Skip to main content

শুধু কেয়ারগিভার ইন্ডাস্ট্রি নিয়ে

 


বাজারে প্রতিদিন দাম ওঠানামা করে, কিন্তু পাঙ্গাস মাছের দাম কেন তুলনামূলকভাবে স্থির থাকে? কারণ এখানে মিডিলম্যান নেই বা কম।

লাখ লাখ মুদি দোকান আমাদের অর্থনীতির শ্বাস-প্রশ্বাস, কিন্তু তাদের সবচেয়ে বড় সমস্যা একটাই: পণ্য আছে, দোকান আছে, ক্রেতা আছে, কিন্তু নির্ভরযোগ্য সাপ্লাই চেইন নেই। হাতে হাত বদল হতে হতে পণ্যের দাম বাড়ে, এবং সেই অতিরিক্ত খরচ গুনতে হয় ভোক্তাকে। আমাদের ১৮ কোটি জনসংখ্যা, কিন্তু ফিলিপাইনের ১০ কোটি মানুষ মিলেও আমাদের অর্ধেকের বেশি রেমিটেন্স আনে। কারণ আমরা এখনও দক্ষ জনশক্তি তৈরি করি না। অপ্রয়োজনীয় ডিগ্রির প্রতিযোগিতায় স্কিল বাড়ছেনা। ট্রেনড কেয়ারগিভার, কম্পিউটার মেকানিক, অটোমোবাইল মেকানিক এই ধরনের দক্ষ জনশক্তি গড়ে তুলতে হবে। শুধু কেয়ারগিভার ইন্ডাস্ট্রি নিয়েই কয়েক লাখ লোককে বিশ্বব্যাপী পাঠানো সম্ভব, যা এক বিলিয়ন ডলারের আইডিয়া! যদি উদ্যোক্তারা পণ্য ও ভোক্তার মাঝের মিডিলম্যান কমাতে পারে, ঠিক যেমন পাঙ্গাস মাছের দাম স্থির থাকে, তাহলে অনেক প্রোডাক্টের দামও সাশ্রয়ী রাখা সম্ভব। একই সাথে, Sequoia Capital-এর Surge, Accelerating Asia, Antler এর মতো এক্সিলারেটর প্রোগ্রামে স্টার্টআপগুলো আবেদন করে শুরুতেই ফান্ড পেতে পারে এবং গ্লোবাল ইনভেস্টরের সাথে কানেক্ট হতে পারে। RmG সেক্টরের পাশাপাশি আমাদের দেশীয় চিনি, তেল (সয়াবিন বা পাম), জুটের শিল্প কারখানাগুলো যদি পুরো শক্তি দিয়ে ব্যবহার করা যায়, তাহলে এই পণ্যগুলোর মাধ্যমে বিলিয়ন ডলারের রেমিট্যান্স আনা সম্ভব। শুধু তৈরি নয়, সাপ্লাই চেইন ঠিক রাখলে প্রবাসীদেড় জন্য সরাসরি দেশীয় মানসম্মত পণ্য পাঠানো সম্ভব, যা দেশের অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করবে। আমরা যদি এই পদক্ষেপগুলো নিতে পারি, হাত বদলের খেলা যদি কমাতে পারি, একটা সহজ অর্থনৈতিক ইকোসিস্টেম থেকে ১৫ বছরের মধ্যে বাংলাদেশ পুরোপুরি ঘুরে দাঁড়াতে পারে
y. amin

Comments

Popular posts from this blog

মুমিনের জন্য মৃত্যু হলো উপহার

  প্রায়ই সকালে খবরে দেখি, দুর্ঘটনায় মানুষের মৃত্যু হয়েছে। কখনো মধ্যবয়স্ক কেউ, কখনো আবার শিশু। প্রত্যেকটি মৃত্যু সংবাদই আমাকে মনে করিয়ে দেয়, কার মৃত্যু কখন হবে সে সম্পর্কে আমরা কেউই জানি না, কিন্তু এটা আমাদের সাথেই থাকে সব সময়। আমার প্রিয় মানুষগুলোর সাথে একদিন আর দেখা হবেনা, এটাই সত্য আল্লাহ বলেন: “প্রত্যেক প্রাণীকেই মৃত্যুর স্বাদ নিতে হবে” (সূরা আল-ইমরান: ১৮৫) এই কঠিন সত্য আমরা জানি ঠিকই। কিন্তু দুনিয়ার সুখ-দুঃখের ভেতরে আমরা এতটাই বিভোর হয়ে থাকি যে মৃত্যু নিয়ে খুব কমই ভাবি। আমরা প্রায়ই মানুষের মৃত্যুকে দুর্ঘটনা বলে মনে করি। কিন্তু আদৌ কি তা সত্য? মৃত্যু কি সত্যিই কোনো দুর্ঘটনা? রাসুল (ﷺ) বলেছেন: “মুমিনের জন্য মৃত্যু হলো উপহার” (ইবনে মাজাহ, হাদিস ৪২৬১) রাসুল (ﷺ) কেন মৃত্যুকে উপহার বললেন, এই প্রশ্নটি গুরুত্বপূর্ণ। এখানে লক্ষ্য করার বিষয় হলো, তিনি বিশেষভাবে মুমিনদের কথা বলেছেন। সেই সব মানুষদের, যারা দুনিয়ার চেয়ে আল্লাহ তায়ালাকে বহু গুণ বেশি ভালোবাসে। মৃত্যুর মাধ্যমেই আমরা দুনিয়ার মায়া ত্যাগ করে প্রবেশ করি আরেক জীবনে। সেই জীবনের শুরু আছে, কিন্তু শেষ নেই। আর যদি আমরা মুমিন হই, ...

