Skip to main content

Somatic Symptom Disorder কি!

 


Somatic Symptom Disorder কি!

আমাদের মাঝে কিছু কিছু মানুষ দেখা যায়, যারা প্রায় সময়েই তাদের বিভিন্ন শারীরিক সমস্যার Complain করে থাকেন। হয়ত তাদের পিঠে ব্যথা, মাথাব্যথা বা প্রচণ্ড পেটে ব্যথা। কিন্তু অনেক ধরনের ডাক্তার দেখানোর এবং টেস্ট করানোর পরেও তাদের কোন সমস্যা খুঁজে পাওয়া যায় না। এর কারণ হচ্ছে তাদের এই শারীরিক সমস্যাগুলো একটি সাইকোলজিক্যাল Disorder-এর ফলে দেখা দেয়, যা Somatic Symptom Disorder হিসেবে পরিচিত। এই ধরনের রোগীরা তাদের যেকোনো সাধারণ শারীরিক সমস্যা কে অনেক বেশি Overthinking করে ফেলেন, যার কারণে তাদের মনে হতে থাকে তারা বড় কোন অসুখে পড়ে গেছেন। হয়ত তেমন কিছুই হয়নি, কিন্তু তারা মনে মনে ধরেই নেন যে তারা অনেক বেশি অসুস্থ। এই রোগটি অনেক সময় জেনেটিক্যালি একজনের মধ্যে আসতে পারে, এছাড়াও যাদের দীর্ঘদিন Anxiety-এর সমস্যা থাকে, তাদের মধ্যেও Somatic Symptom Disorder হওয়ার সম্ভবনা থাকে।

--------------------------------------------------------------------------------------------------------------------Anxiety কন্ট্রোল করবেন কীভাবে?
Anxiety বা উদ্বেগ বর্তমানের অনেক কমন একটি সমস্যা। কোনো বিষয় নিয়ে অহেতুক চিন্তা করা এই Anxiety-র একটি অংশ। এটি মূলত কোন ধরনের জরুরি কাজের পূর্বে বা পরীক্ষা বা মিটিং এর আগে বেশী দেখা যায়। Anxiety-র বিষয়টি এমন, যা সারাক্ষণ একজন মানুষকে চিন্তা করতে বাধ্য করে এবং দৈনন্দিন কাজগুলো বাধাগ্রস্ত করে। অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যায় যে Anxiety হচ্ছে, কিন্তু আমরা তা সঠিক ধারণা না থাকার কারণে তা Identify করতে পারি না। Anxiety-তে সাধারণত অস্থিরতা কাজ করে, শরীর ঘামাতে থাকে, হাত পা কাঁপে, Public Speaking-এ ভয় ইত্যাদি নানা লক্ষণ প্রকাশ পেতে থাকে। তাই যখন আমরা বুঝতে পারবো যে আমাদের Anxiety হচ্ছে, তখন জরুরি অবস্থাতে কিছু Step ফলো করতে পারি। আমরা Random Counting করতে পারি, মনে মনে কিছু Random যোগ-বিয়োগ করতে পারি, এতে করে এটি আমাদের অস্থিরতা কমাতে সাহায্য করবে। এছাড়াও আমরা সাইকেল চালানো, সাঁতার কাটা, নিজের শখের কাজগুলো করা, Breathing Exercise এগুলো অনুশীলন করতে পারি। তবে যদি কখনো এমন মনে হয়, যে Anxiety কন্ট্রোলের বাইরে চলে যাচ্ছে, তখন অবশ্যই একজন Mental Health Expert-এর শরণাপন্ন হতে হবে।
-----------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------


ওজন কমানোর প্রবণতা? আমাদের বর্তমান সময়ের অনেক বেশি পরিচিত একটি Term হচ্ছে Body Shaming, যার কারণে আমরা অনেক মানুষ, বিশেষ করে টিনএজারদের অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস Maintain করতে দেখি। একারণে অনেকে খাবার খেতে চায় না, বা খেলেও তা আঙুল দিয়ে বমি করে ফেলে দেয়ার প্রবণতা তাদের মধ্যে কাজ করে। এ জাতীয় সমস্যা থেকেই মূলত Anorexia Nervosa এবং Bulimia Nervosa দেখা দেয়। এই Eating Disorder-এর যারা ভুগে থাকেন, তাদের মধ্যে প্রায়শই বয়স অনুযায়ী কম ওজন বা অপুষ্টির সমস্যা লক্ষ্য করা যায়। Anorexia Nervosa যখন প্রকট হয়ে দেখা দেয়, তখন অনেকেই খাবার কম খাওয়ার ফলে অন্যান্য শারীরিক জটিলতায় ভুগেন এবং বেশ কিছু ক্ষেত্রে মা*রা*ও যান। প্যারেন্টস, বিশেষ করে যাদের Mid Teen বয়সী ছেলে মেয়ে আছে, তাদের অবশ্যই তাদের সন্তানদের খাবারের রুটিনের দিকে খেয়াল রাখতে হবে, এবং তারা তাদের বয়স অনুযায়ী সঠিক পুষ্টি পাচ্ছে কিনা তার দিকেও নজর রাখতে হবে।

