মানুষ অনেক সময় মনে করেন শুধু আমেরিকাতে সুবিচার আছে। সব অবিচার বাংলাদেশে। কিন্তু সত্যটা হলো, আমেরিকাতে সব সময় সুবিচার হয় না। একজন ইমাম কোনো অপরাধে দোষী সাব্যস্ত নন। কোনো রায় হয়নি। কোনো সাজা হয়নি। তবুও তাকে ২১৫ দিন আটকে রাখা হলো ইমিগ্রেশন ডিটেনশনে শুধু কোর্ট হিয়ারিংয়ের অপেক্ষায়। কিন্তু সেই হিয়ারিং আর হলো না। তিনি মারা গেলেন কোর্টে পৌঁছানোর আগেই। তার নাম Sheikh Fouad Saeed Abdulkadir বুকে তীব্র ব্যথার অভিযোগ জানানোর পর ‘মেডিক্যাল ইমার্জেন্সি’-তে নেওয়া হয়, কিন্তু জীবিত ফিরতে পারেননি। এই মৃত্যু কোনো “দুর্ঘটনা” নয় এটা একটি সিস্টেমিক ব্যর্থতা। একটা তুলনা করি- এই ঘটনাটা যদি বাংলাদেশে ঘটত, যদি কোনো বাংলাদেশি ইমাম এভাবে বিচার ছাড়াই, রায় ছাড়াই মারা যেতেন কিছু মানুষ হয়তো রাস্তায় নামত কিছু প্রতিবাদ হতো কিছু মিডিয়া প্রশ্ন তুলত কিছু মানুষ রাষ্ট্রকে জবাবদিহির জন্য আঙ্গুল তুলতো কিন্তু আমেরিকাতে? একজন মানুষ নীরবে মারা গেল, এরকম হুটহাট ঘটনা প্রতিনিয়তই হচ্ছে যদি চোখ কান খোলা থাকে, জানবেন কোনো জুরি ট্রায়াল ছাড়াই কোনো রায়ের আগেই, চলে যায় প্রাণ আপনি কী বলবেন? আপনার কী করার আছে? এখন আরও কিছু প্রশ্ন- ইরাক যুদ্ধের পর আফগানিস্তান যুদ্ধের পর সাধারণ ইরাকি বা আফগান মানুষ কি প্রকৃত সুবিচার পেয়েছে? লাখ লাখ নিরীহ মানুষের মৃত্যু, ঘরছাড়া হওয়া, আজীবন ট্রমার জন্য কেউ কি সত্যিকারের জবাবদিহির মুখোমুখি হয়েছে? নাকি সবকিছু শেষ হয়ে গেছে একটা শব্দে— “Collateral damage”? আরেকটা প্রশ্নঃ আমেরিকাতে পুলিশি সহিংসতা কি সত্যিই বন্ধ হয়েছে? কালো মানুষ, লাতিনো, অভিবাসীদের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ কি শেষ? নাকি শুধু তখনই আমরা দেখি, যখন ক্যামেরা চালু থাকে? আর ক্যামেরা না থাকলে থাকে শুধু নীরবতা। আমেরিকাতে আইন আছে? হ্যাঁ আছে। কিন্তু আইন আর সুবিচার এক জিনিস নয়। বিশেষ করে যখন আপনি- মুসলিম অভিবাসী যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশের মানুষ অথবা ক্ষমতাহীন তখন সেই “সুবিচার” আপনাকে আসলে কতটা ছুঁয়ে দেখে? এই লেখা আমেরিকা-বিরোধী না। এই লেখা অন্ধ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে। এই লেখা আমেরিকা-বিরোধী নয়। এই লেখা সত্যের বিরুদ্ধে অন্ধ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে। অন্ধ বিশ্বাস বলে- “ওখানে সব ঠিক আছে” “ওরা সভ্য, তাই ন্যায়বিচার নিশ্চিত” একজন ইমাম মারা গেল একজন নিরীহ মানুষ কোনো রায়, কোনো বিচার ছাড়াই অন্যায়, অবিচার কখনো দেশ দেখে বিচার করা যায় না। এটা একটা সিস্টেম, যেটা ঠিকভাবে চালু থাকলে যেকোনো অবিচারকেই প্রশ্ন তোলা যায়। সবচেয়ে ভয়ংকর অন্যায় হলো, সব বুঝলাম, কিন্তু কোন সাড়া শব্দ দেখবেন না, কারন চোখে উন্নত দেশের কাপড় দেওয়া
