Skip to main content

ফিলিস্তিন যুদ্ধে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে দেয়া কিছু মিথ্যা খবর

 


ফিলিস্তিন যুদ্ধে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে দেয়া কিছু মিথ্যা খবরঃ

১। ফিলিস্তিনিরা ইসরাইলে ৪০ টি শিশুকে গলা কেটে হত্যা করেছে (মিথ্যা খবর)। আসল খবরঃ এই বিষয়ে ইসরাইলের সেনাবাহিনীর কাছে কোন প্রমাণ নেই বলে আনাদলু বার্তা সংস্থাকে জানিয়েছে ইসরাইলি এক সেনা মুখপাত্র। এছাড়াও এই খবরের পক্ষে কোন ছবি ভিডিও ফুটেজও কেউ দেখাতে পারেনি। অথচ ইসরাইলি বোমা হামলায় ছোট ছোট ফিলিস্তিনই বাচ্চাদের টুকরো টুকরো হয়ে যাওয়ার ভিডিও ফুটেজ দেখা গেছে। ২। ফিলিস্তিনিরা জার্মান এক মহিলাকে হত্যা করে উলঙ্গ লাশ নিয়ে উল্লাস করেছে (মিথ্যা খবর।) আসল খবরঃ সেই নারীর মা বলেছেন যে তার মেয়ে বেঁচে আছেন এবং গাজায় চিকিৎসাধীন আছেন ৩। ফিলিস্তিনিরা ইসরাইলে শুধু বেসামরিক লোকদের হত্যা করেছে (মিথ্যা কথা)। আসল খবরঃ ফিলিস্তিনিরা ইসরাইলে বেশিরভাগই সামরিক লোকদের হত্যা করেছে। এমনকি ইসরাইলি বাহিনী বেসামরিক ইসরাইলি লোকদের টার্গেট করলে তাদেরকে বাঁচানোর জন্য ঢাল হয়েছে ফিলিস্তিনই যোদ্ধারা এরকম অনেক ফুটেজ দেখা গেছে। (তবে হ্যাঁ কিছু ফিলিস্তিনি যোদ্ধা কিছু বেসামরিক লোককে হত্যা করেছে যা কোন ভাবেই মেনে নেওয়া যায় না) ৪। ফিলিস্তিনিরা একটা ফেস্টিভ্যালে যাওয়া সাধারণ লোকদেরকে টার্গেট করে হত্যা করেছে। (এ কোথাও পুরোপুরি সঠিক না) আসল খবরঃ ওই ফ্যাস্টিভ্যালের কাছে ইসরাইলি সেনাবাহিনীর সাথে ফিলিস্তিনিদের গোলাগুলির সময় ক্রস ফায়ারে পড়ে কিছু লোক নিহত হয়েছে। তাদেরকে টার্গেট করে হত্যা করা হয়নি। ৫। ফিলিস্তিনিরা ইসরাইলি নারীদের ধর্ষণ করেছে (মিথ্যা খবর)। কারণঃ এই বিষয় কোন একটা তথ্য উপাত্ত, বা নির্ভরযোগ্য কোন সোর্স কেউ দিতে পারে নি। ৬। ফিলিস্তিনরা নির্বিচারে ইসরাইলি বেসামরিক লোককে হত্যা করেছে। (এ বিষয়েও কোন তথ্য প্রমাণ নেই) তবে ইসরাইল নির্বিচারে ফিলিস্তিনিদের হত্যা করছে। আবাসিক ভবনে, হাসপাতালে, স্কুলে, বিশ্ববিদ্যালয়ে, মসজিদে, এ্যাম্বুলেন্সে হামলা করে শত শত বেসামরিক মানুষ হত্যা করছে ইসরাইলি বাহিনী। আর এগুলো তাদের সেনা কর্মকর্তারা, মন্ত্রীরা এবং প্রধানমন্ত্রী উন্মুক্তভাবে ঘোষণা দিয়েই করছেন। ফিলিস্তিন যুদ্ধ নিয়ে খবর পড়ার সময় মনে রাখা দরকার যে, খুব সূক্ষ্মভাবে এবং প্রফেশনাল পন্থায় মিথ্যা, ভুয়া, বা আংশিক সত্য খবর ছড়াতে বিশ্বে সবার চেয়ে এগিয়ে আছে ইসরাইল। আর এক্ষেত্রে তাদের খেদমতে কাজ করছে বহু পশ্চিমা মিডিয়া, গণমাধ্যমকর্মী, সোশ্যাল মিডিয়া আর্মি ইত্যাদি।collected

