Skip to main content

টাকা

 


যদি পারেন টাকা ছাড়া এই পৃথিবীর একজন মানুষকে আপনি খুশি করে দেখান। হোক মা,বাবা,স্ত্রী,সন্তান, বন্ধু,আত্বীয়-স্বজন, চ্যলেঞ্জ করলাম। পৃথিবীর সমস্ত মানুষ এই একটা জায়গা এসে ধরা আর তা হলো টাকা। শুধুই টাকা। ছেলে বড় হয়ে গেছে এখনো বেকার(অর্থাৎ টাকা কামাই করে দিতে পারে না) ,দেখেন ভালোবাসা কোথায় যায়। স্বামীর আয় রোজগার কম সংসারে অভাব ছাড়েই না। দেখেন ভালোবাসা কোথায় যায়। আপনার পকেটে টাকা নেই মানে,,,আপনার কোনো বন্ধু আপনাকে চিনবে না। আত্মীয়রা তো দেখলেই পালাবে। যদি আপনি তাদের থেকে কোনো টাকা চেয়ে বসেন(ধার-কর্জ) ,,,কারন আপনার তো টাকা নেই।এলাকার কোনো লোক আপনাকে মুল্যায়ন করবে না। সম্মান করবে না ছোট বাচ্চারাও। যে সবচেয়ে আপন,,,আপনার মা। সেও অনেক সময় আপনাকে ভুল বোঝে,,,, দূরে সরে যায়। একটা কথা মনে রাখবেন,,,, পৃথিবীর কোনো মানুষ (সম্পর্কে সে আপনার যাই হোক না কেন) ১৬ আনা আপন হয় না। সবাই ভিন্ন ভিন্ন স্বার্থের জন্য আপনাকে কিছুক্ষনের জন্য ভালোবাসা প্রদর্শনী করে থাকে। কাউকেই আপনি জীবন দিয়েও খুশি করতে পারবেন না। চ্যলেঞ্জ করলাম কাউকেই পারবেন না। পকেটে টাকা থাকলে হয়ত সামান্য কিছুটা পারা যেতে পারে।

আর যিনি আপনাকে কোনো স্বার্থ ছাড়াই আপনাকে ভালোবাসেন তিনি হলেন আল্লাহ। দুনিয়ার মানুষকে খুশি করার যে ব্যর্থ সংগ্রাম আপনি করে যাচ্ছেন তাতে বিন্দু মাত্রও লাভ নেই। সবাই আপনাকে ভুলে যাবে একমাত্র আল্লাহ ছাড়া।কিয়ামতের ভয়াবহ দিনে এক আল্লাহ আর রাসূল সঃ ছাড়া আপনার জন্যও কেউ থাকবে না, আপনিও কারো জন্য থাকবেন না। আল্লাহ ছাড়া আর কোনো আশা ভরসা থাকবে না। তাই আল্লাহর জন্য একটু সময় বের করুন ভাই। আল্লাহকে সময় দিন। কৃতজ্ঞ হোন। আল্লাহকে ভালোবাসলে, আপনার এ ভালোবাসা কখনো ব্যর্থ হবে না। দুনিয়ায় আপনি চাকরি করেন,ব্যবসা বানিজ্য, দিনমজুরি, সারাদিন হাড়ভাংগা পরিশ্রম করেন, যাননাহন চালান সবই এই দুনিয়ার কিছু মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর ব্যর্থ চেষ্টায়। কেউই আপনার আপন হয় না। তাই আসুন আমরা আল্লাহকে আপন করে নেই। আল্লাহকে সময় দেই। এই সবকিছু ছেড়ে একদিন ওই আল্লাহর কাছেই ফিরে যেতে হবে। মাত্র একটা মিনিট জীবন নিয়ে ভেবে দেখুন।সবকিছুই দিনের আলোর মত পরিষ্কার হয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ।collected

Comments

Popular posts from this blog

মুমিনের জন্য মৃত্যু হলো উপহার

  প্রায়ই সকালে খবরে দেখি, দুর্ঘটনায় মানুষের মৃত্যু হয়েছে। কখনো মধ্যবয়স্ক কেউ, কখনো আবার শিশু। প্রত্যেকটি মৃত্যু সংবাদই আমাকে মনে করিয়ে দেয়, কার মৃত্যু কখন হবে সে সম্পর্কে আমরা কেউই জানি না, কিন্তু এটা আমাদের সাথেই থাকে সব সময়। আমার প্রিয় মানুষগুলোর সাথে একদিন আর দেখা হবেনা, এটাই সত্য আল্লাহ বলেন: “প্রত্যেক প্রাণীকেই মৃত্যুর স্বাদ নিতে হবে” (সূরা আল-ইমরান: ১৮৫) এই কঠিন সত্য আমরা জানি ঠিকই। কিন্তু দুনিয়ার সুখ-দুঃখের ভেতরে আমরা এতটাই বিভোর হয়ে থাকি যে মৃত্যু নিয়ে খুব কমই ভাবি। আমরা প্রায়ই মানুষের মৃত্যুকে দুর্ঘটনা বলে মনে করি। কিন্তু আদৌ কি তা সত্য? মৃত্যু কি সত্যিই কোনো দুর্ঘটনা? রাসুল (ﷺ) বলেছেন: “মুমিনের জন্য মৃত্যু হলো উপহার” (ইবনে মাজাহ, হাদিস ৪২৬১) রাসুল (ﷺ) কেন মৃত্যুকে উপহার বললেন, এই প্রশ্নটি গুরুত্বপূর্ণ। এখানে লক্ষ্য করার বিষয় হলো, তিনি বিশেষভাবে মুমিনদের কথা বলেছেন। সেই সব মানুষদের, যারা দুনিয়ার চেয়ে আল্লাহ তায়ালাকে বহু গুণ বেশি ভালোবাসে। মৃত্যুর মাধ্যমেই আমরা দুনিয়ার মায়া ত্যাগ করে প্রবেশ করি আরেক জীবনে। সেই জীবনের শুরু আছে, কিন্তু শেষ নেই। আর যদি আমরা মুমিন হই, ...

