বু*লিং সমস্যায় মা-বাবার করণীয়! বু*লিং হলো যখন কেউ বারবার এবং ইচ্ছাকৃতভাবে কারো ওপর কোন কথা বা কাজ দ্বারা তাদের দুঃখ, মানসিক চাপ এবং কষ্ট দেয়। এতে মানুষের মানসিক ও শারীরিক সুস্থতার ঝুঁকিও থাকে। আমাদের বর্তমান সমাজের প্রেক্ষিতে, বু*লিং অনেক কমন একটি ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। মা-বাবা হিসেবে সন্তানকে স্কুলে পাঠাতে গেলেও তাদের মনে একটি শঙ্কা রয়ে যায়, যে সন্তান স্কুলে বু*লিং এর স্বীকার হচ্ছে কিনা! তারা নিরাপদ আছে কিনা! তাই, সন্তানকে কেউ বু*লি করছে কি না সেটা যেমন খেয়াল রাখা দরকার, তেমনি ছেলে-মেয়ে কেউ বু*লিং এর স্বীকার হলে তাদের কীভাবে প্যারেন্ট হিসেবে সামাল দেয়া যায়, তাও জানা জরুরি। ✅ প্রথমেই, সন্তানের সাথে বসে কথা বলতে হবে। তাদের কাছ থেকে কোনো প্রকার Judgement ছাড়াই শুনতে হবে, তাদের কে এবং কেন বু*লি করছে। এখানে সবচেয়ে Important হচ্ছে, তাদের অবস্থার সাথে নিজেদের তুলনা না করা, কারণ, তাদের শৈশবের সময় আর আমাদের শৈশবের সময় এবং Situation কোনোটাই এক না। ✅ দ্বিতীয়ত, তাদের কাছে বু*লিং এর কারণ জেনে অবশ্যই অতিরিক্ত React করা উচিত না, বরং তাদের মাথা ঠান্ডা মাথায় এই অবস্থা গুলো Handle করার শিক্ষা দিতে হবে। এছাড়াও, সন্তানকে Empowered করে দেয়া খুবই জরুরি, আত্মবিশ্বাসের সাথে কীভাবে এমন Bully করা মানুষদের সাথে Deal করতে হবে এটি তাদের শেখানো অত্যন্ত প্রয়োজনীয়, যাতে তারা তাদের পরবর্তী জীবনে গিয়ে এ জাতীয় সকল Situation একাই সামাল দিতে পারে।
Tension ও মানসিক চাপ দূর করবো কীভাবে?
মানসিক চাপ আমাদের জীবনেরই একটি অংশ। চলতে ফিরতে জীবনের বিভিন্ন পদক্ষেপে আমরা মানসিক চাপ এবং টেনশনের সম্মুখীন হই। Constant Tension আমাদের শারীরিক ঝুঁকির কারণও হতে পারে। তাই, মানসিক চাপ বা Tension কমানোর কিছু উপায় জেনে নেয়া আমাদের জন্য খুবই জরুরি।
✔ মানসিক চাপ দূর করতে নিয়মিত ব্যায়াম বা শরীরচর্চা অত্যন্ত উপকারী। এটি আমাদের মানসিক চাপ তৈরি কারক Hormone কমাতে সাহায্য করে।
✔ Balanced Diet খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি ব্যাপার। আমাদের অনেকেরই টেনশনে খেতে ইচ্ছে হয় না বা অনেকেই না খেয়ে থাকি। এটি করলে আমাদের যেমন শারীরিক দুর্বলতা বাড়ে, তেমনি টেনশন দূর করার পদক্ষেপ গুলোও আমরা নিতে পারি না। তাই, আমাদের যত খারাপই লাগুক না কেন, অবশ্যই নিয়মিত ও পরিমিত খাবার খেতে হবে।
✔ এছাড়াও দেখা যায় অনেকে Tension বা মানসিক চাপে থাকলে অতি মাত্রায় ক্যাফেইন জাতীয় পানীয়ের উপর নির্ভর হয়ে পড়ি। এটি সাময়িক ভাবে টেনশন দূর করলেও, পরে Permanent Mental Stress-এর কারণ হিসেবে যুক্ত হয়। তাই, এই সময়টায় আমাদের যত সম্ভব বেশি বেশি চা বা কফি পান করা থেকে বিরত থাকতে হবে।
✔ ঘুম যদি পরিমিত না হয়, তাহলে সেটা মানসিক চাপ বা Tension বাড়ার উপাদান হিসেবে কাজ করে, তাই আমাদের অবশ্যই প্রতিদিন কমপক্ষে ৭-৮ ঘণ্টা ঘুমাতে হবে।
Eating Disorder আছে কি না বুঝবো কীভাবে?
