আপনি জানেন কি—প্রথম আলো বা দ্য ডেইলি স্টারের একটি প্রিন্ট কপি আপনি যখন কিনছেন, তখন সেই নির্দিষ্ট কপিটিতে পত্রিকাটি আসলে লাভ করে না, বরং লোকসান গুনে। নিউজপেপার ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন (২০২৩–২০২৪) এর তথ্য অনুযায়ী— একটি প্রিন্ট পত্রিকা বিক্রি হলেই গড়ে ১২–১৫ টাকা লোকসান হয়। ▪️ একটি কপি ছাপাতে খরচ প্রায় ২২–২৫ টাকা ▪️ বিক্রি হয় ১২–১৫ টাকায় ▪️ হকার ও পরিবেশকের অংশ বাদ দিলে ▪️ পত্রিকার হাতে আসে মাত্র ৮–১০ টাকা অর্থাৎ প্রতিটি কপিতে গড়ে ১২–১৫ টাকা ঘাটতি। তবুও বাস্তবতা হলো— ▪️ প্রথম আলো প্রতিদিন ছাপে প্রায় ৫ লক্ষ কপি ▪️ ডেইলি স্টার ছাপে প্রায় ৪৫ হাজার কপি অর্থাৎ প্রতিদিনই বিপুল অঙ্কের আর্থিক ঘাটতি নিয়ে এই পত্রিকাগুলো ছাপা হচ্ছে। স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন আসে— এই ধারাবাহিক লোকসান কীভাবে সামাল দেওয়া হয়? আরও প্রশ্ন জাগে যখন দেখা যায়— সুউচ্চ ভবন, কর্পোরেট কাঠামো, ব্যয়বহুল জীবনধারা এবং প্রভাবশালী উপস্থিতি। পত্রিকাগুলো বলে, তারা মূলত বিজ্ঞাপন আয়ের ওপর নির্ভরশীল। এটি অযৌক্তিক নয়। কিন্তু একই সঙ্গে এটাও সত্য— 🔹 তারা প্রাইভেট কোম্পানি 🔹 ফলে প্রকৃত আর্থিক কাঠামো সাধারণ পাঠকের অজানাই থেকে যায় তাহলে অর্থের উৎস কোথায়? বিজ্ঞাপনই কি একমাত্র ভরসা? নাকি এর বাইরে আরও কোনো অদৃশ্য সহায়তা রয়েছে? এখানে অভিযোগ নয়, কৌতূহলই মূল বিষয়। কারণ সংবাদমাধ্যম শুধু একটি ব্যবসা নয়— এরা সমাজের আয়না, প্রশ্ন তোলার সাহস জোগায়, জবাবদিহির সংস্কৃতি শেখায়। তাই পাঠক হিসেবে হয়তো এতটুকু জানার আগ্রহ রাখা অযৌক্তিক নয়— 📌 এই মডেল কতটা টেকসই? 📌 আর্থিক নির্ভরতা কি কখনো সম্পাদকীয় স্বাধীনতাকে প্রভাবিত করে? স্বচ্ছতা যে মূল্যবোধ মিডিয়া অন্যদের জন্য দাবি করে, সেটি নিজের ক্ষেত্রেও প্রাসঙ্গিক কি না— এই প্রশ্নটা শান্তভাবেই ভাবা যেতে পারে। প্রশ্ন তোলা অপরাধ নয়
আপনি জানেন কি—প্রথম আলো বা দ্য ডেইলি স্টারের একটি প্রিন্ট কপি আপনি যখন কিনছেন, তখন সেই নির্দিষ্ট কপিটিতে পত্রিকাটি আসলে লাভ করে না, বরং লোকসান গুনে। নিউজপেপার ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন (২০২৩–২০২৪) এর তথ্য অনুযায়ী— একটি প্রিন্ট পত্রিকা বিক্রি হলেই গড়ে ১২–১৫ টাকা লোকসান হয়। ▪️ একটি কপি ছাপাতে খরচ প্রায় ২২–২৫ টাকা ▪️ বিক্রি হয় ১২–১৫ টাকায় ▪️ হকার ও পরিবেশকের অংশ বাদ দিলে ▪️ পত্রিকার হাতে আসে মাত্র ৮–১০ টাকা অর্থাৎ প্রতিটি কপিতে গড়ে ১২–১৫ টাকা ঘাটতি। তবুও বাস্তবতা হলো— ▪️ প্রথম আলো প্রতিদিন ছাপে প্রায় ৫ লক্ষ কপি ▪️ ডেইলি স্টার ছাপে প্রায় ৪৫ হাজার কপি অর্থাৎ প্রতিদিনই বিপুল অঙ্কের আর্থিক ঘাটতি নিয়ে এই পত্রিকাগুলো ছাপা হচ্ছে। স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন আসে— এই ধারাবাহিক লোকসান কীভাবে সামাল দেওয়া হয়? আরও প্রশ্ন জাগে যখন দেখা যায়— সুউচ্চ ভবন, কর্পোরেট কাঠামো, ব্যয়বহুল জীবনধারা এবং প্রভাবশালী উপস্থিতি। পত্রিকাগুলো বলে, তারা মূলত বিজ্ঞাপন আয়ের ওপর নির্ভরশীল। এটি অযৌক্তিক নয়। কিন্তু একই সঙ্গে এটাও সত্য— 🔹 তারা প্রাইভেট কোম্পানি 🔹 ফলে প্রকৃত আর্থিক কাঠামো সাধারণ পাঠকের অজানাই থেকে যায় তাহলে অর্থের উৎস কোথায়? বিজ্ঞাপনই কি একমাত্র ভরসা? নাকি এর বাইরে আরও কোনো অদৃশ্য সহায়তা রয়েছে? এখানে অভিযোগ নয়, কৌতূহলই মূল বিষয়। কারণ সংবাদমাধ্যম শুধু একটি ব্যবসা নয়— এরা সমাজের আয়না, প্রশ্ন তোলার সাহস জোগায়, জবাবদিহির সংস্কৃতি শেখায়। তাই পাঠক হিসেবে হয়তো এতটুকু জানার আগ্রহ রাখা অযৌক্তিক নয়— 📌 এই মডেল কতটা টেকসই? 📌 আর্থিক নির্ভরতা কি কখনো সম্পাদকীয় স্বাধীনতাকে প্রভাবিত করে? স্বচ্ছতা যে মূল্যবোধ মিডিয়া অন্যদের জন্য দাবি করে, সেটি নিজের ক্ষেত্রেও প্রাসঙ্গিক কি না— এই প্রশ্নটা শান্তভাবেই ভাবা যেতে পারে। প্রশ্ন তোলা অপরাধ নয়

Comments
Post a Comment