--------------------------------------------------------------------------------------------------------

বিয়েই কি সবকিছুর সমাধান? আমাদের সমাজের খুবই প্রচলিত একটি ভুল ধারণা হলো, ছেলে বা মেয়ের কোন মানসিক সমস্যা থেকে থাকলে বিয়ে দিলে সব ঠিক হয়ে যাবে। আবার অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায় ছেলের কোন বাজে অভ্যাস আছে, হয়ত কোন খারাপ নেশা আছে, বা খারাপ সঙ্গ আছে, সেক্ষেত্রে দেখা যায় অনেকেই ভাবে যে, বিয়ে দিলে সব সমাধান হয়ে যাবে। এটি একটি সম্পূর্ণ ভুল ধারণা। বিয়ে কোন রোগের ওষুধ নয়, এবং এটি কোন সমস্যার সমাধান নয়! কোন ছেলে বা মেয়ে যার মানসিক রোগ আছে, তার অবশ্যই চিকিৎসা না করিয়ে বিয়ে দেয়ার মতো Decision নেয়া উচিত নয়। তার মানে কিন্তু এই নয়, যে মানসিক রোগীদের কখনই বিয়ে দেয়া সম্ভব না। অবশ্যই একজন মানসিক রোগী বিয়ে করতে পারবেন, যদি তিনি সঠিক চিকিৎসার মাধ্যমে সুস্থ হয়ে উঠেন এবং কমপক্ষে ৬ মাস থেকে ১ বছর সুস্থভাবে জীবন যাপন করতে পারেন। বিয়ের পূর্বে অবশ্যই যার সাথে বিয়ে হচ্ছে, তার পরিবার পর্যায়ে মানসিক রোগের বিষয়টি জানিয়ে নিতে হবে, যাতে তারা মানসিকভাবে প্রস্তুত থাকতে পারেন এবং একটি Informed Decision নিতে পারেন। সঠিক চিকিৎসার মাধ্যমে মানসিক রোগীরাও সুস্থ বৈবাহিক জীবন অতিবাহিত করতে পারে।

Comments

Popular posts from this blog

মুমিনের জন্য মৃত্যু হলো উপহার

  প্রায়ই সকালে খবরে দেখি, দুর্ঘটনায় মানুষের মৃত্যু হয়েছে। কখনো মধ্যবয়স্ক কেউ, কখনো আবার শিশু। প্রত্যেকটি মৃত্যু সংবাদই আমাকে মনে করিয়ে দেয়, কার মৃত্যু কখন হবে সে সম্পর্কে আমরা কেউই জানি না, কিন্তু এটা আমাদের সাথেই থাকে সব সময়। আমার প্রিয় মানুষগুলোর সাথে একদিন আর দেখা হবেনা, এটাই সত্য আল্লাহ বলেন: “প্রত্যেক প্রাণীকেই মৃত্যুর স্বাদ নিতে হবে” (সূরা আল-ইমরান: ১৮৫) এই কঠিন সত্য আমরা জানি ঠিকই। কিন্তু দুনিয়ার সুখ-দুঃখের ভেতরে আমরা এতটাই বিভোর হয়ে থাকি যে মৃত্যু নিয়ে খুব কমই ভাবি। আমরা প্রায়ই মানুষের মৃত্যুকে দুর্ঘটনা বলে মনে করি। কিন্তু আদৌ কি তা সত্য? মৃত্যু কি সত্যিই কোনো দুর্ঘটনা? রাসুল (ﷺ) বলেছেন: “মুমিনের জন্য মৃত্যু হলো উপহার” (ইবনে মাজাহ, হাদিস ৪২৬১) রাসুল (ﷺ) কেন মৃত্যুকে উপহার বললেন, এই প্রশ্নটি গুরুত্বপূর্ণ। এখানে লক্ষ্য করার বিষয় হলো, তিনি বিশেষভাবে মুমিনদের কথা বলেছেন। সেই সব মানুষদের, যারা দুনিয়ার চেয়ে আল্লাহ তায়ালাকে বহু গুণ বেশি ভালোবাসে। মৃত্যুর মাধ্যমেই আমরা দুনিয়ার মায়া ত্যাগ করে প্রবেশ করি আরেক জীবনে। সেই জীবনের শুরু আছে, কিন্তু শেষ নেই। আর যদি আমরা মুমিন হই, ...

