Skip to main content

মৃত্যু খুবই নিকটে

 💎শিক্ষণীয় গল্প:

*************** এক কৃষকের একটা গাধা ছিল।গাধাটা একদিন গভীর কুয়ায় পড়ে গেলো। কিন্তু কুয়াটার গভীরতা গাধার উচ্চতা থেকে বেশি হওয়াতে অবলা প্রাণীটি উঠে আসতে পারছিল না।গাধার ত্রাহি চিৎকারে কৃষক এবং আশেপাশের মানুষ ছুটে আসল।কিন্তু ওরা ও বুঝে উঠতে পারলো না কি করবে। ঘন্টা খানেক নানাভাবে চেষ্টা করার পরও যখন গাধাকে উপরে তুলে আনা গেল না, কৃষক তখন চিন্তা করল,কুয়াটা আগে থেকেই বিপজ্জনক।বেশ কয়েকটি বাচ্চা কুয়াতে পড়ে বারবার আহত হয়েছে। কুয়াটা এমনিতেই ভরাট করতে হবে,তার উপর গাধাটা অনেক বুড়ো এবং দুর্বল হয়ে গেছে।তাই কৃষক সিদ্ধান্ত নিলো গাধাসহ কুয়াটা ভরাট করে ফেলবে। কৃষক সবাইকে ডাক দিয়ে হেল্প করতে বলল, সবাই হাতে বেলচা এবং কোদাল নিয়ে পাশ থেকে মাটি কেটে কুয়াতে ফেলতে লাগল। কিছু মাটির দলা গিয়ে গাধাটির উপরেও পড়ল।ওদের মাটি ফেলা দেখে গাধাটি বুঝতে পারল কি ঘটতে চলেছে। প্রাণীটি ভয়ে - দুঃখে নিরবে কাঁদতে লাগল। কিছুক্ষণ মাটি ফেলার পরে সবাই হঠাৎ চমকে গেল,কারণ গাধাটি অদ্ভুত একটি কান্ড করে বসেছে।সবাই যখন গাধার উপর মাটি ফেলছে,গাধাটি তখন গা - ঝাড়া দিয়ে মাটি নিচে ফেলে দিচ্ছে এবং এক -পা,এক-পা করে ভরাট হওয়া জায়গাতে অবস্থান নিচ্ছে। সবাই এইবার দ্রুত গাধার উপরে মাটি ফেলতে শুরু করল, গাধাটিও তত দ্রুত মাটি গায়ের ওপর থেকে ঝেড়ে ফেলে ভরাট হওয়া জায়গাতে এসে দাঁড়ায়।এভাবে কিছুক্ষণ মাটি ফেলার পর সবাই অবাক হয়ে লক্ষ্য করল কুয়াটা প্রায় র্ভতি হয়ে গেছে।অবশেষে গাধা কুয়া থেকে বেরিয়ে আসল। জীবনে চলার পথে এমন অসংখ্য কুয়াতে আপনি পড়বেন, যা থেকে উঠে আসার মতো সক্ষমতা হয়তো আপনার থাকবে না।আশেপাশের মানুষগুলো আপনাকে টেনে তুলার পরিবর্তে আপনাকে আরো ডুবিয়ে দিতে চাইবে। যখনই সমস্যা এসে আপনার শরীর এবং মনের উপরে চেপে বসবে, প্রতিবার একটু একটু করে ঝাড়া দিয়ে সরিয়ে দিবেন। প্রতিটি সমস্যাই আবর্জনার মতো। তাই কখনোই হাল ছাড়বেন না। © Collected
**************************************************************************************************
★ পা পিছলে দু পাহাড়ের মাঝে পড়ে আটকে গেছে। শিং দুটো পাহাড়ের উপরে আটকে আছে।জমিনে পড়ে যায়নি। আর লাফ দিয়ে উঠতে পারলোনা উপরেও। সে টের পেলো- একা উঠতে চেষ্টা করলেও পারবেনা।তারপর...... চিৎকার দিলো। বিলাপ ধরে কান্না করলো। ডাক দিলো। হয়তো কেউ আসবে তাকে বাঁচাতে। এই সঙ্কট থেকে উদ্ধার করতে। কিন্তু.... না! কেউ আসেনি। জন্মদায়িনী মাও আসেনি। আসেনি কষ্ট করে অতি যত্নে লালন কারি পিতাও। ★ এমনকি প্রতিটা সময় পিছন পিছন ঘুরতে থাকা হিংস্র পশুরাও আসেনি। ★ রাতটা ক্রমশই অন্ধকারচ্ছ হচ্ছে। সাথে শীতের হাড়কাঁপানো ঠাণ্ডা বাতাসও বয়ে যাচ্ছে। ★অতঃপর একজন আসলো.. যে প্রত্যেক প্রানীর কাছে একবার একবার অবশ্যই আসবে। ★সাহায্য করলেন। তার রুহ নিয়ে নিলেন। হাড়-মাংশ - নাড়ীভুঁড়ি সেই স্থানেই রেখে দিলেন। সে আর কেউ নয় - মৃত্যু! ★যে মহান রবের সৃষ্টিজগতের প্রত্যেক প্রানীকে তার তিক্ত স্বাদ আস্বাদন করাবে। ★ সে তোমার কাছেও আসবে।অতএব... ★ আমল করে যাও... নিজের আমল নামাকে সমৃদ্ধ করো। ★ আল্লাহর কাছে সর্বদা সফলতার আশা রাখো। ★ মৃত্যু খুবই নিকটেই অবস্থান করছে।





