Skip to main content

বুজুর্গ ব্যক্তি


এক বুজুর্গ ব্যক্তি শয়তানকে দেখে বলল, আমাকে এমন একটা কাজ শিক্ষা দাও যাতে আমি তোমার ন্যায় শয়তান এবং তোমার খাঁটি শিষ্য হতে পারি। শয়তান আশ্চর্য হয়ে বলল আজ পর্যন্ত আমার কাছে এরূপ আশ্চর্যজনক দরখাস্ত কেউ করেনি। আচ্ছা তুমি তা শিক্ষা করে কি করবে..?

ওই ব্যক্তি উত্তর করলো আমার একান্ত ইচ্ছা আমি তোমার খাঁটি শিষ্য হই। শয়তান বলল বাস্তবিকই যদি তুমি আমার শিষ্য হতে চাও, তবে দুটি কাজ তোমার করতে হবে। ১/ নামাজ ত্যাগ করতে হবে, এবং ২/ সত্য - মিথ্যা কসম খেতে থাকবে। এতে কোন প্রকার দ্বিধাবোধ করবে না। এ কাজটি করতে পারলে তোমার আমার মধ্যে কোন প্রভেদ থাকবেনা , এবং তুমি আমার খাঁটি শিষ্য হতে পারবে। বুজুর্গ ব্যক্তি এর কথা শুনে বলল খোদার কসম। ওই কাজ দুটি একটিও আমি সারা জীবনে করব না। শয়তান বলল আমি তো এতদিন জগদ্বাসীকে দোকা দিয়ে আসছিলাম। কিন্তু আজ তুমি আমার ওস্তাদ হয়ে গেলে, আমি তো তোমার নিকট ধোকা খেলাম। আমি প্রতিজ্ঞা করছি নিজের মনের কথা কোনদিন কাউকে বলব না এবং ধোঁকাও খাব না।।

***************************************************************

👉মৃত্যুর পূর্বে একজন পিতা তার সন্তানকে কাছে ডেকে বললেন,'এই নাও!এই ঘড়িটা আজ আমি তোমাকে দিলাম। আমাকে দিয়েছিলেন তোমার দাদা।ঘড়িটা দুইশত বছর আগের। তবে,ঘড়িটা নেওয়ার আগে তোমাকে একটা কাজ করতে হবে'।

👉ছেলেটা বললো, কি কাজ? 👉"এই ঘড়িটা নিয়ে রাস্তার পাশের ঘড়ির দোকানে যাবে।তাদের বলবে যে এই ঘড়িটা তুমি বিক্রি করতে চাও'। 👉ছেলেটা তাই করলো।ঘড়িটা রাস্তার পাশের একটা ঘড়ির দোকানে বিক্রি করতে নিয়ে গেলো।সে ফিরে এলে তার বাবা বলল,ঘড়ির দোকানদার কত টাকা দিতে চাইলো ঘড়িটার বিনিময়ে? 👉ছেলেটা বললো 'একশো টাকা মাত্র'।ঘড়িটা নাকি অনেক পুরাতন তাই'। 👉বাবা বললেন,এবার পাশের কফি শপে যাও।তাদেরকে বলো যে তুমি এই ঘড়িটা বিক্রি করতে চাও'। 👉ছেলেটা তা ই করলো। ঘড়িটা নিয়ে পাশের এক কফি শপে গেলো।ফিরে এলে তার বাবা জানতে চাইলো ' কি বললো ওরা'? 👉ওরা তো এটা নিতেই চাইলো না।বললো, এত পুরনো, নোংরা ঘড়ি দিয়ে আমাদের কি হবে? 👉বাবা হাসলেন,বললেন 'এবার তুমি এই ঘড়ি নিয়ে জাদু ঘরে যাও।তাদেরকে বলো যে ঘড়িটা আজ থেকে দুই'শতো বছর আগের'। 👉ছেলেটি এবারও তাই করলো।ঘড়িটা নিয়ে জাদুঘরে গেলো। ফিরে এলে তার বাবা বললো'কি বললো ওরা? 👉ওরা তো ঘড়িটা দেখে চমকে উঠেছে প্রায়!তারা এই ঘড়ির দাম বাবদ এক লক্ষ টাকা দিতে চাইলো আমাকে' 👉ছেলের কথা শুনে বাবা হাসলেন।বললেন,"আমার সন্তান! আমি তোমাকে এটাই শিখাতে চাচ্ছিলাম যে,যারা তোমার মুল্য বুঝবে তারা ঠিকই জীবনে তোমাকে মুল্যায়ন করবেন।আর যারা তোমার মুল্য বুঝবেনা,তারা কোনদিনও মুল্যায়ন করবেনা।তাই,যারা তোমাকে মুল্যায়ন করবে না তাদের দেখে হতাশ হয়ে পড়ো না।তারা তোমার মুল্য বুঝতে অক্ষম। তুমি তাদের কাছেই যাবে, যারা তোমার সত্যিকার মুল্য বুঝবে.....🌹 ✍️জীবনে চলার পথে অনেকেই আছে আমাদের মুল্য বুঝে না, আমাদের অবহেলা অবজ্ঞা অসন্মান করে,মুল্যয়ন করে না।আবার অনেকেই আছে যারা আমাদেরকে সত্যিই বুঝে সন্মান করে মুল্যয়ন করে। আমাদের তাদের কাছেই যাওয়া উচিত যারা আমাদের মুল্য বুঝে,মুল্যয়ন করে। 🥀ইয়া আল্লাহ আমাদের সবাইকে সঠিক জ্ঞান দান করুন আমাদেরকে হেদায়েত দান করুন(আমিন)