Comments

Popular posts from this blog

মুমিনের জন্য মৃত্যু হলো উপহার

  প্রায়ই সকালে খবরে দেখি, দুর্ঘটনায় মানুষের মৃত্যু হয়েছে। কখনো মধ্যবয়স্ক কেউ, কখনো আবার শিশু। প্রত্যেকটি মৃত্যু সংবাদই আমাকে মনে করিয়ে দেয়, কার মৃত্যু কখন হবে সে সম্পর্কে আমরা কেউই জানি না, কিন্তু এটা আমাদের সাথেই থাকে সব সময়। আমার প্রিয় মানুষগুলোর সাথে একদিন আর দেখা হবেনা, এটাই সত্য আল্লাহ বলেন: “প্রত্যেক প্রাণীকেই মৃত্যুর স্বাদ নিতে হবে” (সূরা আল-ইমরান: ১৮৫) এই কঠিন সত্য আমরা জানি ঠিকই। কিন্তু দুনিয়ার সুখ-দুঃখের ভেতরে আমরা এতটাই বিভোর হয়ে থাকি যে মৃত্যু নিয়ে খুব কমই ভাবি। আমরা প্রায়ই মানুষের মৃত্যুকে দুর্ঘটনা বলে মনে করি। কিন্তু আদৌ কি তা সত্য? মৃত্যু কি সত্যিই কোনো দুর্ঘটনা? রাসুল (ﷺ) বলেছেন: “মুমিনের জন্য মৃত্যু হলো উপহার” (ইবনে মাজাহ, হাদিস ৪২৬১) রাসুল (ﷺ) কেন মৃত্যুকে উপহার বললেন, এই প্রশ্নটি গুরুত্বপূর্ণ। এখানে লক্ষ্য করার বিষয় হলো, তিনি বিশেষভাবে মুমিনদের কথা বলেছেন। সেই সব মানুষদের, যারা দুনিয়ার চেয়ে আল্লাহ তায়ালাকে বহু গুণ বেশি ভালোবাসে। মৃত্যুর মাধ্যমেই আমরা দুনিয়ার মায়া ত্যাগ করে প্রবেশ করি আরেক জীবনে। সেই জীবনের শুরু আছে, কিন্তু শেষ নেই। আর যদি আমরা মুমিন হই, ...

Narcissist স্বামী স্ত্রী

  Narcissist স্বামী স্ত্রীর সাফল্যে ঈর্ষান্বিত থাকেন : Narcissist স্বামী প্রায়ই স্ত্রীর সাফল্যে প্রচণ্ড ঈর্ষান্বিত থাকেন। ধরুন, স্ত্রী আর্থিকভাবে বা সামাজিকভাবে স্বামীর চেয়ে বেশি capable, কিংবা তার চেয়ে উচ্চপদে কাজ করছেন। এমন ক্ষেত্রে, যদিও তিনি স্ত্রীর আয় ভোগ করেন, তবুও এ বিষয়ে তিনি খুশি নন; বরং এটি তাকে ইনসিকিওর ফিল করায়। স্ত্রীর সামাজিক পরিসর (social circle) যদি বড় হয় বা তার বেশি বন্ধু-বান্ধব থাকে, সেখানেও তিনি নিজেকে ইনসিকিওর মনে করেন। সবচেয়ে বেশি ইনসিকিওর অনুভব করেন যখন স্ত্রীর rank বা পদমর্যাদা তার চেয়ে উচ্চ হয়। ধরুন, স্বামী একটি প্রতিষ্ঠানে একটি পদে কাজ করছেন, কিন্তু স্ত্রী হয়তো আরও উচ্চ পদে রয়েছেন। তখন Narcissist স্বামী খুবই ইনসিকিওর ফিল করেন। ক্লিনিক্যাল প্র্যাকটিসে ফাইন্যান্স, সামাজিক পরিসর, এবং পদমর্যাদার ক্ষেত্রে আমরা প্রায়ই দেখি যে স্ত্রীর rank স্বামীর চেয়ে উচ্চ হলে Narcissist স্বামী প্রচণ্ড ইনসিকিওর ফিল করেন। যেমন, স্ত্রী যদি কোনো প্রতিষ্ঠানে ম্যানেজার হন, তিনি বলবেন, “তুমি ম্যানেজার, কিন্তু বাসায় কিছুই ম্যানেজ করতে পারো না; তুমি মানুষকে ক...

জীবনকে অপ্রয়োজনে কষ্টকর করি

  অনেকেই জীবনে খুব বড় হতে চান । বড় কাজ করতে চান, বড় বিজনেস করতে চান, দেশ পরিবর্তন করতে চায়। খুব ভাল এই চাওয়া গুলো। মন বড় রাখাই উচিত । কিন্তু এর পাশা পাশি আমরা যেটা ভুলে যাই যে, অনেক ছোট ছোট কাজেও কিন্তু সাফল্য এবং জীবনের সার্থকতা লুকিয়ে থাকে। আপনি প্রতিদিন নামাজ পড়ছেন ৫ বার । এটাও বড় সাফল্য । আপনি সত্য কথা বলার চেষ্টা করেন, এটাও সাফল্য । আপনি করো ক্ষতি করেন না। পরিবারের বিপদে আপদে পাশে থাকেন। রোজ একজন মানুষ কে খাওয়ান। আপনি ৯ টার অফিসে ৯ টায় হাজির হন, কাজে ফাঁকি দেন না। এসব কিছুই বিশাল সাফল্য । আমরা কেন জানি এসব ছোট ছোট কাজ কে সাফল্য মনে করি না। আমরা শুধু জীবনে ফাটায় ফেলতে চাই। এবং তা করতে যেয়ে জীবনকে অপ্রয়োজনে কষ্টকর করি। সবাইকে দিয়ে সব কাজ হয় না। আমি আপনি চাইলেই ইলন মাস্ক হতে পারবোনা । কিন্তু একজন ভালো মানুষ আমরা সবাই হতে পারব যাকে সমাজের কাজে লাগে। সমাজে ১০% মানুষ বড় কাজ করবে। আল্লাহ তাদের মেধা দিয়েছেন, ভালো পরিবার দিয়েছেন, সাহস দিয়েছেন - তারা জন্ম থেকেই কিছুটা আলাদা। কিন্তু বড় কাজ করতে পারছেন না মানে আপনি জীবনে সফল নয় - এটা ভাবা ঠিক নয়।...