রিকশা করে যাচ্ছেন। একজন ভিক্ষুক আপনার সামনে চলে আসলো। তাকে ৫০ টাকা দিলেন। রিক্সা ভাড়াও ৫০ টাকা। রিক্সাওয়ালা ভাই এবং ভিক্ষুক ভাই দুজনই কি শিখল ? পরিশ্রম সহ এবং পরিশ্রম ছাড়া একই উপার্জন করা যায়। …......................................... কায়িক পরিশ্রম করেন এমন কারো সামনে ভিক্ষুককে টাকা দেবেন না। এতে তাদের কষ্ট হয়। মানুষ কাজ করার আগ্রহ হারিয়ে ফেলে। যদি ভিক্ষুককে টাকা দিতেই হয়, একটু আড়ালে যেয়ে দিবেন। ........................................... যে মানুষগুলো রাস্তায় পরিশ্রম করেন, তাদেরকে বরং মাঝে মাঝে পুরস্কৃত করুন। একটা বাচ্চা মেয়ে ফুল বিক্রি করছে। বেলি ফুলের মালাটি ১০ টাকায় না কিনে তাকে ৫০ টাকা দিন। টাকা দেওয়ার সময় বলে দিন, বেশি দিচ্ছি তোমার পরিশ্রমের জন্য।
এটা তোমার সততার পুরস্কার।
====================================================================
তোমারে হতাশায় মরে যাওয়ার জন্য তোমার বাপ-মা জন্ম দিয়েছে?
বর্তমান তরুণ প্রজন্মের হতাশা ব্যাধিকে সরদার ফজলুল করিম জন্ম-ঋণ শোধ প্রচেষ্টার অস্বীকার হিসাবে বর্ণনা করেন। তাঁর মতে, আমরা অমুক-তমুক কবি, বই পড়ি-লিখি, ডক্টরেট করি কিন্তু আসল কাজটাই করি না। একবারও ভাবি না যে বাবা-মা যদি আমাদের জন্ম না দিতো তাহলে কোথায় থাকতো এসব হতাশ হওয়া-টওয়া। এখানেই হচ্ছে জীবনবোধের ব্যাপার। জীবনবোধে উদ্বুদ্ধ হওয়াটা একান্তই জরুরি। তা না হলে পরে অপরজন কিভাবে আমার কাছ থেকে উদ্বুদ্ধ হবে? মানুষ পরস্পর একসাথে বাস করে অপরের কাছ থেকে উদ্বুদ্ধ হওয়ার আশায়। হাট থেকে বাড়ি ফেরার সময় মানুষ যখন অন্ধকারকে ভয় পায় তখন পাঁচজনা মানুষ মিলে একসঙ্গে যায়। এটাই তো আসল ব্যাপার। এই মানুষগুলো পরস্পরের কাছে আশা চায়। সমাজ জীবনের সব ক্ষেত্রেই একই ব্যাপার। মানুষ মানুষের কাছে আশা চায়। তিনি যেন এটাই বোঝাতে চাইলেন যে আশাবাদী থাকাটা শুধু ব্যক্তির জন্যই জরুরি তা নয়, বরং সমাজ-দেহে বাস করার নিমিত্তে তার উপর আরোপিত শর্তও বটে।collected

Comments
Post a Comment