Skip to main content

৩২টি গুরুত্বপূর্ণ উপদেশ

 ৩২টি গুরুত্বপূর্ণ উপদেশ


যা আপনার জীবনকে বদলে দেবে ইন শা আল্লাহ . ১। মুখ ভর্তি করে খাবেন না। বাচ্চাদেরকেও মুখ ভর্তি করে খেতে দিবেন না। . ২। দুর্গন্ধময় লোকের সাথে বসবেন না। যেমন যাদের মুখ থেকে সিগারেট কিংবা কাঁচা পেয়াজের গন্ধ আসে এমন লোকের সাথে। . ৩। বাম হাতে খাওয়া এবং পান করা থেকে বিরত থাকুন। . ৪। দাঁতে আটকে থাকা খাবার বের করে খাওয়া পরিহার করুন। . ৫। হাতে-পায়ের আঙ্গুল ফোটানো পরিহারের চেষ্টা করুন। . ৬। জুতা পরিধানের পূর্বে দেখে নিন। . ৭। নামাজে থাকা অবস্থায় আকাশের দিকে তাকাবেন না। . ৮। টয়লেটে থুথু ফেলবেন না। . ৯। কয়লা দিয়ে দাঁত মাঝবেন না। . . ১০। ফুঁক দিয়ে খাবার_ঠাণ্ডা করবেন না। প্রয়োজনে বাতাস করতে পারেন। . ১১। দাঁত দিয়ে শক্ত কিছু ভাঙতে যাবেন না। . ১২। ইকামাহ এবং নামাজের মধ্যবর্তী সময়ে কথা বলবেন না । . ১৩। টয়লেটে থাকা অবস্থায় কথা বলবেন না। . ১৪। বন্ধুদের জন্য প্রতিকুলতা সৃষ্টি করবেন না। . ১৫। চলার সময় বারবার পেছনে ফিরে তাকাবেন না । . ১৬। হাঁটার সময় দম্ভভরে মাটিতে পা ঠুকবেন না । . ১৭। বন্ধুদের সন্দেহ করবেন না। . ১৮। কখনো মিথ্যা বলবেন না । ঠাট্টা করেও নয়। . ১৯। একা ভ্রমণ করবেন না । দুইয়ের অধিক বা সম্ভব হলে দলবেঁধে ভ্রমণ করুন। . ২০। একা গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিবেন না, বুদ্ধিসম্পন্ন কারো সাথে পরামর্শ করুন। তবে সিদ্ধান্ত হবে আপনার! . ২১। নিজেকে নিয়ে কখনো গর্ব করবেন না। . ২২। অহংকার করবেন না। অহংকার একমাত্র আল্লাহ্ পাকের সাজে। . ২৩। ভিক্ষুকদের পরিহাস করবেন না । . ২৪। মেহমানদের মন থেকে যথাসাধ্য ভালো মতো আপ্যায়ন করুন । . ২৫। ভালো কিছুতে সহযোগিতা করুন। . ২৬। দারিদ্র্যের সময়ও ধৈর্যধারণ করুন। . ২৭। নিজের ভুল নিয়ে ভাবুন এবং অনুসূচনা করুন। . ২৮। যারা আপনার প্রতি খারাপ কিছু করে, তাদের সাথেও ভালো আচরণ করুন। . ২৯। যা কিছু আছে তা নিয়েই সন্তুষ্ট থাকুন। আলহামদুলিল্লাহ্‌ আল্লাহ্ যা দিয়েছেন তার জন্য শুকরিয়া আদায় করুন। . ৩০। বেশি ঘুমাবেন না , এতে স্মৃতিশক্তি লোপ পাবে। .৩১। অন্ধকারে কিছু খাবেন না। ৩২। নিজের ভুলের জন্য দিনে অন্তত ১০০ বার আল্লাহ্ পাকের কাছে অনুতপ্ত হোন । আস্তাগফিরুল্লাহ পড়ুন . আল্লাহ রাব্বুল আলামীন আমাদের সবাইকে এই উপদেশ মূলক বাণী গুলো মেনে চলার তাওফীক দান করুক। (আমীন)
collected

