Skip to main content

সঠিক বয়সে বিয়ে করলে কি উপকার

সঠিক  বয়সে বিয়ে করলে কি উপকার


আপনি কি জানতে চান।।👇👇 এই সমাজ তোমাকে ভালকিছু দিতে চায়না বরং তোমাকে পাপের সাগরে ডুবাতে চায় এইভাবে শেষ হয়ে যাচ্ছে আমাদের চরিত্র পারছিনা যৌবন কে পবিত্র রাখতে কারণ হচ্ছে যৌবন এক ধরণের ক্ষুদা। ক্ষুদা লাগলে যেমন খাবারের দরকার হয় ঠিক তেমন যৌবনের ক্ষুদা লাগলে বউ দরকার হয়। কিন্তু সমাজ বলছে আগে প্রতিষ্ঠিত হও। তারপর বিয়ের পিড়িতে বসো। অতচ এই আয়াতে আল্লাহ বলেন : وَأَنكِحُوا الْأَيَامَى مِنكُمْ وَالصَّالِحِينَ مِنْ عِبَادِكُمْ وَإِمَائِكُمْ إِن يَكُونُوا فُقَرَاء يُغْنِهِمُ اللَّهُ مِن فَضْلِهِ وَاللَّهُ وَاسِعٌ عَلِيمٌ বিয়ে করো,তোমায় প্রতিষ্ঠিত করার দায়িত্ব আমি আল্লাহর......!!!!!!অভাবে আছো অভাব দূর করে দেব। আল্লাহ বলেন ধনী হতে চাও বিয়ে করো। আবার রাসুল (সা.) বলেছেন, ثَلَاثَةٌ حَقٌّ عَلَى اللَّهِ عَوْنُهُمْ: المُجَاهِدُ فِي سَبِيلِ اللَّهِ، وَالمُكَاتَبُ الَّذِي يُرِيدُ الأَدَاءَ، وَالنَّاكِحُ الَّذِي يُرِيدُ العَفَافَ তিন ব্যক্তিকে সাহায্য করা আল্লাহ তায়ালার জন্য কর্তব্য হয়ে যায়। ১। আল্লাহ তায়ালার রাস্তায় জিহাদকারী, ২। চুক্তিবদ্ধ গোলাম যে তার মনিবকে চুক্তি অনুযায়ী সম্পদ আদায় করে মুক্ত হতে চায় ৩। ওই বিবাহিত ব্যক্তি যে (বিবাহ করার মাধ্যমে) পবিত্র থাকতে চায়। হাদিসটি পাবেন (তিরমিজি-১৬৫৫, নাসায়ি-৩২১৮, ৩১২০, সহিহ ইবনে হিব্বান-৪০৩০, বায়হাকি, সুনানুল অল্প বয়সে বিয়ে করলে রোমান্টিকতার বহু সময় পাওয়া যায়।কেন এতো বিয়ে করতে দেরি করছেন।আল্লাহ তো অফার দিয়ে রাখছেন। আল্লাহ তোমাকে বড়লোক বানিয়ে দেবেন তার ওয়াদা দিয়েছেন। শুধু খামাখা কেন দেরি করছেন, বিয়ে করুণ...... যৌবন শুরু হয়েছে, আল্লাহর দেয়া বিশাল অফার টাকে গ্রহণ করুণ। বিয়ে করুণ বিয়ে করলে যে উপকারিতা পাবেন তা হলো ১। লজ্জা স্থানের হেফাজত হয় ২। বিবাহ চক্ষু নিচু করে ৩। তাড়াতাড়ি ধনি হওয়া যায়। ৪। ইমান পরিপূর্ণ হয় ৫। অসুস্থতা দূর হয়। ৬। ইবাদতে মজা পাওয়া যায়। ৭। আল্লাহর নৈকট্য লাভ করা যায়। ৮। মানসিক তৃপ্তি পাওয়া যায়। এমন তৃপ্তি যেটা শুধু নিজের বউয়ের কাছে পাবেন যেনা করতে গিয়েও তা পাবেন না। ৯। মেজাজ ঠান্ডা থাকে।মাথা কখনো হট হবেনা। ১০। যৌবনের ক্ষুদা নিবারণ হয়। আরো অনেক উপকারিতা আছে। খাবার না পেলে যখন ক্ষুদার যন্ত্রনায় হারাম ভক্ষণ করে ফেলে।ঠিক সেই রকম বউ না থাকলে যৌবনের ক্ষুদার তাড়নায় অনেকে লজ্জা স্থান দিয়ে পর নারীর সাথে যিনা করে ফেলে। বিয়েকে সহজ করুণ,দেখবেন সমাজ থেকে অনেক জেনা ব্যাবিচার কমে যাবে। ছেলেমেয়েদের অভিবাবকদের বলি সঠিক বয়সে ছেলে মেয়ে বিয়ে করান।
সরকারি চাকরি বাদ দেন,আগে দেখুন ছেলে মানুষ কিনা।যদি মানুষ হয়, তার সাথে বিয়ে দেন। কারণ একটা মেয়ে কখনো খাবার অভাবে মারা যায়না।মারা যায়তো জানোয়ার গুলোর অত্যাচারে। তাই মেয়ের বাবাদের বলছি বিষয়টি বিবেচনায় নেন। ছেলের বাবাদের বলছি আল্লাহ ওয়াদা দিয়েছেন ধনী বানিয়ে দেবে তাই ছেলেকে বিয়ে করাণ,,, খুব তাড়াতাড়ি প্রতিষ্ঠিত হয়ে যাবে আপনার ছেলে। আল্লাহ তায়া’লা আমাদের সবাই কে বুঝার তৌফিক দান করুণ (আমিন
collected

