"আমাকে কেউ কেউ জিজ্ঞেস করেন : আমি নামায পড়ি কি-না? নামায অবশ্যই পড়ি। পাঁচ ওয়াক্তই পড়ি। এসব প্রশ্ন আমাকে বিচলিত করে না। তবে অবাক লাগে এটা ভেবে যে কোন দিন কেউ জানতে চায়নি, আমার উপার্জন হালাল কি-না, সত্য কথা বলি কি-না, মানুষের উপকার করি কি-না, পিতা-মাতার প্রতি দায়িত্ব পালন করি কি-না, চাকরির জায়গায় দায়িত্বশীল থাকি কি-না? আমার কাছে মনে হয় নামায-রোজা সহজ এসবের তুলনায়। নামায রোজা করে আমি যদি বেটার মানুষই না হই বরং তা আমার ধর্মের প্রতি অনেক বেশি অপমানজনক ও অবমাননাকর। আমার চারপাশে কিছু মানুষকে দেখি তাদের ভাবনা ভিন্ন। তাদের ধারণা নামাজ, রোজা করলেই আর যাকাত দিলেই আল্লাহ্ সব অসততা, দায়িত্বহীনতা, মিথ্যাচার ক্ষমা করে দেবেন। মানুষের কি ভুল ভাবনা। " ড. আসিফ নজরুল আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা
==============================================
১. বিয়েতে খরচ কমিয়ে আনুন।
২. ২ পক্ষ মিলে একটা প্রোগ্রাম করুন। সেই প্রোগ্রাম এ উভয়পক্ষের কাছের ১০০ জন মানুষ দাওয়াত করুন।
৩. খাবার আইটেম সাধারন রাখুন। মানুষ কে আপনি ১০ পদশখাওয়ালেও তারা খুঁত ধরবে।
৩. বরের ফুফার close friend সচিব, উনাকে এই বিয়েতে দাওয়াত দিয়ে আপনার status দেখানো দরকার নেই।
৪. ৫ জন এতীম বিয়ের প্রোগ্রাম এ দাওয়াত করুন।
৫.পোলাপান যারা বিয়ের দাওয়াত পাওয়ার জন্য বসে থাকে - তাদের বলুন,আললাহ আপনাকে দিবেন।
৬. যারা বিয়ের প্রোগ্রাম এ আসবেন তাদের বলে দিবেন কোন গিফট যেন না দেন।
৭. যদি গিফট দিতে হয়, টাকা দিবেন। ওভেন, খাবার plate, glass, বালতি, বদনা - এসব না দিয়ে টাকা দিলে তা বর কনের কাজে লাগে।
৮. খরচ করতে চাইলে ছেলে মেয়ে ২টা কে হানিমুন বা উমরা করতে পাঠান ১৫ দিনের জন্য।

Comments
Post a Comment