Comments

Popular posts from this blog

মুমিনের জন্য মৃত্যু হলো উপহার

  প্রায়ই সকালে খবরে দেখি, দুর্ঘটনায় মানুষের মৃত্যু হয়েছে। কখনো মধ্যবয়স্ক কেউ, কখনো আবার শিশু। প্রত্যেকটি মৃত্যু সংবাদই আমাকে মনে করিয়ে দেয়, কার মৃত্যু কখন হবে সে সম্পর্কে আমরা কেউই জানি না, কিন্তু এটা আমাদের সাথেই থাকে সব সময়। আমার প্রিয় মানুষগুলোর সাথে একদিন আর দেখা হবেনা, এটাই সত্য আল্লাহ বলেন: “প্রত্যেক প্রাণীকেই মৃত্যুর স্বাদ নিতে হবে” (সূরা আল-ইমরান: ১৮৫) এই কঠিন সত্য আমরা জানি ঠিকই। কিন্তু দুনিয়ার সুখ-দুঃখের ভেতরে আমরা এতটাই বিভোর হয়ে থাকি যে মৃত্যু নিয়ে খুব কমই ভাবি। আমরা প্রায়ই মানুষের মৃত্যুকে দুর্ঘটনা বলে মনে করি। কিন্তু আদৌ কি তা সত্য? মৃত্যু কি সত্যিই কোনো দুর্ঘটনা? রাসুল (ﷺ) বলেছেন: “মুমিনের জন্য মৃত্যু হলো উপহার” (ইবনে মাজাহ, হাদিস ৪২৬১) রাসুল (ﷺ) কেন মৃত্যুকে উপহার বললেন, এই প্রশ্নটি গুরুত্বপূর্ণ। এখানে লক্ষ্য করার বিষয় হলো, তিনি বিশেষভাবে মুমিনদের কথা বলেছেন। সেই সব মানুষদের, যারা দুনিয়ার চেয়ে আল্লাহ তায়ালাকে বহু গুণ বেশি ভালোবাসে। মৃত্যুর মাধ্যমেই আমরা দুনিয়ার মায়া ত্যাগ করে প্রবেশ করি আরেক জীবনে। সেই জীবনের শুরু আছে, কিন্তু শেষ নেই। আর যদি আমরা মুমিন হই, ...

