জানেন কি? ভুটান এখন এমন একটা কাজ করে দেখিয়েছে যেটা অনেক বড় বড় দেশও এখনও করতে পারেনি। ২০২৪ সালের মধ্যে ভুটান তাদের দেশের ১০০% পথ কুকুরকে ভ্যাক্সিনেটেড এবং স্টেরিলাইজড করেছে। মানে, রাস্তায় যেসব কুকুর ঘোরাঘুরি করে তাদের সবাইকে র্যাবিসসহ অন্যান্য রোগের টিকা দেওয়া হয়েছে আর জন্মনিয়ন্ত্রণও করা হয়েছে যেন ভবিষ্যতে এদের সংখ্যা আর না বাড়ে। এটা শুধু একটা পশু কল্যাণমূলক কাজ না বরং পুরো দেশের জনস্বাস্থ্য, নিরাপত্তা ও মানবিক মূল্যবোধের এক উজ্জ্বল উদাহরণ। এই বিশাল কাজটা তারা করেছে "National Dog Population Management and Rabies Control Project" (NDPM & RCP) নামের একটা প্রকল্পের মাধ্যমে। ভুটানের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, গৃহস্থালি ও পশুসম্পদ বিভাগ আর আন্তর্জাতিক সংস্থা Humane Society International (HSI) একসাথে কাজ করেছে এই উদ্যোগে। ২০০৯ সাল থেকেই তারা পরিকল্পনা নিয়েছে আর ধাপে ধাপে দেশের প্রতিটি অঞ্চলের কুকুরদের নিয়ে কাজ শুরু করেছে। এই পুরো প্রক্রিয়া চলেছে একটা সুন্দর ও মানবিক পদ্ধতিতে, যার নাম "Catch, Neuter, Vaccinate and Release" বা সংক্ষেপে CNVR। মানে, কুকুরদের প্রথমে ধরেছে, তারপর তাদের নিরাপদভাবে অস্ত্রোপচার করে স্টেরিলাইজড ও ভ্যাক্সিনেট করেছে, এরপর আবার যেখানে পাওয়া গিয়েছিল সেখানে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। এতে কুকুরগুলো যেমন নিরাপদ থেকেছে তেমনি তাদের সংখ্যা ও রোগ ছড়ানোর ঝুঁকিও কমে গেছে। ফলাফলটা অবিশ্বাস্য রকম ভালো। এখন ভুটানে পথ কুকুরের সংখ্যা নিয়ন্ত্রণে, র্যাবিস প্রায় নির্মূল এবং কুকুর ও মানুষের সহাবস্থান অনেক শান্তিপূর্ণ। ২০১০ সালে যেখানে শতাধিক কুকুর র্যাবিসে আক্রান্ত হয়েছিল সেখানে ২০২৩ সালে এই সংখ্যাটা একেবারে শূন্যে নেমে এসেছে। মানুষের জীবন এখন নিরাপদ আর প্রাণীগুলোর প্রতিও রয়েছে সম্মান। আমাদের দেশেও তো অনেক কুকুর রাস্তায় থাকে। কেউ কেউ ভয় পায়, কেউ আবার মেরে ফেলার চেষ্টা করে যেটা একেবারেই অমানবিক। অথচ আমরা চাইলে ভুটানের মতো একই পদ্ধতিতে এগোতে পারি। শুধু দরকার সরকারের উদ্যোগ, স্থানীয় সংগঠনের সহায়তা আর আমাদের সবার সচেতনতা। তাহলেই একটা মানবিক ও নিরাপদ সমাজ গড়া সম্ভব হবে। ভুটান আমাদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিলো—প্রাণী ভালোবাসা শুধু আবেগ না বরং এটা দেশের জন্য কিছু হতে পারে। এখন সময় আমাদের—এই শিক্ষা নেওয়ার ও নিজ দেশের পথ কুকুরদের জন্য কিছু করার।
