Skip to main content

সাদাকায়ে জা'রিয়াহ!


 ধরুন আপনার কাছে ১০০ টাকা আছে। হাতে কিছু সময়ও আছে। একদিন বিকেলে এই টাকা দিয়ে ২০ টা সিঙ্গাড়া কিনে এলাকার এক ছোট ছেলেকে বললেন, শোনো, আজকে আসরের নামাজের পর ছোট্র ছোট্র বাচ্চাকাচ্চা সবাই মসজিদে এসো! একটা করে সিংগাড়া খাওয়ার দাও'য়াত, হুঁ!

. দেখবেন, হৈ হৈ করে একঝাঁক পোলাপাইন মসজিদে এসে রেডি। এইসব পিচ্চিরা কিচিরমিচির করছে মসজিদের বারান্দায় আপনাকে ঘিরে। এখন আপনার প্রজেক্ট শুরু করবেন। সেটা কি? 🕳️এই বাচ্চারা, কে কে অজু করতে পারো? - আমি, আমি, আমি, আমি.... (অনেকে এম্নেই হাত তুলবে! সেও পারে!!) 🕳️কে কে নামাজ পড়তে পারো? - আমি, আমি, আমি, আমি.... (অনেকে এম্নেই হাত তুলবে) 🗨️বাব্বাহ! মাশায়াল্লাহ! সবাই পারো তো। খুউব ভাল। আচ্ছা সোনাপাখিরা চলোতো একটু দেখি, কেমন করে তোমরা অজু করো? সবাই একটা করে সিট নিয়ে ওজু খানায় বসে পরো!! তাড়াতাড়ি সিংগাড়া কিন্তু ঠান্ডা হয়ে যাচ্ছে... জলদি... আমরা ওজু করা শিখে নেই...কেমন! এই যে এইভাবে এইভাবে। বিসমিল্লাহ বলো... হ্যাঁ মুখ ধুয়েছো... তারপরে হাত..উঁহু কনুই সহ... এইভাবে....এইভাবে...সুন্দর...মনে থাকবে এভাবে ওজু করতে হয়! আমাদের ওজু শিখা শে...ষ!! . চলো এবার সিংগাড়া খাই সবাই! সিংগাড়া তাদের লোভ নয়, সময় দেয়ার গিফট! সাথে এক টাকার চকলেট! মুখগুলি চকচকে খুশিতে!মোটামুটি ১৫/২০ মিনিটের প্রজেক্টের মাধ্যমে ১৩-১৪ বা কিছু কম বেশী বাচ্চাদের উপর একটা স্থায়ী ইনভেস্টমেন্ট হয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ! . যার লাভ আপনি দুনিয়ায় পাবেন তো পাবেনই( উমুক ভাইয়া/আংকেল আমাকে ওজু শিখিয়েছে); মরার পর আপনার নামাজ রোজার সওয়াব যখন বন্ধ- তখন কবরে থেকে দেখবেন যে, 'প্রতিদিন ৫ বার করে সওয়াব আপনার আমল বক্সে ঢুকছে।' সুবহানাল্লাহ! আপনি ওযু শুদ্ধ করেছিলেন তাদের! . এটিই হচ্ছে সাদাকায়ে জা'রিয়াহ!🧡চমৎকার না? তাই, সুযোগ পেলেই একবার হলেও এরকম প্রজেক্ট চালাতে পারেন, ইনশাআল্লাহ। ওয়ামা তাউফীকি ইল্লা বিল্লাহ। ---------------------------------------
COLLECTED

Comments

Popular posts from this blog

মুমিনের জন্য মৃত্যু হলো উপহার

  প্রায়ই সকালে খবরে দেখি, দুর্ঘটনায় মানুষের মৃত্যু হয়েছে। কখনো মধ্যবয়স্ক কেউ, কখনো আবার শিশু। প্রত্যেকটি মৃত্যু সংবাদই আমাকে মনে করিয়ে দেয়, কার মৃত্যু কখন হবে সে সম্পর্কে আমরা কেউই জানি না, কিন্তু এটা আমাদের সাথেই থাকে সব সময়। আমার প্রিয় মানুষগুলোর সাথে একদিন আর দেখা হবেনা, এটাই সত্য আল্লাহ বলেন: “প্রত্যেক প্রাণীকেই মৃত্যুর স্বাদ নিতে হবে” (সূরা আল-ইমরান: ১৮৫) এই কঠিন সত্য আমরা জানি ঠিকই। কিন্তু দুনিয়ার সুখ-দুঃখের ভেতরে আমরা এতটাই বিভোর হয়ে থাকি যে মৃত্যু নিয়ে খুব কমই ভাবি। আমরা প্রায়ই মানুষের মৃত্যুকে দুর্ঘটনা বলে মনে করি। কিন্তু আদৌ কি তা সত্য? মৃত্যু কি সত্যিই কোনো দুর্ঘটনা? রাসুল (ﷺ) বলেছেন: “মুমিনের জন্য মৃত্যু হলো উপহার” (ইবনে মাজাহ, হাদিস ৪২৬১) রাসুল (ﷺ) কেন মৃত্যুকে উপহার বললেন, এই প্রশ্নটি গুরুত্বপূর্ণ। এখানে লক্ষ্য করার বিষয় হলো, তিনি বিশেষভাবে মুমিনদের কথা বলেছেন। সেই সব মানুষদের, যারা দুনিয়ার চেয়ে আল্লাহ তায়ালাকে বহু গুণ বেশি ভালোবাসে। মৃত্যুর মাধ্যমেই আমরা দুনিয়ার মায়া ত্যাগ করে প্রবেশ করি আরেক জীবনে। সেই জীবনের শুরু আছে, কিন্তু শেষ নেই। আর যদি আমরা মুমিন হই, ...

