিন্তু বাসায় কিছুই ম্যানেজ করতে পারো না; তুমি মানুষকে ক...

জীবনকে অপ্রয়োজনে কষ্টকর করি

  অনেকেই জীবনে খুব বড় হতে চান । বড় কাজ করতে চান, বড় বিজনেস করতে চান, দেশ পরিবর্তন করতে চায়। খুব ভাল এই চাওয়া গুলো। মন বড় রাখাই উচিত । কিন্তু এর পাশা পাশি আমরা যেটা ভুলে যাই যে, অনেক ছোট ছোট কাজেও কিন্তু সাফল্য এবং জীবনের সার্থকতা লুকিয়ে থাকে। আপনি প্রতিদিন নামাজ পড়ছেন ৫ বার । এটাও বড় সাফল্য । আপনি সত্য কথা বলার চেষ্টা করেন, এটাও সাফল্য । আপনি করো ক্ষতি করেন না। পরিবারের বিপদে আপদে পাশে থাকেন। রোজ একজন মানুষ কে খাওয়ান। আপনি ৯ টার অফিসে ৯ টায় হাজির হন, কাজে ফাঁকি দেন না। এসব কিছুই বিশাল সাফল্য । আমরা কেন জানি এসব ছোট ছোট কাজ কে সাফল্য মনে করি না। আমরা শুধু জীবনে ফাটায় ফেলতে চাই। এবং তা করতে যেয়ে জীবনকে অপ্রয়োজনে কষ্টকর করি। সবাইকে দিয়ে সব কাজ হয় না। আমি আপনি চাইলেই ইলন মাস্ক হতে পারবোনা । কিন্তু একজন ভালো মানুষ আমরা সবাই হতে পারব যাকে সমাজের কাজে লাগে। সমাজে ১০% মানুষ বড় কাজ করবে। আল্লাহ তাদের মেধা দিয়েছেন, ভালো পরিবার দিয়েছেন, সাহস দিয়েছেন - তারা জন্ম থেকেই কিছুটা আলাদা। কিন্তু বড় কাজ করতে পারছেন না মানে আপনি জীবনে সফল নয় - এটা ভাবা ঠিক নয়।...