আমার খুব আফসোস হয় আহত এবং নিহতের পরিবারের জন্য। দীর্ঘশ্বাস ফেলি আর ভাবি শহীদ আসাদের বাবার কথা যার একমাত্র কর্মক্ষম ছেলে সপ্তাহের ছুটিতে জীবন দিলো। মনে পড়ে সেই স্বামী হারা মহিলার কথা যার একমাত্র ছেলে মারা গেছে শত বাধা উপেক্ষা করে। এখন দুই মেয়ে নিয়ে কষ্টে সংসার চালাচ্ছে। আমাদের যেই সুন্দর একটা দেশ উপহার দিতে তারা জীবন দিলো সেইটা আমরা পাই নাই। তবে পেয়েছি পাগল হয়ে যাওয়া কিছু বাবা মায়ের সন্ধান যারা তাদের সন্তান হারানোর কষ্ট ভুলতে পারেন নাই। লাশ এখন পর্যন্ত খুঁজে পান নাই। বিচার পান নাই। খুনিদের ভারত গমন রুখতে পারেন নাই। দুর্নীতির থেকে রেহাই পান নাই এবং গুপ্ত হত্যা থেকে নিরাপদ একটি জীবন পান নাই। কথা গুলো ভাবতে নিজের ভিতরটা জর্জরিত হয়ে পড়ে।
=================================================================
২০১৬ সালে তুরস্কে এরদোগানের বিরুদ্ধে মাত্র ১২ ঘণ্টার অভ্যুত্থান চেষ্টার পরের প্রতিক্রিয়া ছিল ভয়াবহ। এর মধ্যে ১,২৫,০০০ সরকারি কর্মচারী বরখাস্ত করা হয়েছিল। ৪৫,০০০ সামরিক ও পুলিশ সদস্য অপসারিত হয়েছিল। ৪,০০০ বিচারক ও প্রসিকিউটর চাকরিচ্যুত হয়েছিল এবং বহু সংবাদমাধ্যম নিষিদ্ধ হয়েছিল। ৭৭,০০০ মানুষ গ্রেপ্তার হয়েছিল এবং অভ্যুত্থানের সঙ্গে alleged সংযোগ থাকার অভিযোগে অভিযুক্ত করা হয়েছিল।
এখন প্রশ্ন আসে, বাংলাদেশে ১৬ বছরের লুটপাট, গণহত্যা এবং গুমের সঙ্গে জড়িত প্রশাসনের ৯৯% সদস্যদের রেখে, স্বৈরাচারের মদতদাতা ব্যবসায়ী ও মিডিয়া অক্ষত রেখেই কি গণবিপ্লব সফল হতে পারে?
উপদেষ্টাদের উচিৎ বিপ্লব সম্পর্কে পড়াশোনা করা;
এবং গ্রামীন ব্যাংক, ব্র্যাক, প্রথম আলোর উপদেশ নেয়া বন্ধ করা।
অন্যথায়, শুধু সচিবালয় পুড়বেনা,
জাতির কপালও পুড়বে। collected

Comments
Post a Comment