Skip to main content

সদ্য দাখিল পাশ করা শিক্ষার্থীদের প্রতি পরামর্শ


সদ্য দাখিল পাশ করা শিক্ষার্থীদের প্রতি পরামর্শ- এদিক- সেদিক দৌড়দৌড়ি না করে চোখ বন্ধ করে আলিমে ভর্তি হয়ে যাও। আলিম ১ম বর্ষ ও ২য় বর্ষ মিলে ক্লাসে সময় পাবে মাত্র দেড় বছরের মতো। অথচ এ অল্প সময়ের প্রস্তুতির উপর নির্ভর করবে তোমার ভবিষ্যৎ লেখা পড়ার গতিপথ। তুমি যদি মাদ্রাসা ছেড়ে দিয়ে কলেজে ভর্তি হও, তাহলে সেখানকার নতুন পরিবেশ ও আবহ বুঝতে-বুঝতেই অনেকটা সময় চলে যাবে। উপরন্তু ওখানকার মেধাবীদের সাথে দৌড়ে সমানতালে এগুতে গিয়ে হয়রানও হয়ে যেতে পারো। এতে করে নিজের ভীতর হীনমন্যতা তৈরি হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে। আর মাদ্রাসায় ভর্তি হলে পূর্ব পরিচিত পথে দুর্বার গতিতে এগুতে পারবে। কম কষ্টে আলিমে ভালো ফলাফল করা সহজ হবে। আলিম ক্লাসে জেনারেল সাবজেক্ট- এর সাথে সূরা নিসা থেকে সূরা তাওবাহ পর্যন্ত প্রায় ছয় পারা কুরআন অর্থ সহ সংক্ষিপ্ত তাফসির, মিশকাতুল মাসাবীহ'র কিতাবুল ইলম, কিতাবুস সালাত সহ বিভিন্ন বিষয়ে ১২শ- এর মতো হাদীছ পড়ার সুযোগ পাবে। সাথে আদব, ফিকহ, উসূলে ফিকহ, আদব, বালাগাত- মানতিক সহ আরো বিভিন্ন বিষয় তো আছেই। কলেজে গেলে এগুলো কিন্তু পুরোই মিস। আচ্ছা, মাদ্রাসা থেকে আলিম পাশ করার পর যদি মদীনা বিশ্ববিদ্যালয়, উম্মুল কোরা বিশ্ববিদ্যালয়, জামিয়াতুল ইমাম, আল আজহার বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ, তুরস্ক, মালয়েশিয়া সহ পৃথিবীর বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়ে বিশ্বসেরা ইসলামি স্কলার হওয়ার সুযোগ থাকে, তাহলে মাদ্রাসা ছেড়ে কলেজে যাবে কোন দুঃখে? শুধু রিযিক ও দুনিয়ার সম্মানের জন্য কুরআন- হাদিস পড়ার সুযোগ হাতছাড়া করবে? এটা করা কি ঠিক হবে? রিযিক তো মায়ের পেটে থাকতেই নির্ধারিত হয়ে গেছে। এটা তো বাড়বেও না, কমবেও না। আমাদের কাজ শুধু চেষ্টা করে যাওয়া। আমরা মাদ্রাসায় পড়ে কী, না খেয়ে আছি?? অর্থ- কড়ি কি আল্লাহ আমাদেরকেও কম দিয়েছেন? ছোট্ট এই জীবনে আর কত টাকাই বা দরকার? সব চেয়ে বড় দরকার তো দীনের পথে চলতে পারা। যেটা মাদ্রাসায় থাকলে সহজ হয়। আর ইজ্জত-সম্মান? সে তো ড, মিজানুর রহমান আজহারীর দিকে তাকালেই দেখতে পাবে। এতটুকু বয়সে তিনি যে সম্মান পেয়েছেন, ঠিক এই বয়সে বাংলাদেশে কতজন এতটা সম্মান পেয়েছেন?? এটাও কিন্তু শুধু কুরআনের কারণে। সুতরাং - হে কলিজার টুকরা প্রিয় সন্তানেরা! অযথা এদিক-সেদিক না গিয়ে, মাদ্রাসায় চলে আসো। আলিমে ভর্তি হয়ে ক্লাস শুরু করো।  

Md Abul Kalam Azad

 ১. মা ৯ মাস বহন করেন, বাবা ২৫ বছর ধরে বহন করেন, উভয়ই সমান, তবুও কেন বাবা পিছিয়ে আছেন তা জানেন না।

