সিরিয়ার হাসাকা প্রদেশের কাসরাক ঘাঁটি থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তাদের বাহিনী প্রত্যাহার শুরু করেছে।
আর এই প্রত্যাহার করা বাহিনীকে ইরাকে মোতায়েন করছে। একই সাথে ইজরাইলে এসেছে রি ফুয়েলিং বিমান যা আকাশ থেকে আকাশে তেল ভর্তি করে দিবে। নতুন আরো একটি বিমান বাহী রণতরী যাচ্ছে। ভারত সব নাগরিককে দেশ ত্যাগ করতে বলেছে। ইরান সেনাবাহিনীকে বলছে যেই কোন মুহূর্তের জন্য প্রস্তুত থেকে জবাব দিতে কঠিন ভাবে। একটি বিষয় নিশ্চিত. ইরান যদি চুক্তি করেও তার সামনে শান্তি নাই। একদিন না একদিন এই যুদ্ধ করতেই হবে। যদি না সে প্রকাশ্য গোলামে পরিণত হয়। শান্তি বিষয়টা সবার কপালে নাই যদি না আপনি গোলাম হন।"শরণার্থী ঠেকাতে প্রস্তুত তুর্কি বাহিনী!"
জি ঠিকই পড়েছেন। মার্কিন নেতৃত্বাধীন ইরান হামলার আশঙ্কায় তুরস্ক ব্যাপক প্রস্তুতি নিচ্ছে, আমেরিকার বিরুদ্ধে না। বরং জীবন রক্ষা করতে চাওয়া নিরীহ ইরানি নাগরিকদের বিরুদ্ধে।
পাশাপাশি ন্যাটোর বন্ধু হিসেবে তার আকাশ নজরদারির প্রধান মনোযোগ রাশিয়া থেকে সরে এখন ইরানের দিকে গেছে।
মুসলিমদের অবস্থা দেখলে হাসি পায় আবার কান্নাও আসে। গাজর ক্ষেত্রে মিশর এমন আচরণ করেছে যেন উত্তপ্ত কড়াই থেকে কিছু নিরীহ মানুষ বেঁচে ফেরত আসতে ছুটছে আর আর শিক দিয়ে তাদের চেপে চেপে গরম তেলে ঠেলে দিচ্ছে।
মিশরের বিশাল সেনা বাহিনী শত্রুর একটা চুলও ছিঁড়ে নাই বরং সমস্ত শক্তি দুর্বলের বিরুদ্ধে প্রয়োগ করেছে।
ইরানের ক্ষেত্রে একই অবস্থা তুরষ্ক নিতে যাচ্ছে। সিরিয়া তুরষ্ক সবাই লাল গালিচা বিছিয়ে দিয়েছে যেন আরাম করে হয়না একটি তরুণীকে ছিড়ে খায়।
আর কেউ বের হয়ে আসতে চাইলে নিজেরাই ঠেলে খাঁচায় পুরে দিবে।
আফসোস।
মোহাইমিন পাটোয়ারী
Comments
Post a Comment