Skip to main content

কত কেজিতে এক মণ?

 


কত কেজিতে এক মণ?

এই প্রশ্নটা করলে নতুন প্রজন্মের প্রায় সবাই বলে ৪০ কেজি। কিন্তু কথাটা ভুল। ৪০ সেরে এক মণ যা ৩৭.৩২ কেজির সমান। মণ বাংলা ও ভারত এলাকার ওজনের পরিমাপ। আর কেজি হচ্ছে নতুন বিশ্ব ব্যবস্থার ওজনের একক। 1889 সালে ছবির বস্তুটিকে এক কেজি বলে ঘোষণা করা হয় এবং একে একক ধরে কেজি, মেট্রিক টন (এক হাজার কেজি) এবং গ্রাম (কেজির এক হাজার ভাগের এক ভাগ) হিসেব করা হয়। দেশীয় এককের সাথে এর কোন মিল নেই। ৫ তোলায় ১ ছটাক ; ৪ ছটাকে ১ পোয়া ; 8 পোয়ায় ১ সের ; ৪০ সেরে ১ মণ। কিন্তু কেজির অতিরিক্ত প্রচলনের ফলে এখন আমরা ৪০ কেজিতে মণ ধরে হিসেব করছি এবং বাকি দেশীয় হিসেব নিকেশ ভুলে গেছি। জমির পরিমাপের ক্ষেত্রে এখনও দেশীয় এককের ব্যবহার আছে যেমন কানি, কাঠা, কাঠি, কড়া, গন্ডা, খাদা, বিঘা (এক এক এলাকায় এক এক রকম)। সোনার পরিমাপের ক্ষেত্রেও দেশীয় একক ভরি, আনা ব্যবহৃত হয় কিন্তু এই অঞ্চলের ওজন পরিমাপের একক একেবারে হারিয়ে গেছে।
==========================================================
ফেসবুক বর্জন করা কি উচিত? - অবশ্যই উচিত। গুগল বর্জন করা কি উচিত? - অবশ্যই উচিত সেই স্বপ্ন ও চেষ্টা প্রতি মুহুর্তে বুকে ধারণ করি। তারমানে এই না যে সেই লক্ষ্য অর্জিত হবার আগ পর্যন্ত কোমল পানীও বর্জন করবো না। কোমল পানীয় বর্জন করা হোক আপনার জীবনের প্রথম পদক্ষেপ। কারণ, প্রথমত, এর দ্বারা ভালো কিছুই অর্জিত হচ্ছে না। দ্বিতীয়ত, এগুলোর কোন প্রয়োজন নেই। তৃতীয়ত, এরা কেবলমাত্র অন্যায়কে সমর্থনই করে নাই, তার পাশাপাশি আমাদের সদিচ্ছাকে তামাশা করেছে। আপনি যদি সবকিছু নিজে বর্জন করে আমাদেরকে উৎসাহিত করেন যে একাধিক পণ্য বর্জন করতে, আলহামদুলিল্লাহ। আপনার থেকে অবশ্যই শেখার আছে। কিন্তু আপনি যদি নিজে কোন কিছু বর্জন না করে অন্যের কাজকে প্রশ্ন বিদ্ধ করার জন্য হাউকাউ করেন, আপনার মাঝে সমস্যা আছে। কারণ, সেক্ষেত্রে আপনি এমন একটা পরিস্থিতি প্রমাণ করার চেষ্টা করছেন যে গণহত্যা সমর্থনকারীদের সমর্থন করা ছাড়া বাঁচা সম্ভব না। সুতরাং, নিজের হালাল উপার্জন প্রতিটি উপায়ে তাদের হাতে তুলে দাও। প্রতিবাদ করে লাভ নেই। ধিক্কার জানাই এই চিন্তাকে। এই এই চিন্তাই আমাদের পরাজয়ের প্রথম পদক্ষেপ। অছচ এই কাজ করার বিনিময়ে আপনাকে কেউ ঘুষ দেয় নাই। বিনা পয়সায় তাদের দালালী করছেন। আগে নিজে পবিত্র হয়ে অন্যকে পবিত্র হওয়ার পরামর্শ দিন। যেই কাজ করতে নিজে ব্যার্থ হয়েছেন তা চালিয়ে যুক্তি খুঁজকে আপনার চেয়ে বেশী ত্যাগ করা মানুষদেরকে প্রশ্নবিদ্ধ করবেন না। এর মাঝে সত্যিই কোন কল্যাণ নেই বরং শত্রুকে অপরাজেয় করে উপস্থাপন করে আপনি মানসিক ভাবে নিজেকে নিজে দুর্বল করছেন।

