স্বামী হচ্ছে এমন একজন মানুষ, যার সাথে রক্তের সম্পর্ক না থাকলেও, তার প্রাধান্য ইসলামে জন্মদাতা বাবারও আগে। একমাত্র তিনিই এমন একজন মানুষ, যার কাছে সবকিছুই শেয়ার করা যায়। যার কাছে কোনো গোপনীয়তার প্রয়োজন নেই। সর্বপ্রথম স্বামী স্ত্রীর সম্পর্ক এসেছে তারপর বাকিসব। স্বামী যতটা আপন, আবার স্বামী স্ত্রীর সম্পর্ক ততটাই ঠুনকো। রাগে হোক কিংবা হাসিঠাট্টায়, তিন তালাকেই সম্পর্কের শেষ। মুহুর্তেই হালাল থেকে হারামে পরিণত হয়ে যায়। অথচ রক্তের সম্পর্কে যত যাই হোক কখনো সম্পর্ক হারাম হয়না। সম্পর্কের আগে ‘এক্স' শব্দ টা যোগ হয়না। বাবা খারাপ হোক কিংবা মা, তারা সারাজীবন বাবা-মা-ই থাকে। পর হয়ে যায় না। পর হয় শুধু স্বামী স্ত্রীর সম্পর্ক। এই মহৎ সম্পর্কের যত্ন নিতে হয় সবচেয়ে বেশি। একটু ভুলে রাগের মাথায় যেন সম্পর্ক শেষ ‘না' হয়ে যায়। সম্পর্কের যত্ন নিন।যাকে ছাড়া ভালো থাকতে পারবেন না, তাকে রাগের মাথায় পর করে দিতে নেই। রাগ চলে গেলেও স্ত্রী একবার হারাম হয়ে গেলে সহজেই তাকে হালাল করা সম্ভব নয়। এই একটা সম্পর্কেই, যদি সম্পর্ক টা টিকে যায় তবে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত দুজন দুজনকে ছেড়ে যায় না। পাশে থেকে যায় সারাজীবন। সন্তান যতই আদরের হোক তারা ঠিকই একসময় নিজেদের সংসারে ব্যস্ত হয়ে যায়, সব সন্তান বাবা-মায়ের পাশে তাদের বৃদ্ধ বয়সে থাকতে পারে না। থেকে যায় স্বামী স্ত্রী ওই দুইজন মানুষই, একে অপরের পাশাপাশি। একটা বিষয় খেয়াল করুন।যাকে বেশি ভালোবাসবেন তার অল্প আঘাতে কষ্টও পাবেন বেশি। তেমনই স্বামী স্ত্রীর সম্পর্ক টা। যতটা আপন,ততটাই ঠুনকো! পার্থক্য টা হচ্ছে, দুজনার মধ্যকার বোঝাপড়ার, আর ধৈর্য, সহ্যের। এগুলো যাদের বেশি তাদের সম্পর্ক ততটাই মজবুত। শয়তান সবচেয়ে বেশি খুশি হয় স্বামী_স্ত্রীর মধ্যে বিচ্ছেদ ঘটাতে পারলে। আল্লাহ তায়া’লা যেন আমাদের সবাইকে সঠিক বুজ দান করেন আমিন🤲🥰

Comments
Post a Comment