Comments

Popular posts from this blog

মুমিনের জন্য মৃত্যু হলো উপহার

  প্রায়ই সকালে খবরে দেখি, দুর্ঘটনায় মানুষের মৃত্যু হয়েছে। কখনো মধ্যবয়স্ক কেউ, কখনো আবার শিশু। প্রত্যেকটি মৃত্যু সংবাদই আমাকে মনে করিয়ে দেয়, কার মৃত্যু কখন হবে সে সম্পর্কে আমরা কেউই জানি না, কিন্তু এটা আমাদের সাথেই থাকে সব সময়। আমার প্রিয় মানুষগুলোর সাথে একদিন আর দেখা হবেনা, এটাই সত্য আল্লাহ বলেন: “প্রত্যেক প্রাণীকেই মৃত্যুর স্বাদ নিতে হবে” (সূরা আল-ইমরান: ১৮৫) এই কঠিন সত্য আমরা জানি ঠিকই। কিন্তু দুনিয়ার সুখ-দুঃখের ভেতরে আমরা এতটাই বিভোর হয়ে থাকি যে মৃত্যু নিয়ে খুব কমই ভাবি। আমরা প্রায়ই মানুষের মৃত্যুকে দুর্ঘটনা বলে মনে করি। কিন্তু আদৌ কি তা সত্য? মৃত্যু কি সত্যিই কোনো দুর্ঘটনা? রাসুল (ﷺ) বলেছেন: “মুমিনের জন্য মৃত্যু হলো উপহার” (ইবনে মাজাহ, হাদিস ৪২৬১) রাসুল (ﷺ) কেন মৃত্যুকে উপহার বললেন, এই প্রশ্নটি গুরুত্বপূর্ণ। এখানে লক্ষ্য করার বিষয় হলো, তিনি বিশেষভাবে মুমিনদের কথা বলেছেন। সেই সব মানুষদের, যারা দুনিয়ার চেয়ে আল্লাহ তায়ালাকে বহু গুণ বেশি ভালোবাসে। মৃত্যুর মাধ্যমেই আমরা দুনিয়ার মায়া ত্যাগ করে প্রবেশ করি আরেক জীবনে। সেই জীবনের শুরু আছে, কিন্তু শেষ নেই। আর যদি আমরা মুমিন হই, ...

Narcissist স্বামী স্ত্রী

  Narcissist স্বামী স্ত্রীর সাফল্যে ঈর্ষান্বিত থাকেন : Narcissist স্বামী প্রায়ই স্ত্রীর সাফল্যে প্রচণ্ড ঈর্ষান্বিত থাকেন। ধরুন, স্ত্রী আর্থিকভাবে বা সামাজিকভাবে স্বামীর চেয়ে বেশি capable, কিংবা তার চেয়ে উচ্চপদে কাজ করছেন। এমন ক্ষেত্রে, যদিও তিনি স্ত্রীর আয় ভোগ করেন, তবুও এ বিষয়ে তিনি খুশি নন; বরং এটি তাকে ইনসিকিওর ফিল করায়। স্ত্রীর সামাজিক পরিসর (social circle) যদি বড় হয় বা তার বেশি বন্ধু-বান্ধব থাকে, সেখানেও তিনি নিজেকে ইনসিকিওর মনে করেন। সবচেয়ে বেশি ইনসিকিওর অনুভব করেন যখন স্ত্রীর rank বা পদমর্যাদা তার চেয়ে উচ্চ হয়। ধরুন, স্বামী একটি প্রতিষ্ঠানে একটি পদে কাজ করছেন, কিন্তু স্ত্রী হয়তো আরও উচ্চ পদে রয়েছেন। তখন Narcissist স্বামী খুবই ইনসিকিওর ফিল করেন। ক্লিনিক্যাল প্র্যাকটিসে ফাইন্যান্স, সামাজিক পরিসর, এবং পদমর্যাদার ক্ষেত্রে আমরা প্রায়ই দেখি যে স্ত্রীর rank স্বামীর চেয়ে উচ্চ হলে Narcissist স্বামী প্রচণ্ড ইনসিকিওর ফিল করেন। যেমন, স্ত্রী যদি কোনো প্রতিষ্ঠানে ম্যানেজার হন, তিনি বলবেন, “তুমি ম্যানেজার, কিন্তু বাসায় কিছুই ম্যানেজ করতে পারো না; তুমি মানুষকে ক...

জীবনকে অপ্রয়োজনে কষ্টকর করি

  অনেকেই জীবনে খুব বড় হতে চান । বড় কাজ করতে চান, বড় বিজনেস করতে চান, দেশ পরিবর্তন করতে চায়। খুব ভাল এই চাওয়া গুলো। মন বড় রাখাই উচিত । কিন্তু এর পাশা পাশি আমরা যেটা ভুলে যাই যে, অনেক ছোট ছোট কাজেও কিন্তু সাফল্য এবং জীবনের সার্থকতা লুকিয়ে থাকে। আপনি প্রতিদিন নামাজ পড়ছেন ৫ বার । এটাও বড় সাফল্য । আপনি সত্য কথা বলার চেষ্টা করেন, এটাও সাফল্য । আপনি করো ক্ষতি করেন না। পরিবারের বিপদে আপদে পাশে থাকেন। রোজ একজন মানুষ কে খাওয়ান। আপনি ৯ টার অফিসে ৯ টায় হাজির হন, কাজে ফাঁকি দেন না। এসব কিছুই বিশাল সাফল্য । আমরা কেন জানি এসব ছোট ছোট কাজ কে সাফল্য মনে করি না। আমরা শুধু জীবনে ফাটায় ফেলতে চাই। এবং তা করতে যেয়ে জীবনকে অপ্রয়োজনে কষ্টকর করি। সবাইকে দিয়ে সব কাজ হয় না। আমি আপনি চাইলেই ইলন মাস্ক হতে পারবোনা । কিন্তু একজন ভালো মানুষ আমরা সবাই হতে পারব যাকে সমাজের কাজে লাগে। সমাজে ১০% মানুষ বড় কাজ করবে। আল্লাহ তাদের মেধা দিয়েছেন, ভালো পরিবার দিয়েছেন, সাহস দিয়েছেন - তারা জন্ম থেকেই কিছুটা আলাদা। কিন্তু বড় কাজ করতে পারছেন না মানে আপনি জীবনে সফল নয় - এটা ভাবা ঠিক নয়।...