Skip to main content

ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তা পূর্ণ

 


মানুষের নিয়ন্ত্রন এর বাইরে থাকা ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তা পূর্ণ , কিন্তু বর্তমান ব্যবহার করে সুন্দর কিছু স্মৃতি মানুষ চাইলেই তৈরি করতে পারে , যা নিশ্চিত ভাবে ভবিষ্যৎ এর যেকোন পরিস্থিতিতে মানুষিক প্রশান্তি দেয় , তার পরেও কেন জানি অধিকাংশ মানুষ তার অনিশ্চয়তা পূর্ণ সুন্দর ভবিষ্যতের স্বপ্নে বর্তমানকে নষ্ট করে ফেলে !!!

আমার কাছে জীবনটাই পথ চলা , জীবনে এমন সময় পার করেছি খালি পকেটে বাসা থেকে বের হয়েছি বাচ্চার দুধ কিনার জন্য, আমার বন্ধু , জীবন সঙ্গিও কেও বলি নাই ( অবস্থা খারাপ জানলেও এতটা খারাপ ও টের পায় নাই)। এই সমাজের একজন মধ্যবিত্ত শ্রেণির বাবার কাছে এর চেয়ে কঠিন মুহূর্ত আর কি আছে আমি জানি না, কিন্তু সেইদিনও আমি ভাঙ্গি নাই , কারন পৃথিবীতে আমি আমাকেই সবচাইতে বেশি বিশ্বাস করি। জীবন থেমে থাকে নাই । কিন্তু এর পর অনেক বার অনেক অসহায় বাবাকে পকেট এর শেষ টাকা দিয়ে নিজ হাতে তার বাচ্চার জন্য দুধ কিনে দিয়েছি , ওই অসহায় বাবার জন্য সেই সময় আমি দয়া দেখাই নাই , আমি আমি আমার নিজের উপর দয়া করেছি ,এক জীবনে আমি আমাকে অনেকবার সাহায্য করে আত্মতৃপ্তি নিয়েছি , এখনও এই সমাজের অংকের হিসাবে আমি সার্থক মানুষ হতে পারি নাই , অভাব এখনও আসে কিন্তু আমি জীবনের পথ চলার রাস্তায় একটা জিনিস শিখে গেছি, অভাব আমার জন্য একটা আপেক্ষিক শব্দ , যে লোকটা ৫ হাজার টাকায় সংসার চালায় তার যেমন অভাব আছে ৫ কোটি আয়ের লকেরও অভাব আছে কিন্তু দুই জন মানুষের ক্ষেত্রেই জীবন উপভোগ করতে জানলে সুখের পরিমান সমান । অনেকেই বলে অর্থ দিয়ে সুখ কিনা যায় না , কিন্তু সুখের জন্য অর্থ লাগে , আমার জীবনের ফিলসফি আলাদা , অভাবের মত সুখও আপেক্ষিক আমার কাছে , সুখ নির্ভর করে মানসিকতার উপর , আপনি যদি শারীরিক ভাবে সুস্থ থাকেন , আপনার নিজের যোগ্যতা নিয়ে আপনার ১০০% কনফিডেন্স এবং সৎ থাকেন তাহলে জিবনের পথ চলায় সুখ আপনার কাছে আপেক্ষিকতার বিষয়, আপনি উপভোগ করলে আপনি সুখী না করলে না। এই জ্ঞান কপচালাম কারন একজন কাছের বন্ধু বলল দোস্ত তুই তো সুখী মানুষ , আমিও হেসে উত্তরে সম্মতি দিয়েছি, কিন্ত আমার কাছে সুখের সংজ্ঞা কি তা ও জানে না । ৪০ বছরের পর মানুষের ভিতর নাকি পরিপক্কতা আসে , আমার মস্তিষ্কের বয়স ৪১ অতিক্রম করলেও মনের বয়স ২০ এর কোঠা এখনও পার করে নাই , এইটাই আমার আত্ম বিশ্বাস এর যায়গা , সুস্থ থাকলে আমি প্রতিদিন নতুন করে জীবন শুরু করতে পারব বলে আমি বিশ্বাস করি । তাই ইবাদতে খোদাকে বলি " আমার এই জীবনে পাওয়া ,না পাওয়া সবকিছুর জন্য আলহামদুলিল্লাহ্‌ , আলহামদুলিল্লাহ্‌ আল্লাহ রাব্বুল আলামিন সব কিছুর জন্য ......" বর্তমান সময়ে সুখ বিষয়টা সমুদ্রের বালুকে মুঠে বন্দি করার চেষ্টার মত , এইটা না করে সমুদ্রটা উপভোগ করাই আমার কাছে বুদ্ধিমানের কাজ । স্থপতি নিলয় (৪১ তম জন্মবার্ষিকীতে জীবন নিয়ে আত্ম উপলব্ধি)