মানুষ অনেক সময় মনে করেন শুধু আমেরিকাতে সুবিচার আছে। সব অবিচার বাংলাদেশে। কিন্তু সত্যটা হলো, আমেরিকাতে সব সময় সুবিচার হয় না। একজন ইমাম কোনো অপরাধে দোষী সাব্যস্ত নন। কোনো রায় হয়নি। কোনো সাজা হয়নি। তবুও তাকে ২১৫ দিন আটকে রাখা হলো ইমিগ্রেশন ডিটেনশনে শুধু কোর্ট হিয়ারিংয়ের অপেক্ষায়। কিন্তু সেই হিয়ারিং আর হলো না। তিনি মারা গেলেন কোর্টে পৌঁছানোর আগেই। তার নাম Sheikh Fouad Saeed Abdulkadir বুকে তীব্র ব্যথার অভিযোগ জানানোর পর ‘মেডিক্যাল ইমার্জেন্সি’-তে নেওয়া হয়, কিন্তু জীবিত ফিরতে পারেননি। এই মৃত্যু কোনো “দুর্ঘটনা” নয় এটা একটি সিস্টেমিক ব্যর্থতা। একটা তুলনা করি- এই ঘটনাটা যদি বাংলাদেশে ঘটত, যদি কোনো বাংলাদেশি ইমাম এভাবে বিচার ছাড়াই, রায় ছাড়াই মারা যেতেন কিছু মানুষ হয়তো রাস্তায় নামত কিছু প্রতিবাদ হতো কিছু মিডিয়া প্রশ্ন তুলত কিছু মানুষ রাষ্ট্রকে জবাবদিহির জন্য আঙ্গুল তুলতো কিন্তু আমেরিকাতে? একজন মানুষ নীরবে মারা গেল, এরকম হুটহাট ঘটনা প্রতিনিয়তই হচ্ছে যদি চোখ কান খোলা থাকে, জানবেন কোনো জুরি ট্রায়াল ছাড়াই কোনো রায়ের আগেই, চলে যায় প্রাণ আপনি কী বলবেন? আপনার কী করার আছে? এখন আরও কিছু প্রশ্ন- ইরাক যুদ্ধের পর আফগানিস্তান যুদ্ধের পর সাধারণ ইরাকি বা আফগান মানুষ কি প্রকৃত সুবিচার পেয়েছে? লাখ লাখ নিরীহ মানুষের মৃত্যু, ঘরছাড়া হওয়া, আজীবন ট্রমার জন্য কেউ কি সত্যিকারের জবাবদিহির মুখোমুখি হয়েছে? নাকি সবকিছু শেষ হয়ে গেছে একটা শব্দে— “Collateral damage”? আরেকটা প্রশ্নঃ আমেরিকাতে পুলিশি সহিংসতা কি সত্যিই বন্ধ হয়েছে? কালো মানুষ, লাতিনো, অভিবাসীদের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ কি শেষ? নাকি শুধু তখনই আমরা দেখি, যখন ক্যামেরা চালু থাকে? আর ক্যামেরা না থাকলে থাকে শুধু নীরবতা। আমেরিকাতে আইন আছে? হ্যাঁ আছে। কিন্তু আইন আর সুবিচার এক জিনিস নয়। বিশেষ করে যখন আপনি- মুসলিম অভিবাসী যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশের মানুষ অথবা ক্ষমতাহীন তখন সেই “সুবিচার” আপনাকে আসলে কতটা ছুঁয়ে দেখে? এই লেখা আমেরিকা-বিরোধী না। এই লেখা অন্ধ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে। এই লেখা আমেরিকা-বিরোধী নয়। এই লেখা সত্যের বিরুদ্ধে অন্ধ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে। অন্ধ বিশ্বাস বলে- “ওখানে সব ঠিক আছে” “ওরা সভ্য, তাই ন্যায়বিচার নিশ্চিত” একজন ইমাম মারা গেল একজন নিরীহ মানুষ কোনো রায়, কোনো বিচার ছাড়াই অন্যায়, অবিচার কখনো দেশ দেখে বিচার করা যায় না। এটা একটা সিস্টেম, যেটা ঠিকভাবে চালু থাকলে যেকোনো অবিচারকেই প্রশ্ন তোলা যায়। সবচেয়ে ভয়ংকর অন্যায় হলো, সব বুঝলাম, কিন্তু কোন সাড়া শব্দ দেখবেন না, কারন চোখে উন্নত দেশের কাপড় দেওয়া

Comments
Post a Comment