যেই পরিবেশে থেকে আপনি কষ্ট পেয়েছেন সেই পরিবেশ এ থেকে আপনি ভালো ফিল করতে পারবেননা। শুধু মানসিকতা বদলালেই সব ঠিক হয় না, অনেক সময় বদলাতে হয় পরিবেশ, মানুষ, এমনকি নিজের চারপাশের অভ্যাসগুলোও। যে জায়গাগুলো, যে মানুষগুলো বারবার পুরোনো ক্ষতগুলোকে মনে করিয়ে দেয়, তারা কখনোই আপনার সুস্থতার জায়গা হতে পারে না। নিজের মানসিক অবস্থা পরিবর্তন এর জন্য পরিবেশ বদলানো অনেক ক্ষেত্রে জরুরি হয়ে যায়। পরিচিত জায়গা ছেড়ে আসা কঠিন। কিন্তু অনেক সময় ‘আরও ভালো হওয়া’ শুরু হয় সেখান থেকেই যখন আপনি সাহস করে পেছনের কোলাহল ছেড়ে সামনে এগিয়ে যান। সুস্থ থাকা মানে সব ভুলে যাওয়া নয়, মানুষ কখনো তার খারাপ স্মৃতি গুলু পুরোপুরি ভুলতে পারেনা কিন্তু তাকে এমন একটা পর্যায় যেতে হবে যেখান থেকে তিনি এই স্মৃতি গুলোর কথা মনে করে আর কষ্ট পাবেনা। পরিশেষে ভালো খারাপ নিয়েই জীবন, খারাপ স্মৃতি গুলোকে নিজের ভিতরে আক্ষেপ তৈরী করতে দেওয়া যাবেনা।
========================================================
বর্তমানে একটি মিথ প্রচলিত আছে—অনেকে মনে করেন, গরুর নেহারির তেলতেলে অংশটাই ক্যালসিয়াম এবং এটি খেলে শরীরে ক্যালসিয়াম বাড়ে। কিন্তু এ ধারণা একেবারেই ভুল।
নেহারি সাধারণত গরু বা ছাগলের পা দিয়ে তৈরি হয়, যেখানে হাড় থেকে বের হয় একটি হলুদাভ, নরম পদার্থ—যা আসলে অস্থিমজ্জা বা বোন ম্যারো। এটি মূলত চর্বিজাত উপাদানে ভরপুর, যেমন: কোলাজেন, গ্লুকোসামিন, কনড্রয়েটিন ও ওমেগা ফ্যাটি অ্যাসিডস। এগুলো শরীরের জন্য উপকারী হলেও এতে ক্যালসিয়াম প্রায় নেই বললেই চলে।
ক্যালসিয়াম হলো একটি খনিজ, যা থাকে হাড়ের শক্ত অংশে—গুঁড়া বা কঠিন আকারে। রান্নার সময় এতে অল্প কিছু ক্যালসিয়াম ঝোলে আসতে পারে, তবে তা এতই কম যে শরীরের চাহিদা পূরণে কোনো কাজ দেয় না।
তাই নেহারির হলুদ অংশকে ক্যালসিয়াম ভাবা যেমন ভুল, তেমনি এটি খেয়ে ক্যালসিয়াম বাড়ে মনে করাও বিভ্রান্তিকর। ক্যালসিয়াম পেতে নেহারি নয় দুধ, দই, পনির, সাদা মাছ ও অন্যান্য ক্যালসিয়ামসমৃদ্ধ খাবার খান।

Comments
Post a Comment