কয়েকদিন ধরে একটা প্রশ্ন মাথায় ঘুরপাক খাচ্ছে কিন্তু উত্তর পাচ্ছিনা! প্রশ্নটা হল বেশিরভাগ সন্তান উচ্ছন্নে যায় কি বাবা-মার অর্থনৈতিক প্রাচুর্যের কারণে নাকি বা আমার দারিদ্র্যের কারণে. আপনার কি মনে হয়? আমার ধারণা রিসার্চ করলে সংখ্যাটা বেশ কাছাকাছি হবে. আশ্চর্যের বিষয় এটা না যে আমরা সবাই দারিদ্রতা থেকে বের হতে চাই; আশ্চর্যের বিষয় হল আমরা যে কোন মূল্যে প্রাচুর্য চাই এবং প্রাচুর্যকে আমরা আমাদের জীবনে চূড়ান্ত আশীর্বাদ মনে করি;মনে করি যে প্রাচুর্য আমার জীবনের সমস্ত সমস্যার সমাধান এবং আমার সন্তানের সমস্ত প্রয়োজন আমি পূরণ করে ফেললাম প্রাচুর্য দিয়ে! আমরা বেমালুম ভুলে যায় যে প্রাচুর্যের কারণেই হয়তো আমার সন্তান বিপথে যাবে কারণ সে ভালো কিছু করার কোন রকম উৎসাহ পাবে না. Unearned Success can kill your spirit to strive for excellence. Lack of excellence will kill your competence and integrity. by yahya amin

Comments

Popular posts from this blog

মুমিনের জন্য মৃত্যু হলো উপহার

  প্রায়ই সকালে খবরে দেখি, দুর্ঘটনায় মানুষের মৃত্যু হয়েছে। কখনো মধ্যবয়স্ক কেউ, কখনো আবার শিশু। প্রত্যেকটি মৃত্যু সংবাদই আমাকে মনে করিয়ে দেয়, কার মৃত্যু কখন হবে সে সম্পর্কে আমরা কেউই জানি না, কিন্তু এটা আমাদের সাথেই থাকে সব সময়। আমার প্রিয় মানুষগুলোর সাথে একদিন আর দেখা হবেনা, এটাই সত্য আল্লাহ বলেন: “প্রত্যেক প্রাণীকেই মৃত্যুর স্বাদ নিতে হবে” (সূরা আল-ইমরান: ১৮৫) এই কঠিন সত্য আমরা জানি ঠিকই। কিন্তু দুনিয়ার সুখ-দুঃখের ভেতরে আমরা এতটাই বিভোর হয়ে থাকি যে মৃত্যু নিয়ে খুব কমই ভাবি। আমরা প্রায়ই মানুষের মৃত্যুকে দুর্ঘটনা বলে মনে করি। কিন্তু আদৌ কি তা সত্য? মৃত্যু কি সত্যিই কোনো দুর্ঘটনা? রাসুল (ﷺ) বলেছেন: “মুমিনের জন্য মৃত্যু হলো উপহার” (ইবনে মাজাহ, হাদিস ৪২৬১) রাসুল (ﷺ) কেন মৃত্যুকে উপহার বললেন, এই প্রশ্নটি গুরুত্বপূর্ণ। এখানে লক্ষ্য করার বিষয় হলো, তিনি বিশেষভাবে মুমিনদের কথা বলেছেন। সেই সব মানুষদের, যারা দুনিয়ার চেয়ে আল্লাহ তায়ালাকে বহু গুণ বেশি ভালোবাসে। মৃত্যুর মাধ্যমেই আমরা দুনিয়ার মায়া ত্যাগ করে প্রবেশ করি আরেক জীবনে। সেই জীবনের শুরু আছে, কিন্তু শেষ নেই। আর যদি আমরা মুমিন হই, ...

