উপকার না করতে পারার সংশয়? আমাদের আশেপাশে আমরা এমন অনেক মানুষ দেখতে পাই যারা অন্যের উপকার করতে ভালোবাসে। উপকার একটি মানবিক গুন। কিন্তু কিছু ক্ষেত্রে, এই মানুষগুলো যারা উপকার করতে পছন্দ করেন, তারা অন্যকে Favour করতে না পারলে নিজেদের মধ্যের Mental Peace-টা কোথায় যেন হারিয়ে ফেলেন। সারাক্ষণ তাদের মধ্যে অস্থিরতা কাজ করে। এ ধরনের মানুষেরা তাদের Boundary-এর বাইরে গিয়ে মানুষের উপকার করতে চান, People Pleasing করতে চান। সাইকোলজিতে এর একটা টার্ম আছে, যাকে বলা হয় Sociotropy। এটি এক ধরনের Personality Trait, এটি যাদের মাঝে থাকে, তারা অতিরিক্ত People Pleasing-এ ব্যস্ত থাকেন। এরা অন্যের কাছ থেকে Validation পেতে যেকোনো কিছু করতে প্রস্তুত থাকে। তাদের যদি এতে নিজের সীমানা ও অতিক্রম করা লাগে, এতেও তাদের আপত্তি থাকে না। এদের Worth ডিপেন্ড করে অন্য মানুষ তাদেরকে কীভাবে দেখছে তার উপর। আপনি যদি এমন People Pleaser হয়ে থাকেন, তাহলে একটু চেষ্টা করলেই এই অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসা সম্ভব। এই Personality টা একটা Toxic Trait, যা আপনাকে ভিতরে ভিতরে নীরব ঘাতকের মতো শেষ করে দিতে পারে। আপনার মনে রাখতে হবে, it’s okay to put yourself first। আপনি একজন আলাদা Individual হিসেবে পৃথিবীতে এসেছেন, এবং আপনারও কিছু Unique Qualities আছে। তাই আপনার Strong হওয়ার জন্য অন্য কারো Validation এর প্রয়োজন নেই।
------------------------------------------------------------------------------------------------------
মানসিক চাপ দূর করতে করণীয়!
রোজকার জীবনে আমাদেরকে প্রতিনিয়তই নানা ধরনের মানসিক চাপ, টেনশন বা দুশ্চিন্তার সম্মুখীন হতে হয়। এমন ও অনেক সময় হয়ত আমাদের সামনে আসে, যখন এই চাপ বা Stress এতই বেড়ে যায়, যে আমরা কীভাবে এর সাথে নিজেকে খাপ খাইয়ে চলবো বা ম্যানেজ করবো, তা বুঝে উঠতে পারি না।
এক্ষেত্রে কিছু পদ্ধতি অবলম্বন করা যেতে পারে, যা পরবর্তীতে আমাদের Stress Management-এ কাজে আসতে পারে।
✔ কাছের মানুষ বা বন্ধু-বান্ধবদের সাথে কথা শেয়ার করা যেতে পারে। তবে এখানে একটা জিনিস অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে, যাদের সাথে আমরা কথাগুলো বলছি, তারা যদি আমাদের কথা শোনার পর আমাদের উপহাস করেন, তাহলে অবশ্যই এটি আমাদের উপকারে আসবে না।
✔ পছন্দের কাজগুলো করা যেতে পারে। যেমন: বই পড়া, গান শোনা, গান গাওয়া, ছবি আঁকা, মুভি দেখা। এছাড়াও যার যার শখের কাজগুলো করা যেতে পারে।
✔ সবসময় ইতিবাচক চিন্তা করার চেষ্টা করতে হবে। সবসময় Optimistic থাকা বা Positive Thinking বজায় রাখা একটি বেশ কঠিন কাজ। কিন্তু আমরা যদি প্রতিদিন একটু একটু করে চেষ্টা করি, আমরা আমাদের নেতিবাচক চিন্তাগুলো থেকে বের হয়ে আসতে পারবো।
✔ কিছু কিছু ক্ষেত্রে ডায়েরি লেখা মানসিক চাপ কমাতে অনেক উপকারী। আমাদের দুশ্চিন্তা, টেনশন, ইত্যাদি বিষয় নিয়ে ডায়েরিতে লেখালেখি করা মানসিক চাপ কমাতে সক্ষম।
✔ একটি রুটিন মেইন্টেইন করে নিজের জীবনকে গুছিয়ে নিতে পারলে দেখা যায় আমাদের মধ্যকার অস্বস্তি, মানসিক চাপ অনেকটাই কমে আসে। অগোছালো জীবন, ঠিকমতো না খাওয়া, না ঘুমানো Stress বাড়িয়ে তুলতে পারে।

Comments
Post a Comment