Skip to main content

সাইবার নিরাপত্তার জন্য মৌলিক করনীয়ঃ

 


🔴সাইবার নিরাপত্তার জন্য মৌলিক করনীয়ঃ

১) সব সময় লগ ইন ও লগ আউট হতে হবে। ২) আপনার সাথে কোন নায়ক/নায়িকার মিল আছে,কিংবা ৩০ বছর পর আপনাকে কেমন দেখাবে এই জাতীয় লিংকে কখনোই ঢুকা যাবে না। ৩) আপনার এফ,বি,বা মেইল পাসওয়ার্ড চায় এই ধরনের লিংকে কখনোই ঢুকা যাবে না। ৪) অপরিচিত কোন মেইল বা লিংকে কোনক্রমেই ঢুকা যাবে না। ৫) আপনার ফেইস-বুকের টাইম-লাইনের সেটিং ঠিক করতে হবে। যেখানে অন্য কেউ কিছু লিখে টাইমলাইনে যাতে না দিতে পারে,সেই ব্যবস্থা করতে হবে। ৬) মোবাইল,কম্পিউটার,বা মেইলের পার্সওয়ার্ড ৩ মাস অন্তর অন্তর পরির্বতন করতে হবে। ৭) মোবাইল বা কম্পিউটারে কোন অন্তরঙ্গ ছবি রাখা যাবে না। এই ধরনের কাজ হতে বিরত থাকুন। কারন যে কোন সময় আপনার মোবাইল ফোনটি হারিয়ে যেতে পারে,কিংবা যে কোন সময় আপনার বন্ধু-বান্ধব আপনার কম্পিউটারে ঢুকে আপনার ছরি চুরি করে নিয়ে আপনাকে কিংবা আপনার প্রিয়জনকে ব্ল্যাকমেইল করতে পারে। কোনক্রমেই লোকেশন/অবস্থান জনীত ছবি আপডেট দেওয়া যাবে না। যেমন-আমি ঢাকা যাচিছ,-আমি এখন ট্রেনে,বাসে ইত্যাদি। ৯) আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারে কিংবা মেসঞ্জারে কোন অপরিচিত নাম্বার হতে কোন মেইল,বা ছবি আসলে তাহা কোনক্রমেই খোলা উচিত না। ১০) আপনি লটারীতে টাকা বা গাড়ী জিতেছেন,কিংবা আমেরিকা ও ইউরোপ থেকে এফবি একাউন্ট হোল্ডার কোন ব্যক্তি যদি আপনাকে মেইল করে জানায় যে,সে অনেক বড় লোকের মেয়ে তার কাছে অনেক ডলার আছে,অথাৎ লোভনীয় কোন মেইলের ফাঁদে পড়া যাবে না। ১১) কোন অপরিচিত নাম্বার হতে ফোন করে আপনার কোন তথ্য চায় যেমন-এনআইডি নাম্বার,সহ অনান্য তথাদী,তাহলে সেই ফোন বর্জন করতে হবে। অপরিচিত কাউকেই নিজের কোন তথ্য দেওয়া থেকে বিরত থাকুন। ১২) কোন অপরিচিত নাম্বার হতে ফোন করে আপনাকে জানায় যে,সে রবি,বা গ্রামীন ফোনের কাষ্টমার কেয়ার সেন্টার হতে ফোন করেছে,তাদের সার্ভেয়ারের সমস্যার কারনে আপনার মোবাইল ফোনটি কিছু সময়ের জন্য বন্ধ রাখতে হবে,এই ধরনের কোন কথাবার্তা শুনা যাবে না। কোনক্রমেই মোবাইল ফোন বন্ধ রাখা যাবে না। ১৩) কোন অপরিচিত নাম্বার হতে মিস কল আসলে তা ব্যাক করা যাবে না; এতে আপনার নাম্বার ক্লোন হতে পারে। ১৪) যেকোন সফটওয়ার বা এ্যাপর্স এ ঢুকার সময় আপনার তথ্য বা এক্সসেস চায়; সেখানে না ঢুকাই শ্রেয়। ১৫) সব সময় শক্তিশালী পার্সওয়ার্ড, যেমন-সংখ্যা, Symbol ও অক্ষরের Mixed/Complex পার্সওয়ার্ড ব্যবহার করুন। ১৬) +১১১১, অথবা +২২২২২,এই জাতীয় ফোন নাম্বার থেকে ফোন রিসিভ থেকে বিরত থাকুন।

