প্রাণীদের ভাষা বোঝার চেষ্টা কি আমরা করি?– এ. এ. মিলনের একটি গভীর উক্তির আলোকে কিছু কথা আমরা যারা পশু ভালোবাসি, তারা জানি প্রাণীরা কথা বলে। তারা সরাসরি মুখে বলতে না পারলেও চোখ, কান, লেজ এমনকি নীরবতা দিয়েও অনেক কিছু বলে। বিখ্যাত লেখক এ. এ. মিলন (A. A. Milne) এই ছবিতে ঠিক এক কথাতেই অনেক গভীর সত্য বলে দিয়েছেন — "অনেক মানুষ প্রাণীদের সাথে কথা বলে। কিন্তু সমস্যা হলো, প্রায় কেউই ওদের কথা শোনে না।" ভাবুন তো একবার, সত্যিই তো! আমরা অনেক সময় আমাদের বিড়ালটাকে আদর করে বলি, "কি করিস? খেয়েছিস?" কিংবা কুকুরটাকে ডাকি, "ভাল আছিস তো?" ওরা বুঝে, ওরা অনুভব করে। কিন্তু যখন ওরা মিউ করে, ঘাড় নিচু করে বা হঠাৎ গায়ে থাবা মারে তখন কি আমরা বুঝতে চেষ্টা করি ওরা কি বলতে চাইছে? এটাই মিলনের কথার মূল শিক্ষা – কথা বলার চেয়ে শোনার মানসিকতা অনেক গুরুত্বপূর্ণ। একটা বিড়াল হুট করে খাওয়া বন্ধ করে দিলে আমরা শুধু রাগ করি। বলি, “এতো বেয়াদব!” অথচ একটু মনোযোগ দিলে দেখা যেত ওর পেটে ব্যথা করছে বা সে মানসিকভাবে অশান্তিতে আছে। মানুষ যেমন কথা শুনতে চায়, তেমনি পশুরাও চায় তাদের বোঝা হোক। একটা কুকুর যদি দরজার সামনে বসে থাকে, সেটা হয়তো ওর কিছু দরকার। যদি একটা পাখি খাঁচার কোণায় চুপ করে বসে থাকে, সেটা ওর বিষণ্নতার ইঙ্গিত হতে পারে। আমরা যদি ওদের একটু সময় দিই, একটু মনোযোগ দিই তাহলে হয়তো বুঝতে পারবো প্রাণীরা কতটাই আবেগী, অনুভূতিপ্রবণ আর কথা বলা প্রাণী। এই ছবির নিচে বসে থাকা ভদ্রলোকটি শুধু একজন লেখক নন, তিনি যেন প্রাণীদের অনুভব করারও এক নিঃশব্দ আহ্বান জানাচ্ছেন আমাদের।
চলুন, শুধু বলি না... শোনা শুরু করি।
===========================================
“নখ ছোট রাখলে বিড়ালও শান্ত থাকে”—এই সহজ সত্যটাকে অনেকেই গুরুত্ব দেন না। অথচ আপনি যদি সত্যি আপনার পোষা বিড়ালকে ভালোবাসেন তবে শুধু খাওয়ানো-ঘুমানো নয়, তার শরীরের প্রতিটি ছোট ছোট বিষয়ের দিকেও নজর দিতে হবে। তার মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ একটি হলো নখের পরিচর্যা। বিড়ালের নখ বড় হয়ে গেলে সেটি হাঁটার সময় পায়ের চামড়ায় ঢুকে ব্যথা দিতে পারে, নখ ফেটে রক্ত পড়তে পারে বা এমনকি ইনফেকশন পর্যন্ত হতে পারে। আবার আদর করতে গিয়ে আপনার হাতে-মুখে আচমকা আঁচড়, পর্দা বা সোফার কাপড়ে ক্ষত এসব নখ বড় থাকার কারণেই হয়।

Comments
Post a Comment