Skip to main content

২০ আমল


 ১. ঘুমানোর আগে তাহাজ্জুদ পড়ার নিয়ত করা।

২. ঘুম থেকে উঠার পর দোয়া পড়া, মেসওয়াক করা। ৩. ওযুর করার পড়ে কালেমায়ে শাহাদাত পাঠ করা, ওযুর সময় মেসওয়াক করা। ৪. রাতে তাহাজ্জুদ নামাজ পড়া। কমকরে ২রাকাত। ৫. গোসল ফরজ হলে ফযরের আগে গোসল করা। ৬. আযান শোনা ও আযানের উত্তর দেওয়া। ৭.ফযরের সুন্নত ও ফরজ আদায় করা। নামাজ শেষে সুন্নত সকল দোয়া পড়া। ৮. সূর্যোদ্বয়ের আগে কোরআন তিলাওয়াত করা। ৯. সূর্যোদ্বয়ের পরে ইশরাকের নামাজ আদায় করা। ১০. প্রতিদিন সুন্নাত ও নফল নামাজ আদায় করা। ১১. আল্লাহর জিকির করা কাজে ফাকে ফাঁকে। যে সময় মুখের কাজ থাকে না, হাতে কাজ করছেন তখন জিকির করুন মনে মনে। ১২. সময়মতো ফযর, যোহর, আছর, মাগরিব ও এশার নামাজ আদায় করা, নামাজে যত্নশীল হওয়া। ধীরে ধীরে নামাজ আদায় করা। মনে রাখবেন নামাজে সময় দিচ্ছেন মানে আল্লাহকে সময় দিচ্ছেন। ১৩. প্রতি ফরয নামাজের পর আয়াতুল কুরসি, ৩ কুল পাঠ করা,, ৩৩বার সুবহানাল্লাহ, ৩৩বার আলহামদুলিল্লাহ, ৩৪বার আল্লাহুআকবার পড়া। ১৪.প্রতি সোম ও বৃহস্পতিবার সুন্নত রোজা রাখা। ১৫. প্রতি আরবি মাসে মাঝের তারিখে ১৪,১৫,১৬ তারিখ রোজা রাখা। ১৬. প্রতি শুক্রবার সূরা কাহাফ তিলাওয়াত করা, জামাতে নামাজ পড়া। ১৭. প্রতিদিন সূরা ওয়াকিয়াহ ও সূরা ইয়াসিন অর্থ বুঝে তিলাওয়াত করা। ১৮. প্রতিরাতে ঘুমানোর আগে সূরা মূলক ও সূরা বাক্কারার শেষ ২ আয়াত তিলাওয়াত করা। ১৯.প্রতিরাতে ঘুমানোর আগে ওযু করা, আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাওয়া। আর সবাইকে ক্ষমা করে দেওয়া। ২০. দিনে অন্তত ১০০বার ইস্তেগফার করা। *প্রতি দিন ১০ বার সূরা ইখলাস পড়ে জান্নাতে একটি প্রাসাদ তৈরি করবে। *"লা হাওলা ওয়ালাকুয়াতা ইল্লাবিল্লাহ" বেশি বেশি পড়বে। রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, "লা হাওলা ওয়ালাকুয়াতা ইল্লাবিল্লাহ" হলো জান্নাতের গুপ্তধন। *সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি সুবহানাল্লাহিল আযীম, বেশী বেশী পড়.! * আল্লাহর নাম গুলো মুখস্ত করা শুরু করবে, যে ব্যাক্তি আল্লাহর নামগুলো মুখস্ত করবে সে জান্নাতি! আল্লাহ সবাইকে হেদায়েত দান করুন এবং সবাইকে বেশি বেশি আমল করার তৌফিক দান করুন। আ-মীন.🤲

Comments

Popular posts from this blog

মুমিনের জন্য মৃত্যু হলো উপহার

  প্রায়ই সকালে খবরে দেখি, দুর্ঘটনায় মানুষের মৃত্যু হয়েছে। কখনো মধ্যবয়স্ক কেউ, কখনো আবার শিশু। প্রত্যেকটি মৃত্যু সংবাদই আমাকে মনে করিয়ে দেয়, কার মৃত্যু কখন হবে সে সম্পর্কে আমরা কেউই জানি না, কিন্তু এটা আমাদের সাথেই থাকে সব সময়। আমার প্রিয় মানুষগুলোর সাথে একদিন আর দেখা হবেনা, এটাই সত্য আল্লাহ বলেন: “প্রত্যেক প্রাণীকেই মৃত্যুর স্বাদ নিতে হবে” (সূরা আল-ইমরান: ১৮৫) এই কঠিন সত্য আমরা জানি ঠিকই। কিন্তু দুনিয়ার সুখ-দুঃখের ভেতরে আমরা এতটাই বিভোর হয়ে থাকি যে মৃত্যু নিয়ে খুব কমই ভাবি। আমরা প্রায়ই মানুষের মৃত্যুকে দুর্ঘটনা বলে মনে করি। কিন্তু আদৌ কি তা সত্য? মৃত্যু কি সত্যিই কোনো দুর্ঘটনা? রাসুল (ﷺ) বলেছেন: “মুমিনের জন্য মৃত্যু হলো উপহার” (ইবনে মাজাহ, হাদিস ৪২৬১) রাসুল (ﷺ) কেন মৃত্যুকে উপহার বললেন, এই প্রশ্নটি গুরুত্বপূর্ণ। এখানে লক্ষ্য করার বিষয় হলো, তিনি বিশেষভাবে মুমিনদের কথা বলেছেন। সেই সব মানুষদের, যারা দুনিয়ার চেয়ে আল্লাহ তায়ালাকে বহু গুণ বেশি ভালোবাসে। মৃত্যুর মাধ্যমেই আমরা দুনিয়ার মায়া ত্যাগ করে প্রবেশ করি আরেক জীবনে। সেই জীবনের শুরু আছে, কিন্তু শেষ নেই। আর যদি আমরা মুমিন হই, ...

