Skip to main content

বিনয়ী হতে শেখা

 


সন্তানকে যে কোন মূল্যে বিনয়ী হতে শেখাবেন।

এই যুগে এটা সন্তানের জন্য সবচেয়ে জরুরী শিক্ষা। তার মাঝে যেন 'আমিত্ব' না থাকে। তাকে ছোটবেলা থেকেই বুঝাবেন, যে তুমি যত বড়ই হও না কেন জীবনে, তুমি আসলে খুবই সামান্য একজন মানুষ। মাথা নিচু রাখতে শিখাবেন। ‌ অন্যদের সম্মান করতে শেখাবেন। ভিন্নমতকে সহ্য করতে শেখাবেন।‌ সাফল্য পেলে বা টাকা পয়সার মালিক হলে সে যেন অন্ধ না হয়ে যায়। তবে, সে যেন হীনমন্যতায় না ভোগে। তাকে বলবেন অনেক বড় হতে, কিন্তু সেটা হতে যেয়ে সে যেন নিজেকে হারিয়ে না ফেলে। দিনে দিনে আমাদের সমাজে নার্সিসিজম অনেক বেড়ে চলেছে। আমিত্ব বেড়ে চলেছে, স্বার্থপরতা বেড়ে চলেছে। সবাই শুধু নিজেকে নিয়ে ভাবে। নিজে বড় হতে চায়। এবং বড় হয়ে অন্যদেরকে ছোট করে দেখে ‌। একটা গোটা সমাজ আমরা তৈরি করেছি যেখানে নার্সিসিস্টদের glorify করা হয়।‌ আপনি যদি সন্তানকে ধার্মিকও বানাতে চান সবার আগে তাকে বিনয়ী হতে শিখান। নামাজ রোজা পরে শিখাবেন, আগে বিনয়ী বানাবেন সন্তানকে। দেখবেন এযুগের ধার্মিক লোকরাও অনেকেই arrogant। বে*য়াদব নার্সিসিটদের কোন ধর্ম নাই।

-----------------------------------------------------------------

যেখানেই থাকি না কেন, যাই করি না কেন - নামাজ সবার আগে.. নামাজকে যদি আমরা প্রায়োরিটি বানাই, তাহলে জীবনের বাকি সকল কাজকে আল্লাহ সহজ করে দিবেন.. সময় নিয়ে, ধৈর্য নিয়ে, ধীরে ধীরে নামাজ পড়বেন.. আমি সব সময় এই কাজটি করতে পারিনা.. l কিন্তু আমি জানি আপনারা আমার চাইতে অনেক ভাল মুসলিম, তাই আপনারা অবশ্যই পারবেন.
-------------------------------------------------------------------------------
একটা মেয়ের সাতবার মিসক্যারেজ হয়েছে। দুইবার আইভিএফ ফেল হয়েছে। এরপর একজন সন্তান হয়েছে যে কিনা ছয় মাস বয়সে মারা যায়। এই মেয়েটার মনের অবস্থা চিন্তা করুন ! তারপরও তাকে শাশুড়ির কাছে প্রতিনিয়ত শুনতে হয় যে তার দোষেই নাকি বাচ্চা হচ্ছে না। যে বাচ্চাটি মারা গেল সেও নাকি তার অবহেলায় মারা গেছে। ভদ্রমহিলা বলেন, তার স্বামী ভালো মানুষ কিন্তু মাকে কিছু বলতে পারে না। আচ্ছা এমন ভালো স্বামী হয়ে কি লাভ ? যাদের মা, তার স্ত্রীকে এত অপমান করে কিন্তু সে মুখ ফুটে কিছু বলতে পারেনা ? আপনি যদি কিছু বলতেই না পারেন, তাহলে দুজনকে আলাদা রাখুন।। আর যদি নিজে বলতে না পারেন, তাহলে স্ত্রীকে অনুমতি দেন প্রতিবাদ করার। বাবা-মার প্রতিবাদ করা মানে তো এই না যে বাবা-মার সাথে গা*লাগালি বা হাতাহাতি করতে হবে। তাদেরকে খুব পরিষ্কার একটা বাউন্ডারি সেট করে দিতে হবে, যেন সেটা তারা অতিক্রম না করে। যদি অতিক্রম করে, তাহলে তাদেরকে ভদ্রভাবে শাসন করতে হবে। আপনার স্ত্রীকে সাপোর্ট করতে হবে। এমন ভালো মানুষ হবেন না যারা তার কাছের মানুষকে নিরাপত্তা দিতে পারে না। আপনার নিজের মেয়ে এরকম অসহায় বোধ করলে তাকে আপনি নিরাপত্তা দিতেন না ?
তাহলে আরেকজনের মেয়েকে এরকম কষ্ট দিচ্ছেন কেন ?.dr khushal