Narcissist স্বামী স্ত্রী

  Narcissist স্বামী স্ত্রীর সাফল্যে ঈর্ষান্বিত থাকেন : Narcissist স্বামী প্রায়ই স্ত্রীর সাফল্যে প্রচণ্ড ঈর্ষান্বিত থাকেন। ধরুন, স্ত্রী আর্থিকভাবে বা সামাজিকভাবে স্বামীর চেয়ে বেশি capable, কিংবা তার চেয়ে উচ্চপদে কাজ করছেন। এমন ক্ষেত্রে, যদিও তিনি স্ত্রীর আয় ভোগ করেন, তবুও এ বিষয়ে তিনি খুশি নন; বরং এটি তাকে ইনসিকিওর ফিল করায়। স্ত্রীর সামাজিক পরিসর (social circle) যদি বড় হয় বা তার বেশি বন্ধু-বান্ধব থাকে, সেখানেও তিনি নিজেকে ইনসিকিওর মনে করেন। সবচেয়ে বেশি ইনসিকিওর অনুভব করেন যখন স্ত্রীর rank বা পদমর্যাদা তার চেয়ে উচ্চ হয়। ধরুন, স্বামী একটি প্রতিষ্ঠানে একটি পদে কাজ করছেন, কিন্তু স্ত্রী হয়তো আরও উচ্চ পদে রয়েছেন। তখন Narcissist স্বামী খুবই ইনসিকিওর ফিল করেন। ক্লিনিক্যাল প্র্যাকটিসে ফাইন্যান্স, সামাজিক পরিসর, এবং পদমর্যাদার ক্ষেত্রে আমরা প্রায়ই দেখি যে স্ত্রীর rank স্বামীর চেয়ে উচ্চ হলে Narcissist স্বামী প্রচণ্ড ইনসিকিওর ফিল করেন। যেমন, স্ত্রী যদি কোনো প্রতিষ্ঠানে ম্যানেজার হন, তিনি বলবেন, “তুমি ম্যানেজার, কিন্তু বাসায় কিছুই ম্যানেজ করতে পারো না; তুমি মানুষকে ক...

জীবনকে অপ্রয়োজনে কষ্টকর করি

  অনেকেই জীবনে খুব বড় হতে চান । বড় কাজ করতে চান, বড় বিজনেস করতে চান, দেশ পরিবর্তন করতে চায়। খুব ভাল এই চাওয়া গুলো। মন বড় রাখাই উচিত । কিন্তু এর পাশা পাশি আমরা যেটা ভুলে যাই যে, অনেক ছোট ছোট কাজেও কিন্তু সাফল্য এবং জীবনের সার্থকতা লুকিয়ে থাকে। আপনি প্রতিদিন নামাজ পড়ছেন ৫ বার । এটাও বড় সাফল্য । আপনি সত্য কথা বলার চেষ্টা করেন, এটাও সাফল্য । আপনি করো ক্ষতি করেন না। পরিবারের বিপদে আপদে পাশে থাকেন। রোজ একজন মানুষ কে খাওয়ান। আপনি ৯ টার অফিসে ৯ টায় হাজির হন, কাজে ফাঁকি দেন না। এসব কিছুই বিশাল সাফল্য । আমরা কেন জানি এসব ছোট ছোট কাজ কে সাফল্য মনে করি না। আমরা শুধু জীবনে ফাটায় ফেলতে চাই। এবং তা করতে যেয়ে জীবনকে অপ্রয়োজনে কষ্টকর করি। সবাইকে দিয়ে সব কাজ হয় না। আমি আপনি চাইলেই ইলন মাস্ক হতে পারবোনা । কিন্তু একজন ভালো মানুষ আমরা সবাই হতে পারব যাকে সমাজের কাজে লাগে। সমাজে ১০% মানুষ বড় কাজ করবে। আল্লাহ তাদের মেধা দিয়েছেন, ভালো পরিবার দিয়েছেন, সাহস দিয়েছেন - তারা জন্ম থেকেই কিছুটা আলাদা। কিন্তু বড় কাজ করতে পারছেন না মানে আপনি জীবনে সফল নয় - এটা ভাবা ঠিক নয়।...