জানেন কি? ভুটান এখন এমন একটা কাজ করে দেখিয়েছে যেটা অনেক বড় বড় দেশও এখনও করতে পারেনি। ২০২৪ সালের মধ্যে ভুটান তাদের দেশের ১০০% পথ কুকুরকে ভ্যাক্সিনেটেড এবং স্টেরিলাইজড করেছে। মানে, রাস্তায় যেসব কুকুর ঘোরাঘুরি করে তাদের সবাইকে র্যাবিসসহ অন্যান্য রোগের টিকা দেওয়া হয়েছে আর জন্মনিয়ন্ত্রণও করা হয়েছে যেন ভবিষ্যতে এদের সংখ্যা আর না বাড়ে। এটা শুধু একটা পশু কল্যাণমূলক কাজ না বরং পুরো দেশের জনস্বাস্থ্য, নিরাপত্তা ও মানবিক মূল্যবোধের এক উজ্জ্বল উদাহরণ। এই বিশাল কাজটা তারা করেছে "National Dog Population Management and Rabies Control Project" (NDPM & RCP) নামের একটা প্রকল্পের মাধ্যমে। ভুটানের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, গৃহস্থালি ও পশুসম্পদ বিভাগ আর আন্তর্জাতিক সংস্থা Humane Society International (HSI) একসাথে কাজ করেছে এই উদ্যোগে। ২০০৯ সাল থেকেই তারা পরিকল্পনা নিয়েছে আর ধাপে ধাপে দেশের প্রতিটি অঞ্চলের কুকুরদের নিয়ে কাজ শুরু করেছে। এই পুরো প্রক্রিয়া চলেছে একটা সুন্দর ও মানবিক পদ্ধতিতে, যার নাম "Catch, Neuter, Vaccinate and Release" বা সংক্ষেপে CNVR। মানে, কুকুরদের প্রথমে ধরেছে, তারপর তাদের নিরাপদভাবে অস্ত্রোপচার করে স্টেরিলাইজড ও ভ্যাক্সিনেট করেছে, এরপর আবার যেখানে পাওয়া গিয়েছিল সেখানে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। এতে কুকুরগুলো যেমন নিরাপদ থেকেছে তেমনি তাদের সংখ্যা ও রোগ ছড়ানোর ঝুঁকিও কমে গেছে। ফলাফলটা অবিশ্বাস্য রকম ভালো। এখন ভুটানে পথ কুকুরের সংখ্যা নিয়ন্ত্রণে, র্যাবিস প্রায় নির্মূল এবং কুকুর ও মানুষের সহাবস্থান অনেক শান্তিপূর্ণ। ২০১০ সালে যেখানে শতাধিক কুকুর র্যাবিসে আক্রান্ত হয়েছিল সেখানে ২০২৩ সালে এই সংখ্যাটা একেবারে শূন্যে নেমে এসেছে। মানুষের জীবন এখন নিরাপদ আর প্রাণীগুলোর প্রতিও রয়েছে সম্মান। আমাদের দেশেও তো অনেক কুকুর রাস্তায় থাকে। কেউ কেউ ভয় পায়, কেউ আবার মেরে ফেলার চেষ্টা করে যেটা একেবারেই অমানবিক। অথচ আমরা চাইলে ভুটানের মতো একই পদ্ধতিতে এগোতে পারি। শুধু দরকার সরকারের উদ্যোগ, স্থানীয় সংগঠনের সহায়তা আর আমাদের সবার সচেতনতা। তাহলেই একটা মানবিক ও নিরাপদ সমাজ গড়া সম্ভব হবে। ভুটান আমাদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিলো—প্রাণী ভালোবাসা শুধু আবেগ না বরং এটা দেশের জন্য কিছু হতে পারে। এখন সময় আমাদের—এই শিক্ষা নেওয়ার ও নিজ দেশের পথ কুকুরদের জন্য কিছু করার।

Comments
Post a Comment