২. মা বিনা বেতনে সংসার চালায়, বাবা তার সমস্ত বেতন সংসারের জন্য ব্যয় করেন, উভয়ের প্রচেষ্টাই সমান, তবুও কেন বাবা পিছিয়ে আছেন তা জানেন না। ৩. মা আপনার যা ইচ্ছা তাই রান্না করেন, বাবা আপনি যা চান তা কিনে দেন, তাদের উভয়ের ভালবাসা সমান, তবে মায়ের ভালবাসা উচ্চতর হিসাবে দেখানো হয়েছে। জানিনা কেন বাবা পিছিয়ে। ৪. ফোনে কথা বললে প্রথমে মায়ের সাথে কথা বলতে চান, কষ্ট পেলে ‘মা’ বলে কাঁদেন। আপনার প্রয়োজন হলেই আপনি বাবাকে মনে রাখবেন, কিন্তু বাবার কি কখনও খারাপ লাগেনি যে আপনি তাকে অন্য সময় মনে করেন না? ছেলেমেয়েদের কাছ থেকে ভালবাসা পাওয়ার ক্ষেত্রে, প্রজন্মের জন্য, বাবা কেন পিছিয়ে আছে জানি না। ৫. আলমারি ভরে যাবে রঙিন শাড়ি আর বাচ্চাদের অনেক জামা-কাপড় দিয়ে কিন্তু বাবার জামা খুব কম, নিজের প্রয়োজনের তোয়াক্কা করেন না, তারপরও জানেন না কেন বাবা পিছিয়ে আছেন। ৬. মায়ের অনেক সোনার অলঙ্কার আছে, কিন্তু বাবার একটাই আংটি আছে যেটা তার বিয়ের সময় দেওয়া হয়েছিল। তবুও মা কম গহনা নিয়ে অভিযোগ করতে পারেন আর বাবা করেন না। তারপরও জানি না কেন বাবা পিছিয়ে। ৭. বাবা সারাজীবন কঠোর পরিশ্রম করেন পরিবারের যত্ন নেওয়ার জন্য, কিন্তু যখন স্বীকৃতি পাওয়ার কথা আসে, কেন জানি না তিনি সবসময় পিছিয়ে থাকেন। ৮. মা বলে, আমাদের এই মাসে কলেজের টিউশন দিতে হবে, দয়া করে আমার জন্য উৎসবের জন্য একটি শাড়ি কিনবে অথচ বাবা নতুন জামাকাপড়ের কথাও ভাবেননি। দুজনেরই ভালোবাসা সমান, তবুও কেন বাবা পিছিয়ে আছে জানি না। ৯. বাবা-মা যখন বুড়ো হয়ে যায়, তখন বাচ্চারা বলে, মা ঘরের কাজ দেখাশোনা করার জন্য অন্তত উপকারী, কিন্তু তারা বলে, বাবা অকেজো। ১০. বাবা পিছনে কারণ তিনি পরিবারের মেরুদণ্ড। আর আমাদের মেরুদণ্ড তো আমাদের শরীরের পিছনে। অথচ তার কারণেই আমরা নিজেদের মতো করে দাঁড়াতে পারছি। সম্ভবত, এই কারণেই তিনি পিছিয়ে আছেন...!!!! *জানিনা কে লিখেছে, কুড়িয়ে পাওয়া। সমস্ত বাবাদেরকে উৎসর্গ করছি * সালাম জানাই পৃথিবীর সকল বাবাদেরকে! ~সংগৃহীত~

Comments

Popular posts from this blog

মুমিনের জন্য মৃত্যু হলো উপহার

  প্রায়ই সকালে খবরে দেখি, দুর্ঘটনায় মানুষের মৃত্যু হয়েছে। কখনো মধ্যবয়স্ক কেউ, কখনো আবার শিশু। প্রত্যেকটি মৃত্যু সংবাদই আমাকে মনে করিয়ে দেয়, কার মৃত্যু কখন হবে সে সম্পর্কে আমরা কেউই জানি না, কিন্তু এটা আমাদের সাথেই থাকে সব সময়। আমার প্রিয় মানুষগুলোর সাথে একদিন আর দেখা হবেনা, এটাই সত্য আল্লাহ বলেন: “প্রত্যেক প্রাণীকেই মৃত্যুর স্বাদ নিতে হবে” (সূরা আল-ইমরান: ১৮৫) এই কঠিন সত্য আমরা জানি ঠিকই। কিন্তু দুনিয়ার সুখ-দুঃখের ভেতরে আমরা এতটাই বিভোর হয়ে থাকি যে মৃত্যু নিয়ে খুব কমই ভাবি। আমরা প্রায়ই মানুষের মৃত্যুকে দুর্ঘটনা বলে মনে করি। কিন্তু আদৌ কি তা সত্য? মৃত্যু কি সত্যিই কোনো দুর্ঘটনা? রাসুল (ﷺ) বলেছেন: “মুমিনের জন্য মৃত্যু হলো উপহার” (ইবনে মাজাহ, হাদিস ৪২৬১) রাসুল (ﷺ) কেন মৃত্যুকে উপহার বললেন, এই প্রশ্নটি গুরুত্বপূর্ণ। এখানে লক্ষ্য করার বিষয় হলো, তিনি বিশেষভাবে মুমিনদের কথা বলেছেন। সেই সব মানুষদের, যারা দুনিয়ার চেয়ে আল্লাহ তায়ালাকে বহু গুণ বেশি ভালোবাসে। মৃত্যুর মাধ্যমেই আমরা দুনিয়ার মায়া ত্যাগ করে প্রবেশ করি আরেক জীবনে। সেই জীবনের শুরু আছে, কিন্তু শেষ নেই। আর যদি আমরা মুমিন হই, ...