আমাদের বর্তমান সমাজে Eating Disorder-এ ভুগছে এমন মানুষের সংখ্যা আশঙ্কাজনক হারে বেড়েছে। এর মাঝে অনেকেই আছেন যারা হয়ত জানেই না যে তারা Eating Disorder-এ ভুগছেন। কিছু জিনিস খেয়াল করলেই আমরা বুঝতে পারবো যে কেউ Eating Disorder এর দিকে ধাবিত হচ্ছে কি না!
✅ প্রথমত, যে এই ডিসঅর্ডারে ভুগে, তার ওজন তার বয়স অনুযায়ী ঠিক থাকলেও, তার সর্বদাই মনে হতে থাকে ‘আমার ওজন বেশি, আমাকে ওজন কমাতে হবে’। এই ধারণা থেকে সে ক্যালোরি Intake কম করে এবং খাওয়ার পর Induce Vomiting করার চেষ্টা করে, অর্থাৎ জোর করে বমি করে। অনেক সময় সে অতিরিক্ত ব্যায়াম করাও শুরু করে।
✅ দ্বিতীয়ত, পরিপূর্ণ পুষ্টির অভাবে সে যে একটা Serious Condition-এ চলে যাচ্ছে, এটি সে একেবারেই বুঝতে পারে না। এছাড়াও, ওজন অনেক কমানোর পরেও তার সবসময় মনে হতে থাকবে সে মোটা হয়ে যাচ্ছে, তার ওজন বেড়ে যাচ্ছে। তার মধ্যে প্রচণ্ড ভয় কাজ করতে থাকবে এবং তার ওজন খুব দ্রুত কমতে থাকে। এই পর্যায়ে ভুক্তভোগী মানুষের পরিবারের বা আশেপাশের মানুষদের অবশ্যই প্রয়োজনীয় Step নিতে হবে এবং অবস্থা বুঝে একজন বিশেষজ্ঞের পরামর্শ গ্রহণ করতে হবে।
OCD কেন হয় ও এর লক্ষণ কি?
OCD বা Obsessive Compulsive Disorder একটি সাইকিয়াট্রিক Disorder, এটি মস্তিষ্কে কিছু Neurotransmitter Imbalance-এর জন্য হয়ে থাকে। এছাড়াও, অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায় যদি কেউ হঠাৎ করে কোন ধরনের Stress-এ পড়ে, তখন এই রোগ দেখা দিতে পারে। এটি অনেকের এমনিতেই হতে পারে, আবার Stressed হলে এর প্রকোপ আরও বেড়ে যেতে পারে।
OCD-তে মূলত মানুষের সর্বক্ষণ পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা বা কোন ধরনের কাজ নিয়ে অস্বাভাবিক রকমের Obsession কাজ করে। কিছু কিছু মানুষের ক্ষেত্রে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার প্রবণতা অনেক বেড়ে যায়, তাদের সবসময় মনে হতে থাকে, যে তার আশেপাশের সবকিছু নোংরা হয়ে আছে, তার হাতে পায়ে ময়লা লেগে আছে। সে সারাক্ষণ হাত পা ধুতে থাকে এবং তার মধ্যে মেজাজের রুক্ষতা দেখা যায়।
এই Obesessive Compulsive Disorder-এর লক্ষণ সমূহ অনেক সময়েই রোগীর পরিবার বা আশেপাশের মানুষজন বুঝতে পারে না। যার ফলে রোগীর অবস্থার ধীরে ধীরে অবনতি হতে থাকে। তাই, কোন মানুষের মাঝে OCD-এর কোন লক্ষণ দেখা দিলে তা অগ্রাহ্য না করে অবস্থা বুঝে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া উচিত।

Comments
Post a Comment