Narcissist স্বামী স্ত্রী

  Narcissist স্বামী স্ত্রীর সাফল্যে ঈর্ষান্বিত থাকেন : Narcissist স্বামী প্রায়ই স্ত্রীর সাফল্যে প্রচণ্ড ঈর্ষান্বিত থাকেন। ধরুন, স্ত্রী আর্থিকভাবে বা সামাজিকভাবে স্বামীর চেয়ে বেশি capable, কিংবা তার চেয়ে উচ্চপদে কাজ করছেন। এমন ক্ষেত্রে, যদিও তিনি স্ত্রীর আয় ভোগ করেন, তবুও এ বিষয়ে তিনি খুশি নন; বরং এটি তাকে ইনসিকিওর ফিল করায়। স্ত্রীর সামাজিক পরিসর (social circle) যদি বড় হয় বা তার বেশি বন্ধু-বান্ধব থাকে, সেখানেও তিনি নিজেকে ইনসিকিওর মনে করেন। সবচেয়ে বেশি ইনসিকিওর অনুভব করেন যখন স্ত্রীর rank বা পদমর্যাদা তার চেয়ে উচ্চ হয়। ধরুন, স্বামী একটি প্রতিষ্ঠানে একটি পদে কাজ করছেন, কিন্তু স্ত্রী হয়তো আরও উচ্চ পদে রয়েছেন। তখন Narcissist স্বামী খুবই ইনসিকিওর ফিল করেন। ক্লিনিক্যাল প্র্যাকটিসে ফাইন্যান্স, সামাজিক পরিসর, এবং পদমর্যাদার ক্ষেত্রে আমরা প্রায়ই দেখি যে স্ত্রীর rank স্বামীর চেয়ে উচ্চ হলে Narcissist স্বামী প্রচণ্ড ইনসিকিওর ফিল করেন। যেমন, স্ত্রী যদি কোনো প্রতিষ্ঠানে ম্যানেজার হন, তিনি বলবেন, “তুমি ম্যানেজার, কিন্তু বাসায় কিছুই ম্যানেজ করতে পারো না; তুমি মানুষকে ক...

জীবনকে অপ্রয়োজনে কষ্টকর করি

  অনেকেই জীবনে খুব বড় হতে চান । বড় কাজ করতে চান, বড় বিজনেস করতে চান, দেশ পরিবর্তন করতে চায়। খুব ভাল এই চাওয়া গুলো। মন বড় রাখাই উচিত । কিন্তু এর পাশা পাশি আমরা যেটা ভুলে যাই যে, অনেক ছোট ছোট কাজেও কিন্তু সাফল্য এবং জীবনের সার্থকতা লুকিয়ে থাকে। আপনি প্রতিদিন নামাজ পড়ছেন ৫ বার । এটাও বড় সাফল্য । আপনি সত্য কথা বলার চেষ্টা করেন, এটাও সাফল্য । আপনি করো ক্ষতি করেন না। পরিবারের বিপদে আপদে পাশে থাকেন। রোজ একজন মানুষ কে খাওয়ান। আপনি ৯ টার অফিসে ৯ টায় হাজির হন, কাজে ফাঁকি দেন না। এসব কিছুই বিশাল সাফল্য । আমরা কেন জানি এসব ছোট ছোট কাজ কে সাফল্য মনে করি না। আমরা শুধু জীবনে ফাটায় ফেলতে চাই। এবং তা করতে যেয়ে জীবনকে অপ্রয়োজনে কষ্টকর করি। সবাইকে দিয়ে সব কাজ হয় না। আমি আপনি চাইলেই ইলন মাস্ক হতে পারবোনা । কিন্তু একজন ভালো মানুষ আমরা সবাই হতে পারব যাকে সমাজের কাজে লাগে। সমাজে ১০% মানুষ বড় কাজ করবে। আল্লাহ তাদের মেধা দিয়েছেন, ভালো পরিবার দিয়েছেন, সাহস দিয়েছেন - তারা জন্ম থেকেই কিছুটা আলাদা। কিন্তু বড় কাজ করতে পারছেন না মানে আপনি জীবনে সফল নয় - এটা ভাবা ঠিক নয়।...