Skip to main content

বাইপোলারে 3S Rule

 


*3S Rule for Bipolar Prevention*

বাইপোলারে 3S Rule সবসময় মনে রাখতে হবে, যদি ভবিষ্যতে বাইপোলারের ম্যানিক এপিসোড প্রতিরোধ (prevent) করতে চান। 1. *Sleep (ঘুম):* ঘুম সবসময় ঠিক রাখা অত্যন্ত জরুরি। কোনোভাবেই ঘুমের সাথে আপস করা যাবে না। বিয়েবাড়ি বা যেকোনো সামাজিক অনুষ্ঠানে গেলেও, রাত ১১টার মধ্যে অবশ্যই ঘুমাতে হবে। আরও ভালো হয় যদি ১০টার মধ্যে ঘুমিয়ে পড়া যায়। 2. *Substance (নেশা):* কোনো ধরনের নেশায় জড়ানো যাবে না। এখনকার দিনে নেশা বলতে শুধু হেরোইন বা ফেনসিডিলই নয়, প*র্নোগ্রাফি বা অতিরিক্ত সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারের মতো নেশাগুলোও এড়িয়ে চলতে হবে। 3. *Stress (চাপ):* জীবনে কিছুটা স্ট্রেস থাকবেই, কিন্তু অতিরিক্ত স্ট্রেস নেওয়া যাবে না। যেসব জিনিস আপনার নিয়ন্ত্রণে নেই বা যা পরিবর্তন করা সম্ভব নয়, সেগুলো নিয়ে বেশি চিন্তা না করাই ভালো। শুধুমাত্র যেসব বিষয় আপনার নিয়ন্ত্রণে আছে, সেগুলোর ওপর মনোযোগ দিতে হবে। ওষুধের পাশাপাশি যদি আমরা এই 3S Rule মেনে চলতে পারি, তাহলে বাইপোলার আমাদের জীবনে কষ্ট দিবে না।
===================================================================

*OCD কি জেনেটিক্যালি ট্রান্সমিট (Genetically Transmit) হয়?* হ্যাঁ, OCD জেনেটিক্যালি ট্রান্সমিট হতে পারে, তবে সংখ্যাটি খুব বেশি নয়। এর চেয়েও বেশি common হলো Observational Learning। যদি বাবা-মার মধ্যে কারো OCD থাকে এবং তারা তার চিকিৎসা না করেন, তবে বাচ্চারা তাদের চলাফেরা দেখে সেই আচরণ শিখে ফেলে। যেমন, যদি মা বারবার হাত ধুয়ে থাকেন—ধরুন ১০ বার —তাহলে বাচ্চা এটাকে স্বাভাবিক বলে মনে করতে পারে। বাচ্চা ধরেই নেয় হাত ধুতে গেলে ১০ বারই ধুতে হয়। অথবা মা যদি দীর্ঘ সময় ধরে (যেমন এক-দেড় ঘণ্টা) গোসল করেন, বাচ্চা এটা দেখে মনে করতে পারে, এটাই স্বাভাবিক। বাচ্চারা আসলে যা দেখে, সেটাই শিখে। তারা বাবা-মা যা বলেন, তার চেয়ে বেশি তাদের কাজ থেকে শেখে। সুতরাং, যদি আপনি OCD বাচ্চার মধ্যে ছড়িয়ে দিতে না চান, তবে প্রথমেই নিজের OCD এর চিকিৎসা করা প্রয়োজন। তাহলেই বাচ্চারা observational learning এর মাধ্যমে সেই আচরণ শিখবে না।
dr kushal

Comments

Popular posts from this blog

মুমিনের জন্য মৃত্যু হলো উপহার

  প্রায়ই সকালে খবরে দেখি, দুর্ঘটনায় মানুষের মৃত্যু হয়েছে। কখনো মধ্যবয়স্ক কেউ, কখনো আবার শিশু। প্রত্যেকটি মৃত্যু সংবাদই আমাকে মনে করিয়ে দেয়, কার মৃত্যু কখন হবে সে সম্পর্কে আমরা কেউই জানি না, কিন্তু এটা আমাদের সাথেই থাকে সব সময়। আমার প্রিয় মানুষগুলোর সাথে একদিন আর দেখা হবেনা, এটাই সত্য আল্লাহ বলেন: “প্রত্যেক প্রাণীকেই মৃত্যুর স্বাদ নিতে হবে” (সূরা আল-ইমরান: ১৮৫) এই কঠিন সত্য আমরা জানি ঠিকই। কিন্তু দুনিয়ার সুখ-দুঃখের ভেতরে আমরা এতটাই বিভোর হয়ে থাকি যে মৃত্যু নিয়ে খুব কমই ভাবি। আমরা প্রায়ই মানুষের মৃত্যুকে দুর্ঘটনা বলে মনে করি। কিন্তু আদৌ কি তা সত্য? মৃত্যু কি সত্যিই কোনো দুর্ঘটনা? রাসুল (ﷺ) বলেছেন: “মুমিনের জন্য মৃত্যু হলো উপহার” (ইবনে মাজাহ, হাদিস ৪২৬১) রাসুল (ﷺ) কেন মৃত্যুকে উপহার বললেন, এই প্রশ্নটি গুরুত্বপূর্ণ। এখানে লক্ষ্য করার বিষয় হলো, তিনি বিশেষভাবে মুমিনদের কথা বলেছেন। সেই সব মানুষদের, যারা দুনিয়ার চেয়ে আল্লাহ তায়ালাকে বহু গুণ বেশি ভালোবাসে। মৃত্যুর মাধ্যমেই আমরা দুনিয়ার মায়া ত্যাগ করে প্রবেশ করি আরেক জীবনে। সেই জীবনের শুরু আছে, কিন্তু শেষ নেই। আর যদি আমরা মুমিন হই, ...