Narcissist স্বামী স্ত্রী

  Narcissist স্বামী স্ত্রীর সাফল্যে ঈর্ষান্বিত থাকেন : Narcissist স্বামী প্রায়ই স্ত্রীর সাফল্যে প্রচণ্ড ঈর্ষান্বিত থাকেন। ধরুন, স্ত্রী আর্থিকভাবে বা সামাজিকভাবে স্বামীর চেয়ে বেশি capable, কিংবা তার চেয়ে উচ্চপদে কাজ করছেন। এমন ক্ষেত্রে, যদিও তিনি স্ত্রীর আয় ভোগ করেন, তবুও এ বিষয়ে তিনি খুশি নন; বরং এটি তাকে ইনসিকিওর ফিল করায়। স্ত্রীর সামাজিক পরিসর (social circle) যদি বড় হয় বা তার বেশি বন্ধু-বান্ধব থাকে, সেখানেও তিনি নিজেকে ইনসিকিওর মনে করেন। সবচেয়ে বেশি ইনসিকিওর অনুভব করেন যখন স্ত্রীর rank বা পদমর্যাদা তার চেয়ে উচ্চ হয়। ধরুন, স্বামী একটি প্রতিষ্ঠানে একটি পদে কাজ করছেন, কিন্তু স্ত্রী হয়তো আরও উচ্চ পদে রয়েছেন। তখন Narcissist স্বামী খুবই ইনসিকিওর ফিল করেন। ক্লিনিক্যাল প্র্যাকটিসে ফাইন্যান্স, সামাজিক পরিসর, এবং পদমর্যাদার ক্ষেত্রে আমরা প্রায়ই দেখি যে স্ত্রীর rank স্বামীর চেয়ে উচ্চ হলে Narcissist স্বামী প্রচণ্ড ইনসিকিওর ফিল করেন। যেমন, স্ত্রী যদি কোনো প্রতিষ্ঠানে ম্যানেজার হন, তিনি বলবেন, “তুমি ম্যানেজার, কিন্তু বাসায় কিছুই ম্যানেজ করতে পারো না; তুমি মানুষকে ক...

জীবনকে অপ্রয়োজনে কষ্টকর করি

  অনেকেই জীবনে খুব বড় হতে চান । বড় কাজ করতে চান, বড় বিজনেস করতে চান, দেশ পরিবর্তন করতে চায়। খুব ভাল এই চাওয়া গুলো। মন বড় রাখাই উচিত । কিন্তু এর পাশা পাশি আমরা যেটা ভুলে যাই যে, অনেক ছোট ছোট কাজেও কিন্তু সাফল্য এবং জীবনের সার্থকতা লুকিয়ে থাকে। আপনি প্রতিদিন নামাজ পড়ছেন ৫ বার । এটাও বড় সাফল্য । আপনি সত্য কথা বলার চেষ্টা করেন, এটাও সাফল্য । আপনি করো ক্ষতি করেন না। পরিবারের বিপদে আপদে পাশে থাকেন। রোজ একজন মানুষ কে খাওয়ান। আপনি ৯ টার অফিসে ৯ টায় হাজির হন, কাজে ফাঁকি দেন না। এসব কিছুই বিশাল সাফল্য । আমরা কেন জানি এসব ছোট ছোট কাজ কে সাফল্য মনে করি না। আমরা শুধু জীবনে ফাটায় ফেলতে চাই। এবং তা করতে যেয়ে জীবনকে অপ্রয়োজনে কষ্টকর করি। সবাইকে দিয়ে সব কাজ হয় না। আমি আপনি চাইলেই ইলন মাস্ক হতে পারবোনা । কিন্তু একজন ভালো মানুষ আমরা সবাই হতে পারব যাকে সমাজের কাজে লাগে। সমাজে ১০% মানুষ বড় কাজ করবে। আল্লাহ তাদের মেধা দিয়েছেন, ভালো পরিবার দিয়েছেন, সাহস দিয়েছেন - তারা জন্ম থেকেই কিছুটা আলাদা। কিন্তু বড় কাজ করতে পারছেন না মানে আপনি জীবনে সফল নয় - এটা ভাবা ঠিক নয়।...