Skip to main content

রাগী মানুষেরা কেন রাগ কমাতে চায় না?

 😡 রাগী মানুষেরা কেন রাগ কমাতে চায় না?


👉 রাগ মানুষের অনেক 𝐂𝐨𝐦𝐦𝐨𝐧 একটা অভ্যাস। কিন্তু যাদের রাগ অনেক বেশি তাদের ক্ষেত্রে সমস্যা বেশি হয়। তারা নিজে থেকে রাগটা কমানোর চেষ্টাও করেনা। এর পিছনে বেশ কিছু কারণ থাকে সেগুলো হচ্ছে- ⛔ 𝐁𝐥𝐚𝐦𝐢𝐧𝐠 𝐭𝐞𝐧𝐝𝐞𝐧𝐜𝐲: রাগী মানুষদের 𝐭𝐞𝐧𝐝𝐞𝐧𝐜𝐲 থাকে অন্যকে দোষ দেওয়া যে এটা আমার সমস্যা না অন্যের সমস্যা, পরিস্থিতির সমস্যা, সমাজের সমস্যা ইত্যাদি। যারা সবসময় এরকম 𝐁𝐥𝐚𝐦𝐢𝐧𝐠 এর দিকে চলে যায়, 𝐕𝐢𝐜𝐭𝐢𝐦 𝐑𝐨𝐥𝐞 𝐏𝐥𝐚𝐲 করে তাদেরকে ঠিক করা অনেক বেশি কঠিন। ⛔ 𝐅𝐮𝐧𝐜𝐭𝐢𝐨𝐧𝐚𝐥 𝐀𝐧𝐠𝐞𝐫: অনেকে রাগের মাধ্যমে অনেক কাজ আদায় করে নিতে পারে। দেখা যায় কাউকে নরম ভাবে বললে অনেক সময় কাজ আদায় হয় না কিন্তু রেগে বললে ঠিকই কাজটা হয়ে যায়। এজন্য অনেকে এই রাগটা দিয়েই কাজ আদায় করে এবং এই অভ্যাস তাদের থেকে যায়। ⛔ 𝐓𝐞𝐦𝐩𝐨𝐫𝐚𝐫𝐲 𝐄𝐦𝐨𝐭𝐢𝐨𝐧 𝐑𝐞𝐥𝐞𝐚𝐬𝐞: কেউ যখন একটু 𝐒𝐚𝐝 থাকে, 𝐍𝐞𝐫𝐯𝐨𝐮𝐬 থাকে বা 𝐀𝐧𝐱𝐢𝐞𝐭𝐲 তে থাকে তখন তারা যদি রাগ ঝেড়ে দেয় এতে তাদের 𝐧𝐞𝐫𝐯𝐨𝐮𝐬𝐧𝐞𝐬𝐬, 𝐚𝐧𝐱𝐢𝐞𝐭𝐲, 𝐬𝐚𝐝𝐧𝐞𝐬𝐬 কিছুটা হলেও কমে যায়। এজন্য অনেকে রাগ ছাড়তে চায় না। ⛔ 𝐒𝐞𝐥𝐟-𝐑𝐞𝐢𝐧𝐟𝐨𝐫𝐜𝐢𝐧𝐠 𝐄𝐟𝐟𝐞𝐜𝐭: অনেকে রাগ দেখিয়ে শান্তি পায়। তারা এরূপ ভাবে যে আমি অন্যের উপর রাগ দেখাতে পারছি, নিজের ক্ষমতা দেখাতে পারছি, রাগ দেখিয়ে কাজ করিয়ে নিতে পারছি। এসব ব্যাপারের জন্য তাদের মধ্যে একটা 𝐍𝐞𝐠𝐚𝐭𝐢𝐯𝐞 𝐒𝐚𝐭𝐢𝐬𝐟𝐚𝐜𝐭𝐢𝐨𝐧 চলে আসে যার কারণে অনেকে রাগ ছাড়তে চায় না। ⛔ 𝐂𝐮𝐥𝐭𝐮𝐫𝐚𝐥 𝐕𝐚𝐥𝐢𝐝𝐚𝐭𝐢𝐨𝐧: অনেক সময় রাগ একটা 𝐂𝐮𝐥𝐭𝐮𝐫𝐚𝐥 𝐭𝐫𝐚𝐢𝐭 হয়ে যায়। দেখা যায় কারো দাদা, বাবা, মা কিংবা পরিবারের সবার মাঝে রাগ এর প্রবণতা বেশি দেখা যায়। এতে যারা রাগ করে বেশি তারা মনে করে এটা তো আমাদের সবার মধ্যে আছে পরিবারের, সুতরাং এটা খারাপ কিছু না। ফলে তারা রাগ টা সহজে ছাড়তে চায় না।

Comments

Popular posts from this blog

মুমিনের জন্য মৃত্যু হলো উপহার

  প্রায়ই সকালে খবরে দেখি, দুর্ঘটনায় মানুষের মৃত্যু হয়েছে। কখনো মধ্যবয়স্ক কেউ, কখনো আবার শিশু। প্রত্যেকটি মৃত্যু সংবাদই আমাকে মনে করিয়ে দেয়, কার মৃত্যু কখন হবে সে সম্পর্কে আমরা কেউই জানি না, কিন্তু এটা আমাদের সাথেই থাকে সব সময়। আমার প্রিয় মানুষগুলোর সাথে একদিন আর দেখা হবেনা, এটাই সত্য আল্লাহ বলেন: “প্রত্যেক প্রাণীকেই মৃত্যুর স্বাদ নিতে হবে” (সূরা আল-ইমরান: ১৮৫) এই কঠিন সত্য আমরা জানি ঠিকই। কিন্তু দুনিয়ার সুখ-দুঃখের ভেতরে আমরা এতটাই বিভোর হয়ে থাকি যে মৃত্যু নিয়ে খুব কমই ভাবি। আমরা প্রায়ই মানুষের মৃত্যুকে দুর্ঘটনা বলে মনে করি। কিন্তু আদৌ কি তা সত্য? মৃত্যু কি সত্যিই কোনো দুর্ঘটনা? রাসুল (ﷺ) বলেছেন: “মুমিনের জন্য মৃত্যু হলো উপহার” (ইবনে মাজাহ, হাদিস ৪২৬১) রাসুল (ﷺ) কেন মৃত্যুকে উপহার বললেন, এই প্রশ্নটি গুরুত্বপূর্ণ। এখানে লক্ষ্য করার বিষয় হলো, তিনি বিশেষভাবে মুমিনদের কথা বলেছেন। সেই সব মানুষদের, যারা দুনিয়ার চেয়ে আল্লাহ তায়ালাকে বহু গুণ বেশি ভালোবাসে। মৃত্যুর মাধ্যমেই আমরা দুনিয়ার মায়া ত্যাগ করে প্রবেশ করি আরেক জীবনে। সেই জীবনের শুরু আছে, কিন্তু শেষ নেই। আর যদি আমরা মুমিন হই, ...

Narcissist স্বামী স্ত্রী

  Narcissist স্বামী স্ত্রীর সাফল্যে ঈর্ষান্বিত থাকেন : Narcissist স্বামী প্রায়ই স্ত্রীর সাফল্যে প্রচণ্ড ঈর্ষান্বিত থাকেন। ধরুন, স্ত্রী আর্থিকভাবে বা সামাজিকভাবে স্বামীর চেয়ে বেশি capable, কিংবা তার চেয়ে উচ্চপদে কাজ করছেন। এমন ক্ষেত্রে, যদিও তিনি স্ত্রীর আয় ভোগ করেন, তবুও এ বিষয়ে তিনি খুশি নন; বরং এটি তাকে ইনসিকিওর ফিল করায়। স্ত্রীর সামাজিক পরিসর (social circle) যদি বড় হয় বা তার বেশি বন্ধু-বান্ধব থাকে, সেখানেও তিনি নিজেকে ইনসিকিওর মনে করেন। সবচেয়ে বেশি ইনসিকিওর অনুভব করেন যখন স্ত্রীর rank বা পদমর্যাদা তার চেয়ে উচ্চ হয়। ধরুন, স্বামী একটি প্রতিষ্ঠানে একটি পদে কাজ করছেন, কিন্তু স্ত্রী হয়তো আরও উচ্চ পদে রয়েছেন। তখন Narcissist স্বামী খুবই ইনসিকিওর ফিল করেন। ক্লিনিক্যাল প্র্যাকটিসে ফাইন্যান্স, সামাজিক পরিসর, এবং পদমর্যাদার ক্ষেত্রে আমরা প্রায়ই দেখি যে স্ত্রীর rank স্বামীর চেয়ে উচ্চ হলে Narcissist স্বামী প্রচণ্ড ইনসিকিওর ফিল করেন। যেমন, স্ত্রী যদি কোনো প্রতিষ্ঠানে ম্যানেজার হন, তিনি বলবেন, “তুমি ম্যানেজার, কিন্তু বাসায় কিছুই ম্যানেজ করতে পারো না; তুমি মানুষকে ক...

জীবনকে অপ্রয়োজনে কষ্টকর করি

  অনেকেই জীবনে খুব বড় হতে চান । বড় কাজ করতে চান, বড় বিজনেস করতে চান, দেশ পরিবর্তন করতে চায়। খুব ভাল এই চাওয়া গুলো। মন বড় রাখাই উচিত । কিন্তু এর পাশা পাশি আমরা যেটা ভুলে যাই যে, অনেক ছোট ছোট কাজেও কিন্তু সাফল্য এবং জীবনের সার্থকতা লুকিয়ে থাকে। আপনি প্রতিদিন নামাজ পড়ছেন ৫ বার । এটাও বড় সাফল্য । আপনি সত্য কথা বলার চেষ্টা করেন, এটাও সাফল্য । আপনি করো ক্ষতি করেন না। পরিবারের বিপদে আপদে পাশে থাকেন। রোজ একজন মানুষ কে খাওয়ান। আপনি ৯ টার অফিসে ৯ টায় হাজির হন, কাজে ফাঁকি দেন না। এসব কিছুই বিশাল সাফল্য । আমরা কেন জানি এসব ছোট ছোট কাজ কে সাফল্য মনে করি না। আমরা শুধু জীবনে ফাটায় ফেলতে চাই। এবং তা করতে যেয়ে জীবনকে অপ্রয়োজনে কষ্টকর করি। সবাইকে দিয়ে সব কাজ হয় না। আমি আপনি চাইলেই ইলন মাস্ক হতে পারবোনা । কিন্তু একজন ভালো মানুষ আমরা সবাই হতে পারব যাকে সমাজের কাজে লাগে। সমাজে ১০% মানুষ বড় কাজ করবে। আল্লাহ তাদের মেধা দিয়েছেন, ভালো পরিবার দিয়েছেন, সাহস দিয়েছেন - তারা জন্ম থেকেই কিছুটা আলাদা। কিন্তু বড় কাজ করতে পারছেন না মানে আপনি জীবনে সফল নয় - এটা ভাবা ঠিক নয়।...