Skip to main content

অজ্ঞতার কারণে বঞ্চিত


 চেক থাকলে হবে না, কি লেখা আছে তা জানতে হবে!!

এক বুড়ি একবার একটি মসজিদের সামনে ভিক্ষা করছিলেন। এক ব্যক্তি তাকে জিজ্ঞেস করলো, মা আপনার কোনো ছেলে রোজগার করতে পারে না? বুড়ি বললো হ্যাঁ, পারে। তখন লোকটি বললো, তাহলে এখানে ভিক্ষা করছেন কেন? বৃদ্ধা বললেন, আমার স্বামী মারা গেছেন। আমার ছেলে চাকরির জন্য বিদেশে চলে গেছে। যাওয়ার সময় খরচের জন্য আমাকে কিছু টাকা দিয়ে গিয়েছিলো। সে টাকাগুলো এখন খরচ হয়ে গিয়েছে। তাই ভিক্ষা করছি। লোকটি আবার জিজ্ঞেস করলো: আপনার ছেলে কি আপনাকে কোনো টাকা-পয়সা পাঠায় না? বৃদ্ধা বললেন: প্রতি মাসে আমার ছেলে রঙিন একটি কাগজ পাঠায়, যা আমি বাড়িতে দেয়ালে সেঁটে রেখে দেই। লোকটি শুনে ভাবতে লাগলো সেটি আবার কেমন কাগজ? তাই তিনি তার সাথে বাড়িতে সেই রঙিন কাগজটি দেখতে গেলেন। গিয়ে ৬০ টি ব্যাঙ্ক ড্রাফ্ট দেওয়ালে সাঁটা দেখতে পেলেন। প্রতিটিতে ছিলো ৫০,০০০ টাকা লেখা রয়েছে। অশিক্ষিত হওয়ায় মহিলাটি জানত না যে, তার কাছে কত পরিমাণ টাকা রয়েছে। এই ব্যক্তি যখন তাকে প্রতিটি চেকের গুরুত্ব ব্যাখ্যা করলেন, তখন মহিলাটি খুব খুশি হলেন এবং বিস্মিত হলেন। এবার ভাবতে লাগলেন যে, এত পরিমান অর্থ থাকা সত্ত্বেও তিনি ভিক্ষা করতেছিলেন। আমাদের অবস্থাও এই বুড়ির মতো হয়েছে। আমাদের কাছে কোরআন আছে এবং আমরা কোরআনকে প্রতিনিয়ত চুমু খাই এবং সম্মান করে মাথায় তুলে রাখি। অতি যত্নের সাথে ঘরে হিফাযাত করে রাখি। তবে আমরা না পড়ার কারণে জানতেই পারি না এর মধ্যে আমাদের জন্য কী ম্যাসেজ রয়েছে? এটি পড়লেই আমরা উপকৃত হতে পারতাম একথাটি বুঝতেই পারছি না। এর অর্থ ও ব্যাখ্যা বুঝলে এবং আমাদের ব্যবহারিক জীবনে এর উপর আমল করলেই এই কোরআন আমাদের কাজে আসবে, অন্যথায় কোনো কাজে আসবে না। তবেই আল্লাহ চাইলে আমাদের দুনিয়া ও আখেরাত উভয়টি সুন্দর হবে। অর্থাৎ আমাদের কাছে কোরআন নামক বিশাল ধন-সম্পদের একটি গ্রন্থ রয়েছে। কিন্তু আমাদের অজ্ঞতার কারণে আমরা সবাই এর মধ্যে লুকিয়ে থাকা সওয়াব থেকে বঞ্চিত হচ্ছি। আল্লাহ আমাদের সবাইকে পবিত্র কোরআন পড়ে এর মাহাত্ম্য বোঝার তাওফীক দান করুন। আ-মী-ন।


**************************
মূহু‌র্তেই সব স্বপ্ন শেষ! এটাই পৃ‌থিবীর বাস্তব রূপ!💔 একমাস আগে মালয়েশিয়া থেকে দেশে ফেরেন নিজাম উদ্দীন। আট বছরের প্রবাস জীবনের সবটুকু সম্বল দিয়ে দুই হাজার ২০০ স্কয়ার ফিটের পাকা বাড়ি বানান। কাঁচা ঘর ছেড়ে স্ত্রী-সন্তান নিয়ে আগামী শুক্রবার সেই নতুন ঘরে ওঠার কথা ছিল। কিন্তু এর আগেই সব শেষ হয়ে গেলো। ঘূ‌র্ণিঝ‌ড়ে ঘ‌রের উপর গাছ প‌ড়ে ছোট প‌রিবা‌রের তিন জনই চিরদি‌নের জন‌্য চ‌লে গে‌লেন! কিসের আশায় স্বপ্ন বুনছেন...?💔

Comments

Popular posts from this blog

মুমিনের জন্য মৃত্যু হলো উপহার

  প্রায়ই সকালে খবরে দেখি, দুর্ঘটনায় মানুষের মৃত্যু হয়েছে। কখনো মধ্যবয়স্ক কেউ, কখনো আবার শিশু। প্রত্যেকটি মৃত্যু সংবাদই আমাকে মনে করিয়ে দেয়, কার মৃত্যু কখন হবে সে সম্পর্কে আমরা কেউই জানি না, কিন্তু এটা আমাদের সাথেই থাকে সব সময়। আমার প্রিয় মানুষগুলোর সাথে একদিন আর দেখা হবেনা, এটাই সত্য আল্লাহ বলেন: “প্রত্যেক প্রাণীকেই মৃত্যুর স্বাদ নিতে হবে” (সূরা আল-ইমরান: ১৮৫) এই কঠিন সত্য আমরা জানি ঠিকই। কিন্তু দুনিয়ার সুখ-দুঃখের ভেতরে আমরা এতটাই বিভোর হয়ে থাকি যে মৃত্যু নিয়ে খুব কমই ভাবি। আমরা প্রায়ই মানুষের মৃত্যুকে দুর্ঘটনা বলে মনে করি। কিন্তু আদৌ কি তা সত্য? মৃত্যু কি সত্যিই কোনো দুর্ঘটনা? রাসুল (ﷺ) বলেছেন: “মুমিনের জন্য মৃত্যু হলো উপহার” (ইবনে মাজাহ, হাদিস ৪২৬১) রাসুল (ﷺ) কেন মৃত্যুকে উপহার বললেন, এই প্রশ্নটি গুরুত্বপূর্ণ। এখানে লক্ষ্য করার বিষয় হলো, তিনি বিশেষভাবে মুমিনদের কথা বলেছেন। সেই সব মানুষদের, যারা দুনিয়ার চেয়ে আল্লাহ তায়ালাকে বহু গুণ বেশি ভালোবাসে। মৃত্যুর মাধ্যমেই আমরা দুনিয়ার মায়া ত্যাগ করে প্রবেশ করি আরেক জীবনে। সেই জীবনের শুরু আছে, কিন্তু শেষ নেই। আর যদি আমরা মুমিন হই, ...

জীবনকে অপ্রয়োজনে কষ্টকর করি

  অনেকেই জীবনে খুব বড় হতে চান । বড় কাজ করতে চান, বড় বিজনেস করতে চান, দেশ পরিবর্তন করতে চায়। খুব ভাল এই চাওয়া গুলো। মন বড় রাখাই উচিত । কিন্তু এর পাশা পাশি আমরা যেটা ভুলে যাই যে, অনেক ছোট ছোট কাজেও কিন্তু সাফল্য এবং জীবনের সার্থকতা লুকিয়ে থাকে। আপনি প্রতিদিন নামাজ পড়ছেন ৫ বার । এটাও বড় সাফল্য । আপনি সত্য কথা বলার চেষ্টা করেন, এটাও সাফল্য । আপনি করো ক্ষতি করেন না। পরিবারের বিপদে আপদে পাশে থাকেন। রোজ একজন মানুষ কে খাওয়ান। আপনি ৯ টার অফিসে ৯ টায় হাজির হন, কাজে ফাঁকি দেন না। এসব কিছুই বিশাল সাফল্য । আমরা কেন জানি এসব ছোট ছোট কাজ কে সাফল্য মনে করি না। আমরা শুধু জীবনে ফাটায় ফেলতে চাই। এবং তা করতে যেয়ে জীবনকে অপ্রয়োজনে কষ্টকর করি। সবাইকে দিয়ে সব কাজ হয় না। আমি আপনি চাইলেই ইলন মাস্ক হতে পারবোনা । কিন্তু একজন ভালো মানুষ আমরা সবাই হতে পারব যাকে সমাজের কাজে লাগে। সমাজে ১০% মানুষ বড় কাজ করবে। আল্লাহ তাদের মেধা দিয়েছেন, ভালো পরিবার দিয়েছেন, সাহস দিয়েছেন - তারা জন্ম থেকেই কিছুটা আলাদা। কিন্তু বড় কাজ করতে পারছেন না মানে আপনি জীবনে সফল নয় - এটা ভাবা ঠিক নয়।...

নিকটবর্তী মানসিক রোগ

  ১. অস্বাভাবিক আচরণ ও কথাবার্তা ২. খাবারে ও পানিতে কিছু মেশানোর সন্দেহ ৩. ভাংচুর, সন্দেহ প্রবনতা ৪. গায়েবী কথা শোনা ৫. একা হাসা ও কথা বলা ৬. টেনশন, অস্থিরতা, উদ্বেগ, বিষন্নতা, হতাশা, একই চিন্তা ও কাজ বারে বারে করা ৭. খিটখিটে মেজাজ ৮. দীর্ঘমেয়াদী মাথাব্যথা, ঘাড় ও বুক সহ শরীরে বিভিন্ন স্থানে ব্যথা ও জ্বালাপোড়া মাথা ঘোরা, বুক ধরফর, হাত-পা ঝিনঝিন ৯. অজ্ঞান হয়ে যাওয়া, হিস্টিরিয়া, কথা বন্ধ ১০. অসামাজিক আচরণ মাদকাসক্তি সহিংসতা ও নিজের শরীরে আঘাত করা উপরের সমস্যাগুলোর যেকোন একটা হলে আপনি দ্রুত সময়ের মাঝে নিকটবর্তী মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন। ========================================= বিয়ের পর প্রত্যেক পুরুষের semen fluid analysis করা উচিত। ‌ এটা একটা বেসিক infertility টেস্ট যাতে দেখা হয় পুরুষ‌ মানুষটি বাবা হওয়ার যোগ্য কিনা। বিয়ের আগে করলে আরো ভালো। এটি করতে খরচ হয় স্থানভেদে মাত্র এক থেকে দেড় হাজার টাকা।সরকারি হাসপাতালে করলে ১০০ টাকায় করতে পারবেন। আমাদের দেশে কোন দম্পতির বাচ্চা না হলে এখনো অনেক জায়গায় মেয়েদেরকে ব্লেইম করা হয়। অনেক ক্ষেত্রেই সমস্যাটা থাকে ...