Comments

Popular posts from this blog

মুমিনের জন্য মৃত্যু হলো উপহার

  প্রায়ই সকালে খবরে দেখি, দুর্ঘটনায় মানুষের মৃত্যু হয়েছে। কখনো মধ্যবয়স্ক কেউ, কখনো আবার শিশু। প্রত্যেকটি মৃত্যু সংবাদই আমাকে মনে করিয়ে দেয়, কার মৃত্যু কখন হবে সে সম্পর্কে আমরা কেউই জানি না, কিন্তু এটা আমাদের সাথেই থাকে সব সময়। আমার প্রিয় মানুষগুলোর সাথে একদিন আর দেখা হবেনা, এটাই সত্য আল্লাহ বলেন: “প্রত্যেক প্রাণীকেই মৃত্যুর স্বাদ নিতে হবে” (সূরা আল-ইমরান: ১৮৫) এই কঠিন সত্য আমরা জানি ঠিকই। কিন্তু দুনিয়ার সুখ-দুঃখের ভেতরে আমরা এতটাই বিভোর হয়ে থাকি যে মৃত্যু নিয়ে খুব কমই ভাবি। আমরা প্রায়ই মানুষের মৃত্যুকে দুর্ঘটনা বলে মনে করি। কিন্তু আদৌ কি তা সত্য? মৃত্যু কি সত্যিই কোনো দুর্ঘটনা? রাসুল (ﷺ) বলেছেন: “মুমিনের জন্য মৃত্যু হলো উপহার” (ইবনে মাজাহ, হাদিস ৪২৬১) রাসুল (ﷺ) কেন মৃত্যুকে উপহার বললেন, এই প্রশ্নটি গুরুত্বপূর্ণ। এখানে লক্ষ্য করার বিষয় হলো, তিনি বিশেষভাবে মুমিনদের কথা বলেছেন। সেই সব মানুষদের, যারা দুনিয়ার চেয়ে আল্লাহ তায়ালাকে বহু গুণ বেশি ভালোবাসে। মৃত্যুর মাধ্যমেই আমরা দুনিয়ার মায়া ত্যাগ করে প্রবেশ করি আরেক জীবনে। সেই জীবনের শুরু আছে, কিন্তু শেষ নেই। আর যদি আমরা মুমিন হই, ...