===========================================================
অনেকের মাঝে একটা দুষ্ট স্বভাব রয়েছে.. ডাক্তারের দেওয়া চিকিৎসা পদ্ধতিতে যদি কাজ হয়, সেটা আরও ১০ জনকে সাজেস্ট করে থাকেন.. ঘুমের ওষুধ খেয়ে কাজ হল, ঘুমের ওষুধ টা আরো ১০ জনকে দিবে.. মেডিটেশন করে অস্থিরতা কমলো, কারো পাতলা পায়খানা হলেও তাকে মেডিটেশন করতে বলবে.. ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া কোন চিকিৎসা পদ্ধতি গ্রহণ করা যাবেনা, কেমন? নিজের জামাই ভালো হলে তাকে কি আমরা আরো দশ জনকে সাজেস্ট করি? প্রতিটা ওষুধ একেক জনের উপর এক এক রকম প্রভাব বিস্তার করে.. একজনের ওষুধ আরেকজনের নেওয়া, এক বয়সের ওষুধ আরেক বয়সে নেওয়া - বেশ ক্ষতির কারণ হতে পারে. collected

Comments

Popular posts from this blog

মুমিনের জন্য মৃত্যু হলো উপহার

  প্রায়ই সকালে খবরে দেখি, দুর্ঘটনায় মানুষের মৃত্যু হয়েছে। কখনো মধ্যবয়স্ক কেউ, কখনো আবার শিশু। প্রত্যেকটি মৃত্যু সংবাদই আমাকে মনে করিয়ে দেয়, কার মৃত্যু কখন হবে সে সম্পর্কে আমরা কেউই জানি না, কিন্তু এটা আমাদের সাথেই থাকে সব সময়। আমার প্রিয় মানুষগুলোর সাথে একদিন আর দেখা হবেনা, এটাই সত্য আল্লাহ বলেন: “প্রত্যেক প্রাণীকেই মৃত্যুর স্বাদ নিতে হবে” (সূরা আল-ইমরান: ১৮৫) এই কঠিন সত্য আমরা জানি ঠিকই। কিন্তু দুনিয়ার সুখ-দুঃখের ভেতরে আমরা এতটাই বিভোর হয়ে থাকি যে মৃত্যু নিয়ে খুব কমই ভাবি। আমরা প্রায়ই মানুষের মৃত্যুকে দুর্ঘটনা বলে মনে করি। কিন্তু আদৌ কি তা সত্য? মৃত্যু কি সত্যিই কোনো দুর্ঘটনা? রাসুল (ﷺ) বলেছেন: “মুমিনের জন্য মৃত্যু হলো উপহার” (ইবনে মাজাহ, হাদিস ৪২৬১) রাসুল (ﷺ) কেন মৃত্যুকে উপহার বললেন, এই প্রশ্নটি গুরুত্বপূর্ণ। এখানে লক্ষ্য করার বিষয় হলো, তিনি বিশেষভাবে মুমিনদের কথা বলেছেন। সেই সব মানুষদের, যারা দুনিয়ার চেয়ে আল্লাহ তায়ালাকে বহু গুণ বেশি ভালোবাসে। মৃত্যুর মাধ্যমেই আমরা দুনিয়ার মায়া ত্যাগ করে প্রবেশ করি আরেক জীবনে। সেই জীবনের শুরু আছে, কিন্তু শেষ নেই। আর যদি আমরা মুমিন হই, ...