Comments

Popular posts from this blog

মুমিনের জন্য মৃত্যু হলো উপহার

  প্রায়ই সকালে খবরে দেখি, দুর্ঘটনায় মানুষের মৃত্যু হয়েছে। কখনো মধ্যবয়স্ক কেউ, কখনো আবার শিশু। প্রত্যেকটি মৃত্যু সংবাদই আমাকে মনে করিয়ে দেয়, কার মৃত্যু কখন হবে সে সম্পর্কে আমরা কেউই জানি না, কিন্তু এটা আমাদের সাথেই থাকে সব সময়। আমার প্রিয় মানুষগুলোর সাথে একদিন আর দেখা হবেনা, এটাই সত্য আল্লাহ বলেন: “প্রত্যেক প্রাণীকেই মৃত্যুর স্বাদ নিতে হবে” (সূরা আল-ইমরান: ১৮৫) এই কঠিন সত্য আমরা জানি ঠিকই। কিন্তু দুনিয়ার সুখ-দুঃখের ভেতরে আমরা এতটাই বিভোর হয়ে থাকি যে মৃত্যু নিয়ে খুব কমই ভাবি। আমরা প্রায়ই মানুষের মৃত্যুকে দুর্ঘটনা বলে মনে করি। কিন্তু আদৌ কি তা সত্য? মৃত্যু কি সত্যিই কোনো দুর্ঘটনা? রাসুল (ﷺ) বলেছেন: “মুমিনের জন্য মৃত্যু হলো উপহার” (ইবনে মাজাহ, হাদিস ৪২৬১) রাসুল (ﷺ) কেন মৃত্যুকে উপহার বললেন, এই প্রশ্নটি গুরুত্বপূর্ণ। এখানে লক্ষ্য করার বিষয় হলো, তিনি বিশেষভাবে মুমিনদের কথা বলেছেন। সেই সব মানুষদের, যারা দুনিয়ার চেয়ে আল্লাহ তায়ালাকে বহু গুণ বেশি ভালোবাসে। মৃত্যুর মাধ্যমেই আমরা দুনিয়ার মায়া ত্যাগ করে প্রবেশ করি আরেক জীবনে। সেই জীবনের শুরু আছে, কিন্তু শেষ নেই। আর যদি আমরা মুমিন হই, ...