Narcissist স্বামী স্ত্রী

  Narcissist স্বামী স্ত্রীর সাফল্যে ঈর্ষান্বিত থাকেন : Narcissist স্বামী প্রায়ই স্ত্রীর সাফল্যে প্রচণ্ড ঈর্ষান্বিত থাকেন। ধরুন, স্ত্রী আর্থিকভাবে বা সামাজিকভাবে স্বামীর চেয়ে বেশি capable, কিংবা তার চেয়ে উচ্চপদে কাজ করছেন। এমন ক্ষেত্রে, যদিও তিনি স্ত্রীর আয় ভোগ করেন, তবুও এ বিষয়ে তিনি খুশি নন; বরং এটি তাকে ইনসিকিওর ফিল করায়। স্ত্রীর সামাজিক পরিসর (social circle) যদি বড় হয় বা তার বেশি বন্ধু-বান্ধব থাকে, সেখানেও তিনি নিজেকে ইনসিকিওর মনে করেন। সবচেয়ে বেশি ইনসিকিওর অনুভব করেন যখন স্ত্রীর rank বা পদমর্যাদা তার চেয়ে উচ্চ হয়। ধরুন, স্বামী একটি প্রতিষ্ঠানে একটি পদে কাজ করছেন, কিন্তু স্ত্রী হয়তো আরও উচ্চ পদে রয়েছেন। তখন Narcissist স্বামী খুবই ইনসিকিওর ফিল করেন। ক্লিনিক্যাল প্র্যাকটিসে ফাইন্যান্স, সামাজিক পরিসর, এবং পদমর্যাদার ক্ষেত্রে আমরা প্রায়ই দেখি যে স্ত্রীর rank স্বামীর চেয়ে উচ্চ হলে Narcissist স্বামী প্রচণ্ড ইনসিকিওর ফিল করেন। যেমন, স্ত্রী যদি কোনো প্রতিষ্ঠানে ম্যানেজার হন, তিনি বলবেন, “তুমি ম্যানেজার, কিন্তু বাসায় কিছুই ম্যানেজ করতে পারো না; তুমি মানুষকে ক...

জীবনকে অপ্রয়োজনে কষ্টকর করি

  অনেকেই জীবনে খুব বড় হতে চান । বড় কাজ করতে চান, বড় বিজনেস করতে চান, দেশ পরিবর্তন করতে চায়। খুব ভাল এই চাওয়া গুলো। মন বড় রাখাই উচিত । কিন্তু এর পাশা পাশি আমরা যেটা ভুলে যাই যে, অনেক ছোট ছোট কাজেও কিন্তু সাফল্য এবং জীবনের সার্থকতা লুকিয়ে থাকে। আপনি প্রতিদিন নামাজ পড়ছেন ৫ বার । এটাও বড় সাফল্য । আপনি সত্য কথা বলার চেষ্টা করেন, এটাও সাফল্য । আপনি করো ক্ষতি করেন না। পরিবারের বিপদে আপদে পাশে থাকেন। রোজ একজন মানুষ কে খাওয়ান। আপনি ৯ টার অফিসে ৯ টায় হাজির হন, কাজে ফাঁকি দেন না। এসব কিছুই বিশাল সাফল্য । আমরা কেন জানি এসব ছোট ছোট কাজ কে সাফল্য মনে করি না। আমরা শুধু জীবনে ফাটায় ফেলতে চাই। এবং তা করতে যেয়ে জীবনকে অপ্রয়োজনে কষ্টকর করি। সবাইকে দিয়ে সব কাজ হয় না। আমি আপনি চাইলেই ইলন মাস্ক হতে পারবোনা । কিন্তু একজন ভালো মানুষ আমরা সবাই হতে পারব যাকে সমাজের কাজে লাগে। সমাজে ১০% মানুষ বড় কাজ করবে। আল্লাহ তাদের মেধা দিয়েছেন, ভালো পরিবার দিয়েছেন, সাহস দিয়েছেন - তারা জন্ম থেকেই কিছুটা আলাদা। কিন্তু বড় কাজ করতে পারছেন না মানে আপনি জীবনে সফল নয় - এটা ভাবা ঠিক নয়।...