Comments

Popular posts from this blog

মুমিনের জন্য মৃত্যু হলো উপহার

  প্রায়ই সকালে খবরে দেখি, দুর্ঘটনায় মানুষের মৃত্যু হয়েছে। কখনো মধ্যবয়স্ক কেউ, কখনো আবার শিশু। প্রত্যেকটি মৃত্যু সংবাদই আমাকে মনে করিয়ে দেয়, কার মৃত্যু কখন হবে সে সম্পর্কে আমরা কেউই জানি না, কিন্তু এটা আমাদের সাথেই থাকে সব সময়। আমার প্রিয় মানুষগুলোর সাথে একদিন আর দেখা হবেনা, এটাই সত্য আল্লাহ বলেন: “প্রত্যেক প্রাণীকেই মৃত্যুর স্বাদ নিতে হবে” (সূরা আল-ইমরান: ১৮৫) এই কঠিন সত্য আমরা জানি ঠিকই। কিন্তু দুনিয়ার সুখ-দুঃখের ভেতরে আমরা এতটাই বিভোর হয়ে থাকি যে মৃত্যু নিয়ে খুব কমই ভাবি। আমরা প্রায়ই মানুষের মৃত্যুকে দুর্ঘটনা বলে মনে করি। কিন্তু আদৌ কি তা সত্য? মৃত্যু কি সত্যিই কোনো দুর্ঘটনা? রাসুল (ﷺ) বলেছেন: “মুমিনের জন্য মৃত্যু হলো উপহার” (ইবনে মাজাহ, হাদিস ৪২৬১) রাসুল (ﷺ) কেন মৃত্যুকে উপহার বললেন, এই প্রশ্নটি গুরুত্বপূর্ণ। এখানে লক্ষ্য করার বিষয় হলো, তিনি বিশেষভাবে মুমিনদের কথা বলেছেন। সেই সব মানুষদের, যারা দুনিয়ার চেয়ে আল্লাহ তায়ালাকে বহু গুণ বেশি ভালোবাসে। মৃত্যুর মাধ্যমেই আমরা দুনিয়ার মায়া ত্যাগ করে প্রবেশ করি আরেক জীবনে। সেই জীবনের শুরু আছে, কিন্তু শেষ নেই। আর যদি আমরা মুমিন হই, ...

জীবনকে অপ্রয়োজনে কষ্টকর করি

  অনেকেই জীবনে খুব বড় হতে চান । বড় কাজ করতে চান, বড় বিজনেস করতে চান, দেশ পরিবর্তন করতে চায়। খুব ভাল এই চাওয়া গুলো। মন বড় রাখাই উচিত । কিন্তু এর পাশা পাশি আমরা যেটা ভুলে যাই যে, অনেক ছোট ছোট কাজেও কিন্তু সাফল্য এবং জীবনের সার্থকতা লুকিয়ে থাকে। আপনি প্রতিদিন নামাজ পড়ছেন ৫ বার । এটাও বড় সাফল্য । আপনি সত্য কথা বলার চেষ্টা করেন, এটাও সাফল্য । আপনি করো ক্ষতি করেন না। পরিবারের বিপদে আপদে পাশে থাকেন। রোজ একজন মানুষ কে খাওয়ান। আপনি ৯ টার অফিসে ৯ টায় হাজির হন, কাজে ফাঁকি দেন না। এসব কিছুই বিশাল সাফল্য । আমরা কেন জানি এসব ছোট ছোট কাজ কে সাফল্য মনে করি না। আমরা শুধু জীবনে ফাটায় ফেলতে চাই। এবং তা করতে যেয়ে জীবনকে অপ্রয়োজনে কষ্টকর করি। সবাইকে দিয়ে সব কাজ হয় না। আমি আপনি চাইলেই ইলন মাস্ক হতে পারবোনা । কিন্তু একজন ভালো মানুষ আমরা সবাই হতে পারব যাকে সমাজের কাজে লাগে। সমাজে ১০% মানুষ বড় কাজ করবে। আল্লাহ তাদের মেধা দিয়েছেন, ভালো পরিবার দিয়েছেন, সাহস দিয়েছেন - তারা জন্ম থেকেই কিছুটা আলাদা। কিন্তু বড় কাজ করতে পারছেন না মানে আপনি জীবনে সফল নয় - এটা ভাবা ঠিক নয়।...

নিকটবর্তী মানসিক রোগ

  ১. অস্বাভাবিক আচরণ ও কথাবার্তা ২. খাবারে ও পানিতে কিছু মেশানোর সন্দেহ ৩. ভাংচুর, সন্দেহ প্রবনতা ৪. গায়েবী কথা শোনা ৫. একা হাসা ও কথা বলা ৬. টেনশন, অস্থিরতা, উদ্বেগ, বিষন্নতা, হতাশা, একই চিন্তা ও কাজ বারে বারে করা ৭. খিটখিটে মেজাজ ৮. দীর্ঘমেয়াদী মাথাব্যথা, ঘাড় ও বুক সহ শরীরে বিভিন্ন স্থানে ব্যথা ও জ্বালাপোড়া মাথা ঘোরা, বুক ধরফর, হাত-পা ঝিনঝিন ৯. অজ্ঞান হয়ে যাওয়া, হিস্টিরিয়া, কথা বন্ধ ১০. অসামাজিক আচরণ মাদকাসক্তি সহিংসতা ও নিজের শরীরে আঘাত করা উপরের সমস্যাগুলোর যেকোন একটা হলে আপনি দ্রুত সময়ের মাঝে নিকটবর্তী মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন। ========================================= বিয়ের পর প্রত্যেক পুরুষের semen fluid analysis করা উচিত। ‌ এটা একটা বেসিক infertility টেস্ট যাতে দেখা হয় পুরুষ‌ মানুষটি বাবা হওয়ার যোগ্য কিনা। বিয়ের আগে করলে আরো ভালো। এটি করতে খরচ হয় স্থানভেদে মাত্র এক থেকে দেড় হাজার টাকা।সরকারি হাসপাতালে করলে ১০০ টাকায় করতে পারবেন। আমাদের দেশে কোন দম্পতির বাচ্চা না হলে এখনো অনেক জায়গায় মেয়েদেরকে ব্লেইম করা হয়। অনেক ক্ষেত্রেই সমস্যাটা থাকে ...