Skip to main content

কোভিড ভ্যাক্সিন

 সারাদেশে গণহারে ভ্যাক্সিন দেয়া শুরু হয়েছে। এক্ষেত্রে বিভিন্ন কমন প্রশ্নঃ

* আমার ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, এলার্জি বা হাপানী আছে। ভ্যাক্সিন দিতে পারব? q#উত্তরঃ অবশ্যই পারবেন। এসব রোগ যাদের আছে, তারা সবার আগেই ভ্যাক্সিন নেয়া উচিত। কারণ এরা রিস্ক জোনে আছে। * আমার কোভিড পজিটিভ ছিল বা লক্ষ্মণ ছিল তবে পরীক্ষা করাইনি। ভ্যাক্সিন দিতে পারব? #উত্তরঃ অবশ্যই পারবেন তবে পজিটিভ হওয়া বা জ্বর কাশি লক্ষ্মণ দেখা দেয়ার ২৮ দিন পর। * গর্ভবতী মা এবং দুগ্ধ পান করাচ্ছেন এমন মায়েরা ভ্যাক্সিন নিতে পারবে? #উত্তরঃ বাচ্চা দুধ খায় এমন মা রা যেকোন সময় ভ্যাক্সিন নিতে পারবে। তবে গর্ভবতী মা রা গর্ভের ১৩ থেকে ৩৩ সপ্তাহের মধ্যে ভ্যাক্সিন নিতে পারবে যা সম্পূর্ণ নিরাপদ। * ভ্যাক্সিন দিলে নাকি হার্টের সমস্যা হচ্ছে বা অনেকে মারা যাচ্ছে? #উত্তরঃ সামান্য জ্বর বা ব্যথা দেখা দেয়া যেকোন ভ্যাক্সিনের কমন সাইড ইফেক্ট। মারা যাওয়ার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। খুবই অল্প সংখ্যক রুগীর ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট একটি ভ্যাক্সিন দেয়ার পর সামান্য হার্টের প্রদাহ দেখা দিয়েছিল, তবে দ্রুত সুস্থও হয়ে গিয়েছে। অতএব এসব অমুলক চিন্তা থেকে বিরত থাকাই মঙ্গল। * আমি রক্তদাতা বা ডোনার। ভ্যাক্সিন দেয়ার বা রক্ত দেয়ার নির্দেশনা কি? #উত্তরঃ ভ্যাক্সিনও দিতে পারবেন, ব্লাডও ডোনেট করতে পারবেন। তবে ভ্যাক্সিন দেয়ার ২৮ দিন পর রক্ত দান করতে পারবেন। ২৮ দিনের ভেতরে নয়। * ভ্যাক্সিন দেয়ার পরও আমার পুনরায় জ্বর, শরীর ব্যথা। এর কারণ? #উত্তরঃ ভ্যাক্সিন দেয়ার পরও করোনা আক্রান্ত হতে পারেন। সেক্ষেত্রে করোনার প্রভাব খুবই কম থাকে, অল্পতেই সুস্থ হয়ে যায়। তাছাড়া জ্বরের কারণ অন্যান্য রোগ যেমন ডেঙ্গু বা টাইফয়েডও হতে পারে। তথ্যসূত্রঃ WHO, CDC

Comments

Popular posts from this blog

মুমিনের জন্য মৃত্যু হলো উপহার

  প্রায়ই সকালে খবরে দেখি, দুর্ঘটনায় মানুষের মৃত্যু হয়েছে। কখনো মধ্যবয়স্ক কেউ, কখনো আবার শিশু। প্রত্যেকটি মৃত্যু সংবাদই আমাকে মনে করিয়ে দেয়, কার মৃত্যু কখন হবে সে সম্পর্কে আমরা কেউই জানি না, কিন্তু এটা আমাদের সাথেই থাকে সব সময়। আমার প্রিয় মানুষগুলোর সাথে একদিন আর দেখা হবেনা, এটাই সত্য আল্লাহ বলেন: “প্রত্যেক প্রাণীকেই মৃত্যুর স্বাদ নিতে হবে” (সূরা আল-ইমরান: ১৮৫) এই কঠিন সত্য আমরা জানি ঠিকই। কিন্তু দুনিয়ার সুখ-দুঃখের ভেতরে আমরা এতটাই বিভোর হয়ে থাকি যে মৃত্যু নিয়ে খুব কমই ভাবি। আমরা প্রায়ই মানুষের মৃত্যুকে দুর্ঘটনা বলে মনে করি। কিন্তু আদৌ কি তা সত্য? মৃত্যু কি সত্যিই কোনো দুর্ঘটনা? রাসুল (ﷺ) বলেছেন: “মুমিনের জন্য মৃত্যু হলো উপহার” (ইবনে মাজাহ, হাদিস ৪২৬১) রাসুল (ﷺ) কেন মৃত্যুকে উপহার বললেন, এই প্রশ্নটি গুরুত্বপূর্ণ। এখানে লক্ষ্য করার বিষয় হলো, তিনি বিশেষভাবে মুমিনদের কথা বলেছেন। সেই সব মানুষদের, যারা দুনিয়ার চেয়ে আল্লাহ তায়ালাকে বহু গুণ বেশি ভালোবাসে। মৃত্যুর মাধ্যমেই আমরা দুনিয়ার মায়া ত্যাগ করে প্রবেশ করি আরেক জীবনে। সেই জীবনের শুরু আছে, কিন্তু শেষ নেই। আর যদি আমরা মুমিন হই, ...

