ধার্মিক মানুষ খারাপ হয়না। বরং খারাপ মানুষরা ধর্মকে ব্যবহার করে খারাপ কাজ করে। ............... দাড়িওয়ালা একটা মানুষ খারাপ কাজ করে ধরা পড়লে যে পরিমান খুশি কিছু মানুষ হয় - সেটাও একধরনের ভন্ডামি। ভাবখানা এমন যে পৃথিবীর সব অন্যায় শুধু হুজুর রা করে। ............... সকল অন্যায় এর শাস্তি হোক, তা একজন হুজুর করুক আর যেই করুক। যে বিচার আমরা করতে পারছিনা, সে বিচার একদিন আল্লাহ করবেন, সো প্যারা নাই। ................ এই পৃথিবীতে সব কিছুর বিচার পায়না বলেই দিনশেষে মানুষ আল্লাহ কে বিলিভ করে। পৃথিবীতে সব বিচার পেয়ে গেলে মানুষ আরো বেশি আল্লাহকে ভুলে যেত।
==================================================
ইউনিভার্সিটিতে বইয়ের পড়া পড়ানো হয়।
মানবিকতা, দয়ামায়া ইত্যাদি ইউনিভার্সিটির পাঠ্য বিষয় না।
এসব শিখতে হয় ফ্যামিলি থেকে।
দেশের মানুষের জীবনের লক্ষ্য ছিল বিয়ে করে ইচ্ছামত সন্তান পয়দা করা।
এই সন্তান পয়দা করার উদ্দেশ্য ছিল - বুড়ো বয়সে সন্তানের কাছ থেকে খেয়ে আরাম আয়েশ করে জীবন কাটানো।
সন্তান হালাল-হারাম না চিনলে সমস্যা নেই। দয়াহীন, মায়াহীন দানব হলে সমস্যা নেই।
শুধু ইউনিভার্সিটি পাশ করে চাকরি জোগাড় করে ফ্যামিলির হাল ধরতে পারলেই হবে।
এরকম লোভী পূর্বপুরুষদের বংশধররা মুখোশধারী দানব না হয়ে ভাল মানুষ হবে কি করে?
এসব নিষ্ঠুর সন্তান পয়দা হওয়ার পেছনে তাদের বাবা মায়ের কেয়ারলেস প্যারেন্টিং অনেকাংশে বেশি দায়ী।
এসব নিষ্ঠুর দানবদের শাস্তির পাশাপাশি তাদের বাবা মাকে ও জিজ্ঞাসাবাদ করা উচিত।

Comments
Post a Comment