Skip to main content

প্রোবায়োটিক


 বর্তমানে এই করোনা পরিস্থিতিতে জীবন যাত্রায় এসেছে পরিবর্তন। আমাদের সচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি শারীরিক সুস্থতাটাও নিশ্চিত করতে হবে।বিশেষজ্ঞদের মতে বাড়াতে হবে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা। প্রোবায়োটিক সমৃদ্ধ খাবার এক্ষেত্রে খুব উপকারী।

প্রোবায়োটিক হলো ভালো ব্যাকটেরিয়া যা ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়ার সাথে লড়াই করে আমাদের মেটাবলিজম বৃদ্ধিতে সহায়তা করে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। ২০ শতকের গোড়ার দিকে রাশিয়ান নোবেল বিজ্ঞানী এলি মেচনিকফ প্রথম এই প্রোবায়োটিক সম্পর্কে ধারনা দেন।আমাদের শরীরে আনুমানিক ৪০০ রকমের জীবানু বাস করে। অর্থাৎ একজন মানুষ গড়ে ৩-৪ কেজি আন্ত্রিক জীবাণু থাকে।প্রোবায়োটিক গ্রহন করলে আন্ত্রিক জীবাণু ভালো থাকে যা পরিপাক নালীর কার্যক্রমকে ভালো রাখে। পরিপাক ক্রিয়া উন্নত করতে,ক্ষতিকর জীবানু সংক্রমণ প্রতিরোধে,রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে,এমোনিয়া নামক বিষাক্ত পদার্থ বের করতে এমন কি ভিটামিন তৈরিতেও প্রোবায়োটিক এর ভূমিকা অপরিসীম। অনিয়ন্ত্রিত জীবন যাবন এবং খাদ্যাভ্যাস, সিগারেট ও মদ্যপানের বদভ্যাস, এন্টিবায়োটিকের অতিরিক্ত ব্যবহার এবং নানা অসুখের কারনেও প্রোবায়োটিক কমে যেতে পারে আমাদের শরীরে। যা মেটাবলিজমের উপর প্রভাব ফেলে সাথে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকেও কমিয়ে দেয়। কাজেই প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় প্রোবায়োটিক যুক্ত খাবার গ্রহন করার অভ্যাস করতে হবে। ◼️ টকদই প্রোবায়োটিকের সবচেয়ে ভালো উৎস হচ্ছে টকদই। দুধের ব্যাকটেরিয়াল গাঁজন দ্বারা দই তৈরি করা হয়। টকদই এ রয়েছে ক্যালসিয়াম, ভিটামিন বি৬,বি১২,রিবোফ্লাভিন, পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম।টকদই এর এই উপাদাগুলো অন্ত্রকে সুস্থ রাখতে এবং হজমে সহায়তা করে এবং হাড় ভালো রাখে। টকদইয়ে গ্যাসের সমস্যা,ডায়রিয়া,কোষ্টকাঠিন্য এবং ওজন কমাতে সহায়তা করে।টকদই রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতেও সাহায্য করে।এছাড়াও মষ্কিষ্কের কার্যক্রম বৃদ্ধিতে,টাইপ ২ ডায়াবেটিস প্রতিরোধে, good cholesterol HDL বাড়াতে এবং ব্লাড প্রেসার কমাতেও সহায়তা করে এই প্রোবায়োটিক । ◼️ আচার আচার বেশ প্রচলিত খাবার। আচার বলতে লবন ও পানিতে ভেজানো শসা যা হজমে সহায়তা করে থাকে এবং ভিটামিন কে সমৃদ্ধ। ◼️ পনির পনিরে প্রোবায়োটিক ছাড়াও ভিটামিন এ,বি১৩, ফসফোরাস, ক্যালসিয়াম, রিবোফ্লাভিন পাওয়া যায়। ◼️ ঘোল ঘোল ও প্রোবায়োটিকের একটি ভালো উৎস। ◼️ সয়াদুধ ও ডার্ক চকলেট প্রোবায়োটিক এর পাশাপাশি সয়াদুধে ল্যাকটোজ আর ডার্ক চকলেটে এন্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে। . . . . . . . . . . . . .
source-lifespring limited

