❝একটি শিক্ষনীয় ছবি এটি❞
গাছটি আপনার, অনেক কষ্ট করে লাগিয়েছেন,যত্ন নিয়েছেন। কিন্তু আজ তার ফল আপনি ভোগ করতে পারছেন না, মাঝখানে দেয়াল বাঁধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। ঠিক তেমনি আপনি দিনভর আল্লাহর ইবাদত করে, তাহাজ্জুদ পড়ে, নামাজ পড়ে, রোজা রেখেও পরকালে সেটার ফল ভোগ করতে পারবেন না। ভোগ করবে অন্যরা।যাদের নামে আপনি গীবত করে বেড়িয়েছেন, বাজে সমালোচনা করেছেন কেয়ামতের দিন আপনি আমি তাদের কাছে ফেঁসে যাবো। সেদিন আপনার আমার নেক আমল ওদের দিয়ে, তাদের গোনাহ্ গুলো আমাদের কাঁধে চেপে দেওয়া হবে। সেদিন জাহান্নাম থেকে থেকে বাঁচার অন্য কোনো পথ থাকবে না🥀 আসুন আমরা গীবত ও খারাপ সমালোচনা করা বন্ধ করি❣️
প্রায়ই সকালে খবরে দেখি, দুর্ঘটনায় মানুষের মৃত্যু হয়েছে। কখনো মধ্যবয়স্ক কেউ, কখনো আবার শিশু। প্রত্যেকটি মৃত্যু সংবাদই আমাকে মনে করিয়ে দেয়, কার মৃত্যু কখন হবে সে সম্পর্কে আমরা কেউই জানি না, কিন্তু এটা আমাদের সাথেই থাকে সব সময়। আমার প্রিয় মানুষগুলোর সাথে একদিন আর দেখা হবেনা, এটাই সত্য আল্লাহ বলেন: “প্রত্যেক প্রাণীকেই মৃত্যুর স্বাদ নিতে হবে” (সূরা আল-ইমরান: ১৮৫) এই কঠিন সত্য আমরা জানি ঠিকই। কিন্তু দুনিয়ার সুখ-দুঃখের ভেতরে আমরা এতটাই বিভোর হয়ে থাকি যে মৃত্যু নিয়ে খুব কমই ভাবি। আমরা প্রায়ই মানুষের মৃত্যুকে দুর্ঘটনা বলে মনে করি। কিন্তু আদৌ কি তা সত্য? মৃত্যু কি সত্যিই কোনো দুর্ঘটনা? রাসুল (ﷺ) বলেছেন: “মুমিনের জন্য মৃত্যু হলো উপহার” (ইবনে মাজাহ, হাদিস ৪২৬১) রাসুল (ﷺ) কেন মৃত্যুকে উপহার বললেন, এই প্রশ্নটি গুরুত্বপূর্ণ। এখানে লক্ষ্য করার বিষয় হলো, তিনি বিশেষভাবে মুমিনদের কথা বলেছেন। সেই সব মানুষদের, যারা দুনিয়ার চেয়ে আল্লাহ তায়ালাকে বহু গুণ বেশি ভালোবাসে। মৃত্যুর মাধ্যমেই আমরা দুনিয়ার মায়া ত্যাগ করে প্রবেশ করি আরেক জীবনে। সেই জীবনের শুরু আছে, কিন্তু শেষ নেই। আর যদি আমরা মুমিন হই, ...
Comments
Post a Comment