Narcissist স্বামী স্ত্রী

  Narcissist স্বামী স্ত্রীর সাফল্যে ঈর্ষান্বিত থাকেন : Narcissist স্বামী প্রায়ই স্ত্রীর সাফল্যে প্রচণ্ড ঈর্ষান্বিত থাকেন। ধরুন, স্ত্রী আর্থিকভাবে বা সামাজিকভাবে স্বামীর চেয়ে বেশি capable, কিংবা তার চেয়ে উচ্চপদে কাজ করছেন। এমন ক্ষেত্রে, যদিও তিনি স্ত্রীর আয় ভোগ করেন, তবুও এ বিষয়ে তিনি খুশি নন; বরং এটি তাকে ইনসিকিওর ফিল করায়। স্ত্রীর সামাজিক পরিসর (social circle) যদি বড় হয় বা তার বেশি বন্ধু-বান্ধব থাকে, সেখানেও তিনি নিজেকে ইনসিকিওর মনে করেন। সবচেয়ে বেশি ইনসিকিওর অনুভব করেন যখন স্ত্রীর rank বা পদমর্যাদা তার চেয়ে উচ্চ হয়। ধরুন, স্বামী একটি প্রতিষ্ঠানে একটি পদে কাজ করছেন, কিন্তু স্ত্রী হয়তো আরও উচ্চ পদে রয়েছেন। তখন Narcissist স্বামী খুবই ইনসিকিওর ফিল করেন। ক্লিনিক্যাল প্র্যাকটিসে ফাইন্যান্স, সামাজিক পরিসর, এবং পদমর্যাদার ক্ষেত্রে আমরা প্রায়ই দেখি যে স্ত্রীর rank স্বামীর চেয়ে উচ্চ হলে Narcissist স্বামী প্রচণ্ড ইনসিকিওর ফিল করেন। যেমন, স্ত্রী যদি কোনো প্রতিষ্ঠানে ম্যানেজার হন, তিনি বলবেন, “তুমি ম্যানেজার, কিন্তু বাসায় কিছুই ম্যানেজ করতে পারো না; তুমি মানুষকে ক...

জীবনকে অপ্রয়োজনে কষ্টকর করি

  অনেকেই জীবনে খুব বড় হতে চান । বড় কাজ করতে চান, বড় বিজনেস করতে চান, দেশ পরিবর্তন করতে চায়। খুব ভাল এই চাওয়া গুলো। মন বড় রাখাই উচিত । কিন্তু এর পাশা পাশি আমরা যেটা ভুলে যাই যে, অনেক ছোট ছোট কাজেও কিন্তু সাফল্য এবং জীবনের সার্থকতা লুকিয়ে থাকে। আপনি প্রতিদিন নামাজ পড়ছেন ৫ বার । এটাও বড় সাফল্য । আপনি সত্য কথা বলার চেষ্টা করেন, এটাও সাফল্য । আপনি করো ক্ষতি করেন না। পরিবারের বিপদে আপদে পাশে থাকেন। রোজ একজন মানুষ কে খাওয়ান। আপনি ৯ টার অফিসে ৯ টায় হাজির হন, কাজে ফাঁকি দেন না। এসব কিছুই বিশাল সাফল্য । আমরা কেন জানি এসব ছোট ছোট কাজ কে সাফল্য মনে করি না। আমরা শুধু জীবনে ফাটায় ফেলতে চাই। এবং তা করতে যেয়ে জীবনকে অপ্রয়োজনে কষ্টকর করি। সবাইকে দিয়ে সব কাজ হয় না। আমি আপনি চাইলেই ইলন মাস্ক হতে পারবোনা । কিন্তু একজন ভালো মানুষ আমরা সবাই হতে পারব যাকে সমাজের কাজে লাগে। সমাজে ১০% মানুষ বড় কাজ করবে। আল্লাহ তাদের মেধা দিয়েছেন, ভালো পরিবার দিয়েছেন, সাহস দিয়েছেন - তারা জন্ম থেকেই কিছুটা আলাদা। কিন্তু বড় কাজ করতে পারছেন না মানে আপনি জীবনে সফল নয় - এটা ভাবা ঠিক নয়।...