Comments

Popular posts from this blog

মুমিনের জন্য মৃত্যু হলো উপহার

  প্রায়ই সকালে খবরে দেখি, দুর্ঘটনায় মানুষের মৃত্যু হয়েছে। কখনো মধ্যবয়স্ক কেউ, কখনো আবার শিশু। প্রত্যেকটি মৃত্যু সংবাদই আমাকে মনে করিয়ে দেয়, কার মৃত্যু কখন হবে সে সম্পর্কে আমরা কেউই জানি না, কিন্তু এটা আমাদের সাথেই থাকে সব সময়। আমার প্রিয় মানুষগুলোর সাথে একদিন আর দেখা হবেনা, এটাই সত্য আল্লাহ বলেন: “প্রত্যেক প্রাণীকেই মৃত্যুর স্বাদ নিতে হবে” (সূরা আল-ইমরান: ১৮৫) এই কঠিন সত্য আমরা জানি ঠিকই। কিন্তু দুনিয়ার সুখ-দুঃখের ভেতরে আমরা এতটাই বিভোর হয়ে থাকি যে মৃত্যু নিয়ে খুব কমই ভাবি। আমরা প্রায়ই মানুষের মৃত্যুকে দুর্ঘটনা বলে মনে করি। কিন্তু আদৌ কি তা সত্য? মৃত্যু কি সত্যিই কোনো দুর্ঘটনা? রাসুল (ﷺ) বলেছেন: “মুমিনের জন্য মৃত্যু হলো উপহার” (ইবনে মাজাহ, হাদিস ৪২৬১) রাসুল (ﷺ) কেন মৃত্যুকে উপহার বললেন, এই প্রশ্নটি গুরুত্বপূর্ণ। এখানে লক্ষ্য করার বিষয় হলো, তিনি বিশেষভাবে মুমিনদের কথা বলেছেন। সেই সব মানুষদের, যারা দুনিয়ার চেয়ে আল্লাহ তায়ালাকে বহু গুণ বেশি ভালোবাসে। মৃত্যুর মাধ্যমেই আমরা দুনিয়ার মায়া ত্যাগ করে প্রবেশ করি আরেক জীবনে। সেই জীবনের শুরু আছে, কিন্তু শেষ নেই। আর যদি আমরা মুমিন হই, ...

Narcissist স্বামী স্ত্রী

  Narcissist স্বামী স্ত্রীর সাফল্যে ঈর্ষান্বিত থাকেন : Narcissist স্বামী প্রায়ই স্ত্রীর সাফল্যে প্রচণ্ড ঈর্ষান্বিত থাকেন। ধরুন, স্ত্রী আর্থিকভাবে বা সামাজিকভাবে স্বামীর চেয়ে বেশি capable, কিংবা তার চেয়ে উচ্চপদে কাজ করছেন। এমন ক্ষেত্রে, যদিও তিনি স্ত্রীর আয় ভোগ করেন, তবুও এ বিষয়ে তিনি খুশি নন; বরং এটি তাকে ইনসিকিওর ফিল করায়। স্ত্রীর সামাজিক পরিসর (social circle) যদি বড় হয় বা তার বেশি বন্ধু-বান্ধব থাকে, সেখানেও তিনি নিজেকে ইনসিকিওর মনে করেন। সবচেয়ে বেশি ইনসিকিওর অনুভব করেন যখন স্ত্রীর rank বা পদমর্যাদা তার চেয়ে উচ্চ হয়। ধরুন, স্বামী একটি প্রতিষ্ঠানে একটি পদে কাজ করছেন, কিন্তু স্ত্রী হয়তো আরও উচ্চ পদে রয়েছেন। তখন Narcissist স্বামী খুবই ইনসিকিওর ফিল করেন। ক্লিনিক্যাল প্র্যাকটিসে ফাইন্যান্স, সামাজিক পরিসর, এবং পদমর্যাদার ক্ষেত্রে আমরা প্রায়ই দেখি যে স্ত্রীর rank স্বামীর চেয়ে উচ্চ হলে Narcissist স্বামী প্রচণ্ড ইনসিকিওর ফিল করেন। যেমন, স্ত্রী যদি কোনো প্রতিষ্ঠানে ম্যানেজার হন, তিনি বলবেন, “তুমি ম্যানেজার, কিন্তু বাসায় কিছুই ম্যানেজ করতে পারো না; তুমি মানুষকে ক...

জীবনকে অপ্রয়োজনে কষ্টকর করি

  অনেকেই জীবনে খুব বড় হতে চান । বড় কাজ করতে চান, বড় বিজনেস করতে চান, দেশ পরিবর্তন করতে চায়। খুব ভাল এই চাওয়া গুলো। মন বড় রাখাই উচিত । কিন্তু এর পাশা পাশি আমরা যেটা ভুলে যাই যে, অনেক ছোট ছোট কাজেও কিন্তু সাফল্য এবং জীবনের সার্থকতা লুকিয়ে থাকে। আপনি প্রতিদিন নামাজ পড়ছেন ৫ বার । এটাও বড় সাফল্য । আপনি সত্য কথা বলার চেষ্টা করেন, এটাও সাফল্য । আপনি করো ক্ষতি করেন না। পরিবারের বিপদে আপদে পাশে থাকেন। রোজ একজন মানুষ কে খাওয়ান। আপনি ৯ টার অফিসে ৯ টায় হাজির হন, কাজে ফাঁকি দেন না। এসব কিছুই বিশাল সাফল্য । আমরা কেন জানি এসব ছোট ছোট কাজ কে সাফল্য মনে করি না। আমরা শুধু জীবনে ফাটায় ফেলতে চাই। এবং তা করতে যেয়ে জীবনকে অপ্রয়োজনে কষ্টকর করি। সবাইকে দিয়ে সব কাজ হয় না। আমি আপনি চাইলেই ইলন মাস্ক হতে পারবোনা । কিন্তু একজন ভালো মানুষ আমরা সবাই হতে পারব যাকে সমাজের কাজে লাগে। সমাজে ১০% মানুষ বড় কাজ করবে। আল্লাহ তাদের মেধা দিয়েছেন, ভালো পরিবার দিয়েছেন, সাহস দিয়েছেন - তারা জন্ম থেকেই কিছুটা আলাদা। কিন্তু বড় কাজ করতে পারছেন না মানে আপনি জীবনে সফল নয় - এটা ভাবা ঠিক নয়।...