জুলাই যুদ্ধে যদি এক হাজার জন থাকতো সামনে থাকতো মাত্র ২০ থেকে ৩০ জন। তারাই মূল ফাইট করেছিল। বাকিরা মূলত উপস্থিত ছিল। সেই সম্মুখ সারির যোদ্ধারা অধিকাংশ দরিদ্র জনগোষ্ঠী এবং অল্প বয়সী ছেলেরা।
আমার প্রশ্ন হচ্ছে আমরা তাদেরকে কি দিতে পেরেছি?
শ্রমিক, ছিন্ন মূল শিশু, চা দোকানদার, গার্মেন্টস কর্মী, ট্রাক ড্রাইভার এদের জীবনে বা সিস্টেমে কি কোন পরিবর্তন এসেছে?
কেউ কি বীরের মতন ত্যাগের জন্য তাদেরকে আগের থেকে বেশি সম্মান করে। ব্যক্তিগত ভাবে আমি চেষ্টা করি; কিন্তু সমাজে তাদের কোন স্বীকৃতি বা সম্মানে পরিবর্তন এসেছে কী?
অন্তত যাকাত ব্যবস্থা চালু ও ভ্যাট বন্ধ করা গেলে তাদের জীবনে স্বস্তি আসতো। পেতেন তাদের অন্তরের অগণিত দোয়া।
কিন্তু বাস্তবে আমরা তো একেবারে ভুলে গেছি এই ত্যাগী যোদ্ধাদের।
অথচ বিশ্বাস করেন, আমরা যারা মাঠে থেকেদেখেছি তারা সবাই জানি - তাদের ঋণ কোনদিন শোধ হবে না। আজকে আমি সুস্থ আছি, রিফাত, হাসনাত,নাহিদ এরা বেঁচে আছে তার পিছে এদের রক্ত উসিলা হয়ে আছে। এত ত্যাগের বিনিময়ে কোন পরিবর্তন আসে নাই গরীব মানুষের জীবনে। এই দুঃখ আমাকে তাড়িয়ে বেড়ায় গোপনে। এই জাতীয় আলোচনা না করে বিষয়টি ভুলে থাকতে চাই।
কিন্তু এই কথা সত্যি যে তাদের ঋণ শোধ করতে পারি নাই।
পারবো না কোনদিন হয়তো।
প্রিয় কমরেড, ঋণের এই বোঝাটা আপনাদেরকেও তাড়িয়ে বেড়ায় কী?
মোহাইমিন পাটোয়ারী
Comments
Post a Comment