জীবনকে অপ্রয়োজনে কষ্টকর করি

  অনেকেই জীবনে খুব বড় হতে চান । বড় কাজ করতে চান, বড় বিজনেস করতে চান, দেশ পরিবর্তন করতে চায়। খুব ভাল এই চাওয়া গুলো। মন বড় রাখাই উচিত । কিন্তু এর পাশা পাশি আমরা যেটা ভুলে যাই যে, অনেক ছোট ছোট কাজেও কিন্তু সাফল্য এবং জীবনের সার্থকতা লুকিয়ে থাকে। আপনি প্রতিদিন নামাজ পড়ছেন ৫ বার । এটাও বড় সাফল্য । আপনি সত্য কথা বলার চেষ্টা করেন, এটাও সাফল্য । আপনি করো ক্ষতি করেন না। পরিবারের বিপদে আপদে পাশে থাকেন। রোজ একজন মানুষ কে খাওয়ান। আপনি ৯ টার অফিসে ৯ টায় হাজির হন, কাজে ফাঁকি দেন না। এসব কিছুই বিশাল সাফল্য । আমরা কেন জানি এসব ছোট ছোট কাজ কে সাফল্য মনে করি না। আমরা শুধু জীবনে ফাটায় ফেলতে চাই। এবং তা করতে যেয়ে জীবনকে অপ্রয়োজনে কষ্টকর করি। সবাইকে দিয়ে সব কাজ হয় না। আমি আপনি চাইলেই ইলন মাস্ক হতে পারবোনা । কিন্তু একজন ভালো মানুষ আমরা সবাই হতে পারব যাকে সমাজের কাজে লাগে। সমাজে ১০% মানুষ বড় কাজ করবে। আল্লাহ তাদের মেধা দিয়েছেন, ভালো পরিবার দিয়েছেন, সাহস দিয়েছেন - তারা জন্ম থেকেই কিছুটা আলাদা। কিন্তু বড় কাজ করতে পারছেন না মানে আপনি জীবনে সফল নয় - এটা ভাবা ঠিক নয়।...

নিকটবর্তী মানসিক রোগ

  ১. অস্বাভাবিক আচরণ ও কথাবার্তা ২. খাবারে ও পানিতে কিছু মেশানোর সন্দেহ ৩. ভাংচুর, সন্দেহ প্রবনতা ৪. গায়েবী কথা শোনা ৫. একা হাসা ও কথা বলা ৬. টেনশন, অস্থিরতা, উদ্বেগ, বিষন্নতা, হতাশা, একই চিন্তা ও কাজ বারে বারে করা ৭. খিটখিটে মেজাজ ৮. দীর্ঘমেয়াদী মাথাব্যথা, ঘাড় ও বুক সহ শরীরে বিভিন্ন স্থানে ব্যথা ও জ্বালাপোড়া মাথা ঘোরা, বুক ধরফর, হাত-পা ঝিনঝিন ৯. অজ্ঞান হয়ে যাওয়া, হিস্টিরিয়া, কথা বন্ধ ১০. অসামাজিক আচরণ মাদকাসক্তি সহিংসতা ও নিজের শরীরে আঘাত করা উপরের সমস্যাগুলোর যেকোন একটা হলে আপনি দ্রুত সময়ের মাঝে নিকটবর্তী মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন। ========================================= বিয়ের পর প্রত্যেক পুরুষের semen fluid analysis করা উচিত। ‌ এটা একটা বেসিক infertility টেস্ট যাতে দেখা হয় পুরুষ‌ মানুষটি বাবা হওয়ার যোগ্য কিনা। বিয়ের আগে করলে আরো ভালো। এটি করতে খরচ হয় স্থানভেদে মাত্র এক থেকে দেড় হাজার টাকা।সরকারি হাসপাতালে করলে ১০০ টাকায় করতে পারবেন। আমাদের দেশে কোন দম্পতির বাচ্চা না হলে এখনো অনেক জায়গায় মেয়েদেরকে ব্লেইম করা হয়। অনেক ক্ষেত্রেই সমস্যাটা থাকে ...