১. ঘুমানোর আগে তাহাজ্জুদ পড়ার নিয়ত করা।২. ঘুম থেকে উঠার পর দোয়া পড়া, মেসওয়াক করা। ৩. ওযুর করার পড়ে কালেমায়ে শাহাদাত পাঠ করা, ওযুর সময় মেসওয়াক করা। ৪. রাতে তাহাজ্জুদ নামাজ পড়া। কমকরে ২রাকাত। ৫. গোসল ফরজ হলে ফযরের আগে গোসল করা। ৬. আযান শোনা ও আযানের উত্তর দেওয়া। ৭.ফযরের সুন্নত ও ফরজ আদায় করা। নামাজ শেষে সুন্নত সকল দোয়া পড়া। ৮. সূর্যোদ্বয়ের আগে কোরআন তিলাওয়াত করা। ৯. সূর্যোদ্বয়ের পরে ইশরাকের নামাজ আদায় করা। ১০. প্রতিদিন সুন্নাত ও নফল নামাজ আদায় করা। ১১. আল্লাহর জিকির করা কাজে ফাকে ফাঁকে। যে সময় মুখের কাজ থাকে না, হাতে কাজ করছেন তখন জিকির করুন মনে মনে। ১২. সময়মতো ফযর, যোহর, আছর, মাগরিব ও এশার নামাজ আদায় করা, নামাজে যত্নশীল হওয়া। ধীরে ধীরে নামাজ আদায় করা। মনে রাখবেন নামাজে সময় দিচ্ছেন মানে আল্লাহকে সময় দিচ্ছেন। ১৩. প্রতি ফরয নামাজের পর আয়াতুল কুরসি, ৩ কুল পাঠ করা,, ৩৩বার সুবহানাল্লাহ, ৩৩বার আলহামদুলিল্লাহ, ৩৪বার আল্লাহুআকবার পড়া। ১৪.প্রতি সোম ও বৃহস্পতিবার সুন্নত রোজা রাখা। ১৫. প্রতি আরবি মাসে মাঝের তারিখে ১৪,১৫,১৬ তারিখ রোজা রাখা। ১৬. প্রতি শুক্রবার সূরা কাহাফ তিলাওয়াত করা, জামাতে নামাজ পড়া। ১৭. প্রতিদিন সূরা ওয়াকিয়াহ ও সূরা ইয়াসিন অর্থ বুঝে তিলাওয়াত করা। ১৮. প্রতিরাতে ঘুমানোর আগে সূরা মূলক ও সূরা বাক্কারার শেষ ২ আয়াত তিলাওয়াত করা। ১৯.প্রতিরাতে ঘুমানোর আগে ওযু করা, আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাওয়া। আর সবাইকে ক্ষমা করে দেওয়া। ২০. দিনে অন্তত ১০০বার ইস্তেগফার করা। *প্রতি দিন ১০ বার সূরা ইখলাস পড়ে জান্নাতে একটি প্রাসাদ তৈরি করবে। *"লা হাওলা ওয়ালাকুয়াতা ইল্লাবিল্লাহ" বেশি বেশি পড়বে। রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, "লা হাওলা ওয়ালাকুয়াতা ইল্লাবিল্লাহ" হলো জান্নাতের গুপ্তধন। *সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি সুবহানাল্লাহিল আযীম, বেশী বেশী পড়.! * আল্লাহর নাম গুলো মুখস্ত করা শুরু করবে, যে ব্যাক্তি আল্লাহর নামগুলো মুখস্ত করবে সে জান্নাতি! আল্লাহ সবাইকে হেদায়েত দান করুন এবং সবাইকে বেশি বেশি আমল করার তৌফিক দান করুন। আ-মীন.🤲
১. ঘুমানোর আগে তাহাজ্জুদ পড়ার নিয়ত করা।২. ঘুম থেকে উঠার পর দোয়া পড়া, মেসওয়াক করা। ৩. ওযুর করার পড়ে কালেমায়ে শাহাদাত পাঠ করা, ওযুর সময় মেসওয়াক করা। ৪. রাতে তাহাজ্জুদ নামাজ পড়া। কমকরে ২রাকাত। ৫. গোসল ফরজ হলে ফযরের আগে গোসল করা। ৬. আযান শোনা ও আযানের উত্তর দেওয়া। ৭.ফযরের সুন্নত ও ফরজ আদায় করা। নামাজ শেষে সুন্নত সকল দোয়া পড়া। ৮. সূর্যোদ্বয়ের আগে কোরআন তিলাওয়াত করা। ৯. সূর্যোদ্বয়ের পরে ইশরাকের নামাজ আদায় করা। ১০. প্রতিদিন সুন্নাত ও নফল নামাজ আদায় করা। ১১. আল্লাহর জিকির করা কাজে ফাকে ফাঁকে। যে সময় মুখের কাজ থাকে না, হাতে কাজ করছেন তখন জিকির করুন মনে মনে। ১২. সময়মতো ফযর, যোহর, আছর, মাগরিব ও এশার নামাজ আদায় করা, নামাজে যত্নশীল হওয়া। ধীরে ধীরে নামাজ আদায় করা। মনে রাখবেন নামাজে সময় দিচ্ছেন মানে আল্লাহকে সময় দিচ্ছেন। ১৩. প্রতি ফরয নামাজের পর আয়াতুল কুরসি, ৩ কুল পাঠ করা,, ৩৩বার সুবহানাল্লাহ, ৩৩বার আলহামদুলিল্লাহ, ৩৪বার আল্লাহুআকবার পড়া। ১৪.প্রতি সোম ও বৃহস্পতিবার সুন্নত রোজা রাখা। ১৫. প্রতি আরবি মাসে মাঝের তারিখে ১৪,১৫,১৬ তারিখ রোজা রাখা। ১৬. প্রতি শুক্রবার সূরা কাহাফ তিলাওয়াত করা, জামাতে নামাজ পড়া। ১৭. প্রতিদিন সূরা ওয়াকিয়াহ ও সূরা ইয়াসিন অর্থ বুঝে তিলাওয়াত করা। ১৮. প্রতিরাতে ঘুমানোর আগে সূরা মূলক ও সূরা বাক্কারার শেষ ২ আয়াত তিলাওয়াত করা। ১৯.প্রতিরাতে ঘুমানোর আগে ওযু করা, আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাওয়া। আর সবাইকে ক্ষমা করে দেওয়া। ২০. দিনে অন্তত ১০০বার ইস্তেগফার করা। *প্রতি দিন ১০ বার সূরা ইখলাস পড়ে জান্নাতে একটি প্রাসাদ তৈরি করবে। *"লা হাওলা ওয়ালাকুয়াতা ইল্লাবিল্লাহ" বেশি বেশি পড়বে। রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, "লা হাওলা ওয়ালাকুয়াতা ইল্লাবিল্লাহ" হলো জান্নাতের গুপ্তধন। *সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি সুবহানাল্লাহিল আযীম, বেশী বেশী পড়.! * আল্লাহর নাম গুলো মুখস্ত করা শুরু করবে, যে ব্যাক্তি আল্লাহর নামগুলো মুখস্ত করবে সে জান্নাতি! আল্লাহ সবাইকে হেদায়েত দান করুন এবং সবাইকে বেশি বেশি আমল করার তৌফিক দান করুন। আ-মীন.🤲

Comments
Post a Comment