জীবনকে অপ্রয়োজনে কষ্টকর করি

  অনেকেই জীবনে খুব বড় হতে চান । বড় কাজ করতে চান, বড় বিজনেস করতে চান, দেশ পরিবর্তন করতে চায়। খুব ভাল এই চাওয়া গুলো। মন বড় রাখাই উচিত । কিন্তু এর পাশা পাশি আমরা যেটা ভুলে যাই যে, অনেক ছোট ছোট কাজেও কিন্তু সাফল্য এবং জীবনের সার্থকতা লুকিয়ে থাকে। আপনি প্রতিদিন নামাজ পড়ছেন ৫ বার । এটাও বড় সাফল্য । আপনি সত্য কথা বলার চেষ্টা করেন, এটাও সাফল্য । আপনি করো ক্ষতি করেন না। পরিবারের বিপদে আপদে পাশে থাকেন। রোজ একজন মানুষ কে খাওয়ান। আপনি ৯ টার অফিসে ৯ টায় হাজির হন, কাজে ফাঁকি দেন না। এসব কিছুই বিশাল সাফল্য । আমরা কেন জানি এসব ছোট ছোট কাজ কে সাফল্য মনে করি না। আমরা শুধু জীবনে ফাটায় ফেলতে চাই। এবং তা করতে যেয়ে জীবনকে অপ্রয়োজনে কষ্টকর করি। সবাইকে দিয়ে সব কাজ হয় না। আমি আপনি চাইলেই ইলন মাস্ক হতে পারবোনা । কিন্তু একজন ভালো মানুষ আমরা সবাই হতে পারব যাকে সমাজের কাজে লাগে। সমাজে ১০% মানুষ বড় কাজ করবে। আল্লাহ তাদের মেধা দিয়েছেন, ভালো পরিবার দিয়েছেন, সাহস দিয়েছেন - তারা জন্ম থেকেই কিছুটা আলাদা। কিন্তু বড় কাজ করতে পারছেন না মানে আপনি জীবনে সফল নয় - এটা ভাবা ঠিক নয়।...

নিকটবর্তী মানসিক রোগ

  ১. অস্বাভাবিক আচরণ ও কথাবার্তা ২. খাবারে ও পানিতে কিছু মেশানোর সন্দেহ ৩. ভাংচুর, সন্দেহ প্রবনতা ৪. গায়েবী কথা শোনা ৫. একা হাসা ও কথা বলা ৬. টেনশন, অস্থিরতা, উদ্বেগ, বিষন্নতা, হতাশা, একই চিন্তা ও কাজ বারে বারে করা ৭. খিটখিটে মেজাজ ৮. দীর্ঘমেয়াদী মাথাব্যথা, ঘাড় ও বুক সহ শরীরে বিভিন্ন স্থানে ব্যথা ও জ্বালাপোড়া মাথা ঘোরা, বুক ধরফর, হাত-পা ঝিনঝিন ৯. অজ্ঞান হয়ে যাওয়া, হিস্টিরিয়া, কথা বন্ধ ১০. অসামাজিক আচরণ মাদকাসক্তি সহিংসতা ও নিজের শরীরে আঘাত করা উপরের সমস্যাগুলোর যেকোন একটা হলে আপনি দ্রুত সময়ের মাঝে নিকটবর্তী মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন। ========================================= বিয়ের পর প্রত্যেক পুরুষের semen fluid analysis করা উচিত। ‌ এটা একটা বেসিক infertility টেস্ট যাতে দেখা হয় পুরুষ‌ মানুষটি বাবা হওয়ার যোগ্য কিনা। বিয়ের আগে করলে আরো ভালো। এটি করতে খরচ হয় স্থানভেদে মাত্র এক থেকে দেড় হাজার টাকা।সরকারি হাসপাতালে করলে ১০০ টাকায় করতে পারবেন। আমাদের দেশে কোন দম্পতির বাচ্চা না হলে এখনো অনেক জায়গায় মেয়েদেরকে ব্লেইম করা হয়। অনেক ক্ষেত্রেই সমস্যাটা থাকে ...