Narcissist স্বামী স্ত্রী

  Narcissist স্বামী স্ত্রীর সাফল্যে ঈর্ষান্বিত থাকেন : Narcissist স্বামী প্রায়ই স্ত্রীর সাফল্যে প্রচণ্ড ঈর্ষান্বিত থাকেন। ধরুন, স্ত্রী আর্থিকভাবে বা সামাজিকভাবে স্বামীর চেয়ে বেশি capable, কিংবা তার চেয়ে উচ্চপদে কাজ করছেন। এমন ক্ষেত্রে, যদিও তিনি স্ত্রীর আয় ভোগ করেন, তবুও এ বিষয়ে তিনি খুশি নন; বরং এটি তাকে ইনসিকিওর ফিল করায়। স্ত্রীর সামাজিক পরিসর (social circle) যদি বড় হয় বা তার বেশি বন্ধু-বান্ধব থাকে, সেখানেও তিনি নিজেকে ইনসিকিওর মনে করেন। সবচেয়ে বেশি ইনসিকিওর অনুভব করেন যখন স্ত্রীর rank বা পদমর্যাদা তার চেয়ে উচ্চ হয়। ধরুন, স্বামী একটি প্রতিষ্ঠানে একটি পদে কাজ করছেন, কিন্তু স্ত্রী হয়তো আরও উচ্চ পদে রয়েছেন। তখন Narcissist স্বামী খুবই ইনসিকিওর ফিল করেন। ক্লিনিক্যাল প্র্যাকটিসে ফাইন্যান্স, সামাজিক পরিসর, এবং পদমর্যাদার ক্ষেত্রে আমরা প্রায়ই দেখি যে স্ত্রীর rank স্বামীর চেয়ে উচ্চ হলে Narcissist স্বামী প্রচণ্ড ইনসিকিওর ফিল করেন। যেমন, স্ত্রী যদি কোনো প্রতিষ্ঠানে ম্যানেজার হন, তিনি বলবেন, “তুমি ম্যানেজার, কিন্তু বাসায় কিছুই ম্যানেজ করতে পারো না; তুমি মানুষকে ক...

জীবনকে অপ্রয়োজনে কষ্টকর করি

  অনেকেই জীবনে খুব বড় হতে চান । বড় কাজ করতে চান, বড় বিজনেস করতে চান, দেশ পরিবর্তন করতে চায়। খুব ভাল এই চাওয়া গুলো। মন বড় রাখাই উচিত । কিন্তু এর পাশা পাশি আমরা যেটা ভুলে যাই যে, অনেক ছোট ছোট কাজেও কিন্তু সাফল্য এবং জীবনের সার্থকতা লুকিয়ে থাকে। আপনি প্রতিদিন নামাজ পড়ছেন ৫ বার । এটাও বড় সাফল্য । আপনি সত্য কথা বলার চেষ্টা করেন, এটাও সাফল্য । আপনি করো ক্ষতি করেন না। পরিবারের বিপদে আপদে পাশে থাকেন। রোজ একজন মানুষ কে খাওয়ান। আপনি ৯ টার অফিসে ৯ টায় হাজির হন, কাজে ফাঁকি দেন না। এসব কিছুই বিশাল সাফল্য । আমরা কেন জানি এসব ছোট ছোট কাজ কে সাফল্য মনে করি না। আমরা শুধু জীবনে ফাটায় ফেলতে চাই। এবং তা করতে যেয়ে জীবনকে অপ্রয়োজনে কষ্টকর করি। সবাইকে দিয়ে সব কাজ হয় না। আমি আপনি চাইলেই ইলন মাস্ক হতে পারবোনা । কিন্তু একজন ভালো মানুষ আমরা সবাই হতে পারব যাকে সমাজের কাজে লাগে। সমাজে ১০% মানুষ বড় কাজ করবে। আল্লাহ তাদের মেধা দিয়েছেন, ভালো পরিবার দিয়েছেন, সাহস দিয়েছেন - তারা জন্ম থেকেই কিছুটা আলাদা। কিন্তু বড় কাজ করতে পারছেন না মানে আপনি জীবনে সফল নয় - এটা ভাবা ঠিক নয়।...