রাতে ঘুম আসতে না চাইলে মোবাইল, টেলিভিশন স্ক্রিনে না তাকিয়ে কিছু একটা শুনুন। তাহলে ঘুম দ্রুত আসে। মোবাইল বা টিভির আলো Blue light মস্তিষ্কে ঘুম আসার হরমোন melatonin এর নিঃসরণ কমিয়ে দেয়, ফলে ঘুম আসতে দেরি হয়। কিন্তু অন্ধকার রুমে শুধু শোনা যেমন ধর্মীয় গ্রন্থ পাঠ, পডকাস্ট শোনা, রিল্যাক্সেশন সাউন্ড, বৃষ্টির শব্দ মস্তিষ্ককে শান্ত করে, এতে মেলাটনিন দ্রুত নিঃসরণ হয়। ফলে দ্রুত ঘুম আসে।
=========================================================
"আমি মনে করি, double income family আসলে কোনো সামাজিক নীতির ফল না, বরং capitalism বা পুঁজিবাদের ফল। এখনকার সময়ে একটা নির্দিষ্ট জীবনমান বজায় রাখতে হলে, পরিবারের দুইজনকেই কাজ করতে হয় নইলে সংসার টিকিয়ে রাখা কঠিন হয়ে যায়। আমি নিজেও আরও অনেক সন্তান নিতে চাইতাম যদি পেশাগত জীবনের চাপ আর মাতৃত্বকালীন যত্নের সুযোগ থাকত। আমাদের যুক্তরাষ্ট্রে আইনত মাত্র six weeks maternity leave দেওয়া হয়। তাই আমি মনে করি এটা নৈতিকতার প্রশ্ন না, বরং এটা পুরোপুরি political economy আর তার organization-এর প্রশ্ন।” Written by: Catherine Liu Professor at the University of California, Irvine.
---------------------------------------------------------------------------------------------------------
সত্যিকার অর্থে আমেরিকার প্রেসিডেন্টের মধ্যে আসলে এক রকম প্রতিযোগিতা চলে কে কার থেকে বেশি নৃশংস! বারাক ওবামা এক্স (Twitter)-এ লিখেছেন Today : "দুই বছরের অগণিত ক্ষতি ও কষ্টের পর, ইসরায়েলি পরিবার এবং গাজার মানুষের জন্য এখন আমাদের সবারই উৎসাহিত ও স্বস্তি অনুভব করা উচিত যে এই সংঘাতের অবসান সম্ভব হতে চলেছে। যারা এখনো জিম্মি অবস্থায় আছে তারা যেন দ্রুত তাদের পরিবারের সঙ্গে পুনরায় মিলিত হতে পারে, এবং জরুরি সাহায্য যেন গাজার ভেতরে পৌঁছাতে পারে, যেখানে মানুষের জীবন বিপর্যস্ত হয়ে গেছে। এর পাশাপাশি, এখন দায়িত্ব ইসরায়েলি ও ফিলিস্তিনিদের ওপর—যুক্তরাষ্ট্র এবং বিশ্বের সহযোগিতায়—গাজাকে পুনর্গঠনের কঠিন কাজ শুরু করার এবং এমন একটি প্রক্রিয়ায় এগিয়ে যাওয়ার, যা উভয় পক্ষের মানবতা ও মৌলিক অধিকারকে স্বীকৃতি দিয়ে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে পারে।" এর জবাবে জ্যাকারি ফোস্টার লিখেছেন: ১. ওবামার কথায় বোঝা যায়, ইসরায়েলিদের পরিবার আছে, কিন্তু ফিলিস্তিনিদের নেই। ২. ইসরায়েলিদের “ইসরায়েলি” বলা হয়েছে, কিন্তু ফিলিস্তিনিদের শুধু “মানুষ” বলা হয়েছে। ৩. ঘটনাটিকে তিনি “সংঘাত” বলেছেন, কিন্তু দখল, অবরোধ বা গণহত্যা বলেননি। ৪. গাজায় যে ইসরায়েলি সেনারা হত্যাযজ্ঞ চালাচ্ছে, তারা নাকি “জিম্মি”, যুদ্ধবন্দী নয়। ৫. ওবামা অপরাধী ও ভুক্তভোগী—উভয় পক্ষকেই একইভাবে দেখছেন

Comments
Post a Comment