Narcissist স্বামী স্ত্রী

  Narcissist স্বামী স্ত্রীর সাফল্যে ঈর্ষান্বিত থাকেন : Narcissist স্বামী প্রায়ই স্ত্রীর সাফল্যে প্রচণ্ড ঈর্ষান্বিত থাকেন। ধরুন, স্ত্রী আর্থিকভাবে বা সামাজিকভাবে স্বামীর চেয়ে বেশি capable, কিংবা তার চেয়ে উচ্চপদে কাজ করছেন। এমন ক্ষেত্রে, যদিও তিনি স্ত্রীর আয় ভোগ করেন, তবুও এ বিষয়ে তিনি খুশি নন; বরং এটি তাকে ইনসিকিওর ফিল করায়। স্ত্রীর সামাজিক পরিসর (social circle) যদি বড় হয় বা তার বেশি বন্ধু-বান্ধব থাকে, সেখানেও তিনি নিজেকে ইনসিকিওর মনে করেন। সবচেয়ে বেশি ইনসিকিওর অনুভব করেন যখন স্ত্রীর rank বা পদমর্যাদা তার চেয়ে উচ্চ হয়। ধরুন, স্বামী একটি প্রতিষ্ঠানে একটি পদে কাজ করছেন, কিন্তু স্ত্রী হয়তো আরও উচ্চ পদে রয়েছেন। তখন Narcissist স্বামী খুবই ইনসিকিওর ফিল করেন। ক্লিনিক্যাল প্র্যাকটিসে ফাইন্যান্স, সামাজিক পরিসর, এবং পদমর্যাদার ক্ষেত্রে আমরা প্রায়ই দেখি যে স্ত্রীর rank স্বামীর চেয়ে উচ্চ হলে Narcissist স্বামী প্রচণ্ড ইনসিকিওর ফিল করেন। যেমন, স্ত্রী যদি কোনো প্রতিষ্ঠানে ম্যানেজার হন, তিনি বলবেন, “তুমি ম্যানেজার, কিন্তু বাসায় কিছুই ম্যানেজ করতে পারো না; তুমি মানুষকে ক...

জীবনকে অপ্রয়োজনে কষ্টকর করি

  অনেকেই জীবনে খুব বড় হতে চান । বড় কাজ করতে চান, বড় বিজনেস করতে চান, দেশ পরিবর্তন করতে চায়। খুব ভাল এই চাওয়া গুলো। মন বড় রাখাই উচিত । কিন্তু এর পাশা পাশি আমরা যেটা ভুলে যাই যে, অনেক ছোট ছোট কাজেও কিন্তু সাফল্য এবং জীবনের সার্থকতা লুকিয়ে থাকে। আপনি প্রতিদিন নামাজ পড়ছেন ৫ বার । এটাও বড় সাফল্য । আপনি সত্য কথা বলার চেষ্টা করেন, এটাও সাফল্য । আপনি করো ক্ষতি করেন না। পরিবারের বিপদে আপদে পাশে থাকেন। রোজ একজন মানুষ কে খাওয়ান। আপনি ৯ টার অফিসে ৯ টায় হাজির হন, কাজে ফাঁকি দেন না। এসব কিছুই বিশাল সাফল্য । আমরা কেন জানি এসব ছোট ছোট কাজ কে সাফল্য মনে করি না। আমরা শুধু জীবনে ফাটায় ফেলতে চাই। এবং তা করতে যেয়ে জীবনকে অপ্রয়োজনে কষ্টকর করি। সবাইকে দিয়ে সব কাজ হয় না। আমি আপনি চাইলেই ইলন মাস্ক হতে পারবোনা । কিন্তু একজন ভালো মানুষ আমরা সবাই হতে পারব যাকে সমাজের কাজে লাগে। সমাজে ১০% মানুষ বড় কাজ করবে। আল্লাহ তাদের মেধা দিয়েছেন, ভালো পরিবার দিয়েছেন, সাহস দিয়েছেন - তারা জন্ম থেকেই কিছুটা আলাদা। কিন্তু বড় কাজ করতে পারছেন না মানে আপনি জীবনে সফল নয় - এটা ভাবা ঠিক নয়।...