আয়তুল কুরসি থেকে লাইফ লেসন
💢১. মেন্টাল লোড কমিয়ে ফেলুন (টেনশন ট্রান্সফার) আল্লাহ হলেন ‘আল-কাইয়ুম’—তিনি সব ম্যানেজ করছেন। যখনই কাজের চাপে মাথা খারাপ অবস্থা হবে, নিজেকে মনে করিয়ে দিন—পৃথিবীটা আপনি চালাচ্ছেন না। যিনি চালাচ্ছেন, তিনি সদা জেগে আছেন। নিজের সাধ্যমতো চেষ্টা করে ফলাফলের চিন্তাটা ‘ডিলিট’ করে দিন। মনটা হালকা লাগবে। 💢২. মালিকানা বোধ ছাড়ুন (ডিটাচমেন্ট) ‘আসমান ও জমিনে যা কিছু আছে সব তাঁর’ আপনার পকেটের ফোনটা, গায়ের জামাটা—আসলে আপনার না। আপনাকে কিছুদিনের জন্য ব্যবহার করতে দেওয়া হয়েছে। লিজ নেওয়া জিনিসের মতো। এটা ভাবলে দেখবেন, কোনো কিছু হারালে বা নষ্ট হলে আর বুক ফেটে কান্না আসছে না। 💢৩. নিজের সমস্যাকে ছোট করে দেখুন (পারসপেক্টিভ) যিনি বিশাল আসমান-জমিন সামলাতে গিয়ে ক্লান্ত হন না, আপনার ছোটখাটো সমস্যা তাঁর কাছে কিছুই না। যখনই মনে হবে আপনি শেষ, তখন আকাশের দিকে তাকান। ভাবুন, এই বিশাল গ্যালাক্সি যিনি সামলাচ্ছেন, আপনার ভাড়ার টাকা বা অফিসের ঝামেলার সমাধান করা তাঁর জন্য এক সেকেন্ডের ব্যাপার। শুধু ভরসাটা রাখুন। ওয়ালা ইয়াউদুহু হিফজুহুমা। ওয়া হুয়াল-আলিউল-আজিম (মাসুদ শরীফ ভাইয়ের ওয়াল থেকে)
প্রায়ই সকালে খবরে দেখি, দুর্ঘটনায় মানুষের মৃত্যু হয়েছে। কখনো মধ্যবয়স্ক কেউ, কখনো আবার শিশু। প্রত্যেকটি মৃত্যু সংবাদই আমাকে মনে করিয়ে দেয়, কার মৃত্যু কখন হবে সে সম্পর্কে আমরা কেউই জানি না, কিন্তু এটা আমাদের সাথেই থাকে সব সময়। আমার প্রিয় মানুষগুলোর সাথে একদিন আর দেখা হবেনা, এটাই সত্য আল্লাহ বলেন: “প্রত্যেক প্রাণীকেই মৃত্যুর স্বাদ নিতে হবে” (সূরা আল-ইমরান: ১৮৫) এই কঠিন সত্য আমরা জানি ঠিকই। কিন্তু দুনিয়ার সুখ-দুঃখের ভেতরে আমরা এতটাই বিভোর হয়ে থাকি যে মৃত্যু নিয়ে খুব কমই ভাবি। আমরা প্রায়ই মানুষের মৃত্যুকে দুর্ঘটনা বলে মনে করি। কিন্তু আদৌ কি তা সত্য? মৃত্যু কি সত্যিই কোনো দুর্ঘটনা? রাসুল (ﷺ) বলেছেন: “মুমিনের জন্য মৃত্যু হলো উপহার” (ইবনে মাজাহ, হাদিস ৪২৬১) রাসুল (ﷺ) কেন মৃত্যুকে উপহার বললেন, এই প্রশ্নটি গুরুত্বপূর্ণ। এখানে লক্ষ্য করার বিষয় হলো, তিনি বিশেষভাবে মুমিনদের কথা বলেছেন। সেই সব মানুষদের, যারা দুনিয়ার চেয়ে আল্লাহ তায়ালাকে বহু গুণ বেশি ভালোবাসে। মৃত্যুর মাধ্যমেই আমরা দুনিয়ার মায়া ত্যাগ করে প্রবেশ করি আরেক জীবনে। সেই জীবনের শুরু আছে, কিন্তু শেষ নেই। আর যদি আমরা মুমিন হই, ...
Comments
Post a Comment