প্রত্যেকটা বিড়াল'ই বৈশিষ্ট্যগত দিক দিয়ে ভিন্ন হয়ে থাকে। বিড়ালের কিছু মজার বৈশিষ্ট্য নিচে আলোচনা করা হলোঃ ✅ একটা পূর্ণবয়স্ক বিড়াল তার দিনের ৩ ভাগ সময়'ই ঘুমিয়ে কাটায় এবং মাত্র এক ভাগ সময় জেগে থাকে। অর্থাৎ একটা ৯ বছরের বিড়াল তার জীবনের ৭ বছর ঘুমিয়েই কাটিয়েছে। ✅ একটা বিড়ালের ব্রেইন সেল ও মানুষের ব্রেইন সেল ইমোশনাল এটাটচমেন্ট এর দিক দিয়ে প্রায় একিই। ✅ বিড়াল অনেক উঁচু থেকে পরে গিয়েও বেচে থাকতে পারে। প্রায় ২০০ ফিট উপর থেকে পরেও বিড়ালের বেচে যাওয়ার নজির রয়েছে। ✅ বিড়ালের যে দাড়ি বা মোচ হয় আপনারা কি তা জানেন? বিড়ালের মুখের একদিকে প্রায় ১২ টা করে মোচ থাকে। ✅ বিড়াল তার শরীরের তুলনায় ৫ গুণ বেশি উচ্চতায় লাফ দিতে পারে। ✅ বিড়াল প্রায় ১০০ টির মতন সাউন্ড করতে পারে কিন্তু অপরদিকে কুকুর পারে মাত্র ১০ ধরনের আওয়াজ করতে পারে। ✅ বিড়ালের নাকের ছাপ মানুষের আঙুলের ছাপের মতো একেবারে অনন্য। প্রতিটি বিড়ালের নাকের প্যাটার্ন একদম আলাদা। ✅ বিড়াল তার কানগুলো ১৮০ ডিগ্রি পর্যন্ত ঘুরাতে পারে এবং প্রতিটি কান ৩২টি আলাদা পেশী দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। ✅ বিড়ালের হার্ট মানুষের তুলনায় অনেক দ্রুত স্পন্দিত হয়। মানুষের হার্ট প্রতি মিনিটে ৬০-১০০ বার স্পন্দিত হলেও, বিড়ালের হার্ট স্পন্দিত হয় ১২০-১৪০ বার। ✅ বিড়ালের চুলকানি বা শরীর চাটার পেছনে মূল কারণ শুধু পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা নয়, এটি তাদের স্বাস্থ্যের পরিচর্যার অন্যতম অংশ। ✅ বিড়াল দিনে রাতে উভয় সময়েই দেখতে পারে। তবে রাতে তাদের চোখ মানুষের চেয়ে ৬ গুণ বেশি কার্যকর। ✅ বিড়াল তাদের মালিকদের খুশি করার জন্য 'পাউরিং' শব্দটি করে? এটি তাদের সন্তুষ্টি প্রকাশের মাধ্যম। ✅ বিড়ালের সামনের পায়ের নখ এবং পেছনের পায়ের নখের সংখ্যা আলাদা। সামনের পায়ে ৫টি নখ থাকে আর পেছনের পায়ে থাকে ৪টি। ✅ বিড়ালের মিউ আওয়াজ মূলত মানুষের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য। বিড়াল সাধারণত অন্য বিড়ালের সঙ্গে মিউ শব্দ ব্যবহার করে না।
.jpg)
Comments
Post a Comment