জীবনকে অপ্রয়োজনে কষ্টকর করি

  অনেকেই জীবনে খুব বড় হতে চান । বড় কাজ করতে চান, বড় বিজনেস করতে চান, দেশ পরিবর্তন করতে চায়। খুব ভাল এই চাওয়া গুলো। মন বড় রাখাই উচিত । কিন্তু এর পাশা পাশি আমরা যেটা ভুলে যাই যে, অনেক ছোট ছোট কাজেও কিন্তু সাফল্য এবং জীবনের সার্থকতা লুকিয়ে থাকে। আপনি প্রতিদিন নামাজ পড়ছেন ৫ বার । এটাও বড় সাফল্য । আপনি সত্য কথা বলার চেষ্টা করেন, এটাও সাফল্য । আপনি করো ক্ষতি করেন না। পরিবারের বিপদে আপদে পাশে থাকেন। রোজ একজন মানুষ কে খাওয়ান। আপনি ৯ টার অফিসে ৯ টায় হাজির হন, কাজে ফাঁকি দেন না। এসব কিছুই বিশাল সাফল্য । আমরা কেন জানি এসব ছোট ছোট কাজ কে সাফল্য মনে করি না। আমরা শুধু জীবনে ফাটায় ফেলতে চাই। এবং তা করতে যেয়ে জীবনকে অপ্রয়োজনে কষ্টকর করি। সবাইকে দিয়ে সব কাজ হয় না। আমি আপনি চাইলেই ইলন মাস্ক হতে পারবোনা । কিন্তু একজন ভালো মানুষ আমরা সবাই হতে পারব যাকে সমাজের কাজে লাগে। সমাজে ১০% মানুষ বড় কাজ করবে। আল্লাহ তাদের মেধা দিয়েছেন, ভালো পরিবার দিয়েছেন, সাহস দিয়েছেন - তারা জন্ম থেকেই কিছুটা আলাদা। কিন্তু বড় কাজ করতে পারছেন না মানে আপনি জীবনে সফল নয় - এটা ভাবা ঠিক নয়।...

নিকটবর্তী মানসিক রোগ

  ১. অস্বাভাবিক আচরণ ও কথাবার্তা ২. খাবারে ও পানিতে কিছু মেশানোর সন্দেহ ৩. ভাংচুর, সন্দেহ প্রবনতা ৪. গায়েবী কথা শোনা ৫. একা হাসা ও কথা বলা ৬. টেনশন, অস্থিরতা, উদ্বেগ, বিষন্নতা, হতাশা, একই চিন্তা ও কাজ বারে বারে করা ৭. খিটখিটে মেজাজ ৮. দীর্ঘমেয়াদী মাথাব্যথা, ঘাড় ও বুক সহ শরীরে বিভিন্ন স্থানে ব্যথা ও জ্বালাপোড়া মাথা ঘোরা, বুক ধরফর, হাত-পা ঝিনঝিন ৯. অজ্ঞান হয়ে যাওয়া, হিস্টিরিয়া, কথা বন্ধ ১০. অসামাজিক আচরণ মাদকাসক্তি সহিংসতা ও নিজের শরীরে আঘাত করা উপরের সমস্যাগুলোর যেকোন একটা হলে আপনি দ্রুত সময়ের মাঝে নিকটবর্তী মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন। ========================================= বিয়ের পর প্রত্যেক পুরুষের semen fluid analysis করা উচিত। ‌ এটা একটা বেসিক infertility টেস্ট যাতে দেখা হয় পুরুষ‌ মানুষটি বাবা হওয়ার যোগ্য কিনা। বিয়ের আগে করলে আরো ভালো। এটি করতে খরচ হয় স্থানভেদে মাত্র এক থেকে দেড় হাজার টাকা।সরকারি হাসপাতালে করলে ১০০ টাকায় করতে পারবেন। আমাদের দেশে কোন দম্পতির বাচ্চা না হলে এখনো অনেক জায়গায় মেয়েদেরকে ব্লেইম করা হয়। অনেক ক্ষেত্রেই সমস্যাটা থাকে ...