Narcissist স্বামী স্ত্রী

  Narcissist স্বামী স্ত্রীর সাফল্যে ঈর্ষান্বিত থাকেন : Narcissist স্বামী প্রায়ই স্ত্রীর সাফল্যে প্রচণ্ড ঈর্ষান্বিত থাকেন। ধরুন, স্ত্রী আর্থিকভাবে বা সামাজিকভাবে স্বামীর চেয়ে বেশি capable, কিংবা তার চেয়ে উচ্চপদে কাজ করছেন। এমন ক্ষেত্রে, যদিও তিনি স্ত্রীর আয় ভোগ করেন, তবুও এ বিষয়ে তিনি খুশি নন; বরং এটি তাকে ইনসিকিওর ফিল করায়। স্ত্রীর সামাজিক পরিসর (social circle) যদি বড় হয় বা তার বেশি বন্ধু-বান্ধব থাকে, সেখানেও তিনি নিজেকে ইনসিকিওর মনে করেন। সবচেয়ে বেশি ইনসিকিওর অনুভব করেন যখন স্ত্রীর rank বা পদমর্যাদা তার চেয়ে উচ্চ হয়। ধরুন, স্বামী একটি প্রতিষ্ঠানে একটি পদে কাজ করছেন, কিন্তু স্ত্রী হয়তো আরও উচ্চ পদে রয়েছেন। তখন Narcissist স্বামী খুবই ইনসিকিওর ফিল করেন। ক্লিনিক্যাল প্র্যাকটিসে ফাইন্যান্স, সামাজিক পরিসর, এবং পদমর্যাদার ক্ষেত্রে আমরা প্রায়ই দেখি যে স্ত্রীর rank স্বামীর চেয়ে উচ্চ হলে Narcissist স্বামী প্রচণ্ড ইনসিকিওর ফিল করেন। যেমন, স্ত্রী যদি কোনো প্রতিষ্ঠানে ম্যানেজার হন, তিনি বলবেন, “তুমি ম্যানেজার, কিন্তু বাসায় কিছুই ম্যানেজ করতে পারো না; তুমি মানুষকে ক...

জীবনকে অপ্রয়োজনে কষ্টকর করি

  অনেকেই জীবনে খুব বড় হতে চান । বড় কাজ করতে চান, বড় বিজনেস করতে চান, দেশ পরিবর্তন করতে চায়। খুব ভাল এই চাওয়া গুলো। মন বড় রাখাই উচিত । কিন্তু এর পাশা পাশি আমরা যেটা ভুলে যাই যে, অনেক ছোট ছোট কাজেও কিন্তু সাফল্য এবং জীবনের সার্থকতা লুকিয়ে থাকে। আপনি প্রতিদিন নামাজ পড়ছেন ৫ বার । এটাও বড় সাফল্য । আপনি সত্য কথা বলার চেষ্টা করেন, এটাও সাফল্য । আপনি করো ক্ষতি করেন না। পরিবারের বিপদে আপদে পাশে থাকেন। রোজ একজন মানুষ কে খাওয়ান। আপনি ৯ টার অফিসে ৯ টায় হাজির হন, কাজে ফাঁকি দেন না। এসব কিছুই বিশাল সাফল্য । আমরা কেন জানি এসব ছোট ছোট কাজ কে সাফল্য মনে করি না। আমরা শুধু জীবনে ফাটায় ফেলতে চাই। এবং তা করতে যেয়ে জীবনকে অপ্রয়োজনে কষ্টকর করি। সবাইকে দিয়ে সব কাজ হয় না। আমি আপনি চাইলেই ইলন মাস্ক হতে পারবোনা । কিন্তু একজন ভালো মানুষ আমরা সবাই হতে পারব যাকে সমাজের কাজে লাগে। সমাজে ১০% মানুষ বড় কাজ করবে। আল্লাহ তাদের মেধা দিয়েছেন, ভালো পরিবার দিয়েছেন, সাহস দিয়েছেন - তারা জন্ম থেকেই কিছুটা আলাদা। কিন্তু বড় কাজ করতে পারছেন না মানে আপনি জীবনে সফল নয় - এটা ভাবা ঠিক নয়।...