Narcissist স্বামী স্ত্রী

  Narcissist স্বামী স্ত্রীর সাফল্যে ঈর্ষান্বিত থাকেন : Narcissist স্বামী প্রায়ই স্ত্রীর সাফল্যে প্রচণ্ড ঈর্ষান্বিত থাকেন। ধরুন, স্ত্রী আর্থিকভাবে বা সামাজিকভাবে স্বামীর চেয়ে বেশি capable, কিংবা তার চেয়ে উচ্চপদে কাজ করছেন। এমন ক্ষেত্রে, যদিও তিনি স্ত্রীর আয় ভোগ করেন, তবুও এ বিষয়ে তিনি খুশি নন; বরং এটি তাকে ইনসিকিওর ফিল করায়। স্ত্রীর সামাজিক পরিসর (social circle) যদি বড় হয় বা তার বেশি বন্ধু-বান্ধব থাকে, সেখানেও তিনি নিজেকে ইনসিকিওর মনে করেন। সবচেয়ে বেশি ইনসিকিওর অনুভব করেন যখন স্ত্রীর rank বা পদমর্যাদা তার চেয়ে উচ্চ হয়। ধরুন, স্বামী একটি প্রতিষ্ঠানে একটি পদে কাজ করছেন, কিন্তু স্ত্রী হয়তো আরও উচ্চ পদে রয়েছেন। তখন Narcissist স্বামী খুবই ইনসিকিওর ফিল করেন। ক্লিনিক্যাল প্র্যাকটিসে ফাইন্যান্স, সামাজিক পরিসর, এবং পদমর্যাদার ক্ষেত্রে আমরা প্রায়ই দেখি যে স্ত্রীর rank স্বামীর চেয়ে উচ্চ হলে Narcissist স্বামী প্রচণ্ড ইনসিকিওর ফিল করেন। যেমন, স্ত্রী যদি কোনো প্রতিষ্ঠানে ম্যানেজার হন, তিনি বলবেন, “তুমি ম্যানেজার, কিন্তু বাসায় কিছুই ম্যানেজ করতে পারো না; তুমি মানুষকে ক...

জীবনকে অপ্রয়োজনে কষ্টকর করি

  অনেকেই জীবনে খুব বড় হতে চান । বড় কাজ করতে চান, বড় বিজনেস করতে চান, দেশ পরিবর্তন করতে চায়। খুব ভাল এই চাওয়া গুলো। মন বড় রাখাই উচিত । কিন্তু এর পাশা পাশি আমরা যেটা ভুলে যাই যে, অনেক ছোট ছোট কাজেও কিন্তু সাফল্য এবং জীবনের সার্থকতা লুকিয়ে থাকে। আপনি প্রতিদিন নামাজ পড়ছেন ৫ বার । এটাও বড় সাফল্য । আপনি সত্য কথা বলার চেষ্টা করেন, এটাও সাফল্য । আপনি করো ক্ষতি করেন না। পরিবারের বিপদে আপদে পাশে থাকেন। রোজ একজন মানুষ কে খাওয়ান। আপনি ৯ টার অফিসে ৯ টায় হাজির হন, কাজে ফাঁকি দেন না। এসব কিছুই বিশাল সাফল্য । আমরা কেন জানি এসব ছোট ছোট কাজ কে সাফল্য মনে করি না। আমরা শুধু জীবনে ফাটায় ফেলতে চাই। এবং তা করতে যেয়ে জীবনকে অপ্রয়োজনে কষ্টকর করি। সবাইকে দিয়ে সব কাজ হয় না। আমি আপনি চাইলেই ইলন মাস্ক হতে পারবোনা । কিন্তু একজন ভালো মানুষ আমরা সবাই হতে পারব যাকে সমাজের কাজে লাগে। সমাজে ১০% মানুষ বড় কাজ করবে। আল্লাহ তাদের মেধা দিয়েছেন, ভালো পরিবার দিয়েছেন, সাহস দিয়েছেন - তারা জন্ম থেকেই কিছুটা আলাদা। কিন্তু বড় কাজ করতে পারছেন না মানে আপনি জীবনে সফল নয় - এটা ভাবা ঠিক নয়।...