Narcissist স্বামী স্ত্রী

  Narcissist স্বামী স্ত্রীর সাফল্যে ঈর্ষান্বিত থাকেন : Narcissist স্বামী প্রায়ই স্ত্রীর সাফল্যে প্রচণ্ড ঈর্ষান্বিত থাকেন। ধরুন, স্ত্রী আর্থিকভাবে বা সামাজিকভাবে স্বামীর চেয়ে বেশি capable, কিংবা তার চেয়ে উচ্চপদে কাজ করছেন। এমন ক্ষেত্রে, যদিও তিনি স্ত্রীর আয় ভোগ করেন, তবুও এ বিষয়ে তিনি খুশি নন; বরং এটি তাকে ইনসিকিওর ফিল করায়। স্ত্রীর সামাজিক পরিসর (social circle) যদি বড় হয় বা তার বেশি বন্ধু-বান্ধব থাকে, সেখানেও তিনি নিজেকে ইনসিকিওর মনে করেন। সবচেয়ে বেশি ইনসিকিওর অনুভব করেন যখন স্ত্রীর rank বা পদমর্যাদা তার চেয়ে উচ্চ হয়। ধরুন, স্বামী একটি প্রতিষ্ঠানে একটি পদে কাজ করছেন, কিন্তু স্ত্রী হয়তো আরও উচ্চ পদে রয়েছেন। তখন Narcissist স্বামী খুবই ইনসিকিওর ফিল করেন। ক্লিনিক্যাল প্র্যাকটিসে ফাইন্যান্স, সামাজিক পরিসর, এবং পদমর্যাদার ক্ষেত্রে আমরা প্রায়ই দেখি যে স্ত্রীর rank স্বামীর চেয়ে উচ্চ হলে Narcissist স্বামী প্রচণ্ড ইনসিকিওর ফিল করেন। যেমন, স্ত্রী যদি কোনো প্রতিষ্ঠানে ম্যানেজার হন, তিনি বলবেন, “তুমি ম্যানেজার, কিন্তু বাসায় কিছুই ম্যানেজ করতে পারো না; তুমি মানুষকে ক...

জীবনকে অপ্রয়োজনে কষ্টকর করি

  অনেকেই জীবনে খুব বড় হতে চান । বড় কাজ করতে চান, বড় বিজনেস করতে চান, দেশ পরিবর্তন করতে চায়। খুব ভাল এই চাওয়া গুলো। মন বড় রাখাই উচিত । কিন্তু এর পাশা পাশি আমরা যেটা ভুলে যাই যে, অনেক ছোট ছোট কাজেও কিন্তু সাফল্য এবং জীবনের সার্থকতা লুকিয়ে থাকে। আপনি প্রতিদিন নামাজ পড়ছেন ৫ বার । এটাও বড় সাফল্য । আপনি সত্য কথা বলার চেষ্টা করেন, এটাও সাফল্য । আপনি করো ক্ষতি করেন না। পরিবারের বিপদে আপদে পাশে থাকেন। রোজ একজন মানুষ কে খাওয়ান। আপনি ৯ টার অফিসে ৯ টায় হাজির হন, কাজে ফাঁকি দেন না। এসব কিছুই বিশাল সাফল্য । আমরা কেন জানি এসব ছোট ছোট কাজ কে সাফল্য মনে করি না। আমরা শুধু জীবনে ফাটায় ফেলতে চাই। এবং তা করতে যেয়ে জীবনকে অপ্রয়োজনে কষ্টকর করি। সবাইকে দিয়ে সব কাজ হয় না। আমি আপনি চাইলেই ইলন মাস্ক হতে পারবোনা । কিন্তু একজন ভালো মানুষ আমরা সবাই হতে পারব যাকে সমাজের কাজে লাগে। সমাজে ১০% মানুষ বড় কাজ করবে। আল্লাহ তাদের মেধা দিয়েছেন, ভালো পরিবার দিয়েছেন, সাহস দিয়েছেন - তারা জন্ম থেকেই কিছুটা আলাদা। কিন্তু বড় কাজ করতে পারছেন না মানে আপনি জীবনে সফল নয় - এটা ভাবা ঠিক নয়।...