Comments

Popular posts from this blog

মুমিনের জন্য মৃত্যু হলো উপহার

  প্রায়ই সকালে খবরে দেখি, দুর্ঘটনায় মানুষের মৃত্যু হয়েছে। কখনো মধ্যবয়স্ক কেউ, কখনো আবার শিশু। প্রত্যেকটি মৃত্যু সংবাদই আমাকে মনে করিয়ে দেয়, কার মৃত্যু কখন হবে সে সম্পর্কে আমরা কেউই জানি না, কিন্তু এটা আমাদের সাথেই থাকে সব সময়। আমার প্রিয় মানুষগুলোর সাথে একদিন আর দেখা হবেনা, এটাই সত্য আল্লাহ বলেন: “প্রত্যেক প্রাণীকেই মৃত্যুর স্বাদ নিতে হবে” (সূরা আল-ইমরান: ১৮৫) এই কঠিন সত্য আমরা জানি ঠিকই। কিন্তু দুনিয়ার সুখ-দুঃখের ভেতরে আমরা এতটাই বিভোর হয়ে থাকি যে মৃত্যু নিয়ে খুব কমই ভাবি। আমরা প্রায়ই মানুষের মৃত্যুকে দুর্ঘটনা বলে মনে করি। কিন্তু আদৌ কি তা সত্য? মৃত্যু কি সত্যিই কোনো দুর্ঘটনা? রাসুল (ﷺ) বলেছেন: “মুমিনের জন্য মৃত্যু হলো উপহার” (ইবনে মাজাহ, হাদিস ৪২৬১) রাসুল (ﷺ) কেন মৃত্যুকে উপহার বললেন, এই প্রশ্নটি গুরুত্বপূর্ণ। এখানে লক্ষ্য করার বিষয় হলো, তিনি বিশেষভাবে মুমিনদের কথা বলেছেন। সেই সব মানুষদের, যারা দুনিয়ার চেয়ে আল্লাহ তায়ালাকে বহু গুণ বেশি ভালোবাসে। মৃত্যুর মাধ্যমেই আমরা দুনিয়ার মায়া ত্যাগ করে প্রবেশ করি আরেক জীবনে। সেই জীবনের শুরু আছে, কিন্তু শেষ নেই। আর যদি আমরা মুমিন হই, ...

Narcissist স্বামী স্ত্রী

  Narcissist স্বামী স্ত্রীর সাফল্যে ঈর্ষান্বিত থাকেন : Narcissist স্বামী প্রায়ই স্ত্রীর সাফল্যে প্রচণ্ড ঈর্ষান্বিত থাকেন। ধরুন, স্ত্রী আর্থিকভাবে বা সামাজিকভাবে স্বামীর চেয়ে বেশি capable, কিংবা তার চেয়ে উচ্চপদে কাজ করছেন। এমন ক্ষেত্রে, যদিও তিনি স্ত্রীর আয় ভোগ করেন, তবুও এ বিষয়ে তিনি খুশি নন; বরং এটি তাকে ইনসিকিওর ফিল করায়। স্ত্রীর সামাজিক পরিসর (social circle) যদি বড় হয় বা তার বেশি বন্ধু-বান্ধব থাকে, সেখানেও তিনি নিজেকে ইনসিকিওর মনে করেন। সবচেয়ে বেশি ইনসিকিওর অনুভব করেন যখন স্ত্রীর rank বা পদমর্যাদা তার চেয়ে উচ্চ হয়। ধরুন, স্বামী একটি প্রতিষ্ঠানে একটি পদে কাজ করছেন, কিন্তু স্ত্রী হয়তো আরও উচ্চ পদে রয়েছেন। তখন Narcissist স্বামী খুবই ইনসিকিওর ফিল করেন। ক্লিনিক্যাল প্র্যাকটিসে ফাইন্যান্স, সামাজিক পরিসর, এবং পদমর্যাদার ক্ষেত্রে আমরা প্রায়ই দেখি যে স্ত্রীর rank স্বামীর চেয়ে উচ্চ হলে Narcissist স্বামী প্রচণ্ড ইনসিকিওর ফিল করেন। যেমন, স্ত্রী যদি কোনো প্রতিষ্ঠানে ম্যানেজার হন, তিনি বলবেন, “তুমি ম্যানেজার, কিন্তু বাসায় কিছুই ম্যানেজ করতে পারো না; তুমি মানুষকে ক...

জীবনকে অপ্রয়োজনে কষ্টকর করি

  অনেকেই জীবনে খুব বড় হতে চান । বড় কাজ করতে চান, বড় বিজনেস করতে চান, দেশ পরিবর্তন করতে চায়। খুব ভাল এই চাওয়া গুলো। মন বড় রাখাই উচিত । কিন্তু এর পাশা পাশি আমরা যেটা ভুলে যাই যে, অনেক ছোট ছোট কাজেও কিন্তু সাফল্য এবং জীবনের সার্থকতা লুকিয়ে থাকে। আপনি প্রতিদিন নামাজ পড়ছেন ৫ বার । এটাও বড় সাফল্য । আপনি সত্য কথা বলার চেষ্টা করেন, এটাও সাফল্য । আপনি করো ক্ষতি করেন না। পরিবারের বিপদে আপদে পাশে থাকেন। রোজ একজন মানুষ কে খাওয়ান। আপনি ৯ টার অফিসে ৯ টায় হাজির হন, কাজে ফাঁকি দেন না। এসব কিছুই বিশাল সাফল্য । আমরা কেন জানি এসব ছোট ছোট কাজ কে সাফল্য মনে করি না। আমরা শুধু জীবনে ফাটায় ফেলতে চাই। এবং তা করতে যেয়ে জীবনকে অপ্রয়োজনে কষ্টকর করি। সবাইকে দিয়ে সব কাজ হয় না। আমি আপনি চাইলেই ইলন মাস্ক হতে পারবোনা । কিন্তু একজন ভালো মানুষ আমরা সবাই হতে পারব যাকে সমাজের কাজে লাগে। সমাজে ১০% মানুষ বড় কাজ করবে। আল্লাহ তাদের মেধা দিয়েছেন, ভালো পরিবার দিয়েছেন, সাহস দিয়েছেন - তারা জন্ম থেকেই কিছুটা আলাদা। কিন্তু বড় কাজ করতে পারছেন না মানে আপনি জীবনে সফল নয় - এটা ভাবা ঠিক নয়।...