Skip to main content

ভালোবাসি বাবা, ভালোবাসি মা

 


এই জগত সংসারটা বড় স্বার্থপর। প্রতিটা সম্পর্কে কেমন একটা স্বার্থের গন্ধ থাকে। নিঃস্বার্থ সম্পর্ক বলতে কেবল, বাবা-মা। যখন কোন বিপদে পরবেন, কাউকে পাশে না পেলেও আপনার বাবা-মা কে পাবেনই।

🌹 প্রেমিক-প্রেমিকা মূহুর্তে বদলাইয়া যায়। স্বামী স্ত্রী সম্পর্কেও ভাটা পরে। প্রিয় বন্ধুটা একদিন নতুন পেয়ে ভুলে যায়। 🌹 সেই ছোট্টবেলা থেকে আপনাকে আমাকে কুলে পিঠে করে মানুষ করা আমাদের বাবা-মায়েরা তাদের পুরো জীবন উৎসর্গ করে দেয় আমাদের পিছনে। 🌹 পৃথিবীতে কেউ আপনারে মূল্যায়ন/দাম না দিলেও আপনার জনম দুখী মায়ের চোখে আপনি ভরা পূর্ণিমার চাঁদ। হাজারটা অন্যায় করেন, দুনিয়ার কেউ ক্ষমা করবেনা। কিন্তু বাবা বা মাকে জড়ায়ে ধরে একবার ডাক দিয়ে দেখেন আপনাকে ক্ষমা তো করবেই। সাথে সাথে দেখবেন চোখের কোনে মুক্তোর মতো অশ্রুকণা জমে গেছে। 🌹 বাবা-মায়ের কাছে সন্তান কোনদিন বড় হয়না। আপনার বয়স যতই হোক তাদের চোখে সেই ছোট্টবেলার আপনিটাই থেকে যাবেন। 🌹 যারা আপনার আমার পিছনে নিজের জীবন বিলিয়ে দিয়েছে। তাদের সাথে খারাপ ব্যবহার করিয়েন না। একটু কোমলস্বরে কথা বলুন। কি লাগবে কিনা মাঝেমধ্যে জানতে চান। দেখবেন, আপনার থেকে তারা কিচ্ছু চাইবেনা বরং আপনি যেন ভালো থাকেন রবের দরবারে দুহাত তুলে চোখের জলে ভরিয়ে দিবে। 🌹 দেখুন, মাঝেমধ্যে মনে হয় সংসারটা কেমন ম্যাজিকের মতো চলছে। আসলে কি ম্যাজিকের মতো সংসার চলে? চলেনা। বাবার আত্নত্যাগ, আর কঠোর পরিশ্রম, রক্ত পানি করা ইনকাম। সব মিলিয়ে সংসারটা চলে যায়। 🌹 কোনদিন শুনবেন না, কোন বাবার রাজকন্যা বাবার বাড়িতে অবহেলিত। সবার দরজা বন্ধ হয়ে গেলেও বাবা-মায়ের দরজা সবসময় খোলা। 🌹 এই শীতে তাদের যত্ন নিন। ওযুর পানিটা এগিয়ে দিন। টুকটাক কাজগুলো করে দিন। মটকা মেরে শুয়ে না থেকে মায়ের কাজে একটু সাহায্য করুন। তখন দেখবেন, মা নিজেই বলছে, যা মা তুই রেষ্ট নে আমিই রান্না করছি। 🌹 এমন নিঃস্বার্থ মানুষ আর পাবেন না। পাশে থাকতে আগলে রাখুন। ভালোবাসায় রাখুন। পৃথিবীর সকল বাবা-মায়ের কষ্ট পৃথিবীর প্রতিটা সন্তান বুঝুক। 🌹 যাদের জন্য পৃথিবীর আলো দেখেছি আল্লাহ তাদেরকে ভালো রাখুক। ভালোবাসি বাবা, ভালোবাসি মা || হে আল্লাহ পৃথিবীর সব বাবা মাকে আপনি সুস্থ রাখুন এবং নেক হায়াত বাড়িয়ে দিন🤲 আমিন।🤲😔

Comments

Popular posts from this blog

মুমিনের জন্য মৃত্যু হলো উপহার

  প্রায়ই সকালে খবরে দেখি, দুর্ঘটনায় মানুষের মৃত্যু হয়েছে। কখনো মধ্যবয়স্ক কেউ, কখনো আবার শিশু। প্রত্যেকটি মৃত্যু সংবাদই আমাকে মনে করিয়ে দেয়, কার মৃত্যু কখন হবে সে সম্পর্কে আমরা কেউই জানি না, কিন্তু এটা আমাদের সাথেই থাকে সব সময়। আমার প্রিয় মানুষগুলোর সাথে একদিন আর দেখা হবেনা, এটাই সত্য আল্লাহ বলেন: “প্রত্যেক প্রাণীকেই মৃত্যুর স্বাদ নিতে হবে” (সূরা আল-ইমরান: ১৮৫) এই কঠিন সত্য আমরা জানি ঠিকই। কিন্তু দুনিয়ার সুখ-দুঃখের ভেতরে আমরা এতটাই বিভোর হয়ে থাকি যে মৃত্যু নিয়ে খুব কমই ভাবি। আমরা প্রায়ই মানুষের মৃত্যুকে দুর্ঘটনা বলে মনে করি। কিন্তু আদৌ কি তা সত্য? মৃত্যু কি সত্যিই কোনো দুর্ঘটনা? রাসুল (ﷺ) বলেছেন: “মুমিনের জন্য মৃত্যু হলো উপহার” (ইবনে মাজাহ, হাদিস ৪২৬১) রাসুল (ﷺ) কেন মৃত্যুকে উপহার বললেন, এই প্রশ্নটি গুরুত্বপূর্ণ। এখানে লক্ষ্য করার বিষয় হলো, তিনি বিশেষভাবে মুমিনদের কথা বলেছেন। সেই সব মানুষদের, যারা দুনিয়ার চেয়ে আল্লাহ তায়ালাকে বহু গুণ বেশি ভালোবাসে। মৃত্যুর মাধ্যমেই আমরা দুনিয়ার মায়া ত্যাগ করে প্রবেশ করি আরেক জীবনে। সেই জীবনের শুরু আছে, কিন্তু শেষ নেই। আর যদি আমরা মুমিন হই, ...

Narcissist স্বামী স্ত্রী

  Narcissist স্বামী স্ত্রীর সাফল্যে ঈর্ষান্বিত থাকেন : Narcissist স্বামী প্রায়ই স্ত্রীর সাফল্যে প্রচণ্ড ঈর্ষান্বিত থাকেন। ধরুন, স্ত্রী আর্থিকভাবে বা সামাজিকভাবে স্বামীর চেয়ে বেশি capable, কিংবা তার চেয়ে উচ্চপদে কাজ করছেন। এমন ক্ষেত্রে, যদিও তিনি স্ত্রীর আয় ভোগ করেন, তবুও এ বিষয়ে তিনি খুশি নন; বরং এটি তাকে ইনসিকিওর ফিল করায়। স্ত্রীর সামাজিক পরিসর (social circle) যদি বড় হয় বা তার বেশি বন্ধু-বান্ধব থাকে, সেখানেও তিনি নিজেকে ইনসিকিওর মনে করেন। সবচেয়ে বেশি ইনসিকিওর অনুভব করেন যখন স্ত্রীর rank বা পদমর্যাদা তার চেয়ে উচ্চ হয়। ধরুন, স্বামী একটি প্রতিষ্ঠানে একটি পদে কাজ করছেন, কিন্তু স্ত্রী হয়তো আরও উচ্চ পদে রয়েছেন। তখন Narcissist স্বামী খুবই ইনসিকিওর ফিল করেন। ক্লিনিক্যাল প্র্যাকটিসে ফাইন্যান্স, সামাজিক পরিসর, এবং পদমর্যাদার ক্ষেত্রে আমরা প্রায়ই দেখি যে স্ত্রীর rank স্বামীর চেয়ে উচ্চ হলে Narcissist স্বামী প্রচণ্ড ইনসিকিওর ফিল করেন। যেমন, স্ত্রী যদি কোনো প্রতিষ্ঠানে ম্যানেজার হন, তিনি বলবেন, “তুমি ম্যানেজার, কিন্তু বাসায় কিছুই ম্যানেজ করতে পারো না; তুমি মানুষকে ক...

জীবনকে অপ্রয়োজনে কষ্টকর করি

  অনেকেই জীবনে খুব বড় হতে চান । বড় কাজ করতে চান, বড় বিজনেস করতে চান, দেশ পরিবর্তন করতে চায়। খুব ভাল এই চাওয়া গুলো। মন বড় রাখাই উচিত । কিন্তু এর পাশা পাশি আমরা যেটা ভুলে যাই যে, অনেক ছোট ছোট কাজেও কিন্তু সাফল্য এবং জীবনের সার্থকতা লুকিয়ে থাকে। আপনি প্রতিদিন নামাজ পড়ছেন ৫ বার । এটাও বড় সাফল্য । আপনি সত্য কথা বলার চেষ্টা করেন, এটাও সাফল্য । আপনি করো ক্ষতি করেন না। পরিবারের বিপদে আপদে পাশে থাকেন। রোজ একজন মানুষ কে খাওয়ান। আপনি ৯ টার অফিসে ৯ টায় হাজির হন, কাজে ফাঁকি দেন না। এসব কিছুই বিশাল সাফল্য । আমরা কেন জানি এসব ছোট ছোট কাজ কে সাফল্য মনে করি না। আমরা শুধু জীবনে ফাটায় ফেলতে চাই। এবং তা করতে যেয়ে জীবনকে অপ্রয়োজনে কষ্টকর করি। সবাইকে দিয়ে সব কাজ হয় না। আমি আপনি চাইলেই ইলন মাস্ক হতে পারবোনা । কিন্তু একজন ভালো মানুষ আমরা সবাই হতে পারব যাকে সমাজের কাজে লাগে। সমাজে ১০% মানুষ বড় কাজ করবে। আল্লাহ তাদের মেধা দিয়েছেন, ভালো পরিবার দিয়েছেন, সাহস দিয়েছেন - তারা জন্ম থেকেই কিছুটা আলাদা। কিন্তু বড় কাজ করতে পারছেন না মানে আপনি জীবনে সফল নয